Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

নওগাঁয় বাবার উপর অভিমান করে কলেজ ছাত্রের আত্মহত্যা

ফারমান আলী, নওগাঁ: নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার মাতাজীহাটে বাবার উপর অভিমান করে তামিম হোসেন (১৭) নামের এক কিশোর আত্মহত্যা করেছে। নিহত তামিম হোসেন উপজেলার কানচকুড়ি গ্রামের স্কুল শিক্ষক হুমায়ন কবির এর বড় ছেলে এবং কুমিল্লার বাংলাদেশ সার্ভে ইনস্টিটিউট এর প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে বাবার সাথে তামিমের কথা কাটাকাটি হয়। এর পর অভিমান করে সবার অজান্তে বিষ পান করে। তার পর বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেয়া হয় এর পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থান গতকাল রবিবার ভোর রাতে মারা যায় তামিম।
নিহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম জুয়েল।

নওগাঁয় মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের চুড়ান্ত খেলা অনুষ্ঠিত

অন্তর আহম্মেদ নওগাঁ:নওগাঁয় মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের চুড়ান্ত খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে সদর উপজেলার দেবীপুর গ্রামে জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও দেবীপুর যুব উন্নয়ন ক্লাব “একতা” এই চুড়ান্ত খেলার আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম রফিক।
চুড়ান্ত খেলায় শরল শিকারপুর যুব উন্নয়ন ক্লাব বনাম ইয়াদালির মোড় দোগাছী এই দুটি দল অংশ গ্রহন করে। এসময় শরল শিকারপুর যুব উন্নয়ন ১ গোলে ইয়াদালির মোড় দোগাছীকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
পরে প্রধান অতিথি বিজয়ী ও বিজয়ীদের হাতে দশ হাজার টাকার মূল্যের খাসি তুলে দেন। এসময়    তিলকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এ.কে.এম দিদারুল আলম, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আবুল খায়ের, সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আওয়াল আতা, তিলকপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি তোয়াব হোসেন তোতা, মহিলা লীগের সভাপতি নাসরিন আকতার পান্না  প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, যুব সামজকে মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে দূরে রাখার জন্য এই আয়োজন করা হয়েছে। খেলায় মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে।

নওগাঁয় ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ আটক-১

ফারমান আলী নওগাঁ: নওগাঁর সদর উপজেলার চকতারতা গ্রামে বিশেষ অভিযানে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আটককৃত ব্যাক্তি কালুপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নান এর ছেলে ইউসুফ আলী (৩২)। শনিবার রাতে নওগাঁ সদর উপজেলার চকতারা গ্রাম থেকে ১০০ পিছ ইয়াবাসহ তাকে আটক করা হয়।
নওগাঁ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম সামছুদ্দিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে ডিবি পুলিশের সদস্যরা শনিবার রাত ৮টায় চকতারতা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ডিবি পুলিশের সদস্যরা ১০০শত পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ এক মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করে। আটককৃত মাদক ব্যাবসায়ীর বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা হয়েছে

নওগাঁর হারিয়ে যাওয়া গৌরব : দুবলহাটি রাজবাড়ি

তরিকুল ইসলাম জেন্টু,নওগাঁ: সৃষ্টি এবং ধ্বংসের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের পৃথিবী। কেউ নতুন কিছু গড়ছে, আবার কেউবা মেতে উঠছে ধ্বংসলীলায়। কিছু দায়িত্বহীন মানুষের কারনে হারিয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর নানা ঐতিহাসিক অতীত। যেকোনো জাতির সোনালী ইতিহাসগুলো সেই পুরো জাতিকে আরো ভালো ভবিষ্যতের জন্য অনুপ্রাণিত করে তাই বর্তমানের ন্যায় অতীতের প্রয়োজন কোনোভাবেই কম নয়। আমাদের বাংলাদেশ জুড়েও রয়েছে এমন বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান। নানান জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে ছড়িয়ে রয়েছে ইতিহাসের স্মৃতিচিহ্নগুলো। তার মধ্যে অন্যতম একটি ঐতিহাসিক স্থানের নাম হলো নওগাঁর দুবলহাটি রাজবাড়ি।
নওগাঁ জেলার দুবলহাটি ইউনিয়নে অবস্থিত এই জমিদার বাড়িটি। নওগাঁ শহর থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দক্ষিনে এর অবস্থান। জমিদার বাড়িটি প্রায় দুই’শ বছরের পুরোনো। বাংলাদেশের অন্যান্য জমিদার বাড়ির তুলনায় এটি বেশ বড়। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে এক সময়ের এই বিলাস বহুল স্থাপনার এখন সংকটাপন্ন অবস্থা। প্রাসাদটির অবস্থা বর্তমানে এতটাই খারাপ যে যেকোনো সময় এটি বিধ্বস্ত হতে পারে।
১৭৯৩ সালে রাজা কৃষ্ণনাথ এই অঞ্চলটিতে শাসনকার্য শুরু করেন। তিনি তৎকালীন বৃটিশ লর্ড কর্নওয়ালিসের কাছ থেকে ১৪ লাখ ৪ শত ৯৫ টাকায় জায়গাটি কিনেছিলেন। রাজা কৃষ্ণনাথের কোনো সন্তান বেঁচে না থাকায় তার নাতি রাজা হরনাথ রায় ১৮৫৩ সালে সেখানকার দায়িত্বভার গ্রহন করেন। রাজা হরনাথের শাসনামলে দুবলহাটি সাম্রাজ্য সম্প্রসারিত হয়। দুবলহাটির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে তিনি বিভিন্ন নাট্যশালা এবং স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করেন, প্রাসাদের পাশ্ববর্তী অঞ্চলে সাধারন মানুষদের পানির চাহিদা পূরন করতে পুকুর খনন করেন।
১৮৬৪ সালে জমিদার পরিবারের উদ্দ্যোগে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে বিদ্যালয়টির নামকরন রাজা হরনাথের নামে করা হয়। জমিদারি প্রথার উচ্ছেদের পর রাজা হরনাথ ভারতে চলে যান। কিন্তু এক গৌরবান্বিত ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রয়ে গেছে প্রাসাদটি।
 

নওগাঁর হারিয়ে যাওয়া গৌরব : দুবলহাটি রাজবাড়ি
প্রাসাদের মূল ফটকে রোমান ঘরানার পিলার চারটি তখনকার রাজাদের রচিশীলতা বহন করে। প্রাসাদটির মোট সাতটি আঙ্গিনা ও তিনশ কক্ষ নিয়ে গঠিত। এর ভিতরের দালানগুলো তিন থেকে চার তলা বিশিষ্ট। রাজা রাজেশ্বরী নামে সেখানে একটি মন্দির রয়েছে যেখানে প্রতিদিন সন্ধ্যায় সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বালানো হতো। প্রাসাদের ভিতরে এখনো একটি কূপ রয়েছে। রাজবাড়ির সামনে গোবিন্দ পুকুর নামে একটি পুকুর ছিল। লোকজনকে আনন্দ দানের জন্য পুকুরের পাশেই গান বাড়ি নামক একটি ঐতিহ্যবাহী দালান ছিলো যেখানে বিভিন্ন ধরনের সঙ্গীতসাধনা করা হতো। গান বাড়ির শেষ সীমান্তে একটি কালি মন্দির ছিল যেটি এখন আগাছায় ভরপুর। কালি মন্দির থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে রাজার বাগান বাড়ি ছিল। প্রাসাদের ধ্বংসপ্রাপ্ত দালানকোঠাগুলো ইঙ্গিত করে যে দুবলহাটি সা¤্রাজ্য পূর্ববর্তী যুগ কতটা সমৃদ্ধশালী ছিলো। রাজ্যটির সম্প্রসারনে এই পরিবারটির বিশাল প্রভাব ছিল। মোঘলরা হরনাথ রায় চৌধুরীকে ‘রাজা’ এবং তার পূর্ব পুরুষদের ‘জমিদার’ উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। বলা হয়ে থাকে যে, দুবলহাটির জমিদারি রাজবংশের জগতারন একজন লবন ব্যবসায়ী ছিলেন যিনি দুবলহাটির পাশের গ্রামে ব্যবসার জন্য এসেছিলেন এবং বিল অঞ্চল লিজ নিতে শুরু করেছিলেন। ধীরে ধীরে তারা অনেক জমির মালিক হন। বলা হয় যে, যেহেতু ওই অঞ্চলে কোনো শস্য ছিলোনা ভুম্মা মহলেরা কই মাছ দিয়ে কর পরিশোধ করতেন। বর্তমানে রাজবাড়িটির অবস্থা ভীষন দুর্দশাগ্রস্থ। জমিদারি প্রথা উচ্ছেদের পর বাংলাদেশ প্রতœতাত্তিক বিভাগ রাজবাড়ির রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্ব নিয়েছিলো কিন্তু পরবর্তীতে তারা একে টিকিয়ে রাখতে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। বর্তমানে ঐতিহাসিক এই স্থানটিকে স্থানীয় মাদকসেবীরা তাদের আড্ডাখানা হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। এছাড়া এটি অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দুতেও পরিনত হয়েছে। যদিও তারা দর্শনার্থীদের কোনো ক্ষতি করেনা তবুও এরা ভ্রমনকারীদের সহজ চলাফেরার অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।  দালানকোঠাটির কোনো দরজা ও জানালা এখন আর নেই। এমনকি লোকজন এখন দালান থেকে ইটও খুলে নিতে শুরু করেছে। ভুমিকম্পের একটি মৃদু  ধাক্কাই এর ভেঙ্গে পড়ার জন্য যথেস্ট। দালানটির দ্বিতীয় তলায় ওঠাটা ভীষন ঝূঁকিপূর্ন। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঐতিহাসিক প্রাসাদটির পশ্চিম দিকের একটি অংশ দু’বার ভেঙ্গে পড়েছে। প্রাসাদটির ভালো দেখাশুনা করার মত কেউ নেই এখন আর যার ফলে ঐতিহাসিক প্রাসাদটি এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।


এবার শেয়ারবাজারে বিক্রেতা সংকটে
ক্রেতা সংকটের কারণে কিছু দিন আগেই ভয়াবহ দরপতনের কবলে পড়ে শেয়ারবাজার। দফায় দফায় দাম কমিয়েও অনেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বিক্রি করতে পারছিলেন না বিনিয়োগকারীরা। এখন সেই সব কোম্পানির শেয়ার দফায় দফায় দাম বাড়িয়েও কেনা যাচ্ছে না।

সম্প্রতি শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ধস নামায় গত বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সঙ্গে নিজ কার্যালয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে পুঁজিবাজার উন্নয়নে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়।

ধসের কবল থেকে শেয়ারবাজার টেনে তুলতে দীর্ঘদিন ধরেই প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছিলেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। আর বিশ্লেষকরা বলছিলেন-বাজারে যে দরপতন হচ্ছে তা যুক্তিসংগত নয়। মূলত বিনিয়োগকারীদের আস্থা সংকটের কারণে বাজারে দরপতন হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নিজে শেয়ারবাজারের নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গ বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের পক্ষ থেকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেয়ারবাজারের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা হলেও আস্থা ফিরেছে। বিনিয়োগকারীরা বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন সরকার শেয়ারবাজার ভালো করতে চায়। তারই প্রতিফল দেখা যাচ্ছে শেয়ারবাজারে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর বিএসইসি থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, শেয়ারবাজার উন্নয়নে সরকার অত্যান্ত আন্তরিক। শেয়ারবাজারের উন্নয়নে যে ধরনের সাহায্য প্রয়োজন সরকার ধারাবাহিকভাবে তা করে যাবে। সভায় স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। স্বল্পমেয়াদি কিছু পদক্ষেপ অচিরেই কীভাবে বাস্তবায়ন হবে সে বিষয়ে মতামত দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে- শেয়ারবাজারে ব্যাংক ও ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মার্চেন্ট ব্যাংকার ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা পর্যালোচনা, আইসিবির বিনিয়োগ সক্ষমতা বৃদ্ধি, বাজারে আস্থা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বাজারে মানসম্পন্ন আইপিও বৃদ্ধির লক্ষ্যে বহুজাতিক ও সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এমন ঘোষণার পর রোববার (১৯ জানুয়ারি) ছিল শেয়ারবাজারের প্রথম কার্যদিবস। এদিন লেনদেনের শুরুতেই সূচকের বড় উত্থান ঘটে। মাত্র দুই মিনিটের লেনদেনে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ৮০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। লেনদেনের সময় গড়ানোর সঙ্গ সঙ্গে বাড়তে থাকে সূচকের উত্থান প্রবণতা। ১০ মিনিটের লেনদেনে ডিএসইর প্রধান মূল সূচক বাড়ে ১৩৫ পয়েন্ট। আর প্রথম এক ঘণ্টার লেনদেনে সূচক বাড়ে ২০৪ পয়েন্ট।

সূচক এমন হু হু করে বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়তে থাকে। এতে দফায় দফায় দাম বাড়িয়েও অনেক কোম্পানির শেয়ার কিনতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। প্রথম ঘণ্টার লেনদেনেই দাম বাড়ার সর্বোচ্চ পর্যায়ে চলে যায় দুটি কোম্পানি। পাশাপাশি আরও ৩১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ার সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি রয়েছে।

বকি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক শতাংশের ওপরে দাম বেড়ছে ৩০১টির। ২৮০টির দাম বেড়েছে ২ শতাংশের ওপরে। ৪ শতাংশের ওপরে দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে ১৮০টি। ৫ শতাংশের ওপরে দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে ১৩০টি। ১০০টির ওপরে প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়ছে ৬ শতাংশের ওপরে।

এমন দাম বাড়িয়েও অনেক বিনিয়োগকারী কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কিনতে পারছে না। যাদের কাছে এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার আছে তারা বিক্রি করতে চাচ্ছেন না। অথচ কিছুদিন আগেই এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ৮-৯ শতাংশ দাম কমিয়েও বিক্রি করা যাচ্ছিল না। এতে ভয়াবহ ধস নামে শেয়ারবাজারে। ফলে ৫-১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন ঘটে। এ সময়ে লেনদেন হওয়া ৮ কার্যদিবসের মধ্যে ৭ কার্যদিবসেই বড় পতন হয়। এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান মূল্য সূচক ৪২৩ পয়েন্ট কমে যায়। এর প্রেক্ষিতেই শেয়ারবাজারের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে নেয়া উদ্যোগের বিষয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক শাকিল রিজভী জাগো নিউজকে বলেন, যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এর ফলে আশা করা যায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। আর আস্থা বাড়লে বাজারে অবশ্যই ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এছাড়া অনেক ভালো কোম্পানির শেয়ারের দাম এখন লোভনীয় পর্যায়ে রয়েছে। বাজার যখন ভালো হয় তখন একটা গ্রুপ সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করে, বিনিয়োগকারীদের উচিত এ বিষয়ে সতর্ক থাকা। বিনিয়োগকারীদের উচিত ভালো কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করা।

বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক জাগো নিউজকে বলন, আমরা দীর্ঘদিন ধরেই শেয়ারবাজারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছিলাম। এখন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশাকরি এখন বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসবে এবং বাজার ভালো হবে।

ইভিএম নিয়ে ফের শঙ্কা প্রকাশ করলেন ফখরুলের

ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) নিয়ে ফের শঙ্কা প্রকাশ করলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমানের ৮৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ শঙ্কার কথা প্রকাশ করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, জাতীয় নির্বাচনে ৩০ তারিখের ভোট ২৯ তারিখ রাতে ডাকাতি করে নিয়েছে। এই সিটি নির্বাচনেও একটি দলই প্রাধান্য পাচ্ছে। এখানে একটি অযোগ্য নির্বাচন কমিশন রয়েছে। তারা কোনো রকম ব্যবস্থা নিতে সক্ষম নয়। তাদের সেই যোগ্যতা নেই।

তিনি বলেন, তারা যে ইভিএমের মাধ্যমে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে সেটি একটি অপকৌশল, বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়ার। এতে জনগণের রায়ে কখনও ইভিএমের মাধ্যমে প্রকাশিত হবে না।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে গণতন্ত্রের সমস্ত পরিসরগুলোকে সংকুচিত করে ফেলছে। স্পেসগুলোকে বন্ধ করে দিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে।

নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন যে ব্যর্থ, অযোগ্য, তারা যে নির্বাচন পরিচালনার ক্ষমতা রাখেন না তার প্রমাণ হলো তারা এমন একটা দিনে নির্বাচন তারিখ নির্ধারণ করেছে যেদিন হিন্দু সম্প্রদায়ের বড় পূজা ছিল। সবচেয়ে বড় সমস্যা হল যেখানে এই পূজাগুলো হয়, ঠিক সেখানেই নির্বাচনের কেন্দ্রগুলো। ফলে সেখানে অবশ্য একটা সমস্যা তৈরি হয়। এটা নির্বাচন কমিশনের অযোগ্যতার কারণে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, ইভিএম ব্যবস্থাটি হচ্ছে একটি ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থা। পুরনো যে ব্যালটে ব্যবস্থা এতে মোটামুটি জনগণের ফলাফল আশা করা যায়, যদি চুরিটা না হয়।

তিনি আরও বলেন, আজকের এই দিনে আমরা এখানে শপথ নিয়েছি, যেকোনো ত্যাগের বিনিময়ে হলেও আমরা দেশের গণতন্ত্রকে মুক্ত করব। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুযায়ী তার ১৯ দফাকে বাস্তবায়িত করব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান ও জেড এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শফিউল বারী বাবু, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা উত্তর সিটির মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল, দক্ষিণ সিটির মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget