Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

তরুণ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফেসবুক, ইউটিউ, গুগল ব্যবহার করে

নজরুল ইসলাম তোফা:: বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীতেই একটি আলোচিত বিষয় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার। এমন ব্যবহারে সফলতার দিক যেমন রয়েছে, ঠিক তেমনি ক্ষতির সম্মুখীনও হচ্ছে মানুষ। তরুণ প্রজন্মরা বাবা মাকে ধোঁকা দিয়ে ডুবে থাকছে নিজস্ব স্মার্টফোনের ফেসবুকে। স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসা ফাঁকি দিয়েই নির্জন স্থানে বা চায়ের দোকানে অথবা পছন্দ মতো কোনো পার্কের বসে স্মার্টফোনেই খেলছে গেমস বা ব্যবহার করছে ঘন্টার পর ঘন্টা ফেসবুক ও গুগল।
'ইউটিউব এবং গুগলে' আপত্তিকর ভিডিওতে তারা আসক্ত হয়ে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎও নষ্ট করছে। আসলে বিনা প্রয়োজনে অজস্র তরুণ প্রজন্মরা সময় নষ্ট ও আপত্তিকর ভিডিও দেখেই এক ধরনের উগ্রতা সৃষ্টি করে পারিবারিক কলহে জড়িয়ে পড়ছে। এতে করে লেখা পড়ার মারাত্মক ক্ষতির পাশাপাশি সামাজিক মূল্য বোধেরও অবক্ষয় ঘটছে বলা যায়। সৌখিনতা পূরণ করতে গিয়ে অভিভাবক যেন নিজ সন্তানদের হাতে অজান্তে তুলে দিচ্ছে স্মার্ট ফোন। কোমলমতি এই শিক্ষার্থীরা এমন তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারেই হারিয়ে ফেলছে সৃৃৃজনশীলতা এবং বাড়ছে উগ্রতা। বলতেই হয় যে, সারা বিশ্বের মানুষদের মাঝে বিভিন্ন প্রযুক্তি পণ্য ছড়িয়ে দিলেও তৈরী কৃত ব্যক্তির পরিবার এর ক্ষেত্রে এসবের ভূমিকাটা ছিলো একেবারেই উল্টো। তাদের উঠতি বয়সের সন্তান'রা কোনো ভাবেই যেন প্রযুক্তির সংস্পর্শে আসতে না পারে। সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করেছিল এই প্রযুক্তি বিশ্বের 'দুই দিকপাল'।২০১১ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেয়া একটি বৃহৎ সাক্ষাৎকারে স্টিভ জবস বলে ছিল, তাঁর সন্তানদের জন্য আইপ্যাড ব্যবহারে একেবারেই নিষিদ্ধ।

শহরের ছেলে-মেয়েদের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে তরুণ প্রজন্মের বহু ছেলেমেয়েরাও এখন মোবাইল ফোনে ফেসবুুক, ইউটিউব ও গুগলে প্রবেশ করে খুব মজা করছে। তবে এই মজার মধ্যে তারা শুধু যে সীমাবদ্ধ থাকছে তা নয়। তারা রাতদিন নেটে গেমস খেলছে। বলা যায় যে, এ মজার আনন্দ গ্রামের চেয়ে শহরেই অনেক বেশী। এক পর্যবেক্ষণে দেখা যায় যে গ্রামের তরুণ প্রজন্মের ছেলেরা সন্ধ্যায়, অন্ধকার পরিবেশে একটি নির্জন স্থানে জটলা হয়ে খুুব পাশাপাশি বসে নিজস্ব মোবাইলে গেম খেলার পাশা পাশি ফেসবুুক, ইউটিউব বা গুগলে কু-রুচি পূর্ণ ভিডিও চিত্র দেখেই যেন আনন্দ উপভোগ করছে। জানা দরকার যে এই দেশের মানুষদের সুযোগ সুবিধা জন্যে এ সরকার ৯ কোটির বেশিই ইন্টারনেট সংযোগ দিয়েছে। বর্তমান সরকারের তথ্য যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের হিসাবে ফেসবুক ব্যবহার করছে প্রায় ৩ কোটি মানুষ। এমন
ইন্টারনেট সংযোগে সকল জনগণকে সচেতন করে দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে কিন্তু দেখা যাচ্ছে তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা তা অপব্যবহার করে 'চিন্তা চেতনার অবক্ষয়' যেন নিজ থেকেই সৃষ্টি করছে। এই বাংলাদেশের সচেতন কিংবা অসচেতন ফেসবুক ব্যবহারকারীর শতকরা তিরানব্বই ভাগের বয়সই হচ্ছে ১৮ থেকে ৩৪ বছরের মধ্যে। সুুতরাং এ বিশাল জন গোষ্ঠী "ফেসবুকের সঙ্গে সম্পৃক্ত" হয়েই সামাজিক পরিবর্তন লক্ষ্য করাও যাচ্ছে। পক্ষান্তরে, এমন তরুণরা মিথ্যা গুজব এবং অপপ্রচার চালিয়ে অসচেতন জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। পড়া শোনাকে নষ্ট করে বিশাল এক তরুণ গোষ্ঠী ফেসবুকের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে এবং রাজনৈতিক চেতনার নামেই যেন ছোট বড় গোষ্ঠী সৃষ্টি করে সহিংসতার দিকে ধাবিত হচ্ছে।

বাবা-মা তাদের সন্তানদেরকে ভালোবাসে, সন্তানের ছোট বড় সৌখিন চাহিদাও পুুরণ করে থাকে। কিন্তু-ছেলেমেয়েদেরকে যেন সখের মোবাইল ফোন কিনে দিয়ে অজান্তে ভবিষ্যত নষ্ট করছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে এই ব্যাপারে কোনো ধরনের বিকল্প পথে সুযোগ রয়েছে কি নেই তা জানা নেই। তবে এই ব্যাপারে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বি টি আর সি) চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক বলেছে যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়ার জন্য বি টি আর সির কোনো সক্ষমতা নেই। তবে সরকার বা বিটিআরসি 'ফেসবুককে অনুরোধ' করতে পারে। ফেসবুক ব্যবসা করতে এই দেশে এসেছে। ফেসবুক কতৃৃপক্ষ বলেন যে ১৮ বছরের নিচের ছেলেমেয়েরা তাদের গ্রাহক। আবার ৬৫ বছরের সকল মানুষরাও একই ধরনের গ্রাহক। ফেসবুক কিন্তু সব অভিযোগ বিবেচনায় নিতে বাধ্য নয়। ফলে, প্রযুক্তিতে ভালোর চেয়ে দিনে দিনে খারাপের দিকেই যেন ঝুঁকে পড়ছে তরুণ প্রজন্ম। গবেষকদের এক সিদ্ধান্ত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন অতিমাত্রায় বিচরণের ফলে মাদকাসক্তির মতো খারাপ ফলাফল প্রকাশ পাচ্ছে।
অনৈতিক অবক্ষয় থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। কোমলমতী বহু ছেলে ও মেয়েদের আচার আচরণের পরিবর্তনও হচ্ছে। আবার এও দেখা যায় যে "হাতে মোবাইল পেয়ে" তারা ঠিক মতো বাসাতেই থাকতে চায় না। উড় উড় মন, লেখাপড়াতে মনযোগ দিতেই চায় না। পড়ার টেবিলে, ঘুমের ঘরে এমন কি খেতে বসেও ফোন চালাতে দেখা যায়। এক কথাতে আসি, যখনই তাদের দেখা যায়, ঠিক তখনই তাদের হাতে ফোন নামক যন্ত্রটি থাকা চাই। বয়ঃসন্ধি কালে পৌঁছার আগে ছেলে মেয়েরা যেন বহু নোংরা কাজে লিপ্ত হচ্ছে। মোবাইলে আসক্ত হয়েও তারাই প্রকাশ্য দিবালোকে অন্যদের মারপিট, খুন, গুম কিংবা ধর্ষণ করছে।

তরুণ প্রজন্মের সব ছেলেমেয়েরা তাদের মোবাইলে গেমের পাশা পাশি ইন্টারনেটেও অনেক বেশি সময় কাটাচ্ছে সেহেতু তাদের মস্তিষ্কেও নাকি রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটছে। এ আসক্তিতে তাদের মধ্যে হতাশা এবং উদ্বেগও সৃষ্টি হচ্ছে। এই বিষয়ের প্রতি অবজ্ঞা না করে তাদের প্রতি কঠিন দৃষ্ট দিতে হবে। সুতরাং-গ্রাম হোক আর শহরই হোক না কেন, বাবা মা এবং তাদের বড়দের উচিৎ ঘরে-বাহিরে তারা কি করছে। রাত্রি বেলা না ঘুমিয়ে গেম খেলছে কিনা। লেখাপড়া শেষ করে রাত ১০টায় ঘুমিয়ে পড়ত যারা তারা রাত ১২টা বা এক টাতেও ঘুমাতে যায় না। ঘুমানোর ঘরে বালিশের নিচেই রাখে ফোন। সারাক্ষণই ফোন আর ফোন। গবেষকদের গবেষণায় জানা যায় যে, ঘুমের আগেই মোবাইলের 'ডিসপ্লের আলোক রশ্মি' ঘুমের হরমোনকে নাকি অনেক বাধা সৃষ্টি করে থাকে৷ তাই মা বাবাদের প্রতি গবেষকদের পরামর্শ হলো:- ঘুমের আগে যদি সন্তানকে এই ধরনের প্রযুক্তির সংস্পর্শে আসতে দেওয়া হয় তা হলে খুব ক্ষতি হবে। অবশ্যই সন্তানদেরকে 'অহেতুক অথবা অকারণে' এ ধরনের ইলেকট্রোনিক্স যন্ত্র ব্যবহারে বাধা দেওয়া প্রয়োজন। ঘুম না হলে অসুস্থভাবে বেড়ে ওঠা সকল কমলমতি তরুণ তরুণীদের বহু ক্ষতি হয়। পরিপূর্ণ ঘুম না হলে যে তাদের অমূল্য সম্পদ 'স্মৃতি শক্তির স্বাভাবিকতা' বিনষ্ট হবে। সুতরাং সঠিক সময়েই যথাযত কাজের সমন্বয়েই সন্তানদের গড়ে তোলা দরকার।

জানা যায় যে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, ১৩ বছরের নিচে "ফেসবুক আইডি" খুলতে পারবে না। কিন্তু এই চোতুর ছেলে মেয়েরা বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনদের ভোটার আইডি দিয়ে 'মোবাইল সিম' ক্রয় করে নিজ বয়স বাড়িয়ে ফেসবুক আইডিও খুলে ফেলছে। '১৮ বছর' বয়সের নিচে ৬৫ ভাগ ছেলেমেয়েরা ফেসবুক ব্যবহার করছে। ব্যবহারের ক্ষেত্রে এ সব 'মুঠোফোন বা ইলেকট্রোনিক্স' যন্ত্রের মতো- বহু বদঅভ্যাসকেই চিহ্নিত করে তাকে পরিহার করতে হবে। বাংলাদেশ সরকার চাইলে ফেসবুকের মতো জনপ্রিয় ব্রাউজার তৈরি করে সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। অবশ্যই বিটিআরসি ইচ্ছা করলে এ ফেসবুকের ওপরে বয়স ভেরিফিকেশন করতে পারে। এই দেশের সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধ করে ভবিষ্যত প্রজন্মকেই ভালো জায়গায় পৌঁছাতে হবে। সুতরাং বাংলাদেশ সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করে 'চীনের মতো ব্রাউজার' তৈরি করে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বলেই মনে করছেন আইসিটি বিশেষজ্ঞরা। এই ব্যাপারে আমাদের দেশে তেমন কোনও গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেই বলেই জানান আইসিটি বিশেষজ্ঞরা। আরও বলেন যে:- ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব-সহ বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি আসার আগে সেটি সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা দেয়া হচ্ছে না তরুণদের। ভারত রাষ্ট্রের 'তথ্য ডিজিটাল নিরাপত্তা' নিশ্চিত করণেই সরকারি অফিসে বসে 'কম্পিউটার এবং মোবাইল ফোনে' সোশ্যাল মিডিয়ার- ফেসবুক, টুইটার ও হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে । পাশাপাশি তারা গুগল ড্রাইভ ও ইউএসবি ড্রাইভ ব্যবহারও সীমিত করা হয়েছে। ভারত জুড়েই সাইবার অপরাধ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতেই যেন তাদের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাই বাংলাদেশের সরকার চাইলে ভারতের মতো এদেশেও আইন করে 'সমাজ কিংবা কালচার' রক্ষায় ফেসবুক, গুগল, ইউটিউব কিংবা টিকটকের মতো অনেক কিছুকেই নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।

আলিম পরীক্ষার ফলাফলে মাদ্রাসা বোর্ডের শীর্ষ স্থান অর্জনে এবারও ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদ্রাসা

রিপোর্ট : ইমাম বিমান: বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষা ২০১৯ এর প্রকাশিত ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতি বছরের ন্যয় ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদরাসা এবারও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে । 

১৭ জুলাই দেশের মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষাবোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আধীনে  ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত আলিম পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হলে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ বছরও শীর্ষ স্থান অধিকারী এ প্রতিষ্ঠান থেকে ২০৬ জন অংশগ্রহণ করে ২০৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন সেই সাথে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯১ জন।

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় শীর্ষ স্থান দখলকারী এ প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মাওলানা আবু জাফর মুহাম্মদ ছালেহ জানান, উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা আযিযুর রহমান নেছারাবাদী কায়েদ সাহেব হুজুর ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন।
সাড়ে ৫ হাজার ছাত্রের পদচারণায় মুখরিত এ মাদরাসাটি দাখিল, আলিম, ফাজিল, কামিল (হাদিস, তাফসীর, ফিকহ ও আদব) পরীক্ষার ফলাফলে মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে দেশের শীর্ষ স্থান অর্জনকারী অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। তাই আজ মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও আমিরুল মুছলিহীন মাওলানা মুহাম্মদ খলিলুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় একটি অরাজনৈতিক শিক্ষাঙ্গন, সেমিস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণ ও শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করায় এ সন্তোষজনক ফলাফল লাভ করা সম্ভব হয়েছে বলে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

ঝালকাঠির নলছিটিতে দরিদ্রদের মাঝে ঢেউটিন ও চেক বিতরণ

রিপোর্ট : ইমাম বিমান: ঝালকাঠি জেলার নলছিটিতে দরিদ্রদের মাঝে ঢেউটিন ও চেক বিতরণ করলেন  ঝালকাঠি-২ আসনের সাংসদ, সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য আলহাজ আমির হোসেন আমু। 

১৭জুলাই বুধবার বিকেলে নলছিটি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নির্বাহী অফিসার রুম্পা সিকদার'র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি তার বক্তব্যে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন । অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথি দরিদ্রের মাঝে টিন ও চেক প্রদান করেন। এ সময় তিনি দরিদ্র ৫৯ পরিবারের মাঝে ৬৩ বান ঢেউটিন ও ৩ হাজার টাকার চেক বিতরণ সহ তার নিজ ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১৫ জনের মাঝে ৯৭ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন। 

অনুষ্ঠানে একাডেমিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ বদরুল আমীনের সঞ্চালনায়
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মোহাম্মদ শাহ আলম, সহ সভাপতি ও নলছিটি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা তসলিম উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ ।

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় একাধিক মাদক মালার আসামী রাব্বী সহ আটক ২, ১০পিস ইয়াবা, নগদ অর্থ ও মটর সাইকেল জব্দ

রিপোর্ট : ইমাম বিমান: ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে একাধিক মাদক মামলার আসামী চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রাব্বী ও তার সহযোগী আটক। ১৭জুলাই বিকেলে উপজেলার উত্তর আউড়া গ্রামের রাস্তায় অবস্থান করে মাদক বিক্রির সময় তাদেরকে আটক করা হয়। 

এ বিষয় কাঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  (ওসি) মো: এনামুল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার উত্তর আউড়া এলাকায় মাদক বিক্রর সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত), সঙ্গীয় অফিসার  সহ ফোর্সেদের নিয়ে উপজেলার উত্তর আউড়া এলাকায় মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করি। এ সময় উত্তর আউরা সাকিনস্থ সড়কে
অবস্থান করে ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয় কালে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও একাধিক মাদক মামলার আসামী গোলাম রাব্বী সৈকত আকন (২০) ও তার সহযোগী আজিম হোসেন (১৯) আটক করি। আটকের পর তাদের দেহ তল্লাশি করে তাদের কাছ থেকে ১০পিস ইয়াবা, নগদ ১৮ হাজার টাকা ও তাদের মাদক ব্যবসায় ব্যবহারিত মটর সাইকেল উদ্ধার করি। 

আটককৃত গোলাম রাব্বী সৈকত আকন (২০) উত্তর আউড়া গ্রামের শাহ জালাল আকন ছেলে অপরদিকে সহযোগী আজিম হোসেন (১৯) একই গ্রামের হারুনের ছেলে বলে জানতে পারি। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সটি উদ্বোধনের দাবী জানাচ্ছে উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা পরিবার

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা,যুদ্ধাহত এবং তাদের সন্তানদের কল্যানে নির্মিত শার্শা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সটি এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় তিনতলা ভবনের এই নতুন উদ্বোধনের কারনে ভবনটিতে অফিস কার্যক্রম শুরু করা যাচ্ছে না। ব্যায়বহুল এই ভবনটি বেনাপোল রেলস্টেশন সংলগ্ন পাশর্^বর্তী জায়গায় অবস্থিত। ভবনটি’র সম্মুখভাগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ম্যূরাল রয়েছে। এলাকার মানুষের প্রানের দাবী মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সটি অচিরেই উদ্বোধন করে কার্যক্রম শুরু করা হউক। এব্যাপারে অত্র উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের পক্ষথেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী মহোদয়ের নিকট ভবনটি উদ্বোধনের জোর দাবী জানাচ্ছে।

বুুধবার “বেনাপোল এক্সপ্রেস” ট্রেনটি উদ্বোধনে উপস্থিত হওয়া সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে মোফাজ্জেল হোসেন বাবলু-সহকারী কমান্ডার,যশোর জেলা কমান্ডার,মোজাফফর হোসেন-সাবেক কামন্ডার,শার্শা উপজেলা কমান্ড মোঃ নাসির উদ্দীন-সহকারী কামন্ডার,শার্শা উপজেলা কমান্ড,শাহ আলম-কমান্ডার,বেনাপোল পৌর কমান্ড,ফারুক হোসেন উজ্জল-সমাজ কল্যান সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান,কমান্ড, যশোর জেলা কমান্ড,মেয়াদ আলী-আহবায়ক-মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,সন্তান কমান্ড বেনাপোল পৌর কমান্ড,মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যানে নির্মিত ভবনটি’র কার্যক্রমের ব্যাপারে নিজেদের স্বপক্ষের কথা তুলে ধরেন। তারা এও বলেন, দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর “বেনাপোল” দেশের অতি গুরুত্বপুর্ন অর্থনৈতিক বন্দর এটি। বন্দর ঘিরে হাজার হাজার লোকের বসবাস এখানে যে কোন চিকিৎসা সেবা নিতে পাশর্^বর্তী থানা শার্শা থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়অ অসুস্থ রুগীর সেবা নিতে গিয়ে অনেক সময় রুগীর মৃত্যুর কারন হয়ে দাড়ায়। মুক্তিযোদ্ধাদের দাবী বেনাপোল একটি সরকারি হাসপাতাল নির্মান করা হউক এবং হাসপাতালটি মুক্তিযোদ্ধা করিম জেনারেল হাসপাতাল নামে হাসপাতালটি নির্মানের জোর দাবী জানানো হয়।

যশোরের শার্শা উপজেলায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি:
"মৎস্য সেক্টরের সমৃদ্ধি ,সুনীল অর্থনীতি অগ্রগতি" এই প্রতিপাদ্য দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার ১৮ই জুলাই সকালে শার্শা উপজেলায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত হয়েছে। শার্শা উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে সকালে উপজেলা পরিষদ চত্তরে থেকে একটি র‌্যালি শার্শা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করেন।

র‌্যালি শেষে উপজেলা পুকুরে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়। পরে উপজেলা কমপ্লেক্স অডিটেরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহি অফিসার পূলক কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর-১,শার্শা আসনের সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন,উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু। অনুষ্ঠানের শুরু“তেই শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শার্শা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আবুল হাসান।

এ সময় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, মৎস্য চাষী মফিজুর রহমান ও নসীব উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাহিদুর রহমান, শার্শা থানার ওসি মশিউর রহমান,সহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মৎস্য চাষী ও ইউপি চেয়ারম্যানগন,যশোর জেলা পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget