Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

সন্দ্বীপ উপজেলার ইউএনও এবং ওসি সাথে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব সন্দ্বীপ উপজেলা শাখা নেতৃবৃন্দের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

মিলাদ মুদাছ্ছির চট্রগ্রাম : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সন্দীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব সন্দ্বীপ উপজেলা শাখার উপজেলা শাখা নেতৃবৃন্দের পৃথক ২টি সৌজন্যে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে বেলা ১২ টায় সন্দ্বীপ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অফিসে পরে বেলা ১ টায় সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নেতৃবৃন্দ সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাতের সময় সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব জেপি দেওয়ান ও সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বশির আহম্মদ খানের কাছে বিগত ০৪/০৯/২০২১ তারিখে নব গঠিত বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব সন্দ্বীপ উপজেলা শাখার আহবায়ক কমিটির তালিকা হস্তান্তর ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নেতৃবৃন্দের সাথে সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে সাংগঠনিক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব সন্দ্বীপ উপজেলা শাখার আহবায়ক ইলিয়াছ সুমন, যুগ্ম আহবায়ক, আমিনুল হক চারু মিল্লাত, যুগ্ম আহবায়ক, মিলাদ মুদ্দাসসির, যুগ্ম আহবায়ক, কাউছার মাহামুদ দিদার, সদস্য সচিব পুষ্পেন্দু মজুমদার, সদস্য সাংগঠনিক দিদারুল আলম, ও সদস্য অর্থ সবুজ চন্দ্র দাস। 

এ সময় সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব সন্দ্বীপ উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ কে সার্বিক সহযোগিতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে দেশ ও জাতির কল্যানের জন্য কাজ করার আহবান জানান।

একইভাবে, সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা বশির আহম্মদ খান ক্লাবের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং সত্য সংবাদ পরিবেশন করে জনকল্যানে কাজ করার আহ্বান জানান


চেয়ারে বসে নামাজ পড়া যাবে কি


মানুষের সাধ্যের বাইরে কোনো কিছু ইসলাম চাপিয়ে দেয়নি। কারণ, ইসলাম সহজাত, জীবনঘনিষ্ঠ ও স্বভাবজাত ধর্ম। আল্লাহর দেওয়া সব বিধানের মধ্যে নামাজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অসুস্থ হলেও নামাজ আদায় করতে হয়। তবে সে ক্ষেত্রে ইসলাম কিছুটা অবকাশ দিয়েছে।

সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বসে নামাজ পড়ার বিধান

ইসলাম অসুস্থের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রেখেছে। ভিন্ন পদ্ধতিতে নামাজ আদায়ের সুযোগ দিয়েছে। তবে এর জন্য বিশেষ নীতিমালা রয়েছে। দাঁড়াতে ও সিজদা করতে সক্ষম— এমন ব্যক্তির জন্য নামাজে কিয়াম বা দাঁড়ানো ফরজ।

দাঁড়াতে বা সিজদা আদায়ে সক্ষম হওয়া সত্ত্বেও যদি কেউ ফরজ-ওয়াজিব নামাজ বসে আদায় করে, তবে নামাজের ফরজ ছেড়ে দেওয়ার কারণে তার নামাজ হবে না। নামাজ পুনরায় পড়তে হবে। (দুররে মুখতার, জাকারিয়া বুক ডিপো : ২/১৩২)

হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায়

সিজদা করতে সক্ষম ব্যক্তি যদি নামাজের কিছু অংশে দাঁড়াতে সক্ষম হয় এবং পুরো সময় দাঁড়িয়ে থাকতে অপারগ থাকে, তবে যেটুকু সময় দাঁড়াতে পারবে, তা কোনো লাঠি বা দেয়ালের সঙ্গে ঠেস দিয়ে হলেও সেটুকু দাঁড়ানো ফরজ। এ অবস্থায় যদি না দাঁড়ায় এবং কোনো কিছুর ওপর হেলান দিয়ে দাঁড়ানোর পরিবর্তে বসেই নামাজ আদায় করে, তবে নামাজ হবে না। (দুররে মুখতার : ২/২৬৭)

কেউ যদি দাঁড়াতে সক্ষম, কিন্তু রুকু-সিজদা বা শুধু সিজদা করতে সক্ষম না হয়, তার জন্য বসে নামাজ আদায় করা জায়েজ। সে ইশারার মাধ্যমে রুকু-সিজদা করবে। এ ক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে ইশারার মাধ্যমে নামাজ আদায় করার চেয়ে বসে ইশারায় নামাজ আদায় করা উত্তম। (দুররে মুখতার : ২/৫৬৭, ফাতাওয়ায়ে আলমগিরি : ১/১৩৬)

না দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে যখন

কিছু অক্ষমতা রয়েছে, যেগুলোর কারণে দাঁড়ানোর আবশ্যকতা রহিত হয়ে যায়। তা সাধারণত দুই প্রকার :

এক. হাকিকি বা মৌলিক অর্থাৎ এমন অক্ষম, যে দাঁড়াতে পারে না।

দুই. হুকমি বা বিধানগত অর্থাৎ সে এমন অক্ষম নয় যে দাঁড়াতে পারে না, বরং দাঁড়ালে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা অথবা এমন দুর্বলতা থাকে, যা শরিয়তের দৃষ্টিতে অক্ষমতা বলে বিবেচিত।

যেমন- অসুস্থতা, যার ব্যাপারে অভিজ্ঞ মুসলিম ডাক্তাররা পরামর্শ দেন যে দাঁড়ালে রোগ বৃদ্ধি পাবে অথবা সুস্থতা ফিরে আসতে বিলম্ব হবে কিংবা দাঁড়ানোর কারণে অসহনীয় ব্যথা অনুভূত হয়—এসব অবস্থায় বসে নামাজ আদায় করা জায়েজ। (দুররে মুখতার মাআ রদ্দুল মুহতার : ২/৫৬৫)

চেয়ারে নামাজ আদায় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই বিধান

যে ক্ষেত্রে শরয়ি ওজরের কারণে চেয়ারে বসে ইশারার মাধ্যমে নামাজ আদায় করার অনুমতি রয়েছে, সে ক্ষেত্রে সিজদার সময় ইশারার ওপরই ক্ষান্ত হওয়া উচিত। উল্লিখিত দীর্ঘ আলোচনার সংক্ষিপ্ত নিম্নরূপ :

এক. যে ব্যক্তি দাঁড়াতে সক্ষম নয়, কিন্তু যেকোনোভাবে মাটিতে বসে রুকু-সিজদা করে নামাজ আদায় করতে পারে, তাকে মাটিতে বসেই রুকু-সিজদা করে নামাজ আদায় করতে হবে। চেয়ার ইত্যাদিতে বসে ইশারায় রুকু-সিজদা করে নামাজ আদায় করা জায়েজ হবে না।

দুই. আর কেউ যদি দাঁড়াতে পারে, কিন্তু কোমর বা হাঁটুতে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়ায় সিজদা করার শক্তি না রাখে অথবা সে মাটিতে বসতে পারে, কিন্তু রুকু-সিজদার শক্তি রাখে না, এরূপ লোক মাটিতে বসে নামাজ আদায় করবে। চেয়ার ইত্যাদির ব্যবহার তাদের জন্য উচিত নয়। হ্যাঁ, যদি কোনোভাবেই মাটিতে বসা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে, তখন চেয়ারে বসে নামাজ আদায় করা যেতে পারে। এ অবস্থায় চেয়ার ব্যবহার করলেও সাদামাটা চেয়ার ব্যবহার করবে। আসলে অসুস্থ ব্যক্তির অবস্থাভেদে চেয়ারে বসে নামাজ আদায়ের বিভিন্ন হুকুম হতে পারে। তাই এ বিষয়ে ঢালাও মন্তব্য কাম্য নয়।


লেখক ও গবেষক

নওগাঁয় সতিনের ছোঁড়া অ্যাসিডে ঝলসে গেছে গৃহবধূ আটক - ২


তৌফিক তাপস, নওগাঁ : নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার আতাইকুলা গ্রামে স্বামী ও সতিনের ছোঁড়া অ্যাসিডে পাতাসি বিবি (২৭) নামে এক গৃহবধূর শরীর ঝলসে গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ওই নারী আতাইকুলা মধ্যপাড়া গ্রামের মজনুর রহমানের মেয়ে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা পাতাসির স্বামী ও সতিনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

পাতাসির স্বজনরা জানান, আত্রাই উপজেলার আন্দার কোটা গ্রামের ওসমান আলীর সাথে ৩ বছর আগে পাতাসির বিয়ে হয়। ওসমান প্রথম স্ত্রী রেখে পাতাসিকে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের পর থেকেই তাদের সংসারে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।

জানা যায়, দ্বন্দ্বের জের ধরে মঙ্গলবার রাতে স্বামী ওসমান আলী ও সতিন নার্গিস বিবির সাথে আবার‌ও পাতাসির ঝগড়া হয়। বৃহস্পতিবার কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নার্গিস ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে অ্যাসিডের বোতল বের করে সতিন পাতাসির ওপর নিক্ষেপ করে। এতে পাতাসির শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। ঘটনার সময় পাশে থাকা খাদিজা আক্তার (৭), ইন্তাজ রিতা আক্তার (১৩) আকাশ হোসেন (৮) নামে আরও ৪ শিশুর শরীরে অ্যাসিড পড়ে। এ ঘটনায় ওই চার শিশু আহত হয়েছে। ঘটনার সাথে সাথেই পাতাসিসহ আহত সবাইকে উদ্ধার করে রাণীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাতাসি ও খাদিজাকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে, ঘটনার পর গ্রামবাসী পাতাসির স্বামী ওসমান আলী ও সতিন নার্গিসকে আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ওই দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অ্যাসিড নিক্ষেপের দায় স্বীকার করেছে।

রাণীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তরিকুল ইসলাম বলেন, অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনায় স্বামী ওসমান ও সতিন নার্গিসকে আটক করা হয়েছে। এঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।


ঝালকাঠিতে স্কুল-কলেজ পড়ুয়াদের ঘরমুখী করার লক্ষে শহরের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের অভিযান পরিচালনা

রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু,. ঝালকাঠি : ঝালকাঠিতে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ঘরমুখী করার লক্ষে শহরের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। 

ঝালকাঠি পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিনের দিকনির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) প্রশান্ত কুমার দে ও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স এ অভিযানে অংশ গ্রহন করে। বুধবার সন্ধ্যার পর ঝালকাঠির কলেজ মোড়, সিটি পার্ক, মিনি পার্ক, জেলা স্কুলের সামনে, কীর্তিপাশা মোড়, আকলিমা মোয়াজ্জেম কলেজের সামনে, গাবখান ব্রিজে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ঘরমুখী করার জন্যে অযথা আড্ডা দেয়া, অহেতুক ঘোরাফেরা বন্ধের জন্যে শিক্ষার্থীদের ও তাদের অভিভাবকের সাথে আলোচনা করে সতর্ক করে দেয়া হয়।


অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) প্রশান্ত কুমার দে সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষার্থীরা যাতে সন্ধ্যার পর বিনা কারণে বাহিরে আড্ডা না দিয়ে, ঘরে অবস্থান করে পড়াশুনায় মনোনিবেশ করে সেই লক্ষে আমরা এ অভিযান পরিচালনা করছি। তাৎক্ষনিকভাবে আমরা অভিভাবকদেরকেও তাদের সন্তানদের প্রতি নজর রাখার জন্যে অনুরোধ জানিয়েছি। সন্ধ্যার পর বিনা কারণে শিক্ষার্থীরা অহেতুক ঘোরাফেরা না করতে পারে, সেজন্য পুলিশ এ অভিযান অব্যাহত রাখবে।


সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: খলিলুর রহমান বলেন, আমরা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনায় ঝালকাঠি শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের ঘরে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। কিশোর শিক্ষার্থীরা যাতে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে না পড়ে সেজন্য অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সন্ধ্যা হলেই অন্ধকার নামে ঝালকাঠির গাবখান সেতুতে

রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু ,ঝালকাঠি :  ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী গাবসেতুটি উচ্চতার দিক থেকে বাংলাদেশের প্রথম সেতু। ঝালকাঠিবাসীর অবসরসময় কাটানো ও বিনোদনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে এই সেতুটি। শহরের রোকজন ক্লান্তি কাটাতে বিকেলে ও সন্ধ্যায় মুক্ত বাতাস খেতে ভড়ি জমায় গাবখান সেতুর উপর। কিন্তু ইদানিং সন্ধ্যা হলেই অন্ধকার নামে ঝালকাঠির গাবখান সেতুতে। বরিশাল-খুলনা মহাসড়কের এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবহন চলাচল করে। রাতে সেতুতে পর্যাপ্ত বাতি না থাকায় প্রায়ই এ ছোট খাটো দূর্ঘটনা ঘটতেই থাকে। গুরুত্বপূর্ন এ সেতুতে আলোর অভাবে রাতে বড় ধরনেরও যে কোন দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা এলাকাবাসীর।


গাবখান সেতু হলো ৫ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু। এটি ২০০ বছরের প্রাচীন গাবখান চ্যানেলের উপর নির্মিত। গাবখান সেতুকে বাংলার সুয়েজ খালও বলা হয় । বরিশাল -খুলনা মহসড়কের ঝালকাঠির গাবখানে স্থাপিত গুরুত্বপূর্ণ এ সেতু দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবহন চলাচল করে। ৯১৮ মিটার দৈর্ঘ্য এই সেতুতে ৬২টি লাইট পোষ্ট রয়েছে। যার মধ্যে ৪০টির বাতিই এখন নষ্ট। এ কারণে রাত হলেই অন্ধাকার নামে গাবখান সেতুতে। যান চলাচল ছাড়াও নয়নাভিরাম এ সেতুতে শত শত দর্শনার্থী ও পর্যটক প্রতিদিন ঘুরতে আসে। রাতের বেলা সেতুতে আলো না থাকায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। স্থানীয়দের অভিযোগ রাতের অন্ধকারে সেতুতে মাদকের আড্ডাও বসে। 

সড়ক বিভাগ সূত্র জানায় এই সেতুর বাতি নষ্ট হলে নতুন বাতি লাগানোর দায়িত্ব ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের। কিন্তু গাবখান সেতুর ইজারা  নেয়া প্রতিষ্ঠান ইসলাম এন্ড ব্রাদার্স এর মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ৩০ জুন। করোনার কারনে তারা আদালতে আবেদন করে ৩ বার সময় বৃদ্ধি করেছেন। তবে আরো সময় বৃদ্ধি হবে কিনা তা আদালতের চুড়ান্ত রায়ের পর বলা যাবে। রায়ের পূর্ব সময় পর্যন্ত ইসলাম এন্ড ব্রাদাসই সেতুর টোল উঠাবে এবং সেতুর বাতি লাগানোর দায়িত্বও তাদের। তবে এ ব্যাপারে টোল ঘরে উপস্থিত ইসলাম এন্ড ব্রাদার্সের প্রতিনিধি জানান, সড়ক বিভাগ যদি তাদের চিঠি দেয় তাহলে তারা বাতি লাগিয়ে দেবে। তবে তারা কেউ ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজী হননি। এ অবস্থায় এ সেতুতে চলাচলকারী যানবহন চালক ও দর্শনার্থীরা পড়েছেন বিপাকে। তারা অবিলম্বে গুরুত্বপূর্ন এই সেতুতে লাইট স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।


এ বিষয় জানতে চাইলে ঝালকাঠি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাবিল হোসেন বলেন, সেতুতে বাতি লাগানোর দায়িত্ব ইজারাদারের। খুব শীগ্রই ইজারাদারকে বলে গাবখান সেতুতে নতুন বাতি লাগানো হবে।


সেতু এলাকার বাসিন্দা মো: লিটন জানান, দূরদূরান্ত থেকে এখানে মানুষ বেড়াতে আসে। একটু বিনোদন করে মুক্ত বাতাস গ্রহন করে সাধারণ মানুষ। কিন্তু বর্তমানে সেতুতে বাতি না থাকায় নিরাপত্তা বিঘœ হচ্ছে এবং নানা রতম দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভবনা রয়েছে। আমাদের দাবী শীঘ্রই এখানে আলোর জন্যে  বাতির ব্যবস্থা করা হোক।

 

নওগাঁয় স্কুল ও জায়গা জবরদখল করাসহ বিভিন্ন অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

তৌফিক তাপস, নওগাঁ : নওগাঁর রাণীনগরে স্কুল ও জায়গা জবর দখল, জালিয়াতি এবং মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাণীনগর দারুস ইহসান কিন্ডার গার্টেন মাদ্রাসা ও নুরানী স্কুল প্রাঙ্গনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মালিক মমতাজ উদ্দিন। সংবাদ সম্মেলনে মমতাজ উদ্দিন তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ ৩১ বছর যাবত ছোট ভাই ময়নুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে ২০০৩ সাল থেকে উপজেলার টিএ্যান্ডটি অফিস সংলগ্ন বাসা ভাড়া নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুরু করেন। পরবর্তিতে উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের চকমুনু মৌজায় ১.৬০ একর জায়গা দুই ভাইয়ের নামে কিনে নির্মিত নিজস্ব ভবনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নতুন করে শুরু করেন। এরপর মমতাজ উদ্দিন চাকরির জন্য চট্টগ্রামে যাওয়ার পূর্বে তার ছেলে মিজানুর রহমানকে তার দায়িত্বভার প্রদান করলে ছোট ভাই ময়নুল ইসলাম তা মেনে নেয় না। 

গত বছরে করোনা মহামারির শুরুতে সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করলে মমতাজ প্রতিষ্ঠান ও তার বাসার চাবি ছোট ভাই ময়নুলকে প্রদান করে পরিবারর নিয়ে চট্টগ্রামে চলে গেলে ময়নুল দশ লক্ষ টাকা সমমূল্যের বিভিন্ন মালামাল তার বাসা থেকে বের করে নেয়। এই বিষয়ে আমি ময়নুলের বিরুদ্ধে রাণীনগর থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করি। 

মমতাজ উদ্দিন বলেন, পরবর্তি সময়ে ময়নুল আমরা না থাকার সুযোগে আমার ছেলেকে না জানিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক থেকে ১৮ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে তা আমার উপর চাপিয়ে দেয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার আগ মুহুর্ত্বে ময়নুল কৌশল করে তার দুই ছেলের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ভবনের দিক উল্লেখ করে লিখে দিয়ে আদালতের মাধ্যমে মিথ্যে মামলা দায়ের করলে আদালত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ওই জায়গার উপর চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করে। আবার ময়নুল নিজেই আইন অমান্য করে স্কুলসহ ওই পুরো জায়গা জবরদখল করে আছে। 

এছাড়াও ময়নুল আমার স্বাক্ষর নকল করে আকরাম হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে সাক্ষী বানিয়ে ময়নুল ৫০ টাকা মূল্যের ৬ টি স্ট্যাম্পে ২০ লক্ষ টাকা মূল্যে একটি ভুয়া বায়নানামা দলিল করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জায়গা ও অন্যান্য সম্পদ নিজের বলে দাবি করছে।

 
মমতাজ উদ্দিন আরো বলেন, ময়নুল সম্প্রতি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে তথ্য দিয়ে “রাণীনগরে হামলা চালিয়ে স্কুল বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ” শিরোনামে দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়ার যে সংবাদ প্রকাশ করেছে আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এর পাশাপাশি আমি স্কুল ও জায়গা অবৈধ ভাবে জবরদখল করার বিষয়ে সরকারের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ময়নুল ইসলামের দৃষ্টান্তর মূলক শাস্তি দাবি করছি। 

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে মমতাজ উদ্দিনের মা মোছা: মোমেনা বেওয়া, জেলা ও উপজেলায় কর্মরত গনমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এই বিষয়ে ময়নুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বড় ভাই মমতাজ উদ্দিনের কাছ থেকে আমি টাকা পাবো। সেই টাকাসহ অন্যান্য সম্পদ আমাকে না দেওয়ার জন্য এই সব মিথ্যে অভিযোগ তুলেছে।


যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget