Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 632 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 50 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 2 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4825 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3456 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2826 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 87 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 104 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

এবার এক পর্বে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। দ্বন্দ্ব নিরসনের পর তাবলীগ জামাতের দুই পক্ষ মিলে ১৫-১৭ ফেব্রুয়ারি ইজতেমা আয়োজন করবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ।

তাবলীগের দুই পক্ষ এক হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দফতরে তাবলীগ নেতাদের নিয়ে বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, ধর্ম সচিব মো. আনিছুর রহমান, তাবলীগের সুরা সদস্য মাওলানা জুবায়ের, সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে তাবলীগে বিশৃঙ্খলা চলছে। এটাকে প্রশমিত করার জন্য সকলে মিলে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বুধবার (২৩ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতরে সব পর্যায়ের সবাইকে নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে দুই গ্রুপকে একসঙ্গে বসাতে সক্ষম হয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘সেখানে আমরা একটা ঐক্যমতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি যে, এবার বিশ্ব ইজতেমা একসঙ্গে এক জায়গায় এবং উভয় গ্রুপ মিলেই করবে।’

কিছু কর্মপদ্ধতি ও ইজতেমার তারিখ নির্ধারণের জন্য আজকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছিল জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দু’পক্ষ মিলে তারিখ ঠিক করেছে, সরকারের পক্ষ থেকে কিছু চাপিয়ে দেয়া হয়নি। আমরা বলেছি এ কাজটি একতাবদ্ধভাবে করতে হবে যেন দেশবাসী খুশি হয়। ওনারা রাজি হয়েছেন।’

‘দুই পক্ষ দুইটা ডেট ঠিক করছিলেন। একদল বলেছিলেন ৮ তারিখে (৮, ৯, ১০ ফেব্রুয়ারি), আরেক দল বলেছিল ২২ (২২, ২৩, ২৪ ফেব্রুয়ারি)। তখন মীমাংসার পথ হিসেবে আমরা প্রপোজ করেছি, এমন না হয় এক পক্ষ বলবে ওনাদের কথামত তারিখটা ঠিক হল। আমরা দু’টার মাঝামঝি একটা তারিখ রাখলাম ১৫, ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি। এই তিনদিন একসঙ্গে টঙ্গীর ময়দানে অন্যান্য বছরের মতো বিশ্ব ইজতেমটা সুন্দরভাবে পালিত হবে’ বলেন শেখ আব্দুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্ববাসীর কাছে আবেদন করব, আপনারা জেনে খুশি হবেন বাংলাদেশে তাবলীগ জামাত নিয়ে কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব নেই। গোলামাল-গোলযোগ নেই, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা নেই। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সুশৃঙ্খলভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়োজিত রেখে ইজতেমাটা সুন্দরভাবে করার একটা প্রয়াস নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপের কারণেই আমরা এটি করতে সক্ষম হয়েছি’ বলেন প্রতিমন্ত্রী।

ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সুবিধার্থে বিগত বছরগুলোতে দু’পর্বে বিশ্ব ইজতেমা হয়েছে- এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এবার একবারেই হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যাতে কোনো ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে না পারে তা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করা দরকার করা হবে।’

ঐক্যবদ্ধভাবে ইজতেমা করার জন্য দু’পক্ষের কিছু শর্ত ছিল, সেগুলো নিষ্পত্তি হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যদি কোনটা মিটমাট না হত তাহলে ঐক্যবদ্ধ হল কীভাবে। ওনাদের সব প্রশ্নের সন্তোষজনক সমাধান করতে পারছি বলেই তাদের আমরা সন্তুষ্ট করতে পেরেছি। এক হয়ে (ইজতেমা) করতেছে মানেই আমরা তাদের অল্প হলেও সন্তুষ্ট করতে পেরেছি। একদিনে সবটুকু হয় না।’

‘লেট আস হোপ ফর দ্য বেস্ট। ভবিষ্যতে আরও সময় পাব সেই সময়ে চেষ্টা করব যেটুকু বাকি আছে সবটুকু সমাধান করে চিরদিনের জন্য দ্বন্দ্ব দূর করব।’

তাবলীগ জামাতের দিল্লীর আমীর মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বিভিন্ন সময়ের বক্তব্য নিয়ে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে বাংলাদেশের তাবলীগ জামাত। আলেমরা সাদ বিরোধী ও সাদপন্থী দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। এক গ্রুপে রয়েছেন সাদ কান্ধলভিপন্থী বাংলাদেশ তাবলিগের শুরা সদস্য সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম। অপর গ্রুপে রয়েছেন মাওলানা সাদ বিরোধী কওমীপন্থী শুরা সদস্য মাওলানা জুবায়ের আহমেদ।

এই বিভক্তি চরম আকার ধারণ করে গত বছরের জানুয়ারিতে বিশ্ব ইজতেমার সময় মাওলানা সাদের বাংলাদেশে আসার পর। বিরোধীদের বাধার মুখে ইজতেমায় অংশ না নিয়েই মাওলানা সাদকে ওই সময় বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল।

গত ১ ডিসেম্বর ইজতেমা মাঠে দুই পক্ষের হতাহতের ঘটনাও ঘটে। টঙ্গীতে তুরাগ নদীর তীরে বিশ্বের মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় সম্মেলন ‘বিশ্ব ইজতেমা’র আয়োজনও করেছিল তাবলীগ জামাত। তবে নির্বাচনের আগে সরকার দুই পক্ষের সঙ্গে সভা করে ইজতেমা স্থগিত করে। সরকারের পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়েছিল, নির্বাচন শেষে দু’পক্ষের সঙ্গে বসে অভিন্ন ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সভায় দুই পক্ষের বিবাদ নিরসন হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

স্মরণশক্তির জোড়ে মুখস্থ করার মতো অস্বাভাবিক নানা ঘটনার কথা প্রায়ই শোনা যায়। তেমনই এক বিস্ময় বালক কুমিল্লার ৯ বছরের মো. রাফসান মাহমুদ জিসান। মাত্র ৪৯ দিনে কোরআনে হাফেজ হয়ে বিস্ময়কর ঘটনার জন্ম দিয়েছে অদম্য এই মেধাবী শিশু।কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিপুলাসার ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের প্রবাসী বাহার উদ্দিনের ছেলে রাফসান। সে শহরের ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের হিফজ বিভাগ থেকে অনন্য এ কীর্তি গড়েছে।ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের হিফজ বিভাগের শিক্ষক জামাল উদ্দিন জানান, রাফসান দেশের বিস্ময় বালক। তার মেধা সাধারণের চাইতে অনেক বেশি।

৪৯ দিনে কোরাআনের ৩০ পারাই মুখস্থ করেছে।তিনি বলেন, ‘গত বছরের নভেম্বরের ২ তারিখে রাফসানকে কোরআন শরিফের ৩০তম পারা মুখস্থ করতে দেই। দিন শেষে রাফসান গড়গড় করে ৩০তম পারাটি মুখস্থ বলে দেয়। এতে অবাক হলেও হয়ত আগে থেকেই পারাটি তার মুখস্থ ছিল ভেবে পরেরদিন আবার তাকে প্রথম পারা মুখস্থ করতে দেই। একইভাবে সে দ্রুত ওই পারাটিও মুখস্থ বলে দেয়।

এভাবে কোরআনের পাঁচটি পারা কয়েকদিনের মধ্যে মুখস্থ করে দিলে আমরা নিশ্চিত হই, রাফসান আর সব শিশু থেকে আলাদা। তার স্মরণশক্তি প্রখর।এভাবে প্রতিদিনই এক পারা করে মুখস্থ করে যেতে থাকে ও পেছনের আয়াতগুলো ঝালিয়ে নিতে থাকে রাফসান।রাফসানের এখন পুরো কোরআন শুনানি চলছে বলে জানান শিক্ষক জামাল উদ্দিন।স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাফসানের মা শাহিনা আক্তার ২০১৭ সালে ছেলেকে নুরানি দ্বিতীয় বর্ষে ভর্তি করে। এক বছর রাফসান প্রথম শ্রেণির বই পড়ার সঙ্গে কোরআন পড়াও শেষ করে। এরপরই ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে তাকে একই বিদ্যালয়ের হিফজ বিভাগে ভর্তি করা হয়।

তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে ফেসবুকে ভুয়া খবর ঠেকানোর বিষয়ে আরও কঠোর হচ্ছে ফেসবুক। যেসব পেজ ও গ্রুপ থেকে ভুয়া খবর ছড়ানো হবে তা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। গত বুধবার এ বিষয়ে সতর্ক করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছে, কোনো পেজ বা গ্রুপের ক্ষেত্রে যদি কমিউনিটি গাইডলাইন ভাঙার প্রমাণ পাওয়া না যায়, তারপরও ভুয়া খবর ছড়ালে সক্রিয়ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফরচুন অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ফেসবুকের পক্ষ থেকে পেজের ব্যবস্থাপকদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, ফেসবুক যদি কোনো কনটেন্ট মুছে ফেলে বা সরিয়ে দেয় বা যে পোস্টের কারণে কোনো পেজ বন্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে তা আবার নতুন পেজে পোস্ট করা হয় তবে সে পেজও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

রাশিয়ার উৎস থেকে তৈরি ৩৬৪টি পেজ বন্ধ করে দেওয়ার পর ফেসবুকের পক্ষ থেকে ভুয়া খবর রোধে এমন ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা এল। ওই পেজগুলোর বিরুদ্ধে সমন্বিত ভুয়া আচরণের অভিযোগ করেছে ফেসবুক।

এক ব্লগ পোস্টে ফেসবুক বলেছে, বিস্তৃত তথ্যের ওপর নির্ভর করে তারা নীতিমালা প্রয়োগ করবে। বিশেষ করে পেজের নাম বা একই অ্যাডমিন কিনা তা খতিয়ে দেখবে।

ফেসবুকের নিয়ম অনুযায়ী, নিষিদ্ধ বা বাতিল হওয়া পেজের অনুরূপ পেজ তৈরি করার সুযোগ দেয় না তারা। তবে দুর্বৃত্তরা একধাপ এগিয়ে থেকে তাদের অন্য পেজগুলোকে এ নেটওয়ার্কের আওতায় আনে এবং সেখানে ভুয়া খবর ছড়াতে থাকে।

এর আগে ফেসবুক হিস্টরি নামের এক ফিচার এনেছে যাতে গ্রুপ ও পেজের জন্য চালু করা হয়। এতে গ্রুপ কখন তৈরি হয়েছে, এর আগের নামসহ বেশ কিছু তথ্য দেখতে পান ব্যবহারকারী।

ফেসবুক ঘোষণা দিয়েছে তারা পেজ ও গ্রুপের জন্য ‘পেজ কোয়ালিটি’ নামের একটি আলাদা ট্যাব চালু করবে। এ ফিচারটির মাধ্যমে কনটেন্ট বাতিল, নীতিমালা ভঙ্গের কারণসহ বিস্তারিত তথ্য থাকবে। পেজের বিষয়টিকে আরও স্বচ্ছ করতে ফেসবুক এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে ভুয়া খবরকে ফেসবুক তাদের প্ল্যাটফর্মে ‘অস্তিত্ব-হুমকি’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানায়। মার্কিন এ সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে বলা হয়, ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ ভুয়া খবর ও তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বড় আকারের দল গঠন করেছেন।

ফেসবুকের নিউজ পার্টনারশিপ বিভাগের প্রধান মনীশ খানদুরি বলেন, ‘প্ল্যাটফর্মে হুমকি হয়ে আছে ভুয়া খবর। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভুয়া খবর ঠেকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে ফেসবুক। পর্নোগ্রাফির মতো যদি কোনো পোস্ট কমিউনিটির মানদণ্ড ভঙ্গ করে, এর জন্য শক্তিশালী প্রক্রিয়া আছে এবং তা দ্রুত নামিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু কেউ যখন কোনো পোস্টকে কোনো দলের রাজনৈতিক প্রচার বলে দাবি করে, তখন আমরা সন্দেহের বশে কিছু করতে পারি না।’

কোচিং বাণিজ্যকে নতুন ধরনের অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে হাইকোর্ট বলেছেন, ক্লাস রুমে পড়ানোর ব্যর্থতার কারণেই কোচিং বাণিজ্য হচ্ছে। এসময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর করার কথা বলেছেন আদালত।রোববার এ বিষয়ে শুনানিতে এমন মন্তব্য করেন আদালত।এই বাণিজ্য বন্ধে করা নীতিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিটের রায় ঘোষণার তারিখ আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ধার্য করা হয়।

এ বিষয়ে করা কয়েকটি পৃথক রিটের ওপর শুনানির পর আজ রোববার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।আদালতে রিটকারীদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার এম. আমীর-উল-ইসলাম এবং দুদকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান।শুনানির সময় অ্যামিকাস কিউরি ফিদা এম কামাল আদালতকে বলেন, ‘সিস্টেম ফেইলের কারণে কোচিং বাণিজ্যের মতো বিষয় ক্লাসের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

’দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, কোচিং বাণিজ্য নিয়ে আজকে রায় দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। এ মামলায় দুজন অ্যামিকাস কিউরি ছিলেন, একজন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল হাসান আরিফ, তিনি তার বক্তব্য আগেই শেষ করেছেন। আজকে আরেকজন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ফিদা এম কামাল তার বক্তব্য দিয়েছেন। উনি খুব বিশদভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, কোচিং বাণিজ্য হলে কী কী হতে পারে, না হতে পারে। আদৌ এটা অ্যালাউ করা ঠিক কিনা- উনি আদালতের কাছে সময় চেয়েছেন লিখিত আর্গুমেন্ট দিবেন।

আদালত উনার কথা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শুনেছেন এবং আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি রায় দেওয়ার জন্য দিন ধার্য করেছেন। আগামী রোববারের মধ্যে ফিদা এম কামালকে উনার লিখিত বক্তব্য জমা দিতে বলেছেন।’প্রসঙ্গত, কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে রাজধানীর মতিঝিল সরকারি বালক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষককের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না সেজন্য কারণ দর্শাতে নোটিশ দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ওইসব নোটিশ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২ নিয়ে ওই শিক্ষকেরা হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। তখন হাইকোর্ট রুল জারি করেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ‘মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এগুলো নির্মূলই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।’

রোববার ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে নিজ কার্যালয়ে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এখন উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ। সুশাসন নিশ্চিত করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে হবে।’

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘ক্রাইম রিপোর্টার ও পুলিশের কাজের ধরণ প্রায় একই রকম। উভয়ের উদ্দেশ্য জনগণের জন্য কাজ করা।’

অতীতের মতো সাংবাদিক ও পুলিশের সম্পর্ক সোহার্দ্যপূর্ণ থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

ডিএমপি সদর দফতরে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্র্যাব নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল খায়ের, সাধারণ সম্পাদক দীপু সারোয়ার, সহ-সভাপতি মিজান মালিক, পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) শাহাবুদ্দিন কোরেশী, অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মীর রেজাউল আলম, অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণপদ রায়, যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) শেখ নাজমুল আলম, ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান ও ক্র্যাব কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা।

চিকিৎসা শেষে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরছেন গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।সিঙ্গাপুর থেকে তাকে বহনকারী থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট রোববার (২৭ জানুয়ারি) রাত ১২টা ৫০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।

গণফোরামের প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পথিক  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, ড. কামালের সঙ্গে তার স্ত্রী হামিদা হোসেনও দেশে ফিরছেন।

এর আগে গেলো শনিবার (১৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টায় সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ছেড়ে যান ঐক্যফ্রন্ট প্রধান। তিনি সেখানে নিয়মিত শারীরিক চেকআপ করতে গিয়েছিলেন।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget