Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf


এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে গ্রাহক ৫২ লাখ, জমা ৭ হাজার কোটি টাকা
দেশের সুবিধা বঞ্চিত প্রান্তিক পর্যায়ে ব্যাংকিং সুবিধা পৌঁছে দিতে চালু হয় এজেন্ট ব্যাংকিং। এ সেবার মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী সহজেই ব্যাংকে টাকা জমা ও উত্তোলন করতে পারছেন। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থও সহজে পৌঁছে যাচ্ছে প্রত্যন্ত অঞ্চলে। ঋণও পাচ্ছেন অনেকে। এতে গ্রামগঞ্জে বাড়ছে ব্যাংকিং সেবা। দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এজেন্ট ব্যাংকিং।

এমন অবস্থায় দেশে কার্যক্রম শুরুর মাত্র ৬ বছরেই এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার গ্রাহক তৈরি হয়েছে ৫২ লাখেরও বেশি। এসব গ্রাহক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আওতায় জমা করেছেন ৭ হাজার কোটি টাকার বেশি আমানত। বাংলাদেশ ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং বিষয়ে হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, বিশ্বের প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হয় ব্রাজিলে। আর বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হয় ২০১৪ সালে। এর আগে ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে ব্যাংক এশিয়া পাইলট প্রকল্প হিসাবে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ২৪টি বাণিজ্যিক ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের লাইসেন্স পেয়েছে। এর মধ্যে ২১টি ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যে ১৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে সেগুলো হলো- ডাচ্-বাংলা, ব্যাংক এশিয়া, আল-আরাফাহ্ ইসলামী, সোশ্যাল ইসলামী, মধুমতি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট, এনআরবি কমার্শিয়াল, স্ট্যান্ডার্ড, অগ্রণী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, মিডল্যান্ড, দি সিটি, ইসলামী ব্যাংক, প্রিমিয়ার, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল, এবি ব্যাংক, এনআরবি, ব্র্যাক ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক ও মাকেন্টাইল ব্যাংক।

২০১৯ সালের ডিসেম্বর শেষে এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯৬ জন গ্রাহক হিসাব খুলেছেন। এসব হিসাবে জমাকৃত অর্থের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৫১৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। বছরের ব্যবধানে গ্রহক বেড়েছে ১১৪.৪৩ শতাংশ এবং আমানত বেড়েছে ১৪১.৫২ শতাংশ। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর শেষে গ্রাহক ছিল ২৪ লাখ ৫৬ হাজার ৯৮২ জন এবং জমাকৃত অর্থের স্থিতি ছিল ৩ হাজার ১১২ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

ডিসেম্বর শেষে এজেন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৮৫৬টি এবং আউটলেট সংখ্যা ১১ হাজার ৩২০টি। এ সময় পর্যন্ত এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ হয়েছে ৪৪৬ কোটি টাকা। আলোচিত সময়ে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১৫ হাজার ৫৩৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, গ্রামীণ সুবিধা বঞ্চিত পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কাছে ব্যাংকিং সুবিধা পৌঁছে দিতে এজেন্ট ব্যাংকিং চালুর উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও ব্যয় সাশ্রয়ী এ সেবায় গ্রহক এজেন্ট আউটলেটে সহজেই তার বায়োমেট্রিক বা হাতের আঙুলের স্পর্শে হিসাব পরিচালনা করতে পারেন। ফলে কম খরচে সহজে ব্যাংকিং সেবা পাওয়ায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

ব্যাংকগুলোও এ সেবা প্রদানে আশানুরূপ আগ্রহ দেখাচ্ছে। সঠিকভাবে পরিচালনা করলে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে আগামীতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি ঘরে ঘরে ব্যাংকিংসেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে এমন ব্যক্তি এজেন্টশিপ নিতে পারেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হয় ন্যূনতম এইচএসসি বা সমমান পাস। এজেন্ট ব্যাংকিং পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে প্রত্যেক এজেন্টের একটি চলতি হিসাব থাকতে হয়। এ সেবার মাধ্যমে ছোট অঙ্কের অর্থ জমা ও উত্তোলন করা যায়।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স স্থানীয় মুদ্রায় বিতরণ, ছোট অঙ্কের ঋণ বিতরণ ও আদায় এবং এককালীন জমার কাজও করতে পারবেন। উপযোগ সেবা বিল পরিশোধের পাশাপাশি সরকারের অধীনে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অর্থ প্রদান করতে পারছেন এজেন্টরা। এছাড়া নীতিমালা অনুযায়ী ব্যাংক হিসাব খোলা, ঋণ আবেদন, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের নথিপত্র সংগ্রহ করতে পারছেন এসব এজেন্ট।

এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে হিসাব খোলা, টাকা জমা ও উত্তোলন, টাকা স্থানান্তর (দেশের ভেতর), রেমিট্যান্স উত্তোলন, বিভিন্ন মেয়াদি আমানত প্রকল্প চালু, ইউটিলিটি সার্ভিসের বিল পরিশোধ, বিভিন্ন প্রকার ঋণ উত্তোলন ও পরিশোধ এবং সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় সরকারি সকল প্রকার ভর্তুকি গ্রহণ করা যায়।

তবে এজেন্টরা কোনো চেক বই বা ব্যাংক কার্ড ইস্যু করতে পারে না। এছাড়া এজেন্টরা বৈদেশিক বাণিজ্য সংক্রান্ত কোনো লেনদেনও করতে পারেন না। এজেন্টদের কাছ থেকে কোনো চেকও ভাঙানো যায় না। মোট লেনদেনের ওপর পাওয়া কমিশন থেকেই এজেন্টরা আয় করেন।

মেয়র পদে লড়তে চান বিএনপির পাঁচজন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে মেয়র পদে দলের মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করেছে বিএনপি। মনোনয়ন ফরম বিতরণের প্রথম দিনে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পাঁচ নেতা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-দফতর সম্পাদক বেলাল আহমেদ জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ পর্যন্ত মেয়র পদে ফরম সংগ্রহকারীরা হলেন- মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, সহ-সভাপতি নিয়াজ মোহাম্মাদ খান, সহ-সভাপতি সৈয়দ আজম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. এরশাদ উল্লাহ।

বেলাল আহমেদ জানান, মনোনয়নপত্র বিতরণের প্রথমদিন আজ পাঁচজন মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। বুধবারও মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে। আগামী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে মনোনয়ন ফরম জমা দিতে হবে। এরপর সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মেয়রপ্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেয়া হবে। সাক্ষাৎকার ও মনোনয়ন ফরম যাচাই-বাছাইয়ের পর স্থায়ী কমিটির মিটিংয়ে একজনকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হবে।

এদিকে নগর বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক ইদ্রিস আলী জানান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ৪৩টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী চূড়ান্ত করার জন্য দলের পক্ষ থেকে চট্টগ্রামের ৬ নেতাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা কাউন্সিলর প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করে কেন্দ্রে হস্তান্তর করবেন। আগ্রহীরা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নগর বিএনপির দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা হলেন- বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবর রহমান শামীম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, এস এম সাইফুল ও মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। শতভাগ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ হবে। নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি। যাচাই-বাছাই ১ মার্চ। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৮ মার্চ। প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ হবে ৯ মার্চ।

নওগাঁর রাণীনগরে অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের ভিত্তি স্থাপন

নওগাঁর রাণীনগরে রফিজান মেমোরিয়াল অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রফিজান মেমোরিয়াল অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আল মামুন। পরে এক অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ভান্ডারগ্রাম প্রতিবন্ধী ও সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি ও গবিন্দগঞ্জ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. আফজাল হোসেন মৃধার সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সাধারন সম্পাদক শামছুর রহমান, পারইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ডা: দুলাল আলম, কামতা এসএন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সরদার আ: হামিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার আব্দুল মতিন, রফিজান মেমোরিয়াল অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক সাজেদুর রহমান সাজু, আকরাম হোসেন বিজয়, এনামুল হক রানা প্রমুখ। উল্লেখ্য, ২০১৫সাল থেকে উপজেলার এই প্রত্যন্ত এলাকা ভান্ডারগ্রাম ও তার আশেপাশের এলাকার অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে শিক্ষা আলো ছড়িয়ে দিয়ে আসছে এই প্রতিষ্ঠানটি। এই সব বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা সমাজের বোঝা নয় তাদেরকে উপযুক্ত পরিবেশে শিক্ষা প্রদান করলে ও সার্বিক সহযোগিতা দিলে তারাও সম্পদে পরিণত হতে পারে এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে এই প্রতিষ্ঠানটি  অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে কাজ করে আসছে। বর্তমানে এই বিদ্যালয়ে ১০৬জন অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী শিশুরা অধ্যায়ন করছে।

নওগাঁর বদলগাছীতে বিলুপ্তির পথে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নিদর্শন হলুদ বিহার

 খালিদ হোসেন মিলু, বদলগাছী: নওগাঁর বদলগাছীতে বিলুপ্তির পথে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নিদর্শন হলুদ বিহার। ঐতিহাসিক হলুদ বিহার প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় এখন গোচারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে। ফলে বিহারের চতুরধার দ্রুত ভেঙ্গে পড়ছে। এতে বিলুপ্ত হতে চলেছে ইতিহাস ঐতিহ্যের এই নিদর্শন। প্রাচীন এই বিহারটির উপর কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো নজর নেই বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের পাশাপাশি হলুদ বিহারে ও দেশের বিভিন্ন এলকা থেকে পর্যটক দেখার জন্য আসে।

এছাড়া শিক্ষা সফরে দেশি বিদেশি শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পর্যটকরা আসেন। বিহারটিকে সংস্কার করে এর ইতিহাস যথাযথভাবে সংরক্ষণ করার দাবি এই এলাকার মানুষের। বিহারটির চতুর দিকে বাউন্ডারী ওয়াল নেই। এ কারণে গরু-ছাগল অনায়াসে প্রবেশ করে এতে বিহারের সৌন্দর্য বিকৃত হয়ে পড়েছে। যা এখানে দেখার কেউ নেই।

সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহকালে জানাযায় নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বিলাশবাড়ী ইউনিয়নের নিভৃতপল্লী হলুদ বিহার গ্রামের এক প্রান্তে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে এই দ্বীপ। ইতিহাস ও প্রাচীন ঐতিহ্যের নিদর্শন এই দ্বীপে নজর পরলেই দর্শকরা আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। আসলে এটি একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ এটি ছিল এক সময় গাছ গাছড়া ঝোড় জঙ্গলে পরিপূর্ণ উচু একটি দ্বীপ। দ্বীপের মাথায় ছিল একটি বড়ই গাছ, যার নিচে ছিল একটি গভীর কূপ। দ্বীপটি মাথায় পাটকূপ সম্পর্কে এই এলাকাবাসীর সকলেই জানা শুনা রেখেছে। দ্বীপের ঝোড় জঙ্গল গাছপালা কেটে ফেলার আগেই কূপটি ভরাট হয়ে যায়।

পরবর্তীতে দ্বীপটি সংস্কারকালে এই কূপের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। আশে পাশের লোকজন দ্বীপের চতুর ধারে মাটি কেটে বাড়ি ঘর নির্মাণ করেন। মাটি কাটার এক পর্যায়ে দ্বীপের পূর্ব দিকে ইটের সিঁড়ি বের হয়। তখন এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তার পরেই এই দ্বীপটি বাংলাদেশ প্রতœতত্ব। বিভাগের অধীনে নেয়া হয়। হলুদ বিহার গ্রামে ছিল অনেকগুলো বিক্ষিপ্ত ঢিপি তাতে ছড়িয়ে ছিটিয়েছিল পুরনো ইট, ভাংগা মৃৎ শিল্পের বিভিন্ন নিদর্শন। এথেকেই এখানে বৌদ্ধ বসতির প্রমান মিলে। ১৯৭৬ খ্রীঃ এই দ্বীপটি সংরক্ষিত করা হয়।

১৯৮৪ খ্রীঃ বাংলাদেশ প্রতœতত্ব বিভাগ ১ম বারের মত খনন কাজ শুরু করেন। ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দে ২য় বার খননকালে দ্বীপের অভ্যন্তরে ১টি মন্দির আবিষ্কৃত হয়। এটি খননকালে বেশ কিছু প্রাচীন নিদের্শন সামগ্রী মানুষের মূর্তি সম্বলিত ভাঙ্গা, পোড়া মাটির ফলক, পাথর সামগ্রী ও মূর্তির স্তম্ভ মূল অলংকারের ঢালাই ছাচ এবং চুর্ণ যন্ত্র উদ্ধার করা হয়। প্রসাশনিক উদাসীনতা ও সংরক্ষণের অভাবে এই প্রাচীনতম নিদর্শন আজ প্রায় বিলুপ্ত হতে চলেছে।

এ বিষয়ে হলুদবিহার গ্রামের শাহিনুর ইসলাম শাহিন, রোস্তম আলী, বলরামপুর গ্রামের নাজমুল, রকি সহ আরও অনেকে জানান বিহারটির চতুরদিকে দ্রুত বাউন্ডারি, সৌন্দর্য বৃদ্ধিকরণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়াসহ সংস্কার ও সংরক্ষনের প্রয়োজন।

এ বিষয়ে ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের কাষ্টডিয়ান আবু সাঈদ ইনাম তানভিরুল এর সংগে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান, বিহারটি নিয়ে আমাদের অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। এখানে আরও খননের প্রয়োজন আছে। চতুর্দিকে তার কাঁটা দিয়ে ঘিরতে হবে। যাতে করে বাহির থেকে বিহারটি সাধারণ লোকজন দেখতে পায়। এছাড়াও এই বিহারটি ব্যাপারে উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা আছে। বিহারটি সর্বাক্ষনিক দেখাশুনার জন্য আবু বক্কর নামে এক কর্মী নিয়োজিত আছে।

গত অর্থবছরে বিমানের লাভ ২১৮ কোটি টাকা

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট আয় করে ৫ হাজার ৭৯৫ কোটি টাকা। ব্যয় করে ৫ হাজার ৭৭৭ কোটি ১০ লাখ টাকা। ফলে ওই অর্থ বছরে বিমানের নিট লাভ হয় ২১৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আবার চলতি অর্থবছরে ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনিরীক্ষিত এবং পূর্বনিট লাভ হয় ৪২৩ কোটি টাকা।

রোববার জাতীয় সংসদে এমপি আবুল কালাম আজাদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মাহবুব আলী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিজস্ব ১২টি এবং লিজের ৬টি বিমানসহ মোট ১৮ টি উড়োজাহাজ আন্তর্জাতিক রুটে ১২টি দেশে ১৭টি এবং অভ্যান্তরীণ রুটে ৭টি স্টেশনে যাতায়াত করছে, যা পূর্ববর্তী যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি। এ ছাড়া বিমানের যাত্রীদের ব্যাগেজ ডেলিভারির সময় প্রথম ব্যাগেজ ১৮ মিনিট এবং শেষ ব্যাগেজ ৬০ মিনিট করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। যার ফলে যাত্রীসেবার মান বেড়েছে।

তিনি বলেন, বিমানের দুর্নীতি ও ব্যয় সংকোচনের জন্য প্রশাসনকে ঢেলে সাজান হয়েছে। ফলে বিমানের দুর্নীতি বহুলাংশে কমে এসেছে।


নওগাঁয় উগ্রবাদ ও সহিংস প্রতিরোধ “আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী  বাহিনীর করনীয়” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

সালমান ফার্সী: নওগাঁয় উগ্রবাদ ও সহিংস প্রতিরোধ “আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর করনীয়” শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল রবিবার সকালে পুলিশ লাইন্স ড্রিল-সেডে প্রধান অতিথি হিসেবে এর উদ্ধোধন করেন পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়া বিপিএম।
সেমিনারে উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধে পুলিশের ভূমিকা ও করনীয় নিয়ে কথা বলেন ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম বিপিএম, পিপিএম।
বাংলাদশ পুলিশের সন্ত্রাস ও আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প এ আয়োজন করে । 
এসময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম রাকিবুল আক্তার, ফারজানা হোসেন, অতিরিক্ত সহকারী পুলিশ সুপার সুরাইয়া খাতুনসহ জেলার ১১ টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget