Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 629 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 2 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4822 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3453 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2823 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 85 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 104 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf


যশোরের বেনাপোলে জামিনে ফিরে মাদক স¤্রাটদের অবাধ বিচরণ

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে বেনাপোল সীমান্তে অবাধ বিচরণ করে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসায়ীরা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে চিহিৃত মাদক সম্রাটরা। মাঝে মধ্যে বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করলেও আবার তারা জামিনে এলাকায় ফিরে প্রকাশ্যে চালিয়ে চাচ্ছে মাদকের কারবার।

জানা যায়, দেশের অনান্য সব সীমান্ত দিয়ে যে পরিমান মাদকের চোরাচালান হয় তার এক তৃতীয়াংশ চোরাচালান হয় বেনাপোল সীমান্ত পথে। মাদক পাচার প্রতিরোধে  বিজিবি ও পুলিশ এলাকায় সর্বচ্চ সতর্কতা জারী করলেও তাতে কোন সুফল আসছেনা। যেন নিরাপত্তার সাথে পাল্লা নিয়ে বাড়ছে মাদকের চোরাচালান।


স্থানীয়রা বলছেন, বিশেষ করে পুলিশ প্রশাসন মাদক পাচার প্রতিরোধে আন্তরিক হয়ে কাজ করলে তবেই মাদক পাচার ও প্রতিরোধ করা সম্ভব। আর পুলিশ বলছে তারা মাদক চোরাচালান  প্রতিরোধে প্রানপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জানা যায়, এক সময় বেনাপোল বাণিজ্যিক এলাকা হিসাবে পরিচিতি থাকলেও বর্তমানে মাদক পাচারের কেন্দ্র স্থল হিসাবে আলোচিত। পুলিশ ও বিজিবির চোখ ফাঁকি দিয়ে  প্রতিদিন শত শত বোতল ফেন্সিডিল,গাঁজা সহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্যের চোরাচালান হচ্ছে। মাঝে মধ্যে দুই এক জন বিজিবির হাতে আটক হলেও এক্ষেত্রে পুলিশ থাকওেছ প্রায় নিষ্ক্রীয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ভারত থেকে ফেন্সিডিলের চালান আনার পথে  শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী বেনাপোলের দক্ষীন কাগজপুকুর গ্রামের বাবু কলুর ছেলে তাজিম ও তার সহযোগি মাদক ব্যবসায়ি রাবেয়া খাতুনকে দৌলতপুর গ্রাম থেকে বিজিবি সদস্যরা আটক করে পুলিশে দেয়। আটকের মাত্র এক মাসের মধ্যে তাজিম  জামিনে  ফিরে আবার মাদকের সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে। অভিযোগ রয়েছে তার কাছ থেকে এক শ্রেনীর আইন শৃংখলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা মাসিক মাশোহারা পাওয়ায় সে এলাকায় দাপটের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এছাড়া বেনাপোলের ভবাবেড় গ্রামের সোহেল ও আফরোজা, খড়িডাঙ্গা গ্রামের নুরুদ্দিন, গাতিপাড়া গ্রামের আমজাদ হোসেন রানা ও আনোয়ারা খাতুন, আমড়াখালীর আলাউদ্দিন, পুটখালীর দেলোয়ার হোসেন, বড় আঁচড়া গ্রামের ফারুক আলী ও রবি হোসেন। এসব মাদক ব্যবসায়িদের অনেকে জামিনে  বাড়িতে ফিরে প্রকাশ্য মাদক পাচারে লিপ্ত রয়েছে।

বেনাপোল সীমান্ত মাদক চোরাচালান ব্যবসায়িরা অতিদ্রুত বাড়ি ফিরে আসা সম্পর্কে  জানতে চাওয়া হলে পোর্ট থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল লাতিফ বলে, মাদক ব্যবসায়িরা জামিনে ফিরে আসা এটা বিজ্ঞ আদালতের ব্যাপার। তবে যারা ফিরে আসছে তাদের ওপর আমাদের নজরদারি রয়েছে।

উল্লেখ্য গত কয়েকদিনে শুধু বেনাপোলের পুটখালী সীমান্ত থেকে বিজিবি সদস্যরা প্রায় ৩ হাজার বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে। এসময় ইয়াবা, গাজা সহ অন্যান্য ভারতীয় পন্য জব্দ করেছে।

নওগাঁর নিয়ামতপুরে বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী ছাত্রীনিবাস উদ্বোধনকালে
বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীর বন্ধন মুক্তিযোদ্ধের সময় যেমন ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে -খাদ্যমন্ত্রী

মাহমুদুন নবী বেলাল, নওগাঁ: বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীর বন্ধন ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযোদ্ধের সময় যেমন ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযোদ্ধের সময় ভারত আমাদের ঘর-বাড়ী, সহায় সম্বল হারা প্রায় এক কোটি বাঙ্গালীকে আশ্রয় দিয়ে, তাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়ে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, আমরা তা আজও মনে প্রাণে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি। তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি আমাদের শুধু আশ্রয় দেননি, বাংলাদেশকে স্বীকৃতি ও মুক্তিযুদ্ধে সৈন্য, অস্ত্রদিয়ে সহযোগিতা করেছিলেন। সে সময় বাংলাদেশ-ভারত যে মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে, আজও তা অটুট রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও অটুট থাকবে।
বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীর বন্ধন মুক্তিযোদ্ধের সময় যেমন ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে -খাদ্যমন্ত্রী

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় শাংশৈল আদিবাসী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী ছাত্রীনিবাস উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজত জনসভায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
 
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়া মারীয়া পেরেরার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গলী দাস, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দিন তরফদার, নওগাঁ জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান, নওগাঁ পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন পিপিএম, ভারতীয় হাই কমিশনের ফাষ্ট সেক্রেটারী (পলিটিক্যান) নবনিতা চক্রবর্তী, সহকারী ভারতীয় হাই কমিশনার (রাজশাহী) সঞ্জিব কুমার ভাটি, খাদ্যমন্ত্রী একান্ত সচিব উপ-সচিব সহিদুজ্জামান, নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ, এলজিইডি নওগাঁর নির্বাহী প্রকৌশলী নাইম উদ্দিন মিয়া, নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ।
 
প্রধান অতিথি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা বরেন্দ্র এলাকা। এখানকার মানুষের বড় সমস্যা বিশুদ্ধ খাবার পানি। ভারত সরকার সেই বিশুদ্ধ খাবার পানির সমস্যা দূর করার জন্য ৪শটি ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন করেছেন। আমি আশা করবো ভারতে যেই সরকার গঠন করুক বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কের কোন অবনতি হবে না। বরং দিন দিন তা উন্নতীর দিকে যাবে।
 
প্রধান অতিথি আরো বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা সাপাহার উপজেলায় একটি স্থলবন্দর স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। ভারত সরকার তাতে সহযোগিতা করবে।
 
উল্লেখ্য ভারতের ২ কোটি ৪১ লাখ টাকা আর্থিক সহযোগিতায় নিয়ামতপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এন্ড কলেজে ৪তলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট দোতলা বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী ছাত্রীনিবাস এবং শাংশৈল আদিবাসী স্কুল এন্ড কলেজে দোতলা বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী ছাত্রীনিবাস নির্মান করা হয়।

নওগাঁর রাণীনগরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ নারী-পুরুষ আটক

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরে ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩ শত পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আব্দুল মতিন (৩৭) ও নাছিমা বেগম (৫৫) নামে দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে নওগাঁ জেলা গোয়েন্দা শাখা পুুুলিশ (ডিবি)। গত সোমবার দিনগত রাতে গোয়েন্দা পুলিশের একটি টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাণীনগর উপজেলার সদরের আব্দুল মতিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ওই দুইজনকে আটক করে ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।

আটককৃত আব্দুল মতিন উপজেলা সদর ইউনিয়নের পুর্ব বালূভরা গ্রামের মৃত এচাহক আলীর ছেলে এবং নাছিমা বেগম একই এলাকার বিষ্ণপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের স্ত্রী। ঘটনায় রাতেই ডিবি পুলিশ বাদি হয়ে রাণীনগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানতে চাইলে মামলার বাদী এসআই মিজানুর রহমান বলেন, আব্দুল মতিনের বাড়িতে ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। আটক নাছিমা বেগম ইয়াবা ট্যাবলেট গুলো আব্দুল মতিনের নিকট বিক্রি করে চলে যাবার আগেই আমরা সেখানে পৌঁছে তাদরকে আটক করেছি।

ঝালকাঠিতে অভিযানে শিক্ষক দম্পত্তির কোচিং সেন্টার সিলগালা

রিপোর্ট  : ইমাম বিমান: ঝালকাঠিতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে শিক্ষক দম্পত্তির কোচিং সেন্টার সিলগালা। ৫ মে রবিবার বেলা ১২টায় শহরের হোগলাপট্টি এলাকায় শিক্ষক দম্পত্তির গড়া তহমিনা কোচিং সেন্টারটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঝালকাঠির সহকারী কমিশনার (ভূমি) লুৎফুন্নেছা বেগম এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় কচিং সেন্টার পরিচালনাকারী শিক্ষক দম্পত্তি ভবিষ্যতে আর কোচিং সেন্টার পরিচালনা করবেন না মর্মে  শিক্ষক দম্পতি নুরুল ইসলাম ও তাহমিনা বেগম মুচলেকা দেন। 
ঝালকাঠিতে অভিযানে শিক্ষক দম্পত্তির কোচিং সেন্টার সিলগালা
 
এ বিষয় ঝালকাঠির সহকারী কমিশনার (ভূমি) লুৎফুন্নেছা বেগম জানান, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কোচিং সেন্টার পরিচালনা করে আসছিল শিক্ষক দম্পতি। তাঁরা বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কোচিং সেন্টারে পড়াতেন। সংবাদ পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে অভিযান চালায়। এসময় শিক্ষার্থীদের পড়ানো অবস্থায় দুই শিক্ষককে পাওয়া যায়। তাদের কাছ থেকে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।


যশোরের বেনাপোল বন্দরে চুরির মালামাল নিয়ে মারামারি
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: বেনাপোল স্থল বন্দর এর বিভিন্ন পন্যাগার থেকে মালামাল চুরির ঘটনা নতুন নয়। বন্দরের এক শ্রেনীর অসৎ কর্মকর্তা কর্মচারী বিভিন্ন পন্যাগার থেকে মালামাল চুরির পাশাপাশি শুল্ক চুরি চক্রের কাজেও সহযোগিতা করে যাচ্ছে। কখনো কখনো এরকম ঘটনার কথা কম বেশী উদঘাটিত হলেও তার কোন শাস্তিমুলক প্রতিকার হয়না। এরকম একটি ঘটনা আবার ঘটেছে গত ১৭ এপ্রিল বন্দরের ৩৭ নং শেড বা পন্যাগারে। ওই শেডের ইনচার্জ সবুজ চন্দ্র রায় ওই দিন রাত্রে একটি পন্য চালানের কিছু মাল চুরি করে সরিয়ে রাখে। এই ঘটনা শেডের পন্য কর্মচারীরা টের পেলে বিরোধ সৃষ্টি হয়। যার পরিনতিতে চরম মারামারিতে সংঘটিত হয়। এর পরই ওই শেডের অনেক তথ্য বেরিয়ে আসে।

জানা গেছে ৩৭ নং শেড এর ইনচার্জদ্বয় জাভেদ-ই বিল্লাহ ও গোলাম মোস্তফা অন্যত্র বদলী হওয়ার পর এই শেড এর দায়িত্ব প্রাপ্ত হন সবুজ চন্দ্ররায়। দায়িত্ব পাওয়ার পর বেনাপোল বন্দর এর একটি চিহিৃত শুল্ক চোর চক্রের ইন্ধনে এই লোকটি পরিচালিত হতে থাকেন। ঘোষনা বহির্ভুত মালামাল শেড অভ্যান্তরে নামানো, কম দামি মালের বদলে বেশী দামের পন্য চালান সরবরাহ দেওয়া, মেনিফেস্ট ছাড়া মাল উঠানামনোই সহযোগিতা করা ইত্যকার নানান অপকর্মে এই লোকটি জড়িয়ে পড়ে বলে একাধিক অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এই শেড থেকে এই ব্যাক্তির ছেড়ে দেওয়া একটি পন্য চালান কাস্টমস এর গোয়েন্দা শাখার হাতে সম্প্রতি ধরা পড়ার পর ওই পন্য চালানে অতিরিক্ত ৩০ লাখ টাকা শুল্ক আদায় করা হয়েছে। কাগজপত্র ছাড়া কাস্টমস কার্গো শাখার এন্ট্রি ছাড়াই ঢুকে পড়া হরেক রকমের শুল্ক চুরির পন্যাদি উঠানামানোর কাজে এই শেডটি অনেকদিন যাবৎ ব্যবহৃত হয়ে আসছে বলে বন্দর এর বেশ কয়জন  কর্মচারী অভিযোগ উঠিয়েছেন।

এব্যাপারে সবুজ চন্দ্র রায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাদের বেনাপোল প্রতিনিধি রাসেল ইসলামকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে তা বানোয়াট। বরং আমি একটি পন্য চালানের খালাসকারী সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর কাছ থেকে ৪ টি ইনার প্যাকেজ (কসমসেটিক্স, ইমিটেশন) পন্য  চেয়েনি। অথচ আমাকে অহেতুক এই ঘটনার রেশ ধরে শেড ইনচার্জ হাফিজুর রহমান কিল, ঘুষি, লাথি মেরে চরম ভাবে অপদস্থ করে।

এ ব্যাপারে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর হাফিজ আমাদের বেনাপোল প্রতিনিধি রাসেল ইসলামকে বলেন, আসল ঘটনা ভিন্ন।প্রকৃতপক্ষে সবুজ চন্দ্র রায় এই শেড এর দায়িত্বে আসার পর থেকেই ঘোষনা বহির্ভুত পন্য নামানো, ম্যানিফেষ্ট ছাড়া পন্য নামানো উঠানোর কাজে সহযোগিতা করা, কমদামি পন্য ছাড় করার অনুমতি পত্র নিয়ে পাশে থাকা দামি পন্য সরবরাহ করার কাজে  সহযোগিতা করা ইত্যকার সব অপকর্ম চালিয়ে আসছে। বিশেষ করে শুল্ক চুরির ঘোষনা বহির্ভুত মালামাল এই লোকটির সহযোগিতায় পন্যাগারটির বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়, যাতে চুরির প্রকৃত ঘটনা ধরা না পড়ে।  আমি এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করায় তিনি  মিথ্যা মারধরের অভিযোগ করছেন। আমি এ ব্যাপারে বন্দরের ট্রাফিক পরিচালক প্রদোষ কান্তি দাসের নিকট একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেছি।

এ ব্যাপারে বন্দর পরিচালককে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। তবে উপ-পরিচালক মামুন কবির তালুকদার টেলিফেনে বলেন, এটা আমাদের একটি ইন্টারনাল ব্যাপার। আমি ঢাকায় রয়েছি, বেনাপোলে এসে এসব বিষয় কথা বলব। এদিকে সবুজ চন্দ্র রায় এসব ঘটনার কথা যাতে সংবাদ মাধ্যমে না আসে সে ব্যাপারে বন্দর এর অপর একজন ট্রাফিক ইন্সপেক্টর খোদাবক্স লিটনকে দিয়ে মোবাইল ফোনে অনুরোধ করেন।

নওগাঁর রাণীনগরে অকেজো হয়ে পরে আছে ইউনিয়ন পরিষদগুলোর ৮টি এ্যাম্বুলেন্স, ভেস্তে যাচ্ছে প্রকল্পের উদ্দেশ্য

তরিকুল ইসলাম জেন্টু, নওগাঁ: নওগাঁর রাণীনগরের আটটি ইউনিয়ন পরিষদে দেয়া আটটি এ্যাম্বুলেন্সই বছর ধরে অকেজো হয়ে পরে আছে । এতে করে গ্রামীণ জনপদের লাখ লাখ মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে । এ্যাম্বুলেন্সগুলো মেরামত কিম্বা চালু করার কোন উদ্দ্যোগ না নেয়ায় একদিকে যেমন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য ভেস্তে যাচ্ছে অন্যদিকে, সরকারের লাখ লাখ টাকা গচ্ছা যাচ্ছে।
 
গ্রামীন জনপদে  মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে গত ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে লোকাল গর্ভন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি) প্রকল্প -২ এর আওতায় রাণীনগর উপজেলার আটটি ইউনিয়নে আটটি এ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ দেয়া হয় । এর পর প্রতিটি এ্যাম্বুলেন্স প্রায় দুই লক্ষাধীক টাকা ব্যয়ে তৈরি করা হয়। বিশেষভাবে তৈরি ব্যাটারী চালিত এসব এ্যাম্বুলেন্স আনুষ্ঠাকিভাবে হস্তান্তর করা হয় পরিষদগুলোতে। গ্রামীন জনপদের অসহায়-দুস্থ,দরিদ্্র মানুষ এবং প্রসুতি মা-শিশুর দ্রুত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রকল্পের মাধ্যমে এউদ্দ্যোগ নেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এ্যাম্বুলেন্স তৈরিতে নিন্মমানের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করায় মুখ থুবরে পরেছে প্রকল্পটি। এ্যাম্বুলেন্স চালকরা বলছেন,এ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তরের খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাটারী নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অকেজো হয়ে পরে আছে। ব্যাটারীর দাম বেশি হওয়ায় এ্যাম্বুলেন্সগুলো কেউ মেরামত কিম্বা চালু করার ব্যবস্থা করছেনা। এভাবে আর কিছু দিন পরে থাকলে হয়তো পুরো গাড়ীটায় নষ্ট হয়ে যাবে। এতে করে একদিকে যেমন  প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য ভেস্তে যাচ্ছে,অন্য দিকে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা গচ্ছা যাচ্ছে ।
 
এব্যাপারে উপজেলার কালীগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বাবলু মন্ডল, একডালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম,মিরাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, এ্যাম্বুলেন্সগুলোর  ব্যাটারী নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অকেজো হয়ে পরে আছে। কোন ফান্ড না থাকায় মেরামত কিম্বা চালু করা যাচ্ছে না। তবে অচিরেই এ্যাম্বুলেন্সগুলো চালু করার ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 
এব্যাপারে রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন জানান,এবিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে চেয়ারম্যানদের সাথে কথা বলে দ্রুত মেরামত করার উদ্দ্যোগ নেয়া হবে।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget