Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 629 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 2 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4822 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3453 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2823 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 85 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 104 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

ঝালকাঠিতে গভীর রাতে বাল্যবিয়ে, ভ্রাম্যমান আদালতে মা ও চাচাকে আর্থিক জরিমানা

রিপোর্ট : ইমাম বিমান:: ঝালকাঠিতে গভীর রাতে উপজেলা প্রশাসনের হস্থক্ষেপে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীর বাল্যবিয়ে দিতে গিয়ে কিশোরীর মা ও চাচাকে আর্থিক জরিমানা করেছে ঝালকাঠির ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক দশটার সময় ঝালকাঠি পৌর এলাকার ফকিরবাড়ী সড়ক সংলগ্ন জাকির হাওলাদারের বাড়িতে তার ভাইয়ের স্ত্রী ভাবীকে নিয়ে কিশোরী (অপ্রাপ্তবয়স্ক) মেয়ে ভাতিজিকে স্থানীয় বিবাহ রেজিস্ট্রী কাজী বশিরের সহযোগীতায় বিয়ে দেয়। ভাতিজীকে বিয়ে দেয়ার সংবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আফরোজ জানতে পারেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিয়ের সত্যতা পাওয়া ভ্রাম্যমান আদালতে অভিযোগ এনে কিশোরীর মা রিনা বেগম ও কিশোরীর চাচা জাকির হাওলাদারকে ১৫ হাজার টাকা করে দুইজনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করে মুছলেকা আদায় করেন।


এ বিষয় ঝালকাঠি জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার নাসরিন আক্তার জানান, গতকাল রাত আনুমানিক ১০টার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আফরোজের নির্দেশে বাল্যবিবাহের সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থাল শহরের ফকিরবাড়ী এলাকার জাকির হোসেনের  বাসায় গিয়ে বাল্যবিবাহের সত্যতা জানতে পারি। পরে এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করলে কিছুক্ষনের মধ্যে ঘটনা স্থলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আফরোজ মহাদ্বয় সহ জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নির্বাহী মেজিষ্ট্রেট মাছুমা রিমা ও সহকারী কমিশনার ভূমি লুৎফুননেচ্ছা উপস্থিত হয়ে বাল্যবিবাহ বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে কিশোরী মেয়েকে উদ্ধার করা হলেও বরিশাল থেকে বাল্যবিবাহ করতে আসা বর পক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। অভিযান চালিয়ে ১৬ বছর বয়সী একটি কিশোরী মেয়েকে বাল্য বিবাহ দেয়ার অপরাধে কিশোরীর মা ও চাচাকে ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করে, ভ্রাম্যমান আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তাদের দুজনকে ৩০হাজার টাকা শাস্তি মূলক জরিমানা করেন সেই সাথে কখন নিজ সন্তানকে অপ্রাপ্তবয়সে অর্থাৎ কখনও বাল্য বিবাহ দিবো না মর্মে মুছলেকা দেন। এ সময় এলাকায় মহিলা পৌর কাউন্সিলর নাছিমা কামাল উপস্থিত ছিলেন। তিনি আরো জানান, উপজোলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে রাত আনুমানিক পৌনে দশটার সময় বাল্য বিবাহের ঘটনা স্থলে গিয়ে কিশোরী মেয়েকে পেলেও বরিশাল থেকে বাল্যবিবাহ করতে আসা একটি ঔষধের (স্কয়ার ফারমাসিটিক্যাল) কম্পানিতে কর্মরত বর জিসান হাওলাদার তার পক্ষের লোকজন নিয়ে আমাদের আশার সংবাদ পেয়ে আগেই ঘটনা স্থান থেকে পালিয়ে গেছে বলে জানতে পারি। তবে বাল্যবিবাহ কার্যক্রমে সহযোগীতা সহ বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করার অপরাধে কাজী বশিরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করার হবে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্বস্ত করেন।

এ বিষয় অনুসন্ধানে জানাযায় যে, পোনাবালিয়া ইউনিয়নের বাওতিতা গ্রামের নাছির হাওলাদারের অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোরী মেয়ের বিয়ের ব্যাবস্থা করেন মেয়েটির মা রিনা বেগম। মেয়েটি (অপ্রাপ্তবয়স্ক) কিশোরী হওয়ায় এলাকাবাসী বাল্যবিবাহে বাধা দেয়। এলাকাবাসীর বাধার সম্মুখীন হয়ে রিনা বেগম তার মেয়েকে সেখানে বিয়ে দিতে না পেরে সেখান থেকে তার কিশোরী মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে গ্রাম থেকে ঝালকাঠি শহরের ফকিরবাড়ী সড়ক সংলগ্ন মেয়ের চাচা জাকির হাওলাদারের বাড়িতে এসে জাকির এবং ঐ এলাকার স্থানীয় কাজী বশির উদ্দীনের সহযোগীতায় জাকিরের বসত ঘরে পুনরায় ও বিবাহ কার্যক্রম শুরু করেন।

নৌ-পরিবহন প্রতি মন্ত্রীর বৈঠক বর্জন করলেন শার্শা উপজেলার সাংবাদিকবৃন্দ

বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: বেনাপোল স্থল বন্দর আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল এর দ্বিতীয়তলায় নৌপরিবহন প্রতি মন্ত্রী ও স্থল বন্দরের উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি খালেদ মাহমুদ চৌধুরীকে নিয়ে গোপন বৈঠক করছে বলে অভিযোগ উঠেছে স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষর বিরুদ্ধে।

বেনাপোল চেকপোষ্ট আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে সকাল সাড়ে ১০ টার সময় নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রীকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা। এরপর মন্ত্রী চেকপোষ্ট কাস্টমস, ইমিগ্রেশন ও নোম্যন্সল্যান্ড পরিদর্শন করে প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের দ্বিতীয় তলায় স্থল বন্দরের উপদেষ্টা কমিটির ১০ম বৈঠকে যোগ দেন। এসময় মাইকে ঘোষনা করা হয় এখানে উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ছাড়া কেউ থাকতে পারবে না। এমনকি সাংবাদিকরাও থাকতে পারবে না। ঘোষনা দেওয়া হয় সাংবাদিক ভাইয়েরা বাহিরে যান আপনাদের পরে ডাকা হবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ তাহলে সাংবাদিকদের অনুপস্থিতিতে সেখানে কি বৈঠক হচ্ছে তা জাতি কি ভাবে জানবে। এখানে গোপন বৈঠকের কি আছে। এই বন্দর নিয়েও বার বার অনেক নাটকীয়তা দেখা গেছে। সাংবাদিকরা কি মন্ত্রীর কাছে বন্দরের বার বার আগুন লাগা, আমদানি পন্য চুরি, ভায়গ্রার মত মাদক দেশে আমদানি করে বন্দরে রাখা, নির্ধারিত ওজনের পন্য ছাড়া বেশী পন্য আসার কারন জানতে চাইবে এই ভয়ে তাদের বৈঠক থেকে দুরে রেখেছে।

এদিকে বেনাপোল স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের সাংবাদিকদের মাইকে ঘোষনা দিয়ে বাহির যেতে বলায় প্রেসকাব বেনাপোলের সাধারন সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশু মন্ত্রীর উপদেষ্টা কমিটি’র বৈঠক এর সংবাদ বর্জন করার ঘোষনা দেন। সাথে সাথে বেনাপোলের সীমান্ত প্রেসক্লাব ও বন্দর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা তার সাথে একাতœতা ঘোষনা করে নিউজ কাভারেজ বন্ধ রেখে ভবনের নিচে ১০ মিনিট কর্মবিরতীতে যোগদেন। এসময় উপস্থিত সাংবাদিক বেনাপোল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশু,সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোলের সভাপতি সাহিদুল ইসলাম শাহীন ও বন্দর প্রেসক্লাব বেনাপোলের সাধারন সম্পাদক আজিজুল হক একই সুরে বলেন, যে সাংবাদিকদের বৈঠক কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া বেনাপোলের ইতিহাসে নজির বিহীন ঘটনা। এর আগে অনেক বার অনেক মন্ত্রীরা বেনাপোলে এসেছে তাদের আমন্ত্রনেই গণ মাধ্যমকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হয় কিন্তু এর পুর্বে সাংবাদিকদের সাথে এরকম ন্যাক্কারজনক ঘটনা কখনও ঘটেনি।
 
নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীসহ স্থলবন্দর কর্তৃপকেআষ কর্মকর্তাবৃন্দের সংবাদকর্মীদের সাথে এহেন আচারনের তীব্র নিন্দা,ধিক্কার ও প্রতিবাদ জানাই।

গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহনের মধ্য দিয়ে বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় বৈঠক সম্পন্ন

ঢাকা ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯: বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক মঙ্গলবার দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শহীদুল ইসলাম পাইলট এতে সভাপতিত্ব করেন।

সংগঠনের ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়ন এবং সাংগঠনিক কর্মকান্ড তুলে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর।

বক্তব্য রাখেন কার্যকরী সভাপতি আবুল হোসেন তালুকদার, আইন উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট কাওসার হোসাইন, কামাল হোসেন, মোনালিসা মৌ ও আলী হোসেন প্রমুখ।

সভায় সংগঠনকে আরো গতিশীল করে তুলতে বিভিন্ন প্রস্তাবণা ও সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।
আগামি ১ ডিসেম্বর তৃতীয় বারের মত বিজয় শোভাযাত্রা, নিস্কৃয় কমিটি সক্রিয়, নতুন কমিটি গঠনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।

অপর এক প্রস্তাবে কামাল হোসেনকে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, মোনালিসা মৌ’কে ভারপ্রাপ্ত অর্থ সম্পাদক, চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি কেএম রুবেল ও কক্সবাজার জেলা সম্পাদক জসিম উদ্দিন জিহাদকে কেন্দ্রের নির্বাহী সদস্য পদে অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া সংগঠনের ১০ জন নিস্কৃয় সদস্যের কেন্দ্রীয় সদস্যপদ স্থগিত করার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে।
সভায় সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধসহ ১৪ দফা দাবি আদায়ে কেন্দ্রসহ সকল জেলা/উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানানো হয়।

নওগাঁর রাণীনগরে বাল্য বিয়ের দায়ে কাজীসহ তিন জনের ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরে বাল্য বিয়ের দায়ে কালীগ্রাম ইউনিয়ন নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) হেলাল উদ্দীনকে ৫০ হাজার এবং মেয়ের দুই মামাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার সন্ধ্যায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন এ জরিমানা প্রদান করেন।

ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন জানান, ভেটির ছাতারপুকুর গ্রামে জনৈক এক ব্যক্তির নবম শ্রেণীতে পড়–য়া মেয়ের বাল্য বিয়ে হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে নিকাহ রেজিস্ট্রার হেলাল উদ্দীনসহ তিন জনকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতে কাজীর ৫০ হাজার টাকা ও মেয়ের দুই মামা নাটোরের সিংড়ার হোসেনপুর গ্রামের এলাহীর ছেলে জাহিদ হাসান ও জাহিদুল ইসলামকে ১০ হাজার টাকা, মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।


নয়ন বাবু, সাপাহার (নওগাঁ): একদিনের ব্যবধানে আবারো নওগাঁর সাপাহারে পৃথক দুটি অভিযানে ২৪৯ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫ গ্রাম হিরোইন সহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে থানা পুলিশ।
 
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হাই জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক মো: জাহাঙ্গীর সঙ্গীয় ফোর্সসহ সোমবার দিনগত রাত ১টার দিকে উপজেলার হরিপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে ২৪৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ লিটন (২৪) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী লিটন উপজেলার পিছলডাঙ্গা গ্রামের আনারুলের পুত্র বলে জানা গেছে।
 
অপরদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুর রহমান রাত ১০ টার দিকে উপজেলা সদরের সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রোড থেকে ০৫ গ্রাম হিরোইন সহ রিপন সরকার (৩০) কে আটক করে। আটককৃত রিপন সরকার মানিকুড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র বলে জানা গেছে। ওই রাতেই আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে মঙ্গলবার সকালে তাদেরকে নওগাঁ জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। খুব অল্প দিনের মধ্যেই সাপাহার উপজেলায় মাদক মুক্ত করা হবে বলে ওসি আব্দুল হাই জানান।

সমাধান না পেলে সন্তান নিয়ে আত্মহত্যা করার হুমকি
নওগাঁয় স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে স্বামীর বাড়ির সামনে সন্তানকে নিয়ে গৃহবধূর অবস্থান

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দা উপজেলায় দুইদিন ধরে সন্তানকে নিয়ে স্বামীর বাড়ির সামনে অবস্থান করছেন ফাতেমা বেগম (৩৩) নামে এক নারী।
 
গত সোমবার দুপুরে স্বামীর বাড়িতে গেলে স্বামী আবুল কাশেম বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে অন্যত্র চলে যায় এরপর থেকে ২ সন্তানকে নিয়ে অবস্থান শুরু করেন ফাতেমা বেগম।
 
স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার তুরুক বাড়িয়া গ্রামের মৃত শুক্কুর আলীর ছেলে আবুল কাশেমের সঙ্গে নওগাঁ সদর উপজেলার পশ্চিম শিকারপুর গ্রামের সোলায়মান সরদারের মেয়ে ফাতেমা বেগমের প্রায় ১২বছর পূর্বে ১ লক্ষ টাকা যৌতুক দিয়ে বিয়ে হয়। বিয়ের পর ভালোই চলছিল তাদের সংসার। এর মাঝেই দুই সন্তানের মা হন ফাতেমা বেগম। তার পর সংসার এবং দুই সন্তান মরিয়ম আক্তার ও মো. হোসাইন এর ভবিষ্যৎ চিন্তা করে কর্মের তাগিতে প্রায় ১০বছর আগে বিদেশে পাড়ি জমান আবুল কাশেম। বিদেশে থাকাকালীন সময়ে সাংসারিক খচর নিয়মিত দিতেন কিন্তু গত ৫বছর থেকে কোন খরচ দেয়না এবং এক পর্যায়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
 
যার কারনে সন্তানদের নিয়ে ফাতেমা বেগম বাবার বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। কিছুদিন পূর্বে বিদেশ থেকে আবুল কাশেম বাড়িতে ফিরলে সন্তানদের সাথে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে ফিরে গেলে বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে অন্যত্র চলে যায় স্বামী আবুল কাশেম। এর পর থেকে স্ত্রীর অধিকার ফিরে পেতে ২সন্তানকে নিয়ে স্বামীর বাড়ির সামনে অবস্থান শুরু করেন ফাতেমা বেগম।
 
স্থানীয় প্রতিবেশি মোর্শেদা বেগম বলেন, ফাতেমা তার দুই সন্তানকে নিয়ে স্বামীর বাড়ির সামনে বসে থাকেন কখন স্বামী আসবে কিন্তু তার স্বামী আবুল কাশেম বাড়িতে তালা মেরে চলে গেছে কই গেছে কেওই জানেনা না। আমি কয়েক বার বলেছি এমন আচারন কেন করছিস সন্তানদের নিয়ে সংসার কর কিন্তু কোন উত্তরই দেয়না। মেয়েটা দুই সন্তানকে অনেক অসহায় হয়ে পরেছে।
 
অন্য প্রতিবেশি মকলেছ সরদার জানান, বিষয়টি নিয়ে সুরাহার জন্য আবুল কাশেমকে গ্রামের ময়মুরব্বি এবং মাতব্বররা মিলে কয়েবার বলেছি যোগাযোগ করার চেষ্টাও করেছি কিন্তু সে আমাদের কথাকে পাওাই দেয়না। ঘরে তালা দিয়ে গেছে, কই থাকে কি করে আমরা কিছুই জানিনা।
ফাতেমা বেগমের মেয়ে ৮ম শ্রেনী পড়–য়া মরিয়ম আক্তার বলেন, আব্বু এমন করছেন কেন। বিদেশ থেকে আসার পর আমরা বাসায় এসেছি তবুও আব্বু একটু কথা না বলে বাসায় তালা দিয়ে চলে গেছে। আমরা এখন কি করবো। আমরা আব্বুর সাথে থাকতে চাই।
 
ফাতেমা বেগম বলেন, স্বামীর বাড়িতে আসলে আমার স্বামী তালা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন। বিদেশ থাকতে নাকি আমাকে তালাক দিয়েছে বলে কিন্তু তার কোন কাগজ আমি আজও হাতে পাইনি। তাহলে তালাক হলো কিভাবে। স্বশুর স্বাশুরী বেঁচে নেই। আমার স্বামীর এক ছোট ভাই আছে সেও মানুষিক ভারসম্যহীন কখন কই থাকে আমরা জানিনা। কার কাছে সাহায্য চাইবো বলেন। আমি আমার স্বামীর অধিকার চাই। আমার স্বামীকে ডিভোর্স দেইনি, তাই আমার অধিকার আছে। আমার স্বামীকে ফিরে পেতে চাই। কেন সে এমন করছে কিছুই জানিনা। সমাধান না পেলে হাসুয়া দিয়ে সন্তান নিয়ে আত্মহত্যা করব।
 
মুঠোফেনে এবিষয়ে কথা হলে ফাতেমা বেগমের স্বামী আবুল কাশেম জানান, বিদেশে থাকাকালীন সময়ে কাজীর সাথে পরামর্শ করে ২বছর পূর্বেই তালাক দিয়েছি তবে তালাকের কাগজ হয়তো ফাতেমা গ্রহন করেনি সে জন্য অস্বীকার করছে। এখন কাবিননামার বিষয়ে সময় নিয়ে বসে ফয়সালা করা হবে। তিনি আরও বলেন, অনেকদিন যাবৎ আমার বাসায় না থাকার কারনে ঘরটি সংস্কারের প্রয়োজন তাছাড়া আমি যেহেতু আবার বিদেশে চলে যাবো তাই আমার বাসায় না থেকে অন্যখানে আপাদত থাকছি। ফাতেমার চরিত্র ভালো নয়, আমার অনেক টাকা -পয়সা সে নষ্ট করেছে। তার সাথে আর ঘর সংসার করার কোন ইচ্ছাই আমার নেই।
 
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তকর্তা (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন জানান, ফাতেমা থানায় এসেছিল তার পর বিষয়টি নিয়ে ফাতেমার স্বামীকে ফোন দিয়েছিলাম তখন তিনি বলেন আমার বাসায় উঠলে উঠুক আমি তো বাঁধা দেইনি। তবে আমি তাকে তালাক দিয়েছি। তার পর ফাতেমাকে আদালতে গিয়ে উকিলের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের পরামর্শ দেই।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget