Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 630 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 2 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4823 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3454 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2824 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 86 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 104 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ সদর থানা পুলিশের দুঃসাহসিক অভিযানে গাঁজা ও হেরোইনসহ কূখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম লিটন(৪০) কে আটক করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার কির্ত্তীপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক শহিদুল ইসলাম লিটন সদর উপজেলার মাগুরা ফকিরপাড়া গ্রামের কায়েমুদ্দীনের ছেলে।


নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস.আই ইব্রাহিম হোসেন সঙ্গীয়ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে লিটন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ পিছন থেকে তাকে ধাওয়া করে পাইকপাড়ার গাঁজা ব্যবসায়ী জয়নালের বাড়ীর সামনে গিয়ে তাকে আটক করে। এসময় লিটনের নিকট থেকে ২৫০ গ্রাম গাঁজা ও ৬ গ্রাম হেরোইনসহ তাকে আটক করা হয়। আটকৃতের বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

সুকুমল কুমার প্রামানিক, রাণীনগর (নওগাঁ): আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে সবাই কেনাকাটায় আর জমে উঠেছে নওগাঁর রাণীনগরের বিভিন্ন এলাকায় ঈদ বাজার। এবার ক্রেতাদেরকে একটু আগে থেকেই ঈদের কেনাকাটা করতে দেখা যাচ্ছে। এর কারণ হিসাবে অনেক ক্রেতারা জানায়, ঈদের কেনাকাটা তো কম বেশি করতেই হবে তাই প্রথমেই দেখেশুনে কেনার সময় বেশ ভালো পাওয়া যায়। তাই একটু আগে থেকেই সচেতন ক্রেতারা কেনাকাটা শুরু করেছেন।


বর্তমানে রাণীনগরের প্রতিটি মার্কেট ও বিপণী বিতান গুলোতে দেখা গেছে ঈদের আমেজ। সব দোকানেই ক্রেতার সমাগম লক্ষ্য করা গেছে। পাশাপাশি আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে দর্জিপাড়ার কারিগররা। অনেকেই আবার ঈদের কেনাকাটার ভিড় জমার আগেই দর্জির দোকান গুলোতে পছন্দমতো কাপড় কিনে তৈরি করতে দিচ্ছেন বিভিন্ন পোশাক।


রাতভর সেলাই মেশিনের শব্দে সমাগম হয়ে থাকছে টেইলার্স পট্টিগুলো। কিছু কিছু টেইর্লাসের দোকানে সাইনবোর্ড ঝুলছে ‘ঈদের শেষ আটদিন কোনো অর্ডার নেয়া হবে না’। ছোট থেকে শুরু করে ভিআইপি দোকানের কারিগররা এখন দিনরাত ব্যস্ত। দম ফেলার সময় নেই তাদের। তবে গতবারের চেয়ে এবার প্রতিটি কাপড়ের দোকান গুলোতে দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। এছাড়া শাড়ির দোকান গুলোতেও রয়েছে সমান ভিড়। শাড়ি ও তার সাথে ম্যাচ করে অন্যান্য জিনিসপত্র কেনার জন্য সবাই এখন ব্যস্ত।


এবারে ঈদে বিভিন্ন মেগা সিরিয়ালে নায়িকাদের পরিহিত পোশাকের নামের পোশাক গুলোর চাহিদা তরুণীরা বেশি ক্রয় করছে বলে বিভিন্ন দোকানীরা জানান। সবাই এই ঈদে দেশি-বিদেশি কাপড় কেনায় বেশি ব্যস্ত। এলাকার বিভিন্ন কাপড়ের দোকানে দেখা গেছে, দেশি-বিদেশি থ্রি পিস কেনার জন্য মেয়েদের উপচেপড়া ভিড়।


অপরদিকে সুযোগ হাতে পেয়ে দর্জিপাড়ার লোকেরা সময় নেই এবং কাজের অনেক ভিড় বলে দ্বিগুণ পারিশ্রমিকে অর্ডার নিতে বাধ্য হচ্ছেন। প্যান্ট ও শ্যার্ট পিস থেকে শুরু করে থ্রি-পিস, শাড়ি এবং তৈরি পোশাকের প্রতিটির মূল্য গতবারের চেয়ে এবার হাতের নাগালে আছে বলে অনেক অভিভাবকরা জানান।


প্রতিটি ম্যার্কেট ও কসমেটিক্স বিপণী বিতান গুলোতে প্রচন্ড ভিড় লক্ষ্য করা গেলেও বেশি দামের জন্য পছন্দের জিনিস অনেকেই নিতে পারছে না। রাণীনগরের বাজার মার্কেট, উপজেলা মার্কেট, আবাদপুকুর মার্কেট, কুজাইল মার্কেট ও বেতগাড়ী মার্কেট গুলো ঘুরে দেখা যায় এবারও মার্কেট গুলোতে বিদেশি কাপড়ে সয়লাব।


ভারত, পাকিস্তানি, চীন, জাপান, কোরিয়ার প্যান্ট ও শ্যার্ট পিস এবং ভারতীয় থ্রি-পিসে বাজার ভরে গেছে। দোকানিরা বলছে এগুলো বৈধভাবে আমদানী করা হয়েছে। ভারতীয় থ্রি-পিস গুলোর বেশির ভাগেরই নাম ভারতীয় ছবির নায়ক ও নায়িকাদের নামানুসারে করা হয়েছে। কুপনের মাধ্যমে সেরা বিজয়ীদের জন্য রাখা হয়েছে বিভিন্ন আকর্ষণীয় পণ্যসহ বিভিন্ন অফার।


আকর্ষণীয় অফারে অনেকেই ছুটছেন সেই সব বিপণী বিতাণ গুলোতে। বিভিন্ন মার্কেটে ঈদ বাজার করতে আসা মামুন সরকার, রিতু আক্তার, সুমি বানু, রানা হোসেন, শিউলী আক্তারসহ বেশ কয়েক জনের সাথে কথা হলে তারা জানান, প্রতি বছরের তুলনায় এবার একটু আগেই ঈদের কেনাকাটা শুরু করেছি। কারণ শেষ সময়ের দিকে তেমন একটা ভালো জিনিস পাওয়া যায় না। তাই আগেই পরিবারের পছন্দ মতো কেনাকাটা করে রাখার জন্য মার্কেটে এসেছি। এবার থ্রি-পিসসহ ছেলেদের প্যান্ট ও শ্যার্টের দাম খুবই চড়া। তাই কাপড় কিনে বানাতে দিয়েছেন। তবে মজুরি একটু বেশি।


রাণীনগর বাজারের এশিয়া টেইর্লাসের মালিক বিপ্লব জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এই বছরে ধানের দাম না থাকায় কৃষি প্রধান এই এলাকায় কৃষকরা নায্য মূল্যে ধান বিক্রয় করতে না পারায় অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণে কেনাকাটা করতে পারছে না বলে চাপটা অনেকটাই কম। তবুও এবার শেষ সময়ের আগেই কাজের চাপ অন্য সময়ের তুলনায় একটু বেশি। লোকজনেরা শেষ সময়ে এসে ব্যস্ত হয়ে পড়ে তাই কারখানায় কর্মরত কারিগরদের সারা রাতভর কাজ করতে হয় বলে তাদের মজুরিও একটু বেশি দিতে হয় বলে মজুরিটা কিছুটা বেশি নিতে হচ্ছে।


রাণীনগর বাজারের গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মো: উজ্জল হোসেন জানান, এবছর শুরুর দিকে অন্যান্য বছরের তুলনায় ক্রেতাদের ভিড় একটু হলেও লক্ষণীয়। আশা রাখি এবার ঈদের পুরো মৌসুমে ক্রেতাদের ভিড়ে ঈদ বাজারের কেনাকাটা জমে উঠবে। এতে করে ব্যবসায়ীরা অন্য বছরের তুলনায় এবার লাভের মুখ একটু হলেও বেশি দেখবেন বলে তিনি আশাবাদী।

এস রহমান সোহেল,ভোলা জেলা: ভোলা জেলা চরফ্যাশন উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ব্যবসা কেন্দ্র দুলার হাট থানার বাজারের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া বড় খালটির একি দশা? এক সময় ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যিক আমদানি রপ্তানির নির্ভরযোগ্য দুলার হাট এর এই বড় খালটির উভয় পার্শ্বে অবৈধ দখল দারদের দৌরাত্বের কারণে খাল যেন ড্রেনে পরিণত হয়েছে। প্রায় এক শত বছরের পুরনো খালের দুই পাড়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে দখল করে রেখেছে প্রভাবশালী মহল। দু’পাড় ভরাট করে বসত ঘর, দোকান পাট ও পাকা ভবন নির্মাণ করে দখলের প্রতিযোগিতায় নেমেছে তারা।


> কৃষি প্রধান এ অঞ্চলে নুরাবাদ, নীলকমল, আবুবকর পুর, আহাম্মদপুর, মুজিবনগর এবং দুলার হাটের একমাএ ভরসা খালটি। দুলার হাট বাজারের মধ্যদিয়ে বয়ে যাওয়া বড় খালটি ঘোষের হাট তেঁতুলিয়া নদী হয়ে নীলকমল, নুরাবাদ, দক্ষিণ শিবা সংলগ্ন মায়ানদীর সাথে শাখা উপশাখা নিয়ে গড়ে উঠছে। এখানে অতিবৃষ্টি, বন্যা, খড়া হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য এ খালটির উপর নির্ভর করতে হয়। এ খালের ওপর দিয়ে একসময়ে বয়ে যেতো মালবাহী নৌকা, ট্রলার, স্টিমার যেগুলো সোনার চর, ঢালচর, পাতিলাচর, পাঙ্গাসিয়া, কুকরী মুকরী, রাঙ্গাবালি, চরমমতাজ, চরমোহর, চরকাজল, চরবিশ্বাস ইত্যাদি হইতে সুটকী, ধান, চাউল, গম, নারিকেল, সুপারি, কাচা তরকারী আমদানি, রপ্তানি করা হতো।

> দুলার হাট বাজারের বিশিষ্ট কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথে আলাপ কালে তারা প্রত্যেক বছরে কৃষি, মৎস্য, ব্যবসায়ীদের প্রায় ৫/৬শ কোটি টাকার অপুরণীয় ক্ষতি দাবি করেছেন। পাশাপাশি পানিতে জোয়ার ভাটা না থাকার কারণে মাছ চাষীদের, কৃষকের কৃষি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন বলে তারা জানান ।

> তারা আরো বলেন, প্রত্যক বর্ষা মৌসুমে এ খালে মাছ ধরার মহোৎসব ছিল চোখে পড়ার মতে। জেলেদের একমাএ আয়ের উৎস ছিল এ খালের শাখা, উপশাখা। বড় খালটির সাথে মিশে ছিলো উপশাখা গুলো কিন্তু ভূমি দস্যুদের দ্বারা এখন নিমজ্জিত হয়ে বড় খালটি ড্রেনে পরিণত হয়েছে। এখন বন্যা, খরা, অতিবৃষ্টির ফলে এবং সামান্য বৃষ্টিতেই তরমুজ, আলু, বাদাম, মরিচ, ডাল চাষিদের অনেক ক্ষতি হয়। নীলকমল, নুরাবাদে হত দরিদ্রতার দাবানলে নিজের জীবন বলি দিতে চেয়েছিল অনেক কৃষক। পরিবেশ বিধরা মনে করেন এ খালটি মুক্ত করা না হলে আগামী কয়েক বছরের মধ্য পরিবেশ হুমকির মুখে দাড়াবে। এমতাবস্তায় নুরাবাদ, নীলকমল, আবুবকরপুর, আহাম্মদপুর, মুজিবনগর সহ দুলার হাট কৃষক, শ্রমিক, মৎস্যজীবী সহ এলাকাবাসীর দাবি দুলার হাটের বড় খালের রক্ষা করে অবৈধ দখল দার থেকে মুক্ত করা এবং ঘোষের হাট -বাংলাবাজার সুলিজকে উন্মুক্ত করে পূর্বের খালের রুপান্তরের জন্য দাবি করেন তারা। ইতিপুর্বে বৃহত্তর আমিনাবাদ ও আব্দুল্লাহপুরের গুরুত্বপুর্ন খালগুলো খনন কাজ হলেও বানিজ্য নির্ভর দুলারহাট থানার বুক চিরে প্রবাহিত খালটি খননকাজ আদৌ হবে কিনা জানা নাই কারো। তবে খালটি খনন করলে দুলারহাটের পুরনো ঐতিহ্য শুটকি ব্যবসায়ীরা প্রাণ ফিরে পাবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী।

জাতীয় পুরস্কার-প্রাপ্ত নায়িকা শিমলা আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন। সেই ছবিই হতে চলেছে তার বলিউড ডেবিউ। কিংস এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজিত ও অর্পণ রায়চৌধুরী পরিচালিত হিন্দি ছবি ‘সফর’-এ মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। সম্প্রতি শেষ হয়েছে ছবির মুম্বাই শুটিং শিডিউল। এ সময় কলকাতার একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন এই নায়িকা। সাক্ষাৎকারটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

আপনার নামটা খুব মিষ্টি। কে রেখেছিলেন নামটা?

শিমলা: ধন্যবাদ। আমার জন্মের সময়, আমার দিদির তখন বিয়ে হয়ে গিয়েছে। খবরটা পেয়ে আমার জামাইবাবু এই নামটা রাখেন। আমার পুরো নাম কিন্তু শামসুর নাহার শিমলা।

আপনি কি ছোট থেকেই অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন?

শিমলা: আমি যখন প্রথম বুঝতে শিখছি, তখন থেকেই আমার খুব ইচ্ছে হতো যে আমি বড় হয়ে অভিনেত্রী হবো। তখনও বিষয়টা পুরোপুরি বুঝতাম না কিন্তু মনে হতো যে এই কাজটা আমি পারব। তখন থেকেই আমি শুধু বাংলাদেশ নয়, এপার বাংলার ছবি, বলিউড ছবি, ইংলিশ মুভি সবই দেখতে শুরু করি।

এপার বাংলার ছবির জগতে সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রী কাদের মনে হয়?

শিমলা: অবশ্যই উত্তম কুমার ও সুচিত্রা সেন।

আর বলিউডে?

শিমলা: বলিউডের তিন খান তো অবশ্যই— শাহরুখ, আমির, সালমান। তার পাশাপাশি এখন ভালো লাগে রণবীর সিং, রণবীর কাপুর বা বরুণ ধাওয়ান। আসলে যে ছবিতে যে অভিনেতা বা অভিনেত্রী ভালো অভিনয় করেন আর কী। যেমন ঋত্বিক রোশনের একটা ছবি আমার খুব ভালো লেগেছিল— ‘ব্যাং ব্যাং’।

আপনার প্রথম ছবি ‘ম্যাডাম ফুলি’-র জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন। খুব কম অভিনেত্রীরই তেমন অভিজ্ঞতা হয়। এর পরে এপার বাংলার ছবিতে কাজ করার ইচ্ছে হয়নি?

শিমলা: কাজ করার ইচ্ছে তো ডেফিনিটলি আছে কিন্তু ঠিক সুযোগ হয়নি।

আপনি তো প্রায় তিন-চার বছর পরে অভিনয়ে ফিরলেন এবং সেই কামব্যাক ছবিটা হল বলিউডে। ওখানে কাজ করার অভিজ্ঞতাটা বাংলাদেশের চেয়ে কতটা আলাদা?

শিমলা: আসলে ভাষাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমি যখন বাংলায় কথা বলছি, তখন আমার এক্সপ্রেশন একরকম হবে আবার যখন ইংরিজিতে কথা বলব, তখন আমার বডি-ল্যাঙ্গোয়েজ আলাদা হয়ে যায়। যখন হিন্দিতে কথা বলব, তখন আবার অন্যরকম। সেক্ষেত্রে বলব যে অভিনয়টা একটু হলেও আলাদা হয়।

তাহলে ‘সফর’-এর আগে নিশ্চয়ই অনেক ওয়ার্কশপ করতে হয়েছে আপনাকে? বলিউডে কোনও মেন্টর পেয়েছেন কি, যিনি আপনাকে সাহায্য করেছেন?

শিমলা: আমি একটা নামই বলব— কিংশুক গুণ, যার প্রযোজনায় এই ছবিটা করছি। আমাকে হিন্দি ছবিতে ব্রেকটা উনিই দিয়েছেন। কিংদা-ই আমাকে শুটিং শুরু হওয়ার আগে অনেকটা সাহায্য করেছেন হোমওয়ার্ক করতে।

আপনার প্রযোজক এবং পরিচালক, অর্পণ রায়চৌধুরী, দু’জনেই আপনার কাজের প্রশংসা করেছেন।

শিমলা: অনেক ধন্যবাদ। খুব ভালো লাগল এটা জেনে যে তাদের ভালো লেগেছে আমার কাজ। আসলে পরিচালকের উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। তিনি কীভাবে একজন আর্টিস্টকে প্রেজেন্ট করবেন।

ডিরেক্টরের সঙ্গে কখনও ঝগড়া হয়নি?

শিমলা: ঝগড়া আমি করি না…। আর আর্টিস্টরা কি ঝগড়া করে নাকি?

রাগও তো হতে পারে।

শিমলা: আমার প্রথম কাজ এইখানে। রাগ হলেও তা আপনা-আপনি চলে যাবে। কিন্তু রাগ হয়নি এটা সত্যি। একজন ডিরেক্টর সব সময় চায় যে সে যেটা চাইছে, আর্টিস্ট সেটা যেন বুঝতে পারে। অর্পণ আর আমার মধ্যে এই দেওয়া-নেওয়াটা খুব ভালো ছিল।

আর আপনার কো-অ্যাক্টরদের কেমন লেগেছে?

শিমলা: কো অ্যাক্টর ভালো পাওয়াটা সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। ‘সফর’-এ মেল প্রোটাগনিস্ট যিনি ছিলেন বা অন্য যাদের সঙ্গে আমার সিন ছিল, তার সবার সঙ্গে খুব ভালো জেলিং হয়েছে। তাদের ব্যক্তিগতভাবে কেমন সেটা আমি বলতে পারব না বা অভিনয়ে কতটা ভালো সেটা ডিরেক্টর বলতে পারবেন কিন্তু আমার সঙ্গে অ্যাডজাস্টমেন্ট খুব ভালো ছিল।

আপনার পরিবারের সবাই নিশ্চয়ই খুব খুশি?

শিমলা: হ্যাঁ সবাই খুব অ্যাপ্রিশিয়েট করছে। বাংলাদেশ থেকে কোনও অভিনেত্রী লিড রোলে হিন্দি ছবিতে কাজ করছে, এটা বাংলাদেশের জন্য খুব বড় একটা অ্যাচিভমেন্ট। আমি খুব খুশি যে আমার ভাগ্য এতটা ভালো। প্রথম ছবিতেই ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি, আবার বলিউডের মতো একটা জায়গা, যেখানে প্রচণ্ড কম্পিটিশন চলে, সেখানে আমি এরকম একটা সুযোগ পেয়েছি। অনেক বড় বড় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা আছেন আমাদের দেশে। তারাও নিশ্চয়ই কাজ করবেন। এটাই আনন্দ হচ্ছে যে, আমার নামটা সেই তালিকায় প্রথম দিকে থাকবে।

হাসেম আলী, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শামীম হোসেন (৪২) নামে এক মাদকব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় পাল্টাপাল্টি গুলিবর্ষণে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পাঁচজন নিহত হলো। বৃহস্পতিবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলা ধর্মগড়ের ভদ্রেশ্বরী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শামীম হোসেন রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকার মৃত আব্দুল সাত্তারের ছেলে।



পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে উপজেলার ধর্মগড়ের ভদ্রেশ্বরী এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শামীমকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীদের ফেলে যাওয়া ৩৪০পিস ইয়াবা ও দুটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র ‍উদ্ধার করা হয়।


পরে দ্রুত শামীমকে আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গুলিবিদ্ধ দুই পুলিশ সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। নিহতের লাশ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।


রাণীশংকৈল থানার ওসি আব্দুল মান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত শামীম পুলিশের তালিকভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে থানায় মাদকের ৮টি মামলাসহ ১১টি মামলা রয়েছে।


এদিকে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে এ নিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলায় পাঁচজন নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে, গত ২৩ মে বালিয়াডাঙ্গীর পারুয়া গ্রামের ভেলসা মোহাম্মদের ছেলে আপতাফুল (৩৮), গত ২৬ মে ঠাকুরগাঁও সদরের ছিট ছিলারং গ্রামের মৃত সফিরউদ্দীনের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন ওরফে কুট্রি (৪৫), গত ৩ জুন ভোরে রাণীশংকৈল উপজেলার ভৌরনিয়া গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম ওরফে তালেবান (৫৫) এবং হরিপুর উপজেলার শীতলপুর এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে হারুন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়।



পুলিশের দাবি, নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

এস রহমান সোহেল, ভোলা জেলা: ভোলার লালমোহনে পরকীয়া প্রেমিকাকে তাবিজের মাধ্যমে বশ করতে এসে স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছে আতিকুর রহমান ফরহাদ নামের এক প্রেমিক। গত সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ৯ টার দিকে উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ফুলবাগিচা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ফরহাদ চরফ্যাসন উপজেলার আমিনাবাদ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড এলাকার জমাদার বাড়ির আবুল কালামের ছেলে ও লালমোহন সূর্যের হাসি ক্লিনিকের অফিস সহকারী এবং ১ সন্তানের জনক।


জানা যায়, ফুলবাগিচা এলাকার এক গৃহবধূ তার অফিসের আতিকুর রহমান ফরহাদ নামের এক স্টাফের সাথে পরকীয়া প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তুলে। ধীরে ধীরে তাদের সর্ম্পক গভীর হতে থাকে। ফরহাদ বিভিন্ন সময় তার প্রেমিকাকে নানান জিনিস উপহার দিতো। এ নিয়ে ওই মহিলার পরিবারেও অনেক সমস্যা হয়। ফরহাদের সাথে সর্ম্পকের অবণতি হওয়ার কারণে সে তাবিজের মধ্যমে তার প্রেমিকাকে বশ করতে গত সোমবার রাত পৌনে ৯ টার দিকে মটর সাইকেল যোগে ফুলবাগিচার তার পরকীয়া প্রেমিকার বাড়ির দরজায় তাবিজ কুপতে থাকে। এসময় স্থানীয়রা টের পেয়ে তাকে ধাওয়া করে আটক করে। আটক করার পর তার থেকে ঔষুধের প্যাক মোড়ানো একটি ব্যাঙ্গ ও কাপনের কাপড় উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে লালমোহন ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য জসিম তরীর অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে তার থেকে বক্তব্য নেওয়ার সময় লালমোহন থানার পুলিশ এসে ফরহাদকে থানায় নিয়ে যায়।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget