Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

হুমকির মুখে কারিগরি শিক্ষা!

  >> বিধির বাইরেও ক্লাস পরিচালনায় মেলে না সম্মানী
>> ফেব্রুয়ারি থেকে দ্বিতীয় শিফটের ক্লাস বর্জনের ঘোষণা
>> সমস্যার দ্রুত সমাধান, আন্দোলনের দরকার নেই: সচিব

নতুন করে হুমকির মুখে পড়তে যাচ্ছে দেশের কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা। জনবল সংকট থাকায় শিক্ষক-কর্মচারীরা দ্বিতীয় শিফটে (প্রথম শিফটের অনুরূপ) দ্বিগুণ পরিশ্রম করলেও সেভাবে তাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। এ কারণে নতুন ব্যাচে দ্বিতীয় শিফটের ক্লাস বর্জনসহ দু’দফা দাবি আদায়ে আন্দোলনে নামছেন তারা। শিক্ষক-কর্মচারীদের এমন সিদ্ধান্তে কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন সংকট তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি-দাওয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন। এ কারণে নতুন করে আন্দোলনে নামার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

কারিগরির শিক্ষকরা জানান, সারাদেশে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ৪৯টি ও ৬৪টি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ রয়েছে। বর্তমান সরকার কারিগরি শিক্ষাকে যুগোপযোগী করতে নানামুখী উন্নয়ন কাজ হাতে নিয়েছে। এ খাতে বাজেট বাড়িয়ে নতুন নতুন কারিগরি প্রতিষ্ঠান নির্মাণসহ শিক্ষা ব্যবস্থায় নানা পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এত উদ্যোগের পরও জনবল সংকটের কারণে সবকিছু ভেস্তে যেতে বসেছে।

জানা গেছে, দেশের ৬৪টি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে (টিএসসি) নবম, দশম ও একাদশ শ্রেণিতে পাঠদান হলেও এসএসসি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের দুই শিফটে পড়ানো হয়। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষক-কর্মচারী ও লক্ষাধিক শিক্ষার্থী রয়েছেন।


অন্যদিকে ৪৯টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সে প্রায় চার লাখ শিক্ষার্থী রয়েছেন। এসব প্রতিষ্ঠানে রয়েছেন প্রায় দুই হাজার পাঁচজন শিক্ষক-কর্মচারী। এক শিফটের শিক্ষক দিয়ে দুই শিফটের ডিপ্লোমা কোর্স পড়ানো হচ্ছে। ১৯৮৩ সাল থেকে দেশের কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এভাবে জোড়াতালি দিয়ে চলানো হচ্ছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

 
হুমকির মুখে কারিগরি শিক্ষা!
তারা জানান, মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বেতন-ভাতা সুবিধা দিয়ে দুই শিফটের ক্লাস পরিচালনা করেন শিক্ষকরা। দ্বিতীয় শিফটের শিক্ষকদের জন্য ২০১৮ সালে অর্থ মন্ত্রণালয় নতুন একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ২০০৯ সালের পে-স্কেল অনুযায়ী ৫০ শতাংশ অতিরিক্ত সুবিধা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু বর্তমানে তাদের বেতনের ৩০ শতাংশ বাড়তি দেয়া হচ্ছে। এর প্রতিবাদে এবং নীতিনির্ধারক পদগুলোতে কারিগরি ক্যাডার নিয়োগের দাবিতে গত দুই বছর ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. তাহের জামিল জাগো নিউজকে বলেন, ১৯৮৩ সাল থেকে দুই শিফটে ক্লাস নিলেও শিক্ষকরা ন্যায্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। শুরুতে বেতনের ৫০ শতাংশ দেয়া হলেও গত দুই বছর ধরে ২০০৯ সালের পে-স্কেল অনুযায়ী বেতনের ৩০ শতাংশ দেয়া হচ্ছে। ফলে শিক্ষক-কর্মচারীরা সে অর্থ উত্তোলন করছেন না।

তিনি আরও বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক ও মাহপরিচালক পদে কারিগরি ক্যাডারদের নিয়োগ দেয়ার কথা। কিন্তু গত দুই বছর এসব পদে চলতি দায়িত্বে প্রশাসন ক্যাডারদের বসানো হচ্ছে। তারা আমাদের সুবিধা-অসুবিধাগুলো গুরুত্ব দেন না।


সভাপতি বলেন, অতিরিক্ত দায়িত্বের জন্য আগের মতো বেতনের ৫০ শতাংশ অর্থ প্রদান, ভবিষ্যতে তা শতভাগে উন্নীতকরণসহ পরিচালক ও মহাপরিচালক পদে কারিগরি ক্যাডার নিয়োগের দাবিতে আমরা আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে দ্বিতীয় শিফটের ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পলিকেটনিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. হাফিজ আহমেদ সিদ্দিক জাগো নিউজকে বলেন, গত ১৯ মাস ধরে শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্বিতীয় শিফটের বেতন সুবিধা কমিয়ে আনা হয়েছে। গত বছর জুনে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়। আমাদের দাবিগুলো যৌক্তিক এবং দ্রুত সেগুলো সমাধান করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। কিন্তু এখনও কোনো উদ্যোগ না নেয়ায় শিক্ষকরা ফের আন্দোলনে নামতে বাধ্য হচ্ছেন।

তিনি বলেন, চাকরির বিধিতে না থাকলেও প্রথম শিফটের মতো শিক্ষক-কর্মচারীরা দ্বিতীয় শিফটে সমপরিমাণ কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু সেভাবে তাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। উল্টো সম্মানীর পরিমাণ আগের চেয়ে কমিয়ে আনা হয়েছে। এ কারণে নতুন করে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমরা আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো উপস্থাপন করতে চাই’- যোগ করেন মো. হাফিজ আহমেদ সিদ্দিক।


তবে আন্দোলনের কারণে নতুন করে সংকট তৈরি হবে না বলে জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দিন আহমেদ। সম্প্রতি তিনি জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষকরা অনেক কষ্ট করে দুই শিফট চালান। তাদের সেভাবে সুবিধা দেয়া হয় না। বাড়তি পরিশ্রমের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে অর্থ বরাদ্দ না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে অর্থ অনুমোদন দিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে আমাদের বৈঠক হয়েছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি, অর্থ বরাদ্দের যৌক্তিকতা তুলে ধরে দুই দফায় চিঠি দেয়া হয়েছে। বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয় বিষয়টি যাচাই-বাছাই করছে।

‘কাজের অনেক অগ্রগতি হয়েছে’ উল্লেখ করে মুনশী শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা সুখবর পাবেন। এ কারণে নতুন করে আন্দোলনে নামার কোনো যৌক্তিকতা দেখছি না।’

‘আশা করি, শিক্ষক-কর্মচারীরা নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে যাবেন’- যোগ করেন তিনি।

নওগাঁর ধামইরহাটে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির সাথে গ্রামবাসীর টহল

মো.হারুন আল রশীদ: নওগাঁর ধামইরহাট সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও পুশইন ঠেকাতে গ্রামবাসীকে নিয়ে ব্যাপক টহল দিচ্ছে বিজিবি। সীমান্ত এলাকার এ কাজে সহায়তা করছে গ্রামের সব বয়সী মানুষ। বর্তমানে সীমান্তে রাতে পাহারা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বিজিবি।

জানা গেছে, ধামইরহাট সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন ঠেকাতে সীমান্তবর্তী গ্রামের সর্ব সাধারণকে নিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) গণসচেতনামূলক কাজ করছে। যে সব পয়েন্ট দিয়ে বিএসএফ অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটাতে পারে ওই সব এলাকার জনগণকে সচেতন করার মাধ্যমে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এক সাথে কাজ করছে বিজিবি ও গ্রামবাসী। 
 
সোমবার রাত ৮টার দিকে ১৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অন্তর্গত উপজেলার শীমুলতলী বিওপির (বর্ডার অবজারভেশন পোষ্ট) আয়োজনে সীমান্ত পিলার ২৫৮/২ এর সাব পিলারের ২শত গজ বাংলাদেশ অভ্যন্তরে রামচন্দ্রপুর গ্রামে এক গণসচেতনামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এব্যাপারে শীমুলতলী বিওপির কমান্ডার নায়েব সুবেদার মো.ফিরোজ হোসেন বলেন, বিজিবির পক্ষ থেকে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও গ্রামের জনগণকে সাথে নিয়ে সীমান্তে পুশইনসহ যেকোন অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সীমান্তবর্তী গ্রামের জনগণকে সচেতন করার জন্য সচেতন করার কাজ চলছে। এ কাজের গ্রামের সব বয়সী মানুষ ব্যাপক সহযোগিতা করছে।

নওগাঁর রাণীনগরে চাষ হচ্ছে বিদেশি সবজি স্কোয়াশ

নওগাঁর রাণীনগরে পরীক্ষামূলক শীতকালীন বিদেশি সবজি স্কোয়াশ চাষ শুরু হয়েছে। প্রথমবারে ভাল ফলন পেয়ে সফল স্কোয়াশ চাষী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে শিক্ষিত বেকার যুবক সৌরভ খন্দকার। 

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, স্কোয়াশ মূলত ইউরোপ দেশের একটি শীতকালীন সবজি। এটি মিষ্টি কুমড়ার মতো সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। বেলে দো’আঁশ মাটিতে স্কোয়াশ চাষ ভাল হয়। প্রতিটি স্কোয়াশ গাছ রোপণের পর থেকে প্রায় আড়াই মাসে ১৪ থেকে ১৫টির মতো ফল ধরে। এটি অনেকটা বাঙ্গির মতো দেখতে ও মিষ্টি কুমড়ার স্বাদে পুষ্টিকর অষ্ট্রেলিয়ান একটি সবজি। স্কোয়াশ উপজেলায় প্রথমবারের মতো চাষ শুরু হলেও বাজারে এর চাহিদা ও দাম ভালো হয়েছে। এলাকায় স্কোয়াশ সবজি নতুন হওয়ায় এই চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে ও দেখতে প্রতিদিনই সবজি ক্ষেত পরিদর্শন করার জন্য ভীড় করছেন অনেকেই।  

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার সিম্বা গ্রামের আবু রায়হান খন্দকারের শিক্ষিত বেকার ছেলে সৌরভ খন্দকার ইউটিউবে স্কোয়াশ চাষের একটি প্রতিবেদন দেখে বগুড়া জেলা শহরের একটি দোকান থেকে ১শত গ্রাম বীজ কিনে বাড়ির খলিয়ানে বোপন করেন। তিনি প্রায় তিন কাঠা জমিতে পরীক্ষা মূলক ভাবে চারা রোপণের  প্রায় ৩৫ দিনের মধ্যেই গাছে একাধিক স্কোয়াশ ফল ধরতে শুরু করে। স্কোয়াশের ওজন প্রায় ১ কেজি হতেই স্থানীয় বাজারে বিক্রি শুরু করেন সৌরভ।

বর্তমানে বাজারে স্কোয়াশ ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ৩ শতাংশ জমিতে সবজির পরিচর্চা, বীজ ও সার ক্রয়সহ এখন পর্যন্ত সৌরভের প্রায় ৩-৪ চারশত টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে তার স্কোয়াশ ক্ষেতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি গাছ রয়েছে। নতুন বিদেশী সবজি হিসেবে ফলন ও বাজারে দাম ভালো পাওয়ায় খুশি সৌরভ।

স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শে চাষকৃত স্কোয়াশ সবজিতে রোগ-বালাইয়ের তেমন আক্রমণ না হওয়ায় স্বল্প খরচে ভাল ফলন পাওয়ায় স্থানীয় অন্যান্য চাষীরাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন বিদেশী এই সবজি চাষের দিকে। আগামীতে সৌরভ এই সবজি চাষের পরিধি আরো বৃদ্ধি করবেন বলে জানান।  

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, সৌরভ স্কোয়াশ চাষে একজন সফল ব্যক্তি। অল্প জায়গায় ও কম পরিশ্রমে অধিক লাভজনক একটি সবজি স্কোয়াশ। আমরা এই সবজি চাষে সৌরভকে সার্বক্ষনিক পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করে আসছি। আগ্রহী অন্য যে কেউ এই সবজি চাষে আমাদের কাছ থেকে সার্বিক সহযোগিতা পাবেন। এটি যেহেতু শুধুমাত্র শীতকালীন একটি সবজি তাই এর বাজার সব সময় অনেক ভালো থাকবে। আমার আশা এই সবজি চাষে কৃষকরা অনেক লাভবান হবেন।

নওগাঁর আত্রাইয়ে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

নাজমুল হক নাহিদ: নওগাঁর আত্রাইয়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় রাসেল হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। 
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১০টার দিকে উপজেলার পার-গুরনই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাসেল হোসেন উপজেলার গুরনই গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার পার-গুরনই নিজ বাড়ির সামনে থেকে তার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান,  সোমবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে রাসেল গ্রামে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার সময় বাড়ি পাশে উৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা রাসেলকে মাথাসহ শরীলের বিভিন্ন স্থানে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত  করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় এবং দুর্বৃত্তরা হত্যা করে পালিয়ে যায়।

আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোসলেম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মঙ্গলবার সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের এ হত্যাকান্ড সংঘটিত হতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে  ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লিমন রায় ও সিআইডি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং এ বিষয়ে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

সুনামগঞ্জে সীমান্তে  দুই চোরাকারবারী আটক

রাহাদ হাসান মুন্না, তাহরিপুর (সুনামগঞ্জ): আমদানি নষিদ্ধি বপিুল পটরমিাণ ভারতীয় বড়িরি চালান সহ সুনামগঞ্জে দুই চোরাকারবারীকে আটক করছেে বর্ডার গার্ড ব্যাটালয়িন বাংলাদশে (বিজিবি)।
 
আটককৃতরা হলনে,সদর উপজলোর রঙ্গারচর ইউনয়িনরে নগৈাং গ্রামরে আব্দুল কুদ্দুছরে ছলেে মোহাম্মদ আলী ও একই গ্রামরে আবদুর রশীদরে ছলেে দলেোয়ার হোসনে। রববিার আটককৃতদরে আদালত জলো কারাগারে পাঠয়িছেনে।
 
রববিার ২৮- র্বডারর্গাড ব্যাটালয়িন (বিজিবি)’সুনামগঞ্জরে অধনিায়ক লে. র্কণলে মো. মাকসুদুল আলম জানান, ব্যাটালয়িনরে সদর উপজলোর বনগাঁও বওিপরি বজিবিি টহল দল শনবিার রাতে বওিপি সংলগ্ন সড়কে অভযিান চালয়িে মোহাম্মদ আলী ও দলেোয়ার হোসনে নামে ওই দুই চোরাকারবারীকে আমদানি নষিদ্ধি ভারতীয় বড়িরি চালান সহ আটক করনে।
 
এরপর বজিবিি টহলদল তাদরে হফোজত হতে ১৫ হাজার শলাকা নামরি বড়িি ৬ হাজার ৯’শ শলাকা জীবন বড়িি ও একটি চোরাই মোটরসাইকলে জব্দ করনে। 
 
সুনামগঞ্জ সদর মডলে থানার ওসি মো. সহদিুর রহমান জানান, আটক চোরাকারবারীদরে বরিুদ্ধে শনবিার রাতইে বিজিবিরি পক্ষ হতে মামলা দায়রে করা হয়।

নওগাঁয় ছোট যমুনার ধারে ময়লা-আবর্জনা দূর্গন্ধে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ

নাজমুল হক নাহিদ, নওগাঁ : নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কোল ঘেঁষে বয়ে চলা ছোট যমুনা নদীতে নির্মিত নতুন বেইলী ব্রীজের ধারে অবাধে ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা। ফলে দূষিত হচ্ছে নদী ও এর আশ-পাশের পরিবেশ। ভরাট হয়ে যাচ্ছে নদীর একটি অংশ। ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার খ্যাত বদলগাছীর ছোট যমুনা নদীর পাশেই রয়েছে হাট-বাজার।
রয়েছে অনেক হোটেল, মাছের বাজার, মুরগীর দোকান, মাংশের দোকান, কাঁচা তরকারীর বাজারসহ নানা ধরনের দোকান। এসবের সকল বর্জ্য ফেলা হচ্ছে নদীর নতুন ব্রীজের ধারে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাশ^বর্তী হাটখোলা বাজারের বিভিন্ন বর্জ্য এবং সাপ্তাহিক দুটি হাটের সকল ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে নদীতে। ছোট যমুনা নদীর নতুন ব্রিজের পাশে থেকে নদীতে ময়লা আবর্জনা ফেলছে বাজারের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। দূর্গন্ধে ভরপুর হয়ে উঠেছে চারপাশ। অপরদিকে দেখাযায় নদীর যে স্থানে ময়লা ফেলা হচ্ছে সেখান থেকে থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তার আবাসিক ভবনটি মাত্র ২০ গজ দূরে। ঐ এলাকার বসবাসকারী রজত, মুকুল, রিপন সহ অনেকেই বলেন, গরমের সময় আমরা বিকেল নদীর পাড়ে বসে বিশ্রাম করি। আবার স্বাস্থ্য সচেতন মানুষেরা শরীর ভাল রাখার জন্য নিয়মিত নদীর ধারে হাঁটাহাঁটি করে। কিন্তু নদীর ধারে এভাবে ময়লা ফেলার কারণে দূর্গন্ধে ভরপুর হয়ে উঠেছে চারপাশের পরিবেশ। তাই আর এদিক দিয়ে মানুষ আর হাঁটতে পারছে না।
কেন এখানে ময়লা ফেলা হচ্ছে বলে জানতে চাইলে পরিচ্ছন্নতাকর্মী চঞ্চল জানায়, আমাদের ময়লা ফেলার জন্য কোন নির্দিষ্ট জায়গা দেওয়া হয়নি। যদি কোন জায়গা আমাদের নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয় তাহলে আমরা সেখানেই ময়লা ফেলব।
বদলগাছী হাটখোলা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি সহকারি অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়া বলেন, নদীতে ময়লা ফেলা ঠিক নয়। ময়লা ফেলার জন্য একটা নির্দিষ্ট জায়গা থাকা দরকার।
এ বিষয়ে বদলগাছী থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তা চৌধুরী জুবায়ের আহাম্মদ বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের এখানে ময়লা ফেলার জন্য নিষেধ করেছি। তারপরও তারা শুনছেনা।
এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলার ভারপাপ্ত নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহারুল ইসলাম সাথে কথা বললে তিনি বলেন, বদলগাছীতে ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার অবস্থিত হওয়ায় এখানে প্রতিনিয়ত দেশি বিদেশি পর্যটক আসেন। সে কারণে এই উপজেলাটি সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা দরকার। আর সেখানে নদীতে ময়লা ফেলে কোনো ভাবেই নদীকে দূষিত করতে দেওয়া যাবেনা। তাই অতি শীঘ্রই এখানে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে ময়লা না ফেলার নির্দেশ দেওয়া হবে।
বদলগাছী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছামসুল আলম খান বলেন, নদীতে ময়লা ফেলা যাবে না। কিন্তু ময়লা ফেলার জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা দরকার। আমি সরেজমিনে দেখে ময়লা ফেলার জন্য একটা নির্দিষ্ট জায়গার ব্যবস্থা করব।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget