Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

   তথ্য অধিকার সম্পর্কে জানে না দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ

তথ্য অধিকার আইন সর্ম্পকে দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ জানে না। ২৫ শতাংশ মানুষ এ সর্ম্পকে জানলেও তাদের মধ্যে ২০ শতাংশের এ বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান নেই বলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) একটি গবেষণা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস- ২০১৯ উপলক্ষে ‘তথ্য অধিকার আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ : আইনের প্রথম দশকের অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক সভায় এ প্রতিবেদন তুলে ধরে টিআইবি। গবেষণাটি ১০০ মানুষের ওপর নমুনায়ন পদ্ধতিতে করা হয়।

টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১০ বছরে তথ্য অধিকার পাওয়ার জন্য ৯৯ হাজার ২৩৮টি আবেদন জমা হয়েছে। গড়ে প্রতিবছর ১১ হাজারের বেশি আবেদন এসেছে, যা বাংলাদেশের জনসংখ্যার তুলনায় খুবই সামান্য। গ্লোবাল রাইট টু ইনফরমেশন রেটিংয়ে ১২৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ২৬ তম অবস্থানে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ যথেষ্ট শক্তিশালী হলেও বাংলাদেশে এর বেশকিছু সীমাবদ্ধতা ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এ আইনের ৪ ধারায় আবেদন সাপেক্ষে তথ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দেয়া হলেও ৭ নম্বর ধারায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা, অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি- এসব যুক্তিতে বৃহৎ ব্যতিক্রম তালিকা সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে এর পর্যাপ্ত ব্যাখ্যা না থাকায় অপব্যবহারের সুযোগ থাকে। পাশাপাশি জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া, মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে উপস্থাপনীয় সারসংক্ষেপসহ আনুষঙ্গিক দলিলাদি এবং বৈঠকের আলোচনা ও সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত তথ্যসহ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে তথ্য না দেয়ার ক্ষমতা দিয়ে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩ আইনকে তথ্য অধিকার আইনের ওপর স্থান দেয়া হয়েছে। এ কারণে জনমানুষ অবাধে তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তথ্য দেয়ার ক্ষেত্রে ৩২ ধারা অনুযায়ী মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দুর্নীতি সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ বা প্রদান করা বাধ্যবাধকতা সত্ত্বেও, জনগণের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় তথ্যের ক্ষেত্রে গোপনীয়তার সংস্কৃতি অব্যাহত রয়েছে। এর সুষ্ঠু তদন্ত হচ্ছে না। তদন্ত হলেও তার ফলাফল গোপন রাখা হচ্ছে। দুর্নীতির তথ্যের ক্ষেত্রেও একই চিত্র বিদ্যমান।

উন্মুক্ত আলোচনায় সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, তথ্য অধিকার আইনে বেসরকারি খাতে তথ্য পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটি এ আইনের একটি বড় দুর্বলতা। তার চেয়ে বড় দুর্বলতা রাজনৈতিক দলগুলোর তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা। কারণ দেশের কোনো মেগা দুর্নীতি রাজনৈতিক দলের ছত্রচ্ছায়া ছাড়া সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা তথ্য কমিশন। মানুষের তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে এই কমিশন নানাভাবে হয়রানি করে থাকে।

অধ্যাপক আফসান চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ মনে করেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে কোনো লাভ নেই। কারণ যাদের কাছে অভিযোগ দাখিল করবেন তারা নিজেরাই দুর্নীতিবাজ। এ জন্য জনমানুষ এ বিষয়ে তেমন আগ্রহ দেখায় না। তথ্য অধিকার আইন বিষয়ে ৭৫ শতাংশ মানুষের কোনো ধারণা নেই। ২৫ শতাংশ এ আইনটির কথা শুনলেও এর মধ্যে ২০ শতাংশ মানুষের এ আইনটি কী তা জানেন না। মূলত ৫ শতাংশ মানুষের তথ্য অধিকার আইন ধারণা রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বিপদে পড়লেও পুলিশের কাছে যেতে চায় না। তারা মনে করেন পুলিশের কাছে গেলে ঝামেলা আরও বাড়বে। এ কারণে তারা আইনের আশ্রয় নিতে চায় না।

তিনি বলেন, গত ১০ বছরে মত প্রকাশের স্বাধীনতা অনেক সংকুচিত হয়ে গেছে। ক্ষমতাসীন দল ছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নিজস্ব কর্মসূচি পালনের সুযোগ নেই। নাগরিক সমাজের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা স্বার্থের কারণে সঠিক কথা না বলে মুখ বন্ধ করে রাখছি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, জনগণকে ক্ষমতায়িত করতে তথ্য অধিকার আইনটি করা হয়েছে। এটি শক্তিশালী আইন হলেও প্রয়োগ হচ্ছে না। তথ্য অধিকার আইনে তথ্য পেতে অনেকে হয়রানির শিকার হয়েছেন।

তিনি বলেন, শতভাগ সরকারি কর্মকর্তারা তথ্য দিতে চান না। অধিকাংশ কমিশনগুলোতে সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেয়ায় সেখান থেকে তথ্য পাওয়াটা জটিল হয়ে গেছে। সরকারি কর্মকর্তারা এ বিষয়ে সহযোগিতা না করলে এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। তথ্য অধিকার আইনটি বাস্তবায়নের জন্য একটি জাতীয় কৌশলপত্র থাকা উচিৎ। যেখানে স্বল্প মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা থাকবে।

এবারের দিবসটি উদযাপনের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী তথ্য অধিকারআইন বাস্তবায়নে সাফল্য অর্জনকারী দেশগুলোর অভিজ্ঞাত এবং তথ্য অধিকার বিষয়ে টিআইবির স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতা থেকে ১২টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

এসব সুপারিশের মধ্যে রয়েছে- তথ্য অধিকার আইনের আওতায় ব্যবসা, রাজনৈতিক দল ও গণমাধ্যমে অন্তর্ভুক্তকরণ, প্রয়োজনীয় সংশোধন, তথ্য ফরম পূরণের আবশ্যকতা হিসেবে তথ্য কর্মকর্তার নাম উল্লেখকরণ অপরাসণ, সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় তথ্য অধিকার আইনে অনুরোধকারীর ব্যক্তিগত তথ্যের বিবরণ প্রদানের বাধ্যবাধকতা বাদ দিয়ে অনুরোধকারী ব্যক্তি প্রদত্ত নির্দিষ্ট যেকোনো ঠিকানায় তথ্য প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি, আইনে তথ্য প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিধান, আইনের পরিপন্থী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ৩২ ধারাসহ বাক স্বাধীনতার পরিপন্থী অন্যান্য ধারা বাতিল, তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে আলাদা ডেস্ক তৈরি ও অনলাইন ব্যবস্থা চালু করা।

আজকের জোকস : সুন্দরী বিমানবালার দাম কত?

সুন্দরী বিমানবালার দাম কত?
উড়োজাহাজে এক সুন্দরী বিমানবালাকে এক যাত্রী বললেন-
যাত্রী: আপনার নাম কী?
বিমানবালা: ইভা বেঞ্জ।
যাত্রী: চমৎকার নাম! মার্সিডিজ বেঞ্জের সাথে কোনভাবে সম্পর্ক আছে?
বিমানবালা: একই দাম!


কুৎসিত মেয়ের বিয়ে হয় না কেন?
প্রশ্নকর্তা: পাত্রী দুজন, ১ম জন পরমা সুন্দরী, যৌবনবতী কিন্তু পুরো চরিত্রহীন। আর পরের জন মহা সতী-সাধ্বী, চরিত্রবতী কিন্তু চেহারা কুৎসিত। এখন আপনি কাকে বিয়ে করবেন?
প্রার্থী: সারাজীবন একা একা পান্তা ভাত খাওয়ার চেয়ে সবাই মিলে মিষ্টি খাওয়াই তো ভালো।


স্কুলে গিয়ে যা করলেন পরিদর্শক
স্কুল পরিদর্শক এক শিক্ষিকাকে বললেন-
পরিদর্শক: আচ্ছা, আপনি ছেলেদের অবজারভেশন সম্পর্কে তালিম দেন তো?
শিক্ষিকা: জ্বি, হ্যাঁ।
পরিদর্শক: দেখি ছেলেদের একটু পরীক্ষা করে। তোমরা চোখ বন্ধ করত।

তারপর পরিদর্শক মুখে একটু শব্দ করে বললেন-
পরিদর্শক: আচ্ছা বলো তো, আমি কী করলাম?
শিক্ষার্থী: আপনি দিদিমনিকে চুমু দিয়েছেন।

সিন্ডিকেটের হাতে বন্দি ভোলার আখ চাষিরা


কোন প্রকার রোগ ও পোকার আক্রমণ না থাকায় এ বছর ভোলা জেলায় আখের ব্যাপক ফলন হয়েছে। বিগত কয়েক বছরের চেয়ে এ বছর আখের ফলন অনেক বেশি। ক্ষেতের ফলন দেখে মুখে হাসি ফুটেছে আখ চাষিদের। বেশি ফলন হওয়ায় চাষিরা আখ বিক্রি করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

সদর উপজেলার ভেলুমিয়া এলাকার আখ চাষি আব্দুল জলিল জানান, তিনি এ বছর ২ একর জমিতে আখ চাষ করেছেন। এতে প্রায় ১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ক্ষেতে পোকা-মাকড়ের আক্রমণ নেই। অনেক টাকা লাভ হবে এ বছর।

দৌলতখান উপজেলার চর খলিফা ইউনিয়নের কলকোপা গ্রামের নিজাম সিকদার জানান, তিনি এ বছর ১ একর জমিতে ৫০ হাজার টাকা খরচ করে আখ চাষ করেছেন। এ পর্যন্ত ৬০ হাজার টাকার আখ বাজারে বিক্রি করেছেন। আরও প্রায় ১ লাখ টাকার আখ বিক্রি করতে পারবেন।

এদিকে আখের ব্যাপক ফলন হলেও ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন চাষিরা। চাষিদের অভিযোগ, মধ্যসত্ত্বভোগী ও সিন্ডিকেটের কারণে পাইকারি বাজারে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। তাই অনেক কম দামে আখ বিক্রি করছেন তারা।


সিন্ডিকেটের হাতে বন্দি ভোলার আখ চাষিরা
ভোলা সদরের পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের মো. ফিরোজ মিয়া জানান, তারা বাজারে আখের সঠিক দাম পান না। ভোলা সদরে ৩-৪ জন পাইকার থাকলেও আড়ৎ মাত্র একটি। আড়ৎ থেকে যে দাম নির্ধারণ করা হয়; সে দামে চাষিদের বিক্রি করতে হয়। তাই বাধ্য হয়ে অনেক কম দামে আখ বিক্রি করতে হয়।

চাষিরা পাইকারি বাজারে ন্যায্য মূল্য না পেলেও খুচরা বাজারে চড়া দামে আখ বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। ভোলা শহরের নতুন বাজারে আখ কিনতে আসা মো. আরিফ হোসেন জানান, খুচরা বাজারে আখের চড়া দাম। প্রতিটি আখ ৬০-৮০ টাকা দামে বিক্রি করা হচ্ছে। অথচ পাশের আড়তে আখের দাম অনেক কম।

এলাকার খুচরা বিক্রেতা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, আড়ৎ থেকে প্রতি শ’ আখ ৪-৫ হাজার টাকা দামে কিনতে হয়। অথচ আড়ৎদাররা চাষিদের কাছ থেকে ৫০০-১ হাজার টাকা দামে কেনে। খুচরা বিক্রেতাদের কাছে তারা বেশি দামে বিক্রি করে। তাই লাভের জন্য খুচরা আখ বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।

শহরের নতুন বাজার এলাকার আড়ৎদার মো. ইয়ামিন মিয়া জানান, এ বছর জেলায় আখের ব্যাপক ফলন হয়েছে। বাজারে প্রচুর আখ উঠেছে। চাহিদার চেয়ে বেশি হওয়ায় বাজার দাম একটু কম। কারণ ক্রেতার সংখ্যা কম। বাজারে কোন সিন্ডিকেট নেই। দাম কম পাওয়ায় কৃষকরা সিন্ডিকেটের কথা বলে।

জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, এ বছর জেলায় ৮২৪ হেক্টর জমিতে আখের চাষ হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬৪ হেক্টর বেশি। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৫ হাজার ৭২০ মেট্রিক টন।

ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ দেবনাথ বলেন, ‘কৃষি বিভাগের সঠিক তদারকিতে আখের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে কৃষকরা আখের সঠিক মূল্য পাচ্ছেন না। আমরা কৃষকদের নিজ উদ্যোগে আখ বিক্রির পরামর্শ দিয়েছি।’

 ৬ হাজার মিটার উঁচুতে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন রত্না


ভ্রমণ : নবীন পর্বতারোহী রেশমা নাহার রত্না পরপর দুটি ৬ হাজার মিটার পর্বতে ওড়ালেন লাল-সবুজের পতাকা। সম্প্রতি তিনি এ অভিযান সফলভাবে শেষ করেছেন। এর আগে কোন বাঙালি নারীকে পরপর এমন অভিযান করতে দেখা যায়নি। এসময় তিনি এলপাইন স্টাইলে মোট ৩টি অভিযানে অংশ নেন।

জানা যায়, গত ১৬ আগস্ট তিনি লাদাখের মারখা উপত্যকায় অবস্থিত কাং ইয়াতসে-২ পর্বতের পথে যাত্রা শুরু করেন। প্রচণ্ড বৈরি আবহাওয়ার কারণে যাত্রার ১ দিন পরই নেমে আসতে শুরু করেন। এসময় পাহাড়ি নালাগুলোতে পানির স্রোত বেড়ে যাওয়ায় অসুবিধায় পড়তে হয়েছিল।

এরপর ২২ আগস্ট স্টক কাঙ্গরির পথে যাত্রা করেন। ২৩ আগস্ট স্টক কাঙ্গরি বেসক্যাম্পে পৌঁছে সেদিন রাত সাড়ে ১১টায় সামিটের উদ্দেশে রওনা হন। এসময় চলতে চলতে পায়ে ব্লিস্টার হয়ে যায়। সারারাত ট্রেক করার পর পরদিন সকাল ৮টা ৫৭ মিনিটে স্টক কাঙ্গরির সামিটে পৌঁছে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান।

২৫ আগস্ট বেসক্যাম্প থেকে লেহ শহরে ফিরে আসেন। ২৬ আগস্ট বিশ্রামের পর ২৭ আগস্ট পুনরায় কাং ইয়াতসে-২ এর উদ্দেশে যাত্রা করে চকদো পৌঁছান। ২৮ আগস্ট নিমালিং ও ২৯ আগস্ট বেসক্যাম্পে পৌঁছান। ২৯ আগস্ট রাতেই সামিটের উদ্দেশে যাত্রা করে পরদিন সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে কাং ইয়াতসে-২ এর চূড়ায় লাল-সবুজের পতাকা ওড়ান। এসময় চারপাশ হোয়াইট আউট হতে শুরু করে এবং সামিটে ৩০ মিনিট অবস্থানের পর বেসক্যাম্পের উদ্দেশে যাত্রা করেন।




 ৬ হাজার মিটার উঁচুতে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন রত্না
৩১ আগস্ট বেসক্যাম্প থেকে লেহ শহরে ফিরে আসেন। দুটি পর্বতেই তিনি নিজ পেশার প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রাথমিক পরিবারের পতাকা ওড়াতে ভোলেননি। তিনি পরিবারের সবার শুভকামনা করেন। অভিযানে সহযাত্রী হিসেবে ছিলেন নেহেরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিংয়ের শিক্ষক সৌরভ রাউতেলা ও তার শিক্ষার্থীরা।

চিত্রাপাড়ের মেয়ে রত্না পেশায় শিক্ষক। কিন্তু সাদা পাহাড়ের প্রতি অদম্য বাসনা তার। তাই শতবাধা পেরিয়ে পর্বতের পথে নিয়মিত অগ্রসরমান এ পর্বতারোহী। ২০১৬ সালে একটি ক্লাবের সাথে যুক্ত হয়ে কেওক্রাডংয়ের চূড়ায় যাওয়ার মধ্যদিয়ে শুরু হয় তার পথচলা। এরপর তিনি থেমে থাকেননি।

সে বছরই ক্লাবের সহযোগিতায় পর্বতারোহনের মৌলিক প্রশিক্ষণের জন্য ভারতের উত্তরকাশির নেহেরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিংয়ে যান। পরবর্তীতে মৌলিক প্রশিক্ষণ, উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন। তিনি অভিযান করেন মাউন্ট কেনিয়া লেনানা পিকে। এটিই তার প্রথম ৬ হাজার মিটার পর্বত অভিযান। পৃষ্ঠপোষকতা পেলে পর্বতের পথে এ অভিযাত্রা অব্যাহত রাখবেন তিনি।

    ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার নতুন স্মার্টফোন!

১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার নতুন স্মার্টফোন নিয়ে এলো শাওমি। মঙ্গলবার চীনের বাজারে উন্মুক্ত হচ্ছে এমই মিক্স আলফা নামের এই স্মার্টফোন।
এমই মিক্স আলফাতে ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ছাড়াও থাকছে ২০ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা ওয়াইড ক্যামেরা ও ১২ মেগাপিক্সেলের টেলিফটো লেন্স। যেখানে স্যামসাং আইএসওসেল ব্রাইট এইচ এম এক্স সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে।




    ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার নতুন স্মার্টফোন!
ইতোমধ্যেই ১০৮ মেগাপিক্সেল আইএসওসেল ব্রাইট এইচ এম এক্স সেন্সর বাণিজ্যিকভাবে তৈরি শুরু করেছে স্যামসাং। এই সেন্সরে তোলা ছবির রেজুলেশন হবে ১২০৩২ x ৯০২৪ পিক্সেলস। একটি পিক্সেলের সাইজ ০.৮ মাইক্রন।
ফাইভ জি ব্যবহার উপযোগী এই স্মার্টফোনে থাকছে স্ন্যাপড্রাগন ৮৫৫ প্লাস প্রসেসর, ফাইভজি, ১২ জিবি র‍্যাম, ৫১২ জিবি। ৪০০০ এমএএইচ ব্যাটারির জন্য থাকবে ৪০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা।
তবে ফোনটি বাংলাদেশের বাজারে কবে আসবে সে বিষয় কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

করলার এই গুণগুলো জানতেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক   তেতো কথা শুনতে কেউ পছন্দ না করলেও তেতো খাবার কিন্তু খেতে ভালোবাসেন অনেকেই। গরম একথালা ভাতের সঙ্গে তেতো করলার ভাজি হলে যেন আর কিছু লাগে না! তবে সবারই যে পছন্দ তা কিন্তু নয়, বরং তেতো স্বাদের ভয়ে করলা থেকে দূরেও থাকেন অনেকে।

পুষ্টিবিদরা বরাবরই সুস্থ থাকার জন্য করলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এর মধ্যে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট আর অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল প্রপার্টি আছে। করলা আমাদের শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী।

নিয়মিত করলা খেলে রক্ত পরিশুদ্ধ থাকে। ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে এক গ্লাস করলার রস খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন। এই জুস আপনার শরীর থেকে সব টক্সিন বের করতে সাহায্য করবে, তাই ত্বক আর চুল হয়ে উঠবে ঝকঝকে উজ্জ্বল। বলিরেখা পড়বে না, দীর্ঘদিন তারুণ্য বজায় থাকবে।

Korola-1

করলায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও সি পাওয়া যায়, জিঙ্ক আর বায়োটিনও থাকে অনেকটাই। ফলে আপনার চুল ক্রমশ শক্তিশালী ও মসৃণ হয়ে ওঠে৷ খুশকি কমে যায়, চুলের ডগা ফাটে না আগের মতো। করলার রস আর দই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে চুলে লাগাতে পারেন।

লেবু আর করলার রসের মিশ্রণও খুব কার্যকর। মাইল্ড কোনও শ্যাম্পু দিয়ে আধ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। যারা বছরের এই সময়টায় মূলত আবহাওয়ার কারণে ব্রণ, চুলকানি বা ফোড়ার সমস্যায় ভোগেন তারাও নিয়মিত করলার রস খেয়ে দেখতে পারেন।

Korola-1

প্রচুর ভিটামিন এ ও বিটা ক্যারোটিন থাকে বলে করলার রস চোখের জন্য বেশ উপকারী। ডায়াবেটিস রোগীরা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অবশ্যই করলা রাখুন, এর পলিপেপটাইড বি আপনার সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে। ভিটামিন সি বাঁচাবে ত্বকের সমস্যা থেকে।

যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তারা যত ইচ্ছে করলা খান। এর মধ্যে প্রচুর ফাইবার থাকে, কিন্তু কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম বলে ওজন বাড়ার আশঙ্কাও নেই।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget