Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

ইন্দোনেশিয়ান সাবমেরিন ”কেআরআই নানগালা” নিখোঁজ

সার্বিক পরিস্থিতি

তৌফিক আহম্মেদ (তাপস) :

২৩ এপ্রিল, ২০২১। সময় পেরিয়ে যাচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ান নিখোঁজ সাবমেরিন কেআরআই নানগালা ৪০২ (KRI Nanggala 402) এর ৫৩ জন ক্রুকে উদ্ধার করতে বাকি রয়েছে কয়েক ঘন্টার সময়।  ঘটনার শুরু গত ২১ এপ্রিল, বুধবারে। স্থানীয় সময় রাত ৩টার দিকে ইন্দোনেশিয়ান নৌবাহিনীর সাবমেরিন কেআরআই নানগালা ৪০২ এর সাথে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয় কমান্ড সেন্টার। তার ঠিক কিছুক্ষণ পূর্বেই সাবমেরিনটিকে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল অতল সাগরে ডুব দেওয়ার। 

★নানগালা ৪০২ এর পরিচয়

>মূলত একটি নৌ-মহড়াতে অংশ নিচ্ছিল ইন্দোনেশিয়া নৌবাহিনীর নানগালা ৪০২ সাবমেরিন। এটির লক্ষ্য ছিল লাইভ টর্পেডো ফায়ারিং অনুশীলন সফল ভাবে সম্পন্ন করার। সেই লক্ষ্যেই বেলা ৩টার সময় ডুব দেয় সাবমেরিনটি। এরপরেই নিয়মিত যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয় কর্তৃপক্ষ। সাবমেরিনটির অতীতে তাকালেই বোঝা যাবে যে এটি বেশ পুরোনো একটি সাবমেরিন। তৎকালীন পূর্ব জার্মানির কিয়েল এ Howaldt Deutsche Werke শিপইয়ার্ডের অধীনে ১৯৭৭-৮১ সালের মধ্যে নির্মিত হয় এই সাবমেরিনটি। এটি একটি টাইপ ২০৯ সাবমেরিন। ইন্দোনেশিয়ান নৌবাহিনীতে এটি কমিশন পায় একই বছর, ১৯৮১ সালে। অর্থাৎ ২০২১ সালে এর বয়স দাঁড়িয়েছে ৪০ বছর। যা সাবমেরিনের হিসাবে একটু বেশিই বলা চলে। যদিও ২০০৯ হতে ২০১২ সাল অবধি দক্ষিণ কোরিয়ার অধীনে এই জাহাজটিকে আপগ্রেড ও রিফিট (Upgrade and Refit) করা হয়েছে। সেসময় সাবমেরিনের অনেক অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন করা হয়। 

★দূর্ঘটনা 

>সাবমেরিনটি শেষবার সমুদ্রে ডাইভ দিয়েছিল জাভা হতে ৯৬ কিলোমিটার উত্তরে। আপাতত সেই অঞ্চলটিই প্রাথমিক উদ্ধার কার্য পরিচালনার ক্ষেত্র হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। ডাইভ লোকেশনের আশে পাশের সাগরে তেল লিক হওয়ার চিহ্নও পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ইন্দোনেশিয়ান নৌবাহিনী প্রধান দুটি সম্ভাবনার কথা বলেন। এক, কোন দুর্ঘটনায় সাবমেরিনটির তেল রিজার্ভ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। দুই, সাবমেরিনাররা ইচ্ছাকৃত ভাবে তেল লিক করছে, যা সাবমেরিনটিকে ভাসিয়ে রাখার একটি ক্ষীণ চেষ্টা ও উদ্ধারকারী দলকে সংকেত দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে পরীলক্ষিত হচ্ছে। 

★বিধ্বস্ত সাবমেরিনের সম্ভাব্য অবস্থা  

>ইন্দোনেশিয়ান নৌবাহিনীর মতে সাবমেরিনটি খুব সম্ভবত ৬০০-৭০০ মিটার গভীরতায় অবস্থান করছে। কিন্তু এই সাবমেরিনটির অপারেটিং ডেপথ মাত্র ২০০-২৫০ মিটার। অর্থাৎ এটি স্বাভাবিক অবস্থায় সর্বোচ্চ ২০০-২৫০ মিটার গভীরতায় যেতে সক্ষম। অপারেটিং ডেপথ ২০০-২৫০ মিটার হলে মোটা দাগের হিসাবে এর ক্রাশ ডেপথ ধরা যায় ৪০০-৫০০ মিটার। অর্থাৎ এই গভীরতা অবধি সাবমেরিনটি কোন ভাবে টিকে থাকতে পারবে। কিন্তু ৬০০-৭০০ মিটার গভীরে সাবমেরিনটির হাল (মূল কাঠামো) কতক্ষণ পানির চাপ সহ্য করতে পারবে বা আদৌ পারবে কি না সেটিই এক জ্বলন্ত প্রশ্ন। এছাড়াও একটি বিধ্বস্ত সাবমেরিনের ভেতরকার পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ তা বলে বোঝানো সম্ভব নয়। বিধ্বস্ত সাবমেরিনে অবধারিত ভাবে ব্ল্যাকআউট পরিস্থিতি থাকে। কিন্তু সাবমেরিনের অধিকাংশ কার্যক্রম বিদ্যুৎ দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় সাবমেরিন ক্রুরা এখন নিতান্তই অসহায়। সবচেয়ে বড় সমস্যাটি হল মারাত্নক অক্সিজেন স্বল্পতা। কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী  সাবমেরিনটিতে সর্বোচ্চ ২৩ এপ্রিল রাত ৩টা (২৪ এপ্রিল, শনিবার)  পর্যন্ত বেঁচে থাকার মতো অক্সিজেন রয়েছে। এর বেশি দেরি হলে মৃত্যু অবধারিত। এছাড়াও তাপ নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া চালু না থাকায় তাপমাত্রা কত তা বলা যাচ্ছে না। প্রচন্ড ঠান্ডায় হাইপোথার্মিয়া হয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। 

★আদৌ কি উদ্ধার করা সম্ভব?

>দুঃখজনক ভাবে ইন্দোনেশিয়ান নৌবাহিনীর ৫টি সাবমেরিনের বহর থাকলেও তাদের কোন সাবমেরিন উদ্ধারকারী জাহাজ নেই। সাবমেরিন উদ্ধারের জন্য বিশেষায়িত জাহাজ নিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে ভারত, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া। এছাড়াও অস্ট্রেলিয়া তাদের সর্বাত্নক সহোযোগিতার আশ্বাস দিয়ে একটি বিশেষায়িত উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে ও আন্ডার ওয়াটার সার্চ এন্ড ফাইন্ডিং এ পারদর্শী দুটি যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে। আজ ২৩ই এপ্রিল বিশ্বমোড়ল আমেরিকাও সাহায্যস্বরুপ ঘটনাস্থলে বিমান পাঠিয়েছে। (সম্ভবত সাবমেরিন হান্টার পি-০৮ পোসেইডন এই দায়িত্বে নিযুক্ত হয়েছে। কারণ সাধারণ বিমানের খুব একটা কার্যকারিতা এ পরিস্থিতে নেই) কিন্তু ওই অঞ্চলের সাগরতল ঠিক সমান নয়। উচু নিচু সাগরতলের কোন খাদের আড়ালে সাবমেরিনটির অবস্থান হলে তা খুজে পাওয়া যাব কিনা তাই সন্দেহ।  

অস্ট্রেলিয়ান দলের মধ্যে আছেন ‘সাবমেরিন ইন্সটিটিউ অফ অস্ট্রেলিয়া’ এর সচিব ফ্র্যাঙ্ক ওয়েন। প্রাক্তন সাবমেরিনার ও অস্ট্রেলিয় উদ্ধারকারী সংস্থার নির্মাতা ওয়েন বলেন, “বেশিরভাগ উদ্ধারকারী ব্যবস্থাই সর্বোচ্চ ৬০০ মিটার গভীরতায় কার্যক্রম চালাতে সক্ষম। এর বেশি গভীরতায় হয়তো এসব যান যেতে পারে। কিন্তু উদ্ধারকারী অন্যান্য যন্ত্রাংশের পক্ষে এত গভীরে সচল হওয়া সম্ভব নয়। ফলে ঐ গভীরতায় পৌছাতে পারলেও উদ্ধার করা সম্ভব নয়।“ 

এছাড়াও উদ্বেগের ব্যাপার হলো নানগালা ৪০২ এ ‘রেসকিউ সিট’ ফিট করা নেই। সাবমেরিনের ক্রু উদ্ধার করার সময় উদ্ধারকারী যান সাবমেরিনের হ্যাচের ওপরে বসে একটি পানিরোধী পথ তৈরি করে। এরপর সেই পথ দিয়ে ক্রুরা উদ্ধারকারী যানে চলে আসেন। কিন্তু আলচ্য সাবমেরিনটিতে হ্যাচের পাশে কোন রেসকিউ সিট নেই। তাই উদ্ধারের সময় উদ্ধারকারী যান কতটুকু সফল হতে পারবে তাও একটি প্রশ্ন। কারণ এত গভীরতায় হিসাবে সামান্য ভুল হলেই উদ্ধারকারীরও সলিল সমাধি হবে। 

★হ্যাচ খুলে সাবমেরিনাররা বের হয়ে আসছেন না কেন?

>এটি একটি অবাস্তব কিন্তু বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন। তাই লেখাতে এর উত্তরও সংযুক্ত করছি। প্রথমত, সাবমেরিনের হ্যাচ কোন সাধারণ দরজা নয় যে এটি চাইলেই খোলা যাবে। কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্বলিত এই হ্যাচ খুলতে সাবমেরিনের মূল ব্যাটারি হতে শক্তি প্রয়োজন। দুর্ঘটনায় হ্যাচ কোনভাবে জ্যাম হয়ে গেলে মানুষের কথা না হয় বাদই দিলাম, শুধু শারীরিক শক্তি দিয়ে হাতির পক্ষেও হ্যাচ খোলা সম্ভব নয়। যদিও হ্যাচের জন্য রিজার্ভ পাওয়ার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ৭০০ মিটার গভীরতায় হ্যাচ খুললে সাবমেরিন আরো বিধ্বস্ত হওয়া বাদে আর কিছু হবে না। কারণ এই গভীরতায় পানির চাপে সাবমেরিনের হাল বেকে যায়। মানুষের পক্ষে এই চাপ সহ্য করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়।

★শেষকথা

>যদিও পরিস্থিতি খুবই আশংকাজনক তবুও আশা রাখতে বাধা নেই। আশা করি ৬টি দেশের সম্মিলিত উদ্ধার কার্যক্রম সফল হবে। ইতোমধ্যে সাগরপৃষ্ঠ হতে মাত্র ১০০-২০০ মিটার গভীরতায় প্রচন্ড চৌম্বক শক্তি সম্বলিত একটি বস্তুর নিশানা মিলেছে। যদি ৭০০ মিটারের ধারণা ভুল প্রমাণ করে এটিই সেই সাবমেরিন হয় তাহলে উদ্ধারকাজ অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। আশা করি কেআরআই নানগালা ৪০২ এর ৫৩জন সাবমেরিনারই সুস্থ ভাবে তাদের পরিবারের কাছে ফিরতে পারবেন।  

উল্লেখ্য যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীও চিনের তৈরি টাইপ ০৩৫ (ন্যাটো কোডঃ মিং ক্লাস) সাবমেরিন ব্যবহার করছে। টাইপ ০৩৫ এর জি ক্লাস ভার্সনের সাবমেরিনগুলো ১৯৮৯ হতে ১৯৯৯ সালের মাঝে তৈরি হয়। বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে এই ক্লাসের দুটি সাবমেরিন বিএনএস জয়যাত্রা ও বিএনএস নবযাত্রা ২০১৭ সালে কমিশন লাভ করে। এ দুটি সাবমেরিন এখনো সফল ভাবে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য যে বর্তমানে বাংলাদেশেরও কোন সাবমেরিন রেসকেইউ প্ল্যাটফর্ম নেই।  

লেখাঃ তৌফিক আহম্মেদ (তাপস)

এম,এস,এস (অর্থনীতি)  

তথ্যসূত্রঃ গার্ডিয়ান, বিবিসি, রয়টার্স, ইউএসএনআই।


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণ করে হত্যা জড়িত থাকা মূলহোতা সহ ৩ জন আটক

রাহাদ হাসান মুন্না,তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট উত্তর ইউনিয়নের জৈতাপুর গ্রামে এক গৃহ বধূকে ধর্ষণ ও হত্যাকান্ডে জড়িত থাকা মূলহোতা গোলাপ সহ ৩ জনকে আটক করেছে র‌্যাব।

শুক্রবার (২৩ এপ্রিল ) ভোর সকালে  সুনামগঞ্জ র‌্যাব-৯ সিপিসি ৩ ক্যাম্পের সদস্যরা জামবাগ জৈতাপুর গ্রাম থেকে আটক করেছে তাদের।

আটককৃতরা হলেন,জৈতাপুর গ্রামের মৃত নাজির হোসেনের ছেলে গোলাপ মিয়া (৩৫), তার সহযোগী আকরম আলীর ছেলে সোহাগ মিয়া (২২) এবং একই গ্রামের আমির হোসেনের স্ত্রী ও নিহত নারী আজমিনা বেগমের শাশুড়ি হেলেনা বেগম (৪৫)।

নিহত গৃহবধূর স্বামী দিনমুজর শ্রমিক জামালগঞ্জের একটি হাওরে ধান কাটার জন্য এক সপ্তাহ ধরে রয়েছেন।তার অবর্তমানে ৫ বছরের ১ ছেলে ও ২ বছরের এক মেয়েকে নিয়ে নিজ বাড়িতে থাকতেন তার স্ত্রী আজমিনা বেগম। 

র‌্যাব জানায়,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত আসামীরা হত্যাকান্ডের ঘটনায়  জড়িত থাকার স্বীকার করেছে তারা। র‌্যাব-৯ এর উপ-পরিচালক কমান্ডার সঞ্চিন আহমেদ জানান, গৃহবধূ আজমিনা হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অপরাধে উপজেলার বাদাঘাট উত্তর ইউনিয়নের জৈতাপুর গ্রামে থেকে মূলহোতা সহ  ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার স্বীকার করেছে তারা আটককৃত তিন আসামীকে তাহিরপুর থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।

উল্লেখ্যঃ গত বুধবার উপজেলার বাদাঘাট উত্তর ইউনিয়নের জৈতাপুর গ্রামে নিজ ঘর থেকে ডেকে নিয়ে গৃহবধূ আজমিনাকে ধর্ষণ করেন এখই গ্রামের মৃত নাজির হোসেনের ছেলে গোলাপ মিয়া।ধর্ষণে ক্ষিপ্ত হয়ে বখাটে গোলাপ মিয়াকে জুতা পেটা করেন ওই নারী।পরে ঘটলা স্থলে টিউবওয়েলের হাতল দিয়ে মথায় ও শরীরে আঘাত করেন গোলাপ মিয়া সেখানেই আজমনিার মৃত্যু ঘটে।ওই নারীকে ঘুম করতে না পেরে বাড়ির আঙিনার রান্না ঘরের লাখড়ি রাখার মাছার নিছে ফেলে রেখে যান গোলাপ মিয়া সহ তার সহযোগিরা।

 


বাগমারায় জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত-১,আহত ১৫
মোঃ সাইফুল ইসলাম (রাজশাহী) বাগমারাঃ  রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গনিপুর ইউনিয়নের মাধাইমুড়ি গ্রামে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় হাবিল উদ্দিন কাজী (৪০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে। ওই ঘটনায় নিহতের পরিবারের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর এ ঘটনা ঘটে । আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ৫ জনকে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন, নিহতের পিতা আজিমুদ্দীন কাজী (৬৫), চাচা আব্দুর রাজ্জাক (৫০), ছেলে সৈকত (১৬), প্রতিবেশী আব্দুস সাত্তারের ছেলে জুয়েল রানা (২৫), মুনছুর রহমান (৪৬) । এছাড়াও নিহতের ছোট ভাই হাফিজুর রহমানসহ বেশ কয়েকজনকে বাড়িতেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, নিহতের পিতা আজিমুদ্দীন কাজী ১৯৭৩-৭৪ সালে একই গ্রামের মৃত আসতুল্লাহর কাছ থেকে জমি ক্রয় করে ভোগদখল করে আসছিল। অন্যদিকে তার বোন ছবেজানের নিকট থেকে ১৯৮৩ সালে আবারও জমি ক্রয় করেন আজিমুদ্দীন কাজী। সেই জমির অংশীদার দাবী করে তা ফিরে পেতে আদালতের দ্বারস্থ হন আসতুল্লাহ। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে আদালত আজিমুদ্দীন কাজীর নামে রায় দেয় ।

এর মধ্যে আসতুল্লাহ মৃত্যুবরণ করলে ২০১৯ সাল থেকে ছেলেরা এবং তারই ভাই সেফাতুল্লাহসহ তার ছেলে একটি ভূয়া দলিল করে জমিটি নিজেদের বলে দাবী করে। বিষয়টি নিয়ে থানা পুলিশ সহ স্থানীয় চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়নের বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সমঝোতা বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। এরই মাঝে তারা বিভিন্ন সময় আজিমুদ্দীনসহ তার পরিবারের কারো না কারো লাশ ফেলবে বলে হুমকি দিয়ে আসছিল।

এদিকে বৃহস্পতিবার (২২এপ্রিল) নিহত হাবিল কাজী এবং তার একমাত্র ছেলে সৈকত বিকেলে পান বরজ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন এমন সময় তাদের পথ আটকিয়ে দেয় প্রতিপক্ষ মৃত আসতুল্লাহর ছেলেসহ সেফাতুল্লাহ ও তার ছেলে এবং তাদের পরিবারের নারী সদস্যরা। বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে বিষয়টি তখন থেমে যায়। পরে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হাবিল কাজী সন্ধ্যার পর যখন বাড়ি থেকে বের হয় আগে থেকে ওঁৎপেতে থাকা অবস্থায় লাঠিসোটা, লোহার রড, হাসুয়া, কোদালসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেফাতুল্লাহ এর নেতৃত্বে হামলা চালায় তার উপরে। সেই সময় তাকে একা পেয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে হামলাকারীরা । পরে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে হাবিল মারা যায় বলে জানা গেছে।

এসময় হাবিলের উপর হামলার খবর পেয়ে হাবিলের পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে আসলে তাদের উপরেও হামলা করে তারা। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয় বলে জানা যায়। তাদের মধ্যে পাঁচ জনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পৌঁছায় বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোস্তাক আহমেদ  । এছাড়াও ঘটনাস্থলে আসেন রাজশাহী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন দেব। এদিকে দুই ভাইয়ের মধ্যে বড় ভাইকে হারিয়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। অন্যদিকে যারা এই হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত তারা সঙ্গে সঙ্গে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই বাদী হয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, নিহতের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলা হলেই আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা

ময়মনসিংহের ফুলপুরে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু।

তাপস কর,ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহ জেলার  ফুলপুরে পুকুরে পড়ে আড়াই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল নয়টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। মৃত শিশুটি উপজেলার রুপসী ইউনিয়নের পাগলা গ্রামের রাজিবের পুত্র। শিশুর মৃত্যুতে বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে । তার পিতা-মাতা বার বার মুর্ছা যাচ্ছেন।

এব‍্যাপারে জানা যায়,আজ বৃহস্পতিবার সকালে আড়াই বছরের শিশু জাওয়াত ইসলাম খেলার ছলে বাড়ির বাহিরে উঠানে চলে আসে এবং সেখানে খেলা করছিল। এরপর তাকে না পেয়ে খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে পিতা রাজিব বাড়ির পাশে পুকুরে শিশু জাওয়াতের লাশ পানির উপর ভেসে থাকতে দেখে। সাথে সাথে তাকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবার ও স্থানীয়দের ধারনা শিশু জাওয়াত খেলার ছলে হয়ত বাড়ির পাশে পুকুরে পড়ে যায়। আর পানিতে ডুবে সেখানেই তার মৃত্যু হয়েছে। সংবাদটি পৌছলে পরিবারের সদস‍্যগন সহ এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।


আজ নওগাঁ গণহত্যা দিবস
তৌফিক আহম্মেদ (তাপস) নওগাঁ : আজ নওগাঁ গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের ২২ এপ্রিল পকিস্তানি ২৫ পাঞ্জাব রেজিমেন্টের দুটি দল রেলপথ সড়ক পথে রাজশাহী থেকে তৎকালীন নওগাঁ মহকুমায় অতর্কিত  আক্রমণ করে।

সান্তহার থেকে দলটি ধামকুড়ি হয়ে নওগাঁ শহরে প্রবেশ করে। নওগাঁ শহরে তান্ডব চালিয়ে হাজারো মানুষকে হত্যা করে। পাকিস্তানি সেনারা রজাকপুর, পারবোযালিয়া, খাগড়কুড়ি, শেখপুরা. তাজ সিনেমা হল, ব্রিজের মোড়, মিষ্টি পট্টি, ডাব পট্টি. আলু পট্টি, আরজি- নওগাঁ, পার-নওগাঁ, হাট নওগাঁ, খাস-নওগাঁ, উকিলপাড়া, চকদেবপাড়াসহ নওগাঁ শহরের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ধংসযজ্ঞ চালায়।  অসংখ্য বাড়ি-ঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়ে দেয়। ধামকুড়িতে এক পরিবারের আট জন সদস্যসহ ১১ জনকে হত্যা করে। এছাড়াও নওগাঁ শহরে যাকে যেখানে পেয়েছে তাকে সেখানেই হত্যা করেছে।

২২ এপ্রিল সড়ক পথের দলটি কালিকাপুর ঘাট থেকে বলিহারে এসে নিরীহ মানুষদের ওপর গুলি চালিয়ে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করে। কয়েক বছর ধরে একুশে পরিষদ নওগাঁ আজকের (২২ এপ্রিল)দিনটিকে নওগাঁ গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে  শহিদদের।

করোনাভাইরাস সংক্রমণে এবার ঘরে বসেই নওগাঁ গণহত্যা দিবস পালন করার আহবান জানিয়েছে

একুশে পরিষদ নওগাঁ।

বাগমারায় জনগনের আস্থার প্রতিক ও মানবিক পুলিশ ওসি  মোস্তাক আহমেদ
 মোঃ সাইফুল ইসলাম, বাগমারা  : দেশের মানুষের এক সময় ধারণা ছিল যে "থানা মানেই পুলিশ, পুলিশ মানেই হয়রানি,টাকা ছাড়া থানায় কোনো কাজ হয় না" পুলিশ সম্পর্কে জনসাধারণের যখন এমন সব ভ্রান্ত নেতিবাচক ধারণা, ঠিক তখনই সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে রাষ্ট্র কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করে  জনসাধারণের  সেই ধারণা পাল্টে দিয়েছেন রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ (ওসি)ও বর্তমানে  বাগমারা থানায় যোগদানকৃতি অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ। 

তিনি একজন সৎ, নির্ভীক, কর্মঠ ও নিহঅংকারী  মনের অধিকারী পুলিশ অফিসার। কেউ যদি মনে করেন তাঁকে (ওসি) কে খুশি করার জন্য এ প্রশংসা তাহলে ভুল।  কারন যে মানুষ ভালো, তাকে ভালো বলতে না পারার মতো অকৃতজ্ঞ সকলে হতে পারেনা। বাগমারা বাসি ইতিমধ্যেই লক্ষ করেছেন, কয়েক বছরে এই থানায় অনেকেই অফিসার্স ইনচার্জের দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু এমন দায়িত্ববান সৎ, নিষ্ঠাবান অফিসার থানাবাসী এর আগে কোনদিন দেখেছে কিনা সন্দেহ থেকে যায় জনগনের মনে। 

থানার আওতাধীন এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নির্মূল, সামাজিক ও মানবিক কাজে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য থানাবাসীর কাছে ইতোমধ্যে তিনি মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। থানায় গিয়ে বা ফোনে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে  কোন ভুক্তভোগী হয়রানির শিকার হয়েছেন বা সঠিক দিকনির্দেশনা পাননি এমন দৃষ্টান্ত কেউ স্থাপন করতে পারবে বলে অনেকের মধ্যে কথাপথনে চ্যালেন্জ লক্ষ করা যায় । তবে দুই একজন মানুষের কাছে  এর বাতিক্রম হতে পারে। তারা হলো, স্বার্থম্বেষী সুবিধাবাদী দালাল, তদবীরবাজ অথবা নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য তদবীরে গিয়ে  কোন  প্রকার সারা না পেয়ে হতাশ হওয়া ব্যাক্তি।  কারন তিনি যোগদানের পর প্রথম আঘাত  হেনেছেন দালাল ও তদবির বাজদের বিরুদ্ধে।  তিনি আসার পর  থেকে  এই থানার তৃনমুল মহল থেকে শুরু করে  প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ দিনরাত ২৪ ঘণ্টা বিরতিহীন পুলিশি সেবা পেতে শুরু করেছেন। সেব প্রত্যাশী  যারা তারা যাতে কোনরুপ হয়রানীর শিকার না হয়, সেই জন্য তিনি সবসময়  মোবাইল  নেটওয়ার্কসহ বিভিন্ন সামাজিক  যোগাযোগ মাধ্যমে  প্রায় সব সময়ই এ্যাকটিভ থাকেন। কোন কারণে যদি তাঁর  মুঠো ফোনের কল  রিসিভ করতে না পারেন কিংবা  কারও প্রেরিত এসএমএসটি  দেখতে একটু  দেরি হয়, কাজ শেষে   ফ্রী  হওয়া মাত্রই তিনি  সেই নাম্বারে  ফোনকল ব্যাক করে তার সাথে আন্তরিকতার সাথে কথা বলেন।  চেষ্টা করেন এসএমএস এর প্রতিত্তর দিতে। এতে তিনি বিন্দুমাত্র বিরক্তবোধ হননা। কেউ তাঁর কাছে  কোন বিচার প্রার্থী হলে তিনি তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ  গ্রহণ করেন। তাঁর মত চৌকস পুলিশ সদস্য যদি প্রত্যেক থানায় দায়িত্ব পালন করতো তাহলে দেশের চেহারাটাই আজ দ্রুত বদলে যেত। অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ সম্পর্কে এমন মন্তব্য করেছেন, গনমাধ্যম কর্মী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, সমাজসেবক, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদসহ অসংখ্য সাধারণ আমজনতা। 

অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোস্তাক আহমেদ       সম্পর্কে বাগমারা উপজেলা পরিষদের  চেয়ারমান বাবু শ্রী অনিল সরকার বলেন, এ থানায়  তিনি যোগদানের পর থেকেই পুলিশের আচরণ যেমন পাল্টেছে, তেমন থানার চিত্রও বদলেছে। এতে আগের তুলনায় থানায় সেবার মান বেড়েছে বহুগুন। থানার বিট পুলিশিং সেবা বৃদ্ধি ও দৃষ্টিনন্দন করতে এবং সহজেই মানুষকে  সেবা দিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ  গ্রহণ করেছেন  তিনি।


পশ্চিম বাগমারার প্রানকেন্দ্র হাটগাঙ্গোপাড়া মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর সরকার বলেন, (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ এই থানায় যোগদানের পর থেকেই সৃজনশীল ও যুগোপযোগী পরিকল্পনার ফলে এ থানার পুলিশ হয়ে উঠেছে উপজেলাবাসীর আস্থার ঠিকানা। মানবিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি  যে  কোনো অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সর্বদা বাগমারা থানার পুলিশ সজাগ রয়েছেন। তিনি দায়িত্ব  নেওয়ার পর থেকে থানার অন্যান্য সদস্যরা তার দায়িত্বশীল কর্ম পরিচালনা  দেখে তাকে অনুসরণ করা দরকার।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে গত বারের লকডাউনকালিন সময়ে রাজশাহী মোহনপুর থানায় কর্মরত থাকাকালিন জনগনের মাঝে  সচেতনতা সৃষ্টি করার পাশাপাশি ব্যাক্তিগত উদ্দোগে অসহায় ও ছিন্নমুল মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছেন। 

বর্তমানে বৃহত্তম বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হয়ে করোনা মোকাবেলায় সরকার ঘোষিত লকডাউনে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে জনগনের মাঝে প্রকাশ্যে বা গোপনে নিজ তহবিল হতে অসহায়দের মাঝে আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি লকডাউনে করোনা সংক্রমণ রোধে বিভিন্ন মহলে জনসচেতনতার দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন।


তিনি এই থানায় আইন শৃংখলার  উন্নয়নে সর্বোচ্চ গতি এনেছেন। দায়িত্ববোধ, একাগ্রতা এবং এ্যকশান প্ল্যান   তৈরি করার মধ্য দিয়ে বাগমারা থানায় এক স্বর্ণযুগের সূচনার পরিকল্পনা করেছেন তিনি। থানার উন্নয়নে তাঁর প্রতিভা ইতোমধ্যে সবার হৃদয় জয় করেছে। এই সৎ অফিসারের  দেখানো পথ ধরেই বাগমারা থানার পুলিশি সেবা আগামীতে আরও অনেকদূর এগিয়ে যাবে বলে  প্রত্যাশা করছেন থানার  সর্বস্তরের  জনগন।

দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি থানাকে সাজিয়েছেন শৈল্পিক নৈপুণ্যে। তাঁর সৃজনশীলতায় বদলে  গেছে বাগমারা থানার চিত্র। বাগমারা থানার "ওসি" হিসেবে মোস্তাক আহমেদ দায়িত্ব নেয়ার পর দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্বপালন করে তিনি একদিকে যেমন ডিপার্টমেন্টাল সুনাম অর্জন করেছেন, অর্জন করেছেন একাধিক পুরুস্কার ,পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে  তিনি জয় করেছেন অগনিত মানুষের হৃদয়। পেয়েছেন আপামর জনতার ভালোবাসা। তাঁর জনপ্রিয়তা দেখে অনেকেই মন্তব্য করেন, তিনি কোন জন প্রতিনিধি নন, তিনি কোন সুপার স্টার নন, পুলিশ ডিপার্টমেন্টে থেকেও তিনি এত জনপ্রিয়, সত্যিই অবাক করার বিষয়।

এক জরিপে দেখা যায়, ওসি মোস্তাক আহম্মেদ  শুধু বাগমারায় নয়, তিনি কর্তব্যরত অবস্হায় যখন যেখানে কর্মরত ছিলেন, তিনি তাঁর মানবিক আচরন ও দায়িত্বশীলতার জন্যই জেলার শ্রেষ্ঠ উপাধি পেয়েছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে ওসি মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, কোনো চাওয়া পাওয়ার জন্য নয়, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভালো লাগার জায়গা থেকে কাজগুলো করেছি। তিনি আরো বলেন, মাননীয় আইজিপি মহোদয় সব সময় চায় পেশাদায়িত্ব, দক্ষ ও মানবিক পুলিশ। দায়িত্বশীলতা ও মানবিক মুল্যবোধ থেকে জেলার উর্দ্ধোতন কর্মকর্তারা সর্বদা আমার পাশ থেকে নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন এজন্য তাদেরকে জানায় অসংখ্য ধন্যবাদ। পাশাপাশি অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোস্তাক আহমেদ বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু হয়ে কাজ করবে।কারণ পুলিশিই জনতা আর জনতাই পুলিশ। আশাকরি বাগমারা উপজেলার সর্বদাই এ কথাটি পৌঁছে যাবে, এবং মানুষের মাঝে পুলিশের ভূমিকা সম্পর্কে আস্থা ফিরে আসবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। 

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget