Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর) প্রতিনিধি: মৎস উৎপাদনে জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত হওয়ায় গণসংবর্ধনায় সম্বর্ধিত হলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৮৫,যশোর ১ শার্শা আসনের এমপি আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দিন।
অতিতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে বিশাল এই গণসংবর্ধনার আয়োজন করেন শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগ। দুর-দুরান্ত থেকে আগত হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে স্থানীয় বেনাপোল বলফিল্ড চত্তরঘিরে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।


বৃহস্পতিবার বিকাল ৩.০০ টায় অনুষ্ঠান শুরুর আগে থেকেই শার্শা উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মীরা অনুষ্ঠান স্থলে ভীড় জমাতে শুরু করে। বলফিল্ড চত্তরঘিরে কানায় কানায় পরীপুর্ণ হয়ে ওঠে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে। সুধু আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরাই নয় শেখ আফিল উদ্দিনকে এক নজর দেখবার জন্য উৎসুক সকল শ্রেনী পেশার মানুষের ঢল নামে সেখানে। এক দিকে সংবর্ধনা অন্য দিকে জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধুর হত্যার শোক দিবসটির কথা মাথায় রেখে পুরো অনুষ্ঠানটি আনন্দ এবং শোকের মধ্য দিয়ে সাজানো হয়েছে। সংবর্ধনার পাশাপাশি শোক নিয়ে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগ কর্তৃক আয়োজিত বিশাল এই জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইফ আ,স,ম ফিরোজ এম,পি। বিশেষ অতিথি হিসেবেক উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের ৮৬,যশোর-২(ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের এম,পি এ্যাড,মনিরুল ইসলাম। বেনাপোল বলফিল্ডে উনমুক্ত বিশাল জনসভার এই মঞ্চে সভাপতিত্ব করেন শার্শা উপজেলার আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান,বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিনের সহধর্মীনি,উপজেলা আওয়ালীগ সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান।
আরো উপস্থিত ছিলেন, ১১টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গণ,ছাত্রলীগ,যুবলীগ,সেচ্ছাসেবকলীগ,বাস্তহারালীগ,মহিলালীগ সহ অন্যান্য নেত্রী বর্গ।


পবিত্র কোরআন তেলওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু করা হয়। এর পরে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। অতিথিদেরকে সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোল সহ ৫০টিরও বেশি সরকারী বেসরকারী সঙ্গগঠনের পক্ষথেকে ক্রেষ্ট উপহার দেওয়া হয় শেখ আফিল উদ্দিনকে।


ক্রেষ্ট প্রদান পর্ব শেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি তার স্বাগতিক বক্তব্যে তুলে ধরেন।স্বাগতিক বক্তব্যের উপর একে একে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সকল সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেত্রী বৃন্দ ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গণ। বিশেষ অতিথিগনের উপর সব শেষে প্রধান অতিথি আ,স,ম ফিরোজ বলেন শেখ আফিল উদ্দিনকে আগামীদিনে জননেত্রী মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আরও একবার শার্শা মানুষের নৌকায় ভোট চান। উপস্থিত হাজার হাজার শার্শা উপজেলা মানুষের কাছে এর জন্য দোয়া চেয়ে আগামী ২০১৮ এর নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য সকলের প্রতি দাবী জানান।

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ পৌরসভায় ডিজিটাল হোল্ডিং নম্বর প্লেট প্রদানের লক্ষ্যে পৌরবাসীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গত দুই মাস থেকে এ কাজটি করছেন গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বেসরকারী সংস্থা ‘সামাজিক অগ্রগতি ও পূর্ণবাসন কর্মসূচী (সার্প)’। এ সংস্থার ১২ জন মাঠকর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের নামে পৌরবাসীর নিকট থেকে অর্থ আদায় করছে অভিযোগ উঠেছে। তবে পৌর মেয়র বলছেন, ডিজিটাল হোল্ডিং নম্বর প্লেট না, পৌরবাসীদের তথ্য সংগ্রহ এবং কর আদায় করা হচ্ছে।নওগাঁয় ডিজিটাল হোল্ডিং নম্বর প্লেট প্রদানে পৌরবাসীর নিকট থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ
নওগাঁ পৌরসভা এ্যাসেসমেন্ট শাখা সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ড। এখানে বাড়ি এবং দোকানের মোট সংখ্যা ২৬ হাজার ৩৪ টি। এর মধ্যে বাড়ি ২৫ হাজার চারটি এবং দোকানের সংখ্যা ১ হাজার ২৭টি।
স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো: মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত ০৯/০১/২০১৮ ইং তারিখের এক স্মারক থেকে জানা যায়- স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এ কোন বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে অর্থাৎ ‘ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রতিটি গ্রামে কর (ট্যাক্স) সংগ্রহ ও আদায়ের লক্ষ্যে বাড়ী বাড়ী ডিজিটাল হোল্ডিং এ্যাসেসমেন্ট ও নাম্বার প্লেট প্রদানের কোন সুযোগ নেই।’ তবে পৌরসভা বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে কর আদায় করতে পারবে কিনা, তার সুস্পষ্ট ব্যাখা স্মারকে নেই।
জানা গেছে, গত দুই মাস থেকে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে বেসরকারি সংস্থা সার্প এর ১২ জন মাঠকর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন। পৌরসভার সিল মোহরকৃত রশিদের মাধ্যমে পাকা বাড়ীর ক্ষেত্রে ১শ’ টাকা এবং টিন কিংবা বেড়ার বাড়ীর ক্ষেত্রে ৭০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। রশিদে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা লিখা থাকলেও জোর পূর্বক বেশি টাকা আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া এখন এ রশিদ কাটা না হলে পরবর্তিতে আরো বেশি টাকা দিয়ে রশিদ নিতে হবে বলেও ভয় দেখানো হয় বলে অনেকেই অভিযোগ করেন। পৌরসভার মধ্যে কোন বাড়ি করতে হলে অনুমতি নিতে হয়। সেখান থেকে বাড়ির হোল্ডিং নাম্বার, ওয়ার্ড ও পাড়া/মহল্লার নাম থাকে এবং সেটি টিনের প্লেটে লিখ থাকে। তবে এটি তেমন কোন কাজে আসে না। বর্তমানে ডিজিটাল হোল্ডিং নাম্বার প্লেটের নামে সম্পূর্ণরূপে নাগরিকদের সাথে প্রতারণা ও বাড়তি কিছু টাকা আদায়ের কৌশল বলেও পৌরবাসীর অভিযোগ।
সার্প এর মাঠ মাঠকর্মী রাজিব, মজিদুল ইসলাম, নাঈম ইসলাম ও দিলীপ কুমার বলেন, ‘ডিজিটাল হোল্ডিং নম্বর প্লেট প্রদানের লক্ষে হোল্ডিং নম্বর, বাড়ীর মালিকের নাম, পিতার নাম, পাড়া এবং ওয়ার্ডের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর বিনিময়ে নওগাঁ পৌরসভার সিল মোহরকৃত রশিদের মাধ্যমে পাকা বাড়ী হলে ১শ’ টাকা ও টিন কিংবা বেড়ার বাড়ীর ক্ষেত্রে ৭০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। এখন ১শ’ টাকার বিনিময়ে হোল্ডিং/দোকান নম্বর প্লেট সংগ্রহ না করলে পরবর্তীতে ৫শ’ টাকা বা তারও অধিক টাকার বিনিময়ে সংগ্রহ করতে হবে। ডিজিটাল হোল্ডিং নম্বর প্লেট প্রদানে লক্ষে গ্রাহক পর্যায় হতে আহরিত টাকার ৭০ শতাংশ পৌর কর্তৃপক্ষ (মেয়র, কাউন্সিলর ও অন্যান্যরা) এবং বাকী ৩০ শতাংশ বেসরকারি সংস্থা (সার্প) পাবে।
৬নং ওয়ার্ডের চকপ্রসাদ মহল্লার বাসীন্দা ইয়াসিন আহম্মেদ বলেন, গত ১০দিন আগে পৌরসভা থেকে লোক এসে তার আধাপাকা বাড়ির জন্য ৭০ টাকা নিয়ে গেছে। প্রথমে সন্দেহ হয়েছিল তবে ছাপানো রশিদ দেয়ায় টাকা দিয়েছি। হোল্ডিং নাম্বারে আগেও কখনো সুবিধা পেতাম না। ডিজিটাল নাম্বার প্লেট হলেও হয়তো কোন সুবিধা পাব না বলে মনে করেন তিনি।
৭নং ওয়ার্ডের চক-আবদাল মহল্লার বাসীন্দা আব্দুল লতিফ বলেন, গত ১২দিন আগে পৌরসভার লোক এসে আমার স্ত্রীর কাছ থেকে আধাপাকা বাড়ীর জন্য ১০০ টাকা নিয়ে গেছে। তবে ছাপানো ৭০ টাকার রশিদ দিয়ে গেছে। এখন টাকা না দিলে পরবর্তীতে ১ হাজার ২শ’ টাকা দিতে হবে বলে ভয় দেখানো হয়। এজন্য স্ত্রী ভয় পেয়ে টাকা দিয়েছে।
১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এসএম রাশিদুল আলম সাজু বলেন, হোল্ডিং/দোকান নম্বর প্লেট প্রদানের লক্ষে এনজিও থেকে যারা টাকা উত্তোলন করছেন প্রথম প্রথম রশিদে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা লিখা থাকলেও বেশি টাকা নিয়েছেন। বিষয়টি জানার পর তাদেরকে রশিদের যে টাকা লিখা আছে সে পরিমাণ টাকা নিতে বলা হয়। এরপর থেকে ঠিক হয়ে গেছে।
সার্প এর নির্বাহী পরিচালক মশিউর রহমান (রিপন) বলেন, আমরা ছয় মাসের প্রস্তুতি নিয়ে এসেছি। ডিজিটাল হোল্ডিং এর নাম্বার প্লেট দেয়ার নামে গত দুই মাস থেকে রশিদের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে। পৌর কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে এ কাজটি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ছয়টি ওয়ার্ডের কাজ শেষ হয়েছে। আরো কয়েকমাস সময় লাগবে। চায়না গ্যালভানাইজিং সিটে ডিজিটাল হোল্ডিং টি তৈরী হবে এবং কিছুদিনের মধ্যে এটি বিতরণ করা হবে। এতে প্রায় ৫০/৬০ টাকা খরচ হবে। তবে বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগটি ভিত্তিহীন। যেখানে রশিদের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে।
নওগাঁ পৌরসভা মেয়র নজমুল হক সনি বলেন, পৌরসভায় কর্মচারীরা পৌরবাসীর দোরগোড়ায় গিয়ে সম্পূর্ন তথ্য সংগ্রহ করতে পারেনা। এতে অনেক কর (ট্যাক্স) আদায় করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়না। কিন্তু এনজিও’র লোকজন তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এ কাজটা সম্পূর্ন করতে পারেন। আশা করছি এতে কর আদায়ে আর সমস্যা থাকবেনা এবং বেশি পরিমাণ কর আদায় হবে। আমাদের মাসিক মিটিংয়ে সর্ব সম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ইতোপূর্বে ৪/৫ টি এনজিও আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছিল। তাদের মধ্যে সার্প এর হার (রেট) কিছুটা কম থাকায় তাদেরকে এ কাজটা দেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, স্থানীয় সরকার থেকে পৌরসভার কর আদায়ে কোন বিধি নির্ষেধ নেই। এ নিয়ে আমরা পৌর পরিষদের একটি রেজুলেশন স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় বরাবর পাঠিয়েছি। সেখান থেকে যদি নিষেধ করা হয়, তাহলে কর আদায় বন্ধ করা হবে।

নওগাঁ মান্দা প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় উপজেলা পরিষদের আয়োজনে উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্পের সহায়তায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের বাস্তবায়নে এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জাপান ইন্টান্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকার) অর্থায়নে ৫দিনব্যাপী কম্পিউটার (আইসিটি) বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়েছে।


গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় উপজেলা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ সংস্থান কেন্দ্রে (ইউআইটিআরসিই) প্রথম ব্যাচ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুস সালাম।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুর রশিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম হাবিবুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এস এম আহসান হাবিব। অন্যান্যের মধ্যে কোর্স সমন্বয়কারী ও জাইকা প্রতিনিধি এমরান হোসেন, উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পবিত্র কুমার, প্রতিষ্ঠান তত্ত¡বধায়ক (একাডেমিক সুপারভাইজার) আবদুল লতিফ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন ।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় মাষ্টার ট্রেইনার হিসেবে ছিলেন মোঃ এস্কেন্দার আলী, আবদুল মান্নান, দিলিপ কুমার।


উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী/ নিæমান সহকারীগণের কম্পিউটার (আইসিটি)বিষয়ক প্রশিক্ষণে ২০জন করে ৪ ব্যাচে মোট ৮০জন অংশ গ্রহণ করছে।

আবু রায়হান রাসেল, নওগাঁ: নওগাঁর আত্রাইয়ে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি জাতীয় বৃক্ষ রোপন অভিজান ২০১৮ পালন করা হয়েছে। আত্রাই উপজেলার আত্রাই পল্লীসেবা সংস্থা, কাশিয়াবাড়ী, আত্রাই, নওগাঁ, এর উদ্যোগে বলরামচক ইসরাফিল আলম গুচ্ছগ্রামের প্রত্যেকটি সুবিধা ভোগী পরিবারের মাঝে একটি করে উন্নতমানের নারিকেলের চারা বিতরণ করা হয়। এই সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২নং ভুপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ৬নং ওয়াডের মেম্বার স্বপন কুমার সাহা, বিশেষ অতিথি ছিলেন মোছা: শেফালী খাতুন, মেম্বার (৪, ৫ ও ৬নং ওয়াড)। এসময় আত্রাই পল্লীসেবা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক বলেন সামনে বলরামচক ইসরাফিল আলম গুচ্ছ গ্রামের প্রত্যেককে এ বেসরকারি সংস্থা হতে সার্বিক সুবিধা প্রদান করা হবে। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আত্রাই পল্লীসেবা সংস্থার সভাপতি মো: মাহবুব আলম লিটন, সহ-সভাপতি তাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আ: সামাদ, নির্বাহী পরিচালক মো: জামাল উদ্দিন, কার্য্য নির্বাহী সদস্য ওমর ফারুক, সাখাওয়াত হোসেন, এনামুল হক, ২নং ভুপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ওহিদুর রহমান প্রমুখ।

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার সাব-রেজিষ্ট্রী অফিসে এসএসসি পাস না করে তৈরি করা (জাল) সার্টিফিকেট দিয়ে দলিল লেখকের লাইসেন্স করে দীর্ঘদিন যাবৎ দলিল লেখার কার্যক্রম চালিয়ে আসছে সাতজন দলিল লেখক। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ভাবে তাদের কাগজপত্র ৩দিনের মধ্যে যাচাই-বাচাই করার জন্য জেলা রেজিষ্ট্রার নির্দেশ প্রদান করলেও এখনো সেই তদন্ত সম্পন্ন করতে পারেননি রাণীনগরে কর্মরত সাব-রেজিষ্ট্রার।
অফিস সূত্রে জানা, গত ২৬জুলাই ৪৭২ স্মরক নম্বরযুক্ত একটি নির্দেশনামায় নওগাঁ জেলা রেজিষ্ট্রার রাণীনগর উপজেলায় কর্মরত সাব-রেজিষ্ট্রার বরাবর রাণীনগর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে কর্মরত অভিযুক্ত দলিল লেখক ৯২ নং সনদধারী মো: রুহুল আমীন, ৮৭ নং সনদধারী মো: সাদেকুল ইসলাম সেলিম, ৭৩ নং সনদধারী মো: মিরাজুল ইসলাম, ৮৫ নং সনদধারী মো: ইলিয়াস, ৭৫ নং সনদধারী মো: এরশাদ আলী, ৯৮ নং সনদধারী মো: আব্দুল মতিন ও ৮৬ নং সনদধারী মো: রুঞ্জু হোসেনেরসহ মোট ৭ জনের শিক্ষাসনদসহ সকল কাগজপত্রাদি জমা নিয়ে যাচাই-বাচাই করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু নির্দেশ পাওয়ার এক সপ্তাহ পার হলেও এখনো সেই সব দলিল লেখদের বিরুদ্ধে যাচাই-বাচাই সম্পন্ন করতে পারেননি কর্মরত সাব-রেজিষ্ট্রার মো: ইসমাইল হোসেন। অভিযুক্ত দলিল লেখদের বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করার কারণে যাচাই-বাচাইয়ের কাজ ধীরগতিতে করা হচ্ছে বলে অনেকের অভিযোগ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক দলিল লেখক ও স্থানীয়রা জানান, এই সব ভুয়া দলিল লেখকরা জাল কাগজপত্র দিয়ে সনদপত্র বের করে অবৈধ ভাবে দলিল লেখার কাজ করে আসছে। এতে করে অনেক নিরীহ মানুষ প্রতারিত হয়েছে। এদের কারণে এই পবিত্র রেজিষ্ট্রি অফিসের মান অনেক ক্ষুন্ন হয়েছে। স্থানীয় ও তারা এই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত ব্যবস্থা চান।
এব্যাপারে রাণীনগর সাব-রেজিষ্ট্রার মো: ইসমাইল হোসেন বলেন, নির্দেশনামা পাওয়ার পর আমি অভিযুক্ত সাতজন দলিল লেখকে তাদের সকল কাগজপত্রাদি জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করি। কিন্তু সবাই কাগজপত্র জমা দিলেও রুহুল আমীন নামের দলিল লেখক এখনও পর্যন্ত কোন প্রকারের কাগজপত্রাদি আমার কাছে জমা দেয় নাই। রুহুল আমীনের কারণে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আগামী সপ্তাহের মধ্যে আমি জেলা রেজিষ্ট্রার বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবো। এই বিলম্ব হওয়ার কারণে আমি জেলা রেজিষ্ট্রারের কাছ থেকে আরও কিছুদিন সময় চেয়ে নিয়েছি।

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর মান্দায় পুকুরের পানিতে ডুবে মাজেদা বেগম (৫৫) এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার প্রসাদপুর ইউপি’র প্রসাদপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। তিনি একই গ্রামের জসিম উদ্দিন মন্ডলের স্ত্রী। ঘটনায় ঐ পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনার দিন বেলা ১০টার দিকে নিজ বাড়ির পশ্চিম পার্শে নুর বক্স মন্ডলের একটি পুকুরে কাপড় কাচতে ও গোসল করতে যান। এক সময় তিনি ওই পুকুরে তলিয়ে যান। পরে বেলা ১২টার দিকে তার লাশ পুকুরের পানিতে ভেসে ওঠে। এ সময় জামিনুল ইসলাম সিয়াম নামে এক স্কুল ছাত্র তার লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে স্থানীয়রা গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget