Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

নওগাঁয় করোনা প্রতিরোধে সর্বাত্মক লকডাউন পালিত

সালমান ফার্সী (সজল) নওগাঁ : নওগাঁয় করোনা প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউন পালিত হচ্ছে। বুধবার  ( ১৪ এপ্রিল) সকাল থেকে জেলা শহরের লকডাউনের আওতাভুক্ত সকল দোকান পাট বন্ধ রয়েছে। আন্তঃরুটসমূহে কোন ভারী যানবাহন চলছেনা। শহরের বিভিন্ন সড়কে দু’একটি রিক্সা ও মোটরসাইকেল ছাড়া কোন যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়কের গুরুত্বপূর্ন মোড় সমুহে কড়া পুলিশী প্রহড়া পরিলক্ষিত হয়েছে। যে দু’একটি যানবাহন অপ্রয়োজনীয় ভাবে চলা ফেরা করার চেষ্টা করছে তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে। এসব যানবাহনের গদি খুলে নেয়া হচ্ছে এবং এ সময় বেশ কয়েকটি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে। পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়া বিপিএম জানিয়েছেন দেশকে করোনার হাত থেকে রক্ষার স্বার্থে সরকারের নির্দেশে সারাদেশে লকডাউন চলছে। এবং জনগনকে সচেতন করার চেষ্টা করছি তার পরেও জনগন বিভিন্ন অজুহাতে বের হচ্ছে। তাদের বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি। এবং প্রয়োজনে আমাদের গাড়িতে করে অনেককে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি। যে কোন ভাবেই হোক সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়ন করতে পুলিশ বাহিনী সদা সচেষ্ট রয়েছে।

 

ময়মনসিংহ সিটিতে মশা নিধনে অবমুক্ত করা হচ্ছে ব্যাঙ।

তাপস কর, ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহ সিটিতে মশা নিধনে অবমুক্ত করা হচ্ছে ব‍্যাঙ। সিটির ড্রেনেগুলোতে ব্যাঙ ছেড়ে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ সিটি  মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু।
মশক নিধনে ময়মনসিংহ নগরীর বিভিন্ন জলাশয়ে ব্যাঙ ছাড়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর হরিকিশোর রায় রোডস্থ মাকরজানি খালে মশার লার্ভা ধ্বংসকারী দুই হাজার ব্যাঙ অবমুক্ত করার মাধ্যমে জৈবিকভাবে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মসিক মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু।
এ সময় সিটি মেয়র বলেন, মশক নিধনে নিয়মিত প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও এডাল্টিসাইড প্রয়োগ করা হচ্ছে। কর্মসূচিকে আরো বেগবান করার জন্য জৈবিক পদ্ধতিতে মশক নিধনের বেশকিছু কার্যক্রম গত বছর হাতে নেওয়া হয়েছিল। সে সময়ে উন্মুক্ত জলাশয়ে মশা খেকো মাছ অবমুক্ত করা হয়েছিল। মশক নিধনে জৈবিক প্রক্রিয়া ব্যবহারের বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ রয়েছে। এ কারণে এ বছরও আমরা জৈবিক প্রক্রিয়ায় মশক নিয়ন্ত্রণকে জোরদার করছি।
তিনি আরো বলেন, নগরে উন্মুক্ত জলাশয় কমে আসছে। এসব জলাশয়ে প্রাকৃতিকভাবে মশক নিধনে সুযোগ সীমাবদ্ধ হয়ে আসছে। তাই আমরা নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে মশার লার্ভাকে ধ্বংস করে এমন ব্যাঙ উন্মুক্ত করছি। যেসব জলাধারে কিছুটা গভীরতা পাওয়া যাবে সেখানে মশার লার্ভা খেকো মাছ ছাড়া হবে। এছাড়া যেসব জলাশয়ে হাঁস চাষের সুযোগ রয়েছে সেখানে মশক নিধনে হাঁস চাষেরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মশক নিধন একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া উল্লেখ করেন মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, সিটি করপোরেশন প্রত্যেক জলাধার, ড্রেন ইত্যাদি পরিস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে একই সাথে প্রত্যেক নাগরিককেও তার আঙিনা পরিস্কার আছে কিনা তা খেয়াল রাখতে হবে। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ নিয়মিত পরিস্কার রাখতে হবে। তবেই কার্যকর মশক নিধন সম্ভব।
এ সময় প্যানেল মেয়র-১ মো. আসিফ হোসেন ডন, প্যানেল মেয়র-৩ শামীমা আক্তার, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান, নগর পরিকল্পনাবিদ মানস বিশ্বাস, খাদ্য ও স্যানিটেশন কর্মকর্তা দীপক মজুমদার প্রমুখ ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্ধ উপস্থিত ছিলেন।

সুনামগঞ্জের যাদুকাটা নদীতে বালি পাথর উত্তোলনের জন্য মানববন্ধন

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া, সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর সীমান্ত নদী যাদুকাটা। এই নদীর বালি ও পাথর থেকে প্রতিবছর লক্ষলক্ষ টাকার রাজস্ব পেয়ে থাকে সরকার। কিন্তু স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল সরকারের লক্ষলক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ ভাবে বালি ও পাথর বিক্রি করে ইতিমধ্যে হয়েগেছে কোটিপতি। তারপরও থেমে নেই তারা। মহামারী করোনা ভাইসারের জন্য সরকার কর্তৃক বালি ও পাথর উত্তোলন বন্ধ ঘোষনা করার পরও বালি ও পাথর উত্তোলনের জন্য করেছে মানববন্ধন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে- সম্প্রতি যাদুকাটা নদীর তীর কেটে ও অর্ধশতাধিক অবৈধ কোয়ারী তৈরি করে পাথর উত্তোলনের ফটো তুলার কারণে দৈনিক সংবাদ পত্রিকার তাহিরপুর প্রতিনিধি কামাল হোসেনকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করে বালি ও পাথর খেকো প্রভাবশালীরা। এঘটনার প্রেক্ষিতে থানায় মামলা হয়েছে। এছাড়া লাউড়গড় বিজিবি ক্যাম্পের সামনে দিয়ে যাদুকাটা নদী পথে লক্ষলক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে অবাধে কয়লা ও পাথর আনছে বিজিবির সোর্স পরিচয়ধারী আমিনুল ইসলাম, এরশাদ মিয়া, নুরু মিয়া, জসিম মিয়া, রফিক মিয়া (নবীকুল) গং। সম্প্রতি সোর্সদের নেতৃত্বে ভারত থেকে কয়লা আনতে গিয়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। অবৈধ ভাবে কয়লা পাচাঁর নিয়ে চোরাচালানী ও বিজিবির সাথে হয়েছে সংঘর্ষ। এনিয়ে থানায় মামলাও হয়েছে। তারপরও রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে পাথর ও কয়লা আনা বন্ধ হয়নি।
তবে যাদুকাটা নদীর অবৈধ বালি ও পাথর বিক্রিতা কিরণ সদারসহ তার কয়েকজন সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেলহাজতে পাঠিয়েছিল পুলিশ। এছাড়াও যাদুকাটা নদীর তীরে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা প্রভাবশালীদের বালি ও পাথর অভিযান চালিয়ে জব্দ করেছে প্রশাসন। তারপরও বন্ধ হয়নি যাদুকাটা নদীর কয়লা, বালি ও পাথর খেকো প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তৎপরতা।
আজ মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে যাদুকাটা নদীর পশ্চিমপাড়ে মানববন্ধন করেছে একটি মহল। তারা যাদুকাটা নদী থেকে বালি ও পাথর উত্তোলন করতে চায়। অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন- বালি ও পাথর ব্যবসায়ী কিরণ সর্দার, আব্দুল মোতালিব, বিল্লাল হোসেন, রহিছ মিয়া প্রমুখ।
সুনামগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ জসিম উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন- গত বছর মামলার কারণে বালু মহাল ইজারা দেওয়া হয়নি। এবার আমরা সব পক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। কিন্তু আদালতের আরেকটি আদেশের কারণে এই পক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে ওই আদেশের বিরুদ্ধে সরকার পক্ষ থেকে আপলি করা হবে।
 


নওগাঁয় জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে মাস্ক ও ক্যালেন্ডার বিতরণ

তৌফিক আহম্মেদ (তাপস)  নওগাঁ : নওগাঁয় জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে করোনা ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে ও স্বাস্থ্য বিধি যথাযথ মেনে চলার আহবান জানিয়ে মাস্ক ও মাহে রমজান উপলক্ষে সাহ্রী ও ইফতারের সময় সূচির ক্যালেন্ডার বিতরণ করেছে জেলা ছাত্রলীগ।

(১৩ এপ্রিল) মঙ্গলবার সকাল ১১টায় শহরের জেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু করে পুরাতন বাস টার্মিনাল, মুক্তির মোড়ে বিভিন্ন এলাকায় সর্বস্তরের সাধারন মানুষের মাঝে মাস্ক ও ক্যালেন্ডার বিতরণের সময় ব্যক্তিগতভাবে সুরক্ষিত থাকতে এবং অন্যকে সুরক্ষিত রাখতে সর্বাত্মক সতর্কতা অবলম্বনের আহবান জানানো হয়েছে।

 এসময় নওগাঁ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির রহমান রেজভীর সভাপতিত্বে, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আমানুজ্জামান শিউলের পরিচালনায় জেলা ছাত্রলীগের, সদর উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রলীগের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


 এসময় সাধারন মানুষের মাঝে ১ হাজার মাস্ক ও ১হাজার সাহ্রী ও ইফতারের সময় সূচির ক্যালেন্ডার বিতরণ করা হয় এবং মাস্ক পরিধান, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানানো হয়েছে

বাম গণতান্ত্রিক জোটের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

আতাউর শাহ্, নওগাঁ : নওগাঁয় সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাম গণতান্ত্রিক জোট নওগাঁ জেলা শাখা ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট নওগাঁ শাখার উদ্যোগে লর্ড লিটন ব্রিজ মুক্তিযুদ্ধ ভাস্কর্যের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আজ সোমবার (১২ এপ্রিল) সকাল ১১ ঘটিকায় মানববন্ধন কর্মসূচী ও বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি নওগাঁ জেলা বাম গণতান্ত্রিক জোট এডভোকেট মহসিন রেজা।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই সরকার লকডাউনের নামে এক শ্রেণি পেশার মানুষদের কোটিপতি বানানো উদ্যোগ নিয়েছে, এ দেশের শিল্প কারখানা নিয়ম মেনে চললে ছোট ছোট দোকান নিয়ম মেনে কেন চলতে পারবে না, ছোট ছোট রিক্সা ভ্যান নিয়ম মেনে কেন চলতে পারবে না।

আরোও বলেন করোনা কালীন সময়ে শ্রমজীবী মানুষের জন্য কমপক্ষে ০১ মাসের খাদ্য ও নগদ ৫ হাজার টাকা প্রদান করতে হবে, বিনামূল্যে চিকিৎসা ব্যবস্থা করতে হবে, দৈনিক কমপক্ষে ১ লক্ষ টেস্ট করতে হবে, সর্বদলীয় কমিটি গঠন করতে হবে।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, জেলা শাখা বাসদ এর আহবায়ক জয়নাল আবেদীন মুকুল, বাংলাদেশের সিপিবি নওগাঁ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খোকন, জেলা শাখা বাসদ এর সদস্য কালিপদর সরকার, জেলা শাখার ছাত্রমৈত্রী মিজানুর রহমান, বাংলাদেশের সিপিবি নওগাঁ জেলা শাখা সদস্য কমরেড মুমিনুল ইসলাম স্বপন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট পৌরশাখা মিজানুর রহমান প্রমূখ।

নওগাঁর মহাদেবপুর জলাবদ্ধতা নিরসনে সঠিক স্থানে কালভার্ট নির্মাণের দাবি

সালমান ফার্সী (সজল) নওগাঁ : নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ভীমপুর ইউনিয়নে একটি কালভার্ট নির্মাণের স্থান নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। কৃষি মাঠের জলাবদ্ধতা যথাযথ স্থানে কালভার্ট নির্মাণের দাবিতে কয়েকটি গ্রামের শতাধিক কৃষকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই কালভার্টের নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
নওগাঁ সদর উপজেলার আবাদপুর, কাশিবাড়ি, নারচী, মশরপুর, কুমুড়িয়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের শতাধিক কৃষক গত ১৬ ফেব্রুয়ারি নওগাঁ জেলা প্রশাসক ও মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ আবেদন জানান।
লিখিত ওই আবেদনে বলা হয়, নওগাঁ সদর উপজেলার হাপানিয়া ইউনিয়ন ও মহাদেবপুর উপজেলার ভীমপুর ইউনিয়নের কয়েকটি কৃষি মাঠের পানি নিষ্কাশনের জন্য দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের অধীনে একটি কালভার্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু যে স্থানে কালভার্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা কোনো কাজেই আসবে না। নির্বাচিত স্থানে কালভার্টটি নির্মাণ করা হলে সেখান দিয়ে কৃষি মাঠ ও বিলের পানি নিষ্কাশন সম্ভব নয়। এতে সদর উপজেলার হাঁপানিয়া ইউনিয়নের আবাদপুর, ডাফাইল, মোহনপুর, কাশিবাড়ি, দশপাইকা, নারচি, উল্লাসপুর, কুমুড়িয়া, চত জাফরাবাদ, ভবানীগাঁথী, মশরপুর, চন্ডিক্ষেত্র, কুষাডাঙ্গা, শতপুর, চকবিক্রমসহ প্রায় ২০টি গ্রামের আওতায় থাকা কৃষি মাঠের অন্তত ২০ হাজার বিঘা জমির জলাবদ্ধতার সমস্যা রয়েই যাবে। অথচ যে স্থানে কালভার্টটি নির্মাণ করা হচ্ছে সেখান থেকে মাত্র ৫০০ থেকে ৬০০ ফিট দূরে কালভার্টটি নির্মাণ করা হলে খুব সহজেই পানি নিষ্কাশন হবে।
সদর উপজেলার কাশিবাড়ি গ্রামের সাইদুল ইসলাম, আবাদপুর গ্রামের আছির উদ্দিন ও গোলাম মোস্তফা, একডালা গ্রামের শাহিন, মখরপুর গ্রামের হযরত আলীসহ ১০-১২ জন কৃষক বলেন, সদর উপজেলার হাঁপানিয়া ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রামের আওতায় ছোট-বড় পাঁচটি কৃষি মাঠ বা বিল রয়েছে। এই সব মাঠের পানি হাপানিয়া-দুলবহাটি সড়কের লাখদহ ব্রীজ দিয়ে নিষ্কাশিত হয়ে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়। কিন্তু মহাদেবপুর উপজেলার ভীমপুর ইউনিয়নে পাতনা মৌজায় পাতনা-নারচী সড়কের কারণে পানি আর দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হতে পারে না। ফলে সদর উপজেলার কানছগাড়ি, বড়বিল, পাটগাড়ি, কন্দরগাড়ি এবং ঠাকুরবাড়ি মাঠে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এর ফলে বর্ষাকালে এসব মাঠে কোনো ফসল আবাদ হয় না। এসব মাঠের পানি নিষ্কাশনের জন্য দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের একটি প্রকল্পের অধীনে মহাদেবপুর উপজেলার ভীমপুর ইউনিয়নের পাতনা এলাকায় পাতনা-নারচী সড়কের ওপর একটি কালভার্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে মহাদেবপুর উপজেলা প্রশাসনের প্রকল্প অফিসের অধীনে পাতনা এলাকার আন্দিরপুকুর তিনমাথা এলাকায় কালভার্ট নির্মাণের জন্য মাটি খননের কাজ শুরু হয়। স্থানীয় কৃষকদের দাবি পাতনা-নারচী সড়কে যে স্থানে কালভার্টটি নির্মাণ হচ্ছে সেখানকার নালাটি খুব সরু। কারণ ওই স্থানে নালাটির দুই পাশে পুকুর খনন করে নালাটি প্রায় বন্ধ করে ফেলা হয়েছে। অথচ ওই স্থান থেকে মাত্র ৫০০ থেকে ৬০০ ফিট উত্তরে কালভার্টটি নির্মাণ করা হলে প্রশস্ত নালা দিয়ে সহজেই পানি নিষ্কাশিত হতে পারবে। সেখানে কালভার্ট নির্মাণ করা হলে পাঁচটি কৃষি মাঠে পানি নিষ্কাশিত হয়ে বিল মনসুরের বিশাল জলাশয়ে পড়লে আর জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে না।
এ বিষয়ে ভীমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাম প্রসাদ ভদ্র বলেন, ‘যে স্থানে কালভার্ট নির্মাণ করা হচ্ছে সেখানে একটি কালভার্ট নির্মান হওয়া দরকার। তবে তদন্ত করে ওই স্থানের চেয়ে আরও কোনো যৌক্তিক স্থানে কালভার্ট নির্মাণ করা হলে আমার কোনো আপত্তি নেই।’  
মহাদেবপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুলতান হোসেন বলেন, ‘প্রয়োজনীয়তার তাগিদে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে সেখানে একটি কালভার্ট নির্মাণের প্রকল্প বাস্তাবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে স্থানীয় কৃষকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এখন কালভার্টের স্থান নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। কৃষকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ স্থান নির্বাচনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একটি টেকনিক্যাল কমিটি তৈরী করে দিয়েছেন। ওই কমিটির রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে কালভার্ট নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।’

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget