Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 635 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 50 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 2 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4828 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3459 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2829 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 87 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 104 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

ভারত নির্ভরতার কারনেই পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি

দামের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে মিয়ানমার, মিশর ও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হলেও এতে সংকটের সমাধান হবে না বলে মনে করছেন চট্টগ্রামের পাইকারি ব্যবসায়ীরা। ভারত থেকে নতুন পেঁয়াজ না আসা পর্যন্ত বাজারে পেঁয়াজের চড়া দাম থাকবে বলে জানিয়েছেন তারা।

ব্যবসায়ীরা বলেছেন, অন্তত আরও আড়াই থেকে তিন মাস পেঁয়াজের চড়া দাম থাকবে। এর মাঝে মিয়ানমার-তুরস্ক-মিশরের পেঁয়াজ বাজারে এলে দাম কিছুটা পড়বে, তবে সেটা স্থায়ী হবে না।সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দেশের ভোগ্যপণ্যের অন্যতম বড় বাজার চট্টগ্রাম নগরীর খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে আগের মতো কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা চড়া দামে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দেশের পেঁয়াজের বাজার মূলত ভারতের ওপর নির্ভরশীল। ভারতের মহারাষ্ট্রের নাশিক জেলা ও দক্ষিণ ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের চাহিদাই খাতুনগঞ্জসহ দেশের পাইকারি বাজারগুলোতে সবচেয়ে বেশি। সেখান থেকে চাহিদামতো পেঁয়াজ আমদানি করা যাচ্ছে না।

খাতুনগঞ্জে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ঘুরে জানা গেছে, সোমবার ভারতের নাশিকের ভালো মানের পেঁয়াজ প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকায়। কিছুটা নিম্নমানের নাশিকের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫৮-৫৯ টাকায়। দক্ষিণ ভারত থেকে আসা প্রতিকেজি বড় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ৬৫ টাকায়। ছোট পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬২ টাকায়। মিয়ানমার থেকে আসা পেঁয়াজের দাম ছিল কেজিতে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা।

খাতুনগঞ্জের মের্সাস হাজী অছি উদ্দিন সওদাগরের মালিক রহুল আমিন চৌধুরী বলেন, ‘গত সপ্তাহেও আমরা প্রায় একই দামে পেঁয়াজ বিক্রি করেছি। এ সপ্তাহের শুরু থেকে মিয়ানমারের পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করেছে। দামে তেমন কোনো হেরফের হয়নি। এক-দুই টাকা এদিক-সেদিক হয়েছে। মায়ানমারের পেঁয়াজ বাজারে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। কারণ এই পেঁয়াজের তেমন চাহিদা নেই বাজারে।পাইকারি বাজারে যে পেঁয়াজ ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, সেই পেঁয়াজই চট্টগ্রাম নগরীর খুচরা দোকানে বিক্রি হচ্ছে ৬৭ টাকা কেজি দরে। পাইকারিতে ৬৫ টাকার পেঁয়াজ খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়।

চড়া দামে পেঁয়াজ বিক্রির পরও লোকসান দিতে হচ্ছে বলে দাবি খাতুনগঞ্জের পাইকারি ব্যবসায়ীদের। তাদের দাবি, প্রতি ট্রাকে তাদের ৫০ হাজার টাকার মতো লোকসান দিতে হচ্ছে।খাতুনগঞ্জের গ্রামীণ বাণিজ্যালয়ের মালিক বলাই কুমার পোদ্দার  বলেন, ‘আমরা সীমান্ত থেকে পেঁয়াজ কিনে আনি। সেই পেঁয়াজ গুদামে রাখি। দাম বেড়ে যাওয়ার পর থেকে পেঁয়াজের ডিমান্ডও কমেছে। কিন্তু আমরা তো আর গুদামে পেঁয়াজ রেখে দিতে পারি না। সেগুলো পচনশীল। কেজিতে এক-দুই টাকা লস দিয়ে হলেও পেঁয়াজ বাজারে ছেড়ে দিচ্ছি।

ব্যবসায়ী রহুল আমিন চৌধুরী  বলেন, ‘নাশিকের যে পেঁয়াজ আমরা একমাস আগেও কেজিপ্রতি ২০ থেকে ২৫ রুপি দিয়ে কিনতাম, সেটা আজ (সোমবার) বিক্রি হচ্ছে ৪৮ রুপিতে। নাশিক থেকে বেনাপোল বর্ডার পর্যন্ত আনতে খরচ হবে আরও ১০ রুপি। সেই পেঁয়াজ আমাকে আমদানিকারকের কাছ থেকে কিনতে হচ্ছে প্রতিকেজি ৬৭-৬৮ টাকা দরে। আর বিক্রি করতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। তবে দুই পাইকারি ব্যবসায়ীর এই দাবির সঙ্গে দ্বিমত করেছেন কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা। নগরীর আসকার দিঘীর পাড় এলাকার খুচরা দোকানি অমিত দাশ বলেন, ‘বার্মিজ পেঁয়াজ বাজারে আসার খবর পেয়ে আমরা ভেবেছিলাম, নাশিক ও দক্ষিণ ভারতের পেঁয়াজের দাম কমবে। কিন্তু বাজারে গিয়ে দেখি, নাশিক ও দক্ষিণ ভারতের পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে না। পাইকারি ব্যবসায়ীরা গুদাম থেকে বাজারে ছাড়ছেন না ভারতের পেঁয়াজ। এতে দাম কমার সম্ভাবনা থাকলেও সেটি হয়নি।

পাইকারি ব্যবসায়ী রহুল আমিন চৌধুরী  বলেন, ‘মিশর, তুরস্ক ও পাকিস্তানের পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে কিছু পেঁয়াজ বাজারে আসবে। তবে এতে দাম কমবে না। দুয়েক টাকা কমলেও আবার বাড়বে। কারণ আমাদের বাজার ভারতের পেঁয়াজের ওপর নির্ভরশীল। বলাই কুমার পোদ্দার  বলেন, ‘অন্তত আড়াই মাস লাগবে দাম কমতে। নাশিকে বন্যা হয়েছিল। পেঁয়াজের উৎপাদন নেই। সেজন্য দাম বেড়েছে। নতুন পেঁয়াজ উঠবে আরও দুই মাস পর। সেই পেঁয়াজ আমাদের বাজারে আসতে কমপক্ষে আড়াই থেকে তিন মাস লাগবে। তখন হয়তো দাম কমবে। চাহিদা না থাকলে মিশর-তুরস্ক থেকে লাখ লাখ টন পেঁয়াজ এনেও বাজার স্থিতিশীল করা যাবে না।

ভ্যাকসিন হিরো পুরস্কার পেলেন শেখ হাসিনা

টিকাদান কর্মসূচিতে বাংলাদেশের সফলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার দিয়েছে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন এবং ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)। এক প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী এই পুরস্কার দেশবাসীর প্রতি উৎসর্গ করেছেন।স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ‘ইমিউনাইজেশনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের স্বীকৃতি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।প্রধানমন্ত্রীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জিএভিআই বোর্ড সভাপতি ড. এনগোজি অকোনজো ইবিলা এবং সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেথ ফ্রাংকলিন বার্ক্লে। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে যোগদানের জন্য আটদিনের সফরে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ইউএনজিএ ৭৪তম বার্ষিক অধিবেশনে তিনি ভাষণ দেবেন।

রংপুরে টেন্ডার ছাড়াই পিডিবির শত কোটি টাকার মালামাল বিক্রি


বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) রংপুর ডিভিশন-৩ অফিস থেকে কোন প্রকার টেন্ডার ছাড়াই প্রায় একশত কোটি টাকার বৈদ্যুতিক মালামাল মাত্র ১৭ কোটি টাকায় একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। বিষয়টি স্বীকার করে পিডিবির রংপুর ডিভিশনের প্রধান প্রকৌশলী জানিয়েছেন, টেন্ডার করা না হলেও সাতজনকে একটি কমিটি করে এসব মালামাল বিক্রি করা হয়েছে। একইভাবে পিডিবির রংপুর ডিভিশন-১ থেকে ১৮ লাখ টাকায় এবং ডিভিশন-২ থেকে ১৯ লাখ টাকার মালামাল বিক্রি করা হয়েছে। এসব মালামালের অনুমানিক মূল্য শত কোটি টাকার বেশি হবে বলে জানা গেছে।
পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, গত দুই দিনে ৩০-৩৫টি ট্রান্সফরমারসহ বেশ কিছু মূল্যবান বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও মালামাল দিনে এবং রাতে ট্রাকে করে অন্যত্রে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এসব মালামালের আনুমানিক মূল্য ২০ কোটি টাকা হবে বলে দাবি করছেন প্রতিষ্ঠানটির সচেতন কর্মচারীরা।
সোমবার দিনভর ট্রাক লোড করে কোন ধরনের পরিমাপ ছাড়াই ট্রান্সফরমারসহ বেশি কিছু মালামাল নিয়ে যায়। কোন রকম টেন্ডার ছাড়াই এসব মালামাল পছন্দের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাছে নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। পিডিবি ডিভিশন-৩ থেকে যে সব মালামাল বিক্রি করা হয়েছে এসবের মুল্য আনুমানিক একশত কোটি টাকা হবে। অথচ মালামাল টেন্ডার ছাড়াই মাত্র ১৬ লাখ ৮২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
পিডিবি সুত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিন থেকে পিডিবিতে এমন অনিয়ম চলেই আসছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র এসব দুর্নীতি-অনিয়ম করছে। রাতের আঁধারে এখান থেকে অনেক সময় মালামালবাহি ট্রাক বের হয়। সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখলে দুর্নীতি ও অনিয়মের কিছুটা হলেও প্রমাণ মিলবে। এখন টেন্ডার ছাড়া মালামাল বিক্রির বিষয়টি সবাই জানতে পারায় অফিসের বড় অফিসাররা নিজেদের দোষ আড়াল করার চেষ্টা করছেন।
মালামালবাহী একজন শ্রমিক ও ট্রাক চালক বলেন, আমরা তো জানি এসব মালামাল তিন কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এখান মালামাল লোড করে নিয়ে অন্যত্রে গিয়ে ওজন পরিমাপ করে।
এব্যাপারে পিডিপির রংপুর বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী শাহাদাত হোসেন সরকার জানান, মালামাল বিক্রির জন্য কোন ধরনের টেন্ডার দেয়া হয়নি। তবে উপরের নির্দেশে কোটেশন দিয়ে এসব বিক্রি করা হয়েছে। হেড অফিস থেকে সেভাবেই নির্দেশ দেয়া আছে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী সেনা কল্যাণ সংস্থাকে মালামালগুলো দেয়া হয়েছে। এজন্য সুপারিন্টেন্ডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার, অডিট বিভাগের ডিজিএম, একাউন্ট অফিসের ডিডি, চীফ অফিসের ম্যানেজার, এমডি অফিসের সহকারী ম্যানেজার, স্টোর ম্যানেজারসহ ৭ সদস্যের একটি কমিটিও করে দেয়া হয়েছে। তারাই এসব মালামাল বিক্রি করেছে। তবে তিনি এ বিষয়ে কোন ধরণের লিখিত অফিস অর্ডার দেখাতে পারেননি তিনি।
এ ব্যপারে ক্রয়কারী ঠিকাদার মিজানুর রহমান বলেন, সেনা কল্যাণ সংস্থার পক্ষে আমি মালামালগুলো কেরিং করে নিয়ে যাচ্ছি। কি প্রক্রিয়ায় মালামালগুলো বিক্রি করা হয়েছে তা আমার জানা নেই। এব্যাপারে পিডিবির ইঞ্জিনিয়াররা ভালো বলতে পারবেন।পিডিবির রংপুর ডিভিশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম এবং নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম মন্ডল জানান, মালামাল বিক্রির বিষয়টি আমি জানি না। কে বা কারা এসব মালামাল কত দামে বিক্রি করেছে, তা আমাদের জানা নেই।-সূত্র  নয়া দিগন্ত
19 Views

যুবলীগ নেতা সম্রাটের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা


ক্যাসিনো-কাণ্ডে অভিযুক্ত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাটের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। গত রবিবার এ–সংক্রান্ত একটি আদেশ দেশের বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেছে, সম্রাট এখন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে আছেন।
এছাড়া সম্রাট ও সরকারদলীয় একজন সংসদ সদস্য ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও জি কে শামীম এবং কৃষক লীগ নেতা শফিকুল আলমের ব্যাংক হিসাবের লেনদেন স্থগিত (অবরুদ্ধ) করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ক্যান্সারে লন্ডভন্ড আমেনার জীবন-সংসার

নওগাঁ প্রতিনিধি: অর্থ-সম্পদ না থাকলেও জীবনে সুখের অভাব ছিল না নওগাঁর আত্রাই উপজেলার তিলাবদুরী গ্রামের আমেনা বেগমের (৫৫)। একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন অনেক আগেই। এরপর দিনমজুর স্বামী ও ছেলেকে নিয়ে সুখেই দিন কাটছিল তার। কিন্তু হঠাৎ আসা এক ঝড়ে জীবন-সংসার ল-ভ- হয়ে গেছে আমেনার।
আমেনার স্বামী মকবুল প্রামাণিক জানান, বছর খানেক আগে বাম স্তনে ব্যথা অনুভূত হয় আমেনার। এরপর গ্রাম্য কবিরাজ ও চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেয়েও ব্যথা ভালো হয়নি। পরে নওগাঁ সদর হাসপাতালে গেলে চিকিৎসকরা স্তন ক্যান্সার বলে সন্দেহ করেন। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে সিরাজগঞ্জের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেলের ক্যান্সার সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয় আমেনাকে। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর স্তন ক্যান্সার ধরা পড়ে তার।
তিনি বলেন, বাড়ির এক টুকরো ভিটা ছাড়া কোনো জমিজমা নেই। দিন এনে দিন খেয়ে জীবন চলে আমাদের। আমেনা অসুস্থ হওয়ায় বাড়িতে থাকা দুইটি গরু বিক্রি করে দেই। কিন্তু রোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষাতেই সেই টাকা শেষ। এখন আর বিক্রি করার মতো কিছুই নেই।
মকবুল জানান, বর্তমানে গ্রামের হোমিও চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ খাচ্ছেন আমেনা। কিন্তু দিনদিন অবস্থার অবনতি হচ্ছে তার। ব্যথা বুক থেকে হাতেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিছানা থেকে উঠে বসতেও অনেক কষ্ট হয় তার।  এ সময় নিজের স্ত্রীকে বাঁচাতে বিত্তবানদের সহযোগীতা চান তিনি।
আমেনার ছেলে আপেল প্রামাণিক বলেন, মায়ের অবস্থা দিনদিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। তাকে খুব দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া জরুরী। কিন্তু একদিন কাজ না করলেই খাবার জোটে না আমাদের, চিকিৎসার অর্থ জোগাড় করবো কিভাবে? এখন অন্য কেউ সহযোগীতা না করলে ধুকে ধুকে মরতে হবে আমার মাকে।
আমেনা বলেন, আমার চিকিৎসার জন্য শেষ সম্বল গরুগুলোও বিক্রি করে দিতে হয়েছে। আরতো কিছু নাই। বুকের যন্ত্রণা সহ্য হয় না, কিন্তু চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য নাই। তাই আল¬াহ যত তাড়াতাড়ি মৃত্যু দেয় ততই ভালো।
আমেনার চিকিৎসার সহযোগীতার জন্য যোগাযোগ কিংবা টাকা পাঠাতে পারেন ০১৭৪৩-৮৭২০৪৫ এই বিকাশ নাম্বারে (আমেনার ছেলে আপেল প্রামাণিক)।

ঝালকাঠিতে গভীর রাতে বাল্যবিয়ে, ভ্রাম্যমান আদালতে মা ও চাচাকে আর্থিক জরিমানা

রিপোর্ট : ইমাম বিমান:: ঝালকাঠিতে গভীর রাতে উপজেলা প্রশাসনের হস্থক্ষেপে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীর বাল্যবিয়ে দিতে গিয়ে কিশোরীর মা ও চাচাকে আর্থিক জরিমানা করেছে ঝালকাঠির ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক দশটার সময় ঝালকাঠি পৌর এলাকার ফকিরবাড়ী সড়ক সংলগ্ন জাকির হাওলাদারের বাড়িতে তার ভাইয়ের স্ত্রী ভাবীকে নিয়ে কিশোরী (অপ্রাপ্তবয়স্ক) মেয়ে ভাতিজিকে স্থানীয় বিবাহ রেজিস্ট্রী কাজী বশিরের সহযোগীতায় বিয়ে দেয়। ভাতিজীকে বিয়ে দেয়ার সংবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আফরোজ জানতে পারেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিয়ের সত্যতা পাওয়া ভ্রাম্যমান আদালতে অভিযোগ এনে কিশোরীর মা রিনা বেগম ও কিশোরীর চাচা জাকির হাওলাদারকে ১৫ হাজার টাকা করে দুইজনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করে মুছলেকা আদায় করেন।


এ বিষয় ঝালকাঠি জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার নাসরিন আক্তার জানান, গতকাল রাত আনুমানিক ১০টার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আফরোজের নির্দেশে বাল্যবিবাহের সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থাল শহরের ফকিরবাড়ী এলাকার জাকির হোসেনের  বাসায় গিয়ে বাল্যবিবাহের সত্যতা জানতে পারি। পরে এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করলে কিছুক্ষনের মধ্যে ঘটনা স্থলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আফরোজ মহাদ্বয় সহ জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নির্বাহী মেজিষ্ট্রেট মাছুমা রিমা ও সহকারী কমিশনার ভূমি লুৎফুননেচ্ছা উপস্থিত হয়ে বাল্যবিবাহ বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে কিশোরী মেয়েকে উদ্ধার করা হলেও বরিশাল থেকে বাল্যবিবাহ করতে আসা বর পক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। অভিযান চালিয়ে ১৬ বছর বয়সী একটি কিশোরী মেয়েকে বাল্য বিবাহ দেয়ার অপরাধে কিশোরীর মা ও চাচাকে ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করে, ভ্রাম্যমান আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তাদের দুজনকে ৩০হাজার টাকা শাস্তি মূলক জরিমানা করেন সেই সাথে কখন নিজ সন্তানকে অপ্রাপ্তবয়সে অর্থাৎ কখনও বাল্য বিবাহ দিবো না মর্মে মুছলেকা দেন। এ সময় এলাকায় মহিলা পৌর কাউন্সিলর নাছিমা কামাল উপস্থিত ছিলেন। তিনি আরো জানান, উপজোলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে রাত আনুমানিক পৌনে দশটার সময় বাল্য বিবাহের ঘটনা স্থলে গিয়ে কিশোরী মেয়েকে পেলেও বরিশাল থেকে বাল্যবিবাহ করতে আসা একটি ঔষধের (স্কয়ার ফারমাসিটিক্যাল) কম্পানিতে কর্মরত বর জিসান হাওলাদার তার পক্ষের লোকজন নিয়ে আমাদের আশার সংবাদ পেয়ে আগেই ঘটনা স্থান থেকে পালিয়ে গেছে বলে জানতে পারি। তবে বাল্যবিবাহ কার্যক্রমে সহযোগীতা সহ বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করার অপরাধে কাজী বশিরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করার হবে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্বস্ত করেন।

এ বিষয় অনুসন্ধানে জানাযায় যে, পোনাবালিয়া ইউনিয়নের বাওতিতা গ্রামের নাছির হাওলাদারের অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোরী মেয়ের বিয়ের ব্যাবস্থা করেন মেয়েটির মা রিনা বেগম। মেয়েটি (অপ্রাপ্তবয়স্ক) কিশোরী হওয়ায় এলাকাবাসী বাল্যবিবাহে বাধা দেয়। এলাকাবাসীর বাধার সম্মুখীন হয়ে রিনা বেগম তার মেয়েকে সেখানে বিয়ে দিতে না পেরে সেখান থেকে তার কিশোরী মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে গ্রাম থেকে ঝালকাঠি শহরের ফকিরবাড়ী সড়ক সংলগ্ন মেয়ের চাচা জাকির হাওলাদারের বাড়িতে এসে জাকির এবং ঐ এলাকার স্থানীয় কাজী বশির উদ্দীনের সহযোগীতায় জাকিরের বসত ঘরে পুনরায় ও বিবাহ কার্যক্রম শুরু করেন।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget