Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

নওগাঁয় ডেঙ্গু প্রতিরোধে ১১উপজেলাসহ ৯৯ ইউনিয়নে একযোগে মশক নিধন ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ ডেঙ্গু প্রতিরোধের লক্ষ্যে নওগাঁ জেলার সকল ইউনিয়নে একযোগে মশক নিধন ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে।  বুধবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে এ অভিযানের উদ্ধোধন করেন, জেলা প্রশাসক মো. হারুন অর রশীদ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন পিপিএম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক গোলাম মো. শাহনেওয়াজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. কামরুজ্জামান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হামিদুল হক, জেলা এ্যাডভোকেট বার এ্যাসোসিয়েশানের সভাপতি এ্যাড. সরদার সালাহ উদ্দীন মিন্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে  জেলা প্রশাসন চত্বরে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কাজে ও ফগার মেশিন দিয়ে মশক নিধনে স্প্রে ব্যবহারের উদ্ধোধন ও জনসচেতনতা মুলক লিফলেট বিতরন করেন। এসময় পৌরসভার কাউন্সিলর, জেলা পর্যায়ে সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন গুলো অংশ গ্রহন করেন।

জুলাই’১৯ মাসে চাঁদপুর গ্রাম আদালতে ৪৪৭ মামলা দায়ের এবং ৪৪৬ নিস্পত্তি

বিশেষ প্রতিনিধি: জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন উদ্যোগ, গণমাধ্যমের প্রচার-প্রচারণা এবং গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের নানাবিধ কার্যক্রমের ফলস্বরূপ ২০১৯ সালের জুলাই মাসে প্রকল্পাধীন চাঁদপুরের ৪৪ টি গ্রাম আদালতে এ যাবৎ কালের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক মামলা দায়ের ও নিস্পত্তি হয়েছে। শুধু তাই নয়, নিস্পত্তিকৃত মামলার রায়ও সর্বোচ্চ সংখ্যক বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

২০১৭ সালের জানুয়ারিতে চাঁদপুরে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হলেও মামলা গ্রহণ শুরু হয় জুলাই’১৭ মাস হতে। এই হিসেবে মোট ২৫ মাসের মামলা পরিসংখ্যান আমাদের হাতে রয়েছে। ২০১৭ সালের জুলাই হতে ২০১৯ সালের জুলাই পর্যন্ত মোট ৪,৭৪৬ টি মামলা দায়ের হয়েছে। এ তথ্য মতে প্রতি মাসে প্রতি ইউনিয়নে গড়ে ৪.৩ টি মামলা দায়ের হয়।

২০১৯ সালের জুলাই মাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক মোট ৪৪৭ টি মামলা দায়ের হয়েছে এবং নিস্পত্তি হয়েছে ৪৪৬ টি মামলা। এ হিসেবে প্রতি ইউনিয়নে গড়ে মামলা দায়ের হয় ১০.১৬ টি যা এ যাবৎ কালের মাসিক গড় মামলার প্রায় আড়াই গুণ বেশী। জুলাই মাসের দায়েরকৃত মামলার বিপরীতে যে সংখ্যক মামলা নিস্পত্তি হয়েছে তাতে মামলা নিস্পত্তির শতকরা হার দাঁড়ায় প্রায় ৯৯.৭৮ ভাগ।

গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ (সংশোধন ২০১৩) অনুযায়ী এ মামলাগুলো নিস্পত্তি করার জন্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) গ্রাম আদালতে বিচারিক-প্যানেল গঠন করা হয়। জুলাই মাসে এই বিচারিক প্যানেলে সদস্য হিসেবে মোট ২৩৯ জন অংশগ্রহণ করেন যাদের মধ্যে ৩৪ জন নারীও ছিলেন। দিন দিন গ্রাম আদালতের বিচারিক-প্যানেলে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। এর ফলে এখানকার বিচারিক পরিবেশ নারী-বান্ধব হয়ে উঠছে। গ্রাম আদালতে নারী বিচার-প্রার্থীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২০১৭ সালের জুলাই হতে ২০১৯ সালের জুলাই পর্যন্ত মোট ১,৯০,২৩,০৪২ (এক কোটি নব্বই লক্ষ তেইশ হাজার বিয়াল্লিশ) টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে আদায় হয়েছে যা আদালতের বিধান অনুযায়ী মামলার ক্ষতিগ্রস্থদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ হিসেবে প্রকল্পাধীন চাঁদপুরের ৪৪টি ইউনিয়নে প্রতি মাসে গড়ে আদায় হয়েছে ৭,৬০,৯২১ (সাত লক্ষ ষাট হাজার নয় শত একুশ) টাকা মাত্র। অথচ এই জুলাই’১৯ মাসেই আদায় হয়েছে মোট ২০,৯৮,১৫০ (বিশ লক্ষ আটানব্বই হাজার এক শত পঞ্চাশ) টাকা যা এ যাবৎ কালের মাসিক গড় আদায়ের প্রায় আড়াই গুণ বেশী।

প্রসঙ্গতঃ বাংলাদেশ সরকার, ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন এবং ইউএনডিপি -এর সহায়তায় ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ “বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্প” চাঁদপুর সহ দেশের মোট ২৭ জেলায় বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের মূল ভিত্তি হল: গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ (সংশোধন ২০১৩) এবং গ্রাম আদালত বিধিমালা ২০১৬।।

পিরোজপুর স্বরুপকাঠিতে নদী গর্ভে বিলীনের পথে কুনিয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন

রিপোর্ট : ইমাম বিমান: পিরোজপুর জেলার স্বরুপকাঠি উপজেলাধীন কুনিয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে বিলীন হতে যাচ্ছে।

স্বরুপকাঠি উপজেলার ঘেষে বয়ে যাওয়া সন্ধ্যা নদীর তীরর্বতী শান্তিহার এলাকায় কুনিয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি থাকায় নদী ভাঙ্গনের কবলে নদীগর্ভে সম্পূর্ণ বিলীন হওয়ার পথে বিদ্যালয় ভবন। সন্ধা নদীর করালগ্রাসে ইতোমধ্যে একাংশ নদীগর্ভে বিলীন হলেও বাকী অংশ যেন যাওয়ার অপেক্ষায় পরে আছে। ইতোমধ্যে বিদ্যালয়টির ৬২ শতাংশ জমির মধ্য থেকে ৫৯ শতাংশই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

নদীর পাড়ে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিলে আস্তে আস্তে পর্যায়ক্রমে তা বিদ্যালয়ের দিকে আসতে থাকলে গত ৩ আগষ্ট শনিবার বিদ্যালয় ভবন সহ একটি কক্ষের নিচ থেকে মাটি ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ায় ভবনটির বিভিন্ন ফাটল দেখা দিলে শিক্ষক শিক্ষার্থী সহ এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হলে বিদ্যালয় ভবনের বাকী দুইটি কক্ষে শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠদানসহ পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। 

৫ জুলাই সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই ভবনের মধ্যে ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেনীর ৯ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিচ্ছেন শিক্ষকরা।
যে কোনো সময় বিদ্যালয়ের পুরো ভবনটি নদীতে ভেঙ্গে পড়তে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেন এলাকার লোকজন।বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে চারজন শিক্ষক সহ মাত্র ২৪ জন শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। 

এ বিষয় শান্তিহার কুনিয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাওয়া হলে প্রধান শিক্ষক মো.মাসুম জানান, বিদ্যালয়টি ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তারপরে ১৯৯৮ সালে সরকার একটি পাকা একতলা ভবন নির্মান করে দেন। তিনি বলেন এক সময় বিদ্যালয়টিতে শতাধিক শিক্ষার্থী লেখা পড়া করলেও নদী ভাঙ্গনের কারনে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের সন্তানদের বেশীর ভাগ অন্যত্র নিয়ে লেখাপড়া করাচ্ছেন। সে কারনে বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী আছে মাত্র ২৪ জন। বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এলাকার প্রায় ৮২ভাগ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় শিক্ষর্থীর সংকটও রয়েছে। 

এ বিষয় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দিলদার নাহারের কাছে ভাঙন কবলিত বিদ্যালয়টি স্থানান্তরের বিষয় কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিদ্যালয়টির ভবনের একাংশ ভেঙ্গে যাওয়ার কথা শুনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে তার শিক্ষার্থীদের নিয়ে পার্শ্বের বিদ্যালয়ে যুক্ত হতে বলা হয়েছে। যেহেতু জমি সংগ্রহ করাসহ ভবন স্থানান্তর করতে একটু সময়ের প্রয়োজন।

এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন বাবুর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি ভাঙ্গন কবলিত বিদ্যালয়টি সম্পর্কে আজ শুনেছি  এবং আমি বিকেলেই ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব। তিনি আরো বলেন, গত ২০ এপ্রিল পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবঃ) মো. জাহিদ ফারুক স্বরূপকাঠির সন্ধ্যা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ভাঙ্গন কবলিত রক্ষা করতে জরুরী পদক্ষেপ নেয়ার জন্য পিরোজপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশের পর পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ম্যাপ করে নিয়ে যান। 

নদী ভাঙ্গন রোধের বিষয় কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে জানতে পিরোজপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাইদ আহম্মেদের মোবাইল ফোনে বার বার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় পরবর্তিতে একই দফতরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শাহ আলমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ডিজাইন করে প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন হলে প্রাক্কলন তৈরি করে টেন্ডার করা হবে।

রাণীনগরে ইউপি বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরে বড়গাছা ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় ও কর্মী সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বড়গাছা ইউনিয়ন বিএনপি এই সভার আয়োজন করে। সোমবার বিকেলে বড়গাছা ইউনিয়নের চৌমহনী বাজারে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো: রোকনুজ্জামান খাঁন (রুকু)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুজ্জামান (ভিপি) জাপান, মোসারব হোসেন, সদস্য এচাহক আলী, নজরুল ইসলাম, মোকলেছুর রহমান বাবু, প্রভাষক একেএম জাকির হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও আহ্বায়ক কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, উপজেলা ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ইউনিয়ন বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের সকল সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নওগাঁর সাপাহারে দু’দিনে ২৬৯৫পিচ ইয়্যাবা ট্যাবলেট উদ্ধার আটক-৪

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহার উপজেলার একাধিক পয়েন্ট হতে গত দু’দিনে ২হাজার ৬শ’৯৫পিচ ইয়্যাবা ট্যাবলেট সহ র‌্যাব চার মাদক ব্যাসায়ীকে আটক করেছে । সোমবার নাটোর  র‌্যাবের সদস্যরা উপজেলার  হাপানিয়া বিরামপুর এলাকা থেকে ১হাজার ৫০ ও জয়পুর হাট র‌্যাব কোচকুড়লিয়া এলকা হতে ৯শ’৮৫পিচ ইয়্যাবা ট্যাবলেট এবং ৩আগষ্ট শনিবার খোট্রাপাড়া মোড় এলাকা হতে ৬শ’৬০ পিচ ট্যাবলেট সহ ৪ মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করে।
র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে সোর্স মারফত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাটোর র‌্যাব সদস্যগন সাপাহার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ১হাজার ৫০পিচ ইয়্যাবা ট্যাবলেট সহ উপজেলার বিরামপুর কুত্তি পাড়ার মৃত আবেদ আলীর ছেলে ফকির মোহাম্মাদ (৫০)এবং হাপানিয়া বেলডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে আকবর আলী (২৫) কে আটক করে রাত সাড়ে তিনট ার দিকে সাপাহার থানায় সোপর্দ করে একটি মামলা দায়ের করেন। অপর দিকে একই দিনে দুপুর ২টার দিকে জয়পুর হাট র‌্যাব সদস্যগন উপজেলার কোচকুড়লিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯শ’৮৫পিচ ইয়্যাবা ট্যাবলেট সহ উপজেলার রায়পুর গ্রামের নঈমুদ্দীনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৫) কে আটক করে বিকেলে থানায় সোপর্দ করে মামলা দায়ের করেন। এছাড়া গত ৩আগষ্ট শনিবারে জয়পুর হাট র‌্যাব উপজেলার খোট্রাপাড়া ভিকিনা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৬শ’৬০পিচ ট্যাবলেট সহ পিছর ডাঙ্গা মলপাড়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে আবু সুফিয়ান (২৩) নামের মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করে থানায় সোপর্দ করে। এবিষয়ে সাপাহার থানায় পৃথক পৃথক তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে বলে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হাই নিউটন জানিয়েছেন। কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে সাপাহারে মাদক চোরা কারবারীদের তৎপরতায় উপজেলার স্কুল কলেজ পড়–য়া ছেলেদের নিয়ে অভিভাবকগন বেশ দু:চিন্তায় পড়েছে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন।

নওগাঁর পত্নীতলায় খাল পুনঃ খননে সুবিধা পাচ্ছে হাজারো কৃষক

নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁর পত্নীতলায় উপজেলায় পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ‘কাঁটাবাড়ি পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেড’ (এলসিএস) এলজিইডি’র মাধ্যমে খাল পুনঃ খনন করায় সুবিধা ভোগ করছেন হাজারো কৃষক ও সমিতির সদস্যরা।
পত্নীতলায়লা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, গত ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে টেকসই ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার বিভাগ হতে ‘কাঁটাবাড়ি পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেড’ এর জন্য ৫১ লাখ ৫২ হাজার ৪৯৫ টাকা বরাদ্দ করা হয়। এ প্রকল্পের পতœীতলা ইউনিয়নের শম্ভুপুর বিলের শূন্য হতে কাঁটাবাড়ির উপর দিয়ে আত্রাই নদী পর্যন্ত ২ হাজার ৮শ মিটারে ব্যয় ৩৭ লাখ ৮৪ হাজার ৭৯৯ টাকা, ১২শ মিটার বাঁধ নির্মানে ব্যয় ১১ লাখ ২৪ হাজার ৩৩৯ টাকা, তিনটি বাঁশের সাঁকো নির্মানে ব্যয় ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৬৫ টাকা এবং তিনটি রেফারেন্স লাইন বাবদ ৭৫ হাজার ৮শ’ ৯২ টাকা ব্যয় হয়েছে। কাজটি করেন উপজেলার ‘কাঁটাবাড়ি পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে একটি সংগঠন।
জানা গেছে, উপজেলার শুম্ভুপুর বিলে ইশাপুর, মথুরাপুর, শুম্ভুপুর, কাঁটাবাড়ি, হাড়পুর ও আজমতপুরসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষের প্রায় ৫শ হেক্টরের মতো জমি আছে। এছাড়া শুম্ভুপুর বিলে জমি আছে প্রায় সাড়ে ৪শ বিঘা। এক সময় এ বিলে বোরো আবাদ হতো। এরপর আমনের আবাদ করা হতো। বোরো মৌসুমের সময় যদি বৃষ্টি হয় তাহলে পানিতে পাকা ধান ডুবে যেত। এতে কৃষকদের ক্ষতি হতো। খাল খননের পর বিলের পানি সহজেই নিষ্কাশন হচ্ছে। এখন  আমন ধানের আবাদও করা হচ্ছে। এই খালের পানি দিয়ে রবিশস্যের আবাদ করা হচ্ছে। ভূগর্ভস্তরের পানি চাপ কমেছে। স্বল্প খরচে কৃষকরা এ খালের পানি দিয়ে আবাদ করছেন। এতে উপকৃত হচ্ছেন কয়েকটি গ্রামের হাজারো কৃষক। অপরদিকে এ প্রকল্প থেকে খালের দক্ষিণ পাশে কাঁটাবাড়ি অংশে ঝুঁকিপূর্ন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংস্কার করা হয়েছে। এতে করে বন্যার সময় বাঁধ ভেঙে যাওয়ার কোন আশঙ্কা থাকবে না।
 
নওগাঁর পত্নীতলায় খাল পুনঃ খননে সুবিধা পাচ্ছে হাজারো কৃষক
কাঁটাবাড়ি গ্রামের কৃষক আব্বাস আলী বলেন, কাঁটাবাড়ি খালের পানি দিয়ে তিনি ৬ বিঘা জমির বোরো আবাদ করেছেন। শ্যালো মেশিন দিয়ে আবাদ করতে গিয়ে খরচ বেশি পড়তো। কিন্তু খালের পানি দিয়ে আবাদ করে কিছুটা খরচ কম হয়েছে। আত্রাই নদীর পানি কাঁটাবাড়ি খাল দিয়ে শুম্ভুপুর বিলে যেন প্রবেশ করতে না পারে নদীর মুখে একটি স্লুইচগেটের ব্যবস্থা আছে। বেশি পানি হলে স্লইচগেট দিয়ে বের করে দেয়া হয়। এছাড়া পরিমাণ মতো পানি ক্যানেলে রেখে আমরা সারা বছর আবাদ করতে পারি।
সমিতির সদস্য হাড়পুর গ্রামের ইয়াকুব আলী, সুকুমার দাস ও কোষাধ্যক্ষ খাদেমুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় এলাকাবাসী ও আমাদের সমিতির সদস্যদের প্রায় ৫শ হেক্টরের মতো জমি আছে। এ খালের পানি দিয়ে রবি মৌসুমের আবাদ করা হয়। এছাড়া শুম্ভুপুর বিলে যে সাড়ে চার’শ বিঘা জমি আছে সেখানে শুধু বোরো আবাদ হতো। বোরো মৌসুমের সময় যদি বৃষ্টি হয়, তাহলে পানিতে ডুবে কৃষকদের ফসলের ক্ষতি হতো। অন্যান্য সময় পানিতে তলিয়ে থাকত। কিন্তু এখন বৃষ্টি হলে বিলের পানি সহজেই নিষ্কাশন হচ্ছে। এছাড়া যে বাঁশের সাকো করা হয়েছে তা দিয়ে সহজেই পারাপার হওয়া যায়। আর আগে খাল পার হতে অনেক দুর ঘুরে আসতে হতো।
কাঁটাবাড়ি পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেড এর সভাপতি মিজানুর রহমান ও সাধারন সম্পাদক আজিজুল হক বলেন, সমিতির সদস্য সংখ্যা হচ্ছে ৬০৩ জন। সমিতির সদস্য ও স্থানীয় এলাকাবাসীর সুবিধার্থে একটি খাল খননের জন্য উপজেলা এলজিইডিতে একটা আবেদন করা হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে আমাদের সমিতির নামে একটি প্রকল্প আসে। যেখানে খাল খনন, ব্রীজ ও রেফান্সে লাইন করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর পতœীতলা উপজেলা প্রকৌশলী সৈকত দাস বলেন, গত ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে টেকসই ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার বিভাগ হতে উক্ত খাল পুনঃ খননের জন্য ৫১ লাখ ৫২ হাজার ৪৯৫ টাকা বরাদ্দ করা হয়। বরাদ্দের ভিত্তিত্বে ১৮টি এলসিএস গ্রুপ কাজ করেন। ভূর্গস্থের পানির চাপ কমাতে খাল পূর্নঃ খনন করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, খাল পুনঃ খননে স্ক্যাবেটর দিয়ে ৭০ শতাংশ এবং সুবিধাভোগী শ্রমিকদের দিয়ে ৩০ শতাংশ কাজ করা হয়েছে। এ খাল থেকে সমিতির সদস্য ও স্থানীয় কৃষকরা তাদের জমিতে ফসল ফলানোর কাজে ব্যবহার করছেন। এছাড়া সমিতির সদস্যরা যদি মনে করেন ‘মাছ চাষ ও হাঁস পালন’ করতে পারেন। এতে করে সমিতির সদস্যের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন হবে। তবে একটি পক্ষ আমাদের কাছে সুবিধা না পেয়ে কাজের বিষয় নিয়ে গুজব রটিয়েছে।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget