Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

 মানিকগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

মানিকগঞ্জের  সিংগাইরে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী রোমানা আক্তার (১৩)’কে অপহরণ করে ধর্ষণ শেষে হত্যার দায়ে চারজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে মানিকগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন টাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আলী হোসাইন একজন আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন এনামুল, রমজান, হাকিম ও ফায়জুল। এদের বাড়ির সিংগাইর উপজেলার ওয়াইজনগর গ্রামে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি একেএম নূরুল হুদা রুবেল জানান, সিংগাইর উপজেলার ওয়াইজনগর গ্রামে ব্র্যাকের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী প্রবাসী চান মিয়ার মেয়ে রোমানা আক্তার (১৩) ২০০৮ সালে ১৬ জুলাই সকাল ৭টায় বাড়ি থেকে স্কুল যায়। সেখান থেকে আসামিরা রোমানাকে অপহরণ করে স্কুলের পাশে একটি পাট ক্ষেতে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ ও হত্যা করে লাশ ফেলে রাখে। ওই দিন সকাল ১০টা দিকে রোমানার লাশ পরিবারের সদস্য পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার করে। এই ঘটনায় নিহতের  চাচা কদম আলী বাদী হয়ে সিংগাইর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ে করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাকিম আদালতে উপস্থিত ছিল। অপর তিন আসামি জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছে।আসামিক্ষে মামলাটি পরিচালনা করে অ্যাডভোকটে একেএম কায়সার, অ্যাডভোকেট নূরুজ্জমান।


রাতে না খেয়ে ঘুমানোর পাঁচ পরিণতি

স্লিম হতে অথবা শরীরের ওজন কমাতে অনেকে ডিনার করেন না বা রাতের খাবার খান না। হ্যাঁ ঠিক আছে, ওজন কমানোর জন্য এ পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে, যদি আপনি সকালে ঘুম থেকে ওঠে ক্ষুধাকে দমন করে যা পাব তা খাব প্রকৃতির স্বভাব থেকে বিরত থেকে পরিমিত পরিমাণে স্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে ঝুঁকেন। ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য রাতে কিছু না খেয়ে সকালে সবকিছু গোগ্রাসে পেটে ভরতে থাকলে ওজন তো কমবেই না, বরং আরে বেড়ে যেতে পারে। একজন মানুষ যে কারণেই ডিনার থেকে বিরত থাকুক না কেন, তাকে কিছু পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে। এখানে রাতের খাবার না খেয়ে ঘুমানোর পাঁচ পরিণতি আলোচনা করা হলো।

* গভীর ঘুম আসবে না

ডিনার বা রাতের খাবার না খেয়েই ঘুমাতে গেলে আপনাকে বিছানায় এপাশ-ওপাশ করতে হতে পারে, অর্থাৎ খালিপেটে বিছানায় গেলে ঘুম বিঘ্নিত হতে পারে। ডিনার এড়িয়ে গেলে আপনি ভালো অনুভব করতে পারেন, কিন্তু যখন আপনি শেষপর্যন্ত ঘুমিয়ে পড়বেন তখন এ ক্ষুধা আপনার মস্তিষ্ককে মানসিকভাবে সতর্ক রাখবে, যার ফলে আপনার রাতে পর্যাপ্ত গভীর ঘুম হবে না, বলেন অ্যাকাডেমি ফর নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটেটিক্সের মুখপাত্র ওয়েসলি ডেলব্রিজ। তিনি আরো বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে খালিপেটে ঘুমাতে গেলে তা ব্যাকফায়ার বা বুমেরাং হতে পারে, কারণ আপনার রাতে যতটুকু বিশ্রাম দরকার ততটুকু পাবেন না।’

* ওজন বেড়ে যেতে পারে

ডা. ডেলব্রিজ বলেন, ‘অনেক লোকে মনে করেন যে তারা খালি পাকস্থলি নিয়ে বিছানায় গিয়ে শরীরের ওজন কমাতে ভূমিকা রাখছেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো তারা নিজেদের ওজন আরো বাড়িয়ে তোলার ঝুঁকিতে আছেন- কারণ আপনি রাতে যত বেশি ক্ষুধার্ত হবেন, সকালে ঘুম থেকে ওঠে তত বেশি খাওয়ার প্রবণতা দেখা দেবে।’ যদি আপনি অত্যধিক ক্ষুধার্ত না হওয়া পর্যন্ত খাবার খেতে অপেক্ষা করেন, তাহলে আপনার ব্লাড সুগারের মাত্রা এত বেশি কমে যেতে পারে যে চোখের সামনে যা দেখবেন তা মুখে দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া রাতে খালিপেটে ঘুমিয়ে সকালে ওঠে এত বেশি খাবার খাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে যে আপনার ব্লাড সুগারের মাত্রা অস্বাস্থ্যকর লেভেলে চলে যেতে পারে, যার ফলে দিনের অবশিষ্ট সময়ে আপনার বিপাকে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। রাতে খাবার এড়িয়ে যেতে চাইলে অন্তত ডার্ক চকলেটের একটি বর্গ অথবা এক মুঠো বাদাম অথবা অন্যান্য স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন, যেন সকালে জেগে ওঠে যা দেখেন তা খাওয়ার প্রবণতা রোধ হয়।

* পেশির ঘনত্ব কমে যেতে পারে

জিমে গিয়ে ব্যায়াম করলেও লাভ হবে না, যদি আপনি রাতে খালি পাকস্থলি নিয়ে ঘুমাতে যান। রাতে খাবার না খাওয়ার মানে হলো, প্রোটিনকে পেশিতে কনভার্ট করতে শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি নেই- এর ফলে আপনার শরীর শক্তির জন্য পেশিকে ভাঙ্গতে শুরু করে, ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব কার্ডিওলজির একটি গবেষণা অনুসারে। এভাবে (খালিপেটে রাতে ঘুমানো) দীর্ঘদিন চললে আপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পেশি বা হার্টের পেশিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। দিনে ব্যায়াম থেকে সর্বোচ্চ উপকার পেতে চাইলে রাতে বিছানায় যাওয়ার কয়েক ঘন্টা পূর্বে ডিনার সেরে নেয়ার চেষ্টা করুন এবং নিশ্চিত হোন যে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন খাচ্ছেন, পরামর্শ দেন এ গবেষণার গবেষকরা।

* শরীর শক্তির অভাবে ভুগতে পারে

ভাবছেন যে আপনার শরীরের জন্য রাতের খাবার প্রয়োজন নেই। আবার ভাবুন- আসলে কি তাই? এ প্রসঙ্গে ডা. ডেলব্রিজ বলেন, ‘আপনার শরীর দিনের ২৪ ঘন্টাই প্রতিনিয়ত শক্তি ব্যবহার করছে ও সবসময় ক্যালরি পুড়ছে- এর মানে হলো শরীরের কার্যক্রম ভালোভাবে সম্পাদনের জন্য ঘুমের সময়ও এটির জ্বালানি প্রয়োজন হয় আর এ জ্বালানি আসে খাবার থেকে।’ ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা পেয়েছেন, যেসব পুরুষ বিছানায় ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে ৩০ গ্রাম প্রোটিন সমৃদ্ধ শেক খেয়েছিল তাদের রেস্টিং এনার্জি সেসব পুরুষদের তুলনায় বেশি ব্যয় হয়েছিল যারা রাতে কিছুই খাননি- রেস্টিং এনার্জি এক্সপেনডিচারের মানে হলো, বিশ্রামের সময় শরীর যতটুকু শক্তি বা ক্যালরি পুড়ে। যদি আপনি কিছু না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়েন, তাহলে নিঃশেষিত শক্তি মাত্রার প্রভাবে দিনের অবশিষ্ট সময়েও ভুগতে পারেন। তাই ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে অন্তত প্রোটিন সমৃদ্ধ স্ন্যাকস খাওয়ার কথা বিবেচনা করুন।

* মেজাজ খারাপ হতে পারে

কেউ রাতে খাবার না খেয়ে ঘুমালে পরের দিন তার মারাত্মক মুড সুইং হতে পারে, অর্থাৎ মেজাজ খারাপ হতে পারে অথবা রেগে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে। ডিনার না করার ফলে মেজাজের যে পরিবর্তন হয় তার পেছনে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা রয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজের গবেষকরা পেয়েছেন, খাবার না খেলে আচরণ/মেজাজ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন সেরোটোনিনের মাত্রায় হ্রাসবৃদ্ধি চলতে থাকে- এটি মস্তিষ্কের সে অংশকে প্রভাবিত করে যা মানুষকে রাগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। পেট ভরা থাকলেও কোনো মেডিক্যাল কারণে একজন মানুষের মুড সুইং বা মেজাজ খিটখিটে হতে পারে

আনুশকা সেরা প্রভাবশালী নারীদের তালিকায়

বিনোদন ডেস্ক : সবচেয়ে প্রভাবশালী নারীদের তালিকায় স্থান পেলেন বলিউডের একমাত্র অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। ফরচুন ইন্ডিয়া-২০১৯’র তালিকায় এই তথ্য উঠে এসেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।২০১৯ সালের ভারতের শীর্ষস্থানীয় ৫০ জন নারীর তালিকা ঘোষণা করেছে ফরচুন ইন্ডিয়া। আর এই তালিকার ৩৯ নম্বরে আছেন আনুশকা। ২০০৮ সালে ‘রব নে বানা দি জোড়ি’ ছবিটি দিয়ে বলিউডে পা রাখেন এই অভিনেত্রী। এই তালিকায় স্থান পাওয়া একমাত্র বলিউড অভিনয়শিল্পী তিনি।

ফরচুন ইন্ডিয়া অভিনেত্রী সম্পর্কে লেখেন , আনুশকা শর্মা কেবল পোশাকের লাইনের কয়েকটি ব্র্যান্ডের মুখ নন, তিনি একজন নির্মাতাও। শর্মা ২৫ বছর বয়সে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন ক্লিন স্লেট ফিল্মস, তিনি তিনটি স্বল্প-বাজেটের হিন্দি চলচ্চিত্র তৈরি করেছিলেন- এনএইচ ১০, ফিল্লৌরি ও পরী।তার প্রতিটি ছবি বক্স অফিসে প্রায় ৪০ কোটি রুপি আয় করেছে। বলিউডকে ছাড়িয়ে ক্লিন স্লেট ফিল্মস নেটফ্লিক্সের সাথে জুটি বেঁধেছে বুলবুল নামে একটি ফিচার ফিল্ম এবং মাই নামে একটি ওয়েব সিরিজ প্রযোজনার জন্য।ফরচুন ইন্ডিয়া ভারতের সর্বাধিক প্রভাবশালী নারীদের বার্ষিক র‌্যাঙ্কিং করে তাদের ব্যবসায়ের দক্ষতা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাবের ওপর নির্ভর করে।

যৌথ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ-আফগানিস্তান

বৃষ্টি বাগড়ায় পরিত্যক্ত হলো ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল । যার ফলে টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হলো বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানকে।ফাইনাল ম্যাচের টস হওয়ার কথা ছিল সন্ধ্যা ৬টায়। কিন্তু তার ঠিক এক ঘণ্টা আগ থেকেই মিরপুরে বৃষ্টি শুরু হয়। তখন থেকেই অনবরত গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে, থামছেও না কমছেও না।

রাত ৯টার ঠিক কিছু আগে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও পুরোপুরি থামেনি। যে কারণে ৯টার দিকে ম্যাচ অফিসিয়ালরা ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন।আগেই ম্যাচ অফিসিয়ালরা জানিয়েছেন রাত ৯টা ৪০ মিনিটের আগ পর্যন্ত খেলা শুরু না করা গেলে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ-আফগানিস্তানের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হবে।যদি বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে খেলা শুরু হওয়ার উপযোগী পরিবেশ তৈরী হয়, তবে ওভার কমিয়ে খেলা শুরু করার কথাও জানিয়েছিলেন তারা।কিন্তু প্রকৃতিতো আর কারো কথা শোনে না। বৃষ্টি অনবরত ঝরছেই। তাই ৯টা ৪০ মিনিটও অপেক্ষা করতে হয়নি ম্যাচ অফিসিয়ালদের।

সিরিজে ফাইনাল ম্যাচ হতো দু’দলের তৃতীয় বার দেখা। কিন্তু সেটি আর হতে দিলো না বৃষ্টি। লিগ পর্বে বাংলাদেশ ৩টি ম্যাচ এবং আফগানিস্তান দুটি ম্যাচ জেতে ফাইনাল নিশ্চিত করে। সেখানে দুদলের দেখা হয় দুই বার। প্রথম দেখায় আফগানিস্তান বাংলাদেশকে ২৫ রানে পরাজিত করে। দ্বিতীয় দেখায় আফগানিস্তানকে ৪ উইকেটে হারায় বাংলাদেশ।বাংলাদেশ বাকি দুটি ম্যাচ জেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এক ম্যাচে ৩ উইকেটে অন্য ম্যাচে ৩৯ রানে হারায় তাদের।

আফগানিস্তান জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি ম্যাচ ২৮ রানে জিতে। অন্য ম্যাচটি ৭ উইকেটে হারে।সাতটি ফাইনালে কাপ ছিল বাংলাদেশের কাছে অধরা। এবার ছিল কোনো টুর্নামেন্টে অষ্টমবারের মতো ফাইনাল ওঠা। এই ম্যাচটি বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হলো তবে যৌথভাবে। বৃষ্টি বাধা ন হয়ে দাঁড়ালে রোমাঞ্চকর একটি ম্যাচ হয়তো উপভোগ করতো ক্রিকেটপ্রেমিরা। সুযোগ ছিল বাংলাদেশের একক চ্যাম্পিয়ন হওয়ারও।

টি-টোয়েন্টিতে এটি ছিল বাংলাদেশের তৃতীয় ফা্‌ইনাল। এর আগে দুটি ফাইনালেই তীরে গিয়ে তরী ঢুবে ছিল টাইগারদের।প্রথম ফাইনালটি ছিল ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ নিদাহাস টি-টোয়েন্টি ট্রফির ফাইনাল ভারতের কাছে ৪ উইকেটের পরাজয়।একই বছর আরেকটি ফাইনাল ২৮ সেপ্টেম্বর এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের কাছে ৩ উইকেটের পরাজয়।

পাপিয়াকে গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশ যে কারণে ফিরে গেল

বিএনপি নেত্রী অ্যাডভোকেট আসিফা আশরাফি পাপিয়াকে নির্বাচনী পথসভা থেকে গ্রেফতার করতে গিয়ে ফিরে এল পুলিশ।চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে আমনুরা স্কুলমাঠসহ উপজেলার কয়েকটি স্থানে বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী তসিকুল ইসলাম তসির প্রচারণায় পথসভা ছিল।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আসিফা আশরাফি পাপিয়া।বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে সদর মডেল থানার ওসি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম তাকে গ্রেফতার করতে আমনুরায় যায়।
এ সময় উপস্থিত বিএনপি নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়লে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তাকে গ্রেফতার না করে ফিরে এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।এ বিষয়ে ওসি জিয়াউর রহমান জানান, আমার কাছে একটি মামলায় সাজাসহ আরও ৩টি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। এর মধ্যে ২টি ঢাকার পল্টন থানা ও দারুস সালাম থানায় ১টি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে মহিলা পুলিশ ফোর্সসহ তাকে গ্রেফতার করতে যায়। কিন্তু মামলাগুলোতে তিনি জামিনে থাকায় আমরা ফেরত আসি।
তিনি বলেন, একটি চাঁদাবাজির মামলায় তার ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। কিন্তু তার কাছে উচ্চ আদালতের জামিন আদেশ থাকায় ফেরত আসি। আমাদের নিকট তার জামিনের কোনো কাগজপত্র ছিল না।
অ্যাডভোকেট আসিফা আশরাফি পাপিয়া জানান, ৩টি রাজনৈতিক মামলায় উচ্চ আদালতের জামিন ও স্টে থাকার পরও সদর থানার ওসি ফোর্স নিয়ে আমাকে গ্রেফতার করতে আসেন। এ সময় আমার গাড়ি আটকে রাখে এবং তারা ঢাকা জজ কোর্ট ও হাইকোর্ট ওর্ডার মানতে চায়নি।তিনি অভিযোগ করেন, আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই নির্বাচনী পথসভায় গিয়ে হয়রানি করেছে। ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার জন্য পুলিশ পরিকল্পিতভাবে এই কাজ করেছে।
তিনি জানান, আমাকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না দেয়ার জন্য ২০০৭ সালে বারঘরিয়ার হারুন চেয়ারম্যান আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। সেটিতেও আমি জামিনে রয়েছি, এ ছাড়া মামলাটি বর্তমানে টিল ডিসপোজাল অব রুল হেয়ারিং পেন্ডিং রয়েছে।

ভারত নির্ভরতার কারনেই পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি

দামের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে মিয়ানমার, মিশর ও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হলেও এতে সংকটের সমাধান হবে না বলে মনে করছেন চট্টগ্রামের পাইকারি ব্যবসায়ীরা। ভারত থেকে নতুন পেঁয়াজ না আসা পর্যন্ত বাজারে পেঁয়াজের চড়া দাম থাকবে বলে জানিয়েছেন তারা।

ব্যবসায়ীরা বলেছেন, অন্তত আরও আড়াই থেকে তিন মাস পেঁয়াজের চড়া দাম থাকবে। এর মাঝে মিয়ানমার-তুরস্ক-মিশরের পেঁয়াজ বাজারে এলে দাম কিছুটা পড়বে, তবে সেটা স্থায়ী হবে না।সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দেশের ভোগ্যপণ্যের অন্যতম বড় বাজার চট্টগ্রাম নগরীর খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে আগের মতো কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা চড়া দামে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দেশের পেঁয়াজের বাজার মূলত ভারতের ওপর নির্ভরশীল। ভারতের মহারাষ্ট্রের নাশিক জেলা ও দক্ষিণ ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের চাহিদাই খাতুনগঞ্জসহ দেশের পাইকারি বাজারগুলোতে সবচেয়ে বেশি। সেখান থেকে চাহিদামতো পেঁয়াজ আমদানি করা যাচ্ছে না।

খাতুনগঞ্জে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ঘুরে জানা গেছে, সোমবার ভারতের নাশিকের ভালো মানের পেঁয়াজ প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকায়। কিছুটা নিম্নমানের নাশিকের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫৮-৫৯ টাকায়। দক্ষিণ ভারত থেকে আসা প্রতিকেজি বড় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ৬৫ টাকায়। ছোট পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬২ টাকায়। মিয়ানমার থেকে আসা পেঁয়াজের দাম ছিল কেজিতে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা।

খাতুনগঞ্জের মের্সাস হাজী অছি উদ্দিন সওদাগরের মালিক রহুল আমিন চৌধুরী বলেন, ‘গত সপ্তাহেও আমরা প্রায় একই দামে পেঁয়াজ বিক্রি করেছি। এ সপ্তাহের শুরু থেকে মিয়ানমারের পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করেছে। দামে তেমন কোনো হেরফের হয়নি। এক-দুই টাকা এদিক-সেদিক হয়েছে। মায়ানমারের পেঁয়াজ বাজারে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। কারণ এই পেঁয়াজের তেমন চাহিদা নেই বাজারে।পাইকারি বাজারে যে পেঁয়াজ ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, সেই পেঁয়াজই চট্টগ্রাম নগরীর খুচরা দোকানে বিক্রি হচ্ছে ৬৭ টাকা কেজি দরে। পাইকারিতে ৬৫ টাকার পেঁয়াজ খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়।

চড়া দামে পেঁয়াজ বিক্রির পরও লোকসান দিতে হচ্ছে বলে দাবি খাতুনগঞ্জের পাইকারি ব্যবসায়ীদের। তাদের দাবি, প্রতি ট্রাকে তাদের ৫০ হাজার টাকার মতো লোকসান দিতে হচ্ছে।খাতুনগঞ্জের গ্রামীণ বাণিজ্যালয়ের মালিক বলাই কুমার পোদ্দার  বলেন, ‘আমরা সীমান্ত থেকে পেঁয়াজ কিনে আনি। সেই পেঁয়াজ গুদামে রাখি। দাম বেড়ে যাওয়ার পর থেকে পেঁয়াজের ডিমান্ডও কমেছে। কিন্তু আমরা তো আর গুদামে পেঁয়াজ রেখে দিতে পারি না। সেগুলো পচনশীল। কেজিতে এক-দুই টাকা লস দিয়ে হলেও পেঁয়াজ বাজারে ছেড়ে দিচ্ছি।

ব্যবসায়ী রহুল আমিন চৌধুরী  বলেন, ‘নাশিকের যে পেঁয়াজ আমরা একমাস আগেও কেজিপ্রতি ২০ থেকে ২৫ রুপি দিয়ে কিনতাম, সেটা আজ (সোমবার) বিক্রি হচ্ছে ৪৮ রুপিতে। নাশিক থেকে বেনাপোল বর্ডার পর্যন্ত আনতে খরচ হবে আরও ১০ রুপি। সেই পেঁয়াজ আমাকে আমদানিকারকের কাছ থেকে কিনতে হচ্ছে প্রতিকেজি ৬৭-৬৮ টাকা দরে। আর বিক্রি করতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। তবে দুই পাইকারি ব্যবসায়ীর এই দাবির সঙ্গে দ্বিমত করেছেন কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা। নগরীর আসকার দিঘীর পাড় এলাকার খুচরা দোকানি অমিত দাশ বলেন, ‘বার্মিজ পেঁয়াজ বাজারে আসার খবর পেয়ে আমরা ভেবেছিলাম, নাশিক ও দক্ষিণ ভারতের পেঁয়াজের দাম কমবে। কিন্তু বাজারে গিয়ে দেখি, নাশিক ও দক্ষিণ ভারতের পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে না। পাইকারি ব্যবসায়ীরা গুদাম থেকে বাজারে ছাড়ছেন না ভারতের পেঁয়াজ। এতে দাম কমার সম্ভাবনা থাকলেও সেটি হয়নি।

পাইকারি ব্যবসায়ী রহুল আমিন চৌধুরী  বলেন, ‘মিশর, তুরস্ক ও পাকিস্তানের পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে কিছু পেঁয়াজ বাজারে আসবে। তবে এতে দাম কমবে না। দুয়েক টাকা কমলেও আবার বাড়বে। কারণ আমাদের বাজার ভারতের পেঁয়াজের ওপর নির্ভরশীল। বলাই কুমার পোদ্দার  বলেন, ‘অন্তত আড়াই মাস লাগবে দাম কমতে। নাশিকে বন্যা হয়েছিল। পেঁয়াজের উৎপাদন নেই। সেজন্য দাম বেড়েছে। নতুন পেঁয়াজ উঠবে আরও দুই মাস পর। সেই পেঁয়াজ আমাদের বাজারে আসতে কমপক্ষে আড়াই থেকে তিন মাস লাগবে। তখন হয়তো দাম কমবে। চাহিদা না থাকলে মিশর-তুরস্ক থেকে লাখ লাখ টন পেঁয়াজ এনেও বাজার স্থিতিশীল করা যাবে না।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget