Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

নওগাঁর কণ্ঠস্বর খ্যাত বরেন্দ্র রেডিও দুইমাস থেকে অচল

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর ‘কণ্ঠস্বর’ বলে খ্যাত ‘বরেন্দ্র রেডিও ৯৯.২ এফএম।’  আট বছর থেকে সফলতার সাথে রেডিও’র কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। কিন্তু সম্প্রতি এক বজ্রপাত রেডিও’তে পড়ায় একটি যন্ত্রের (ট্রান্সমিটার) ক্রুটি সাধিত হয়েছে। ফলে দুইমাসের অধিক সময় থেকে বন্ধ হয়ে আছে রেডিও’র কার্যক্রম। এতে কর্মহীন পড়ে পড়েছে রেডিও’র সাথে সম্পৃক্ত ৩৪ জন স্বেচ্ছাসেবী। রেডিও টি বন্ধ থাকার পেছনে কর্তৃপক্ষের উদাসিনতাকেই দায়ী করছেন সচেতন মহল। জানাগেছে, বাংলাদেশে ১৮টি কমিউনিটি রেডিও’র মধ্যে একটি নওগাঁর ‘বরেন্দ্র রেডিও ৯৯.২ এফএম।’ জেলার মানবাধিকার সংস্থা ‘নওগাঁ মাববাধিকার উন্নয়ন সমিতি’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয় এর অধীনে রেডিওটি অনুমোদন পায়। ফলে গত ২০১২ সালের ৮ মার্চ নওগাঁ শহরের উকিল পাড়া উত্তরা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি ভবনের পঞ্চম তলায় রেডিও’র আনুষ্ঠানিক সম্প্রচার শুরু হয়। বর্তমানে প্রতিদিন বিকেল ৩ টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত ৬টি ও সপ্তাহে ৪২ টি অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়ে থাকে। জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার ব্যতিত ৮টি উপজেলা এবং বগুড়া জেলার আদমদীঘি, রাজশাহীর বাঘমারা এবং জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা সহ মোট ১১টি উপজেলায় এ রেডিও শুনা যায়।

নওগাঁর কণ্ঠস্বর খ্যাত বরেন্দ্র রেডিও দুইমাস থেকে অচল
 প্রায় ৩৬ কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ১২ লক্ষ মানুষ এ রেডিও শুনতে পায়। রেডিওতে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষামুলক, জনসচেতনতা মুলক (পানি, স্যানিটেশন, বৃক্ষরোপন), আদিবাসী (সাঁওতাল, পাহান), দারিদ্র্য বিমোচন, বিনোদনমুলক, নারী উন্নয়ন, মাদক, শিক্ষা ও ধর্মীয় এবং সর্বোপরি সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচীকে সফলভাবে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সম্প্রচার করে আসছে। নওগাঁ কৃষি নির্ভর জেলা। সে লক্ষে কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, চাষাবাদে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার, সার বিষ/বীজের প্রয়োগ ও জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দূর্যোগ অনুষ্ঠান, স্থানীয় সংবাদ প্রচার করা হয়। এতে করে জেলাবাসীর কাছে রেডিওটি হয়ে উঠেছে সাংস্কৃতিক বিকাশের অন্যতম মাধ্যম। এছাড়া রেডিওতে ২টি চাইল্ড ক্লাব এবং ২১টি শ্রোতা ক্লাব আছে। রেডিও’র সাথে সম্পৃক্ত ৩৪ জনের (১৫ জন নারী ও ১৯জন পুরুষ) মধ্যে আটজনকে সামান্য সম্মানি ভাতা প্রদান করা হয়ে থাকে। বাকীরা স্বেচ্ছায় শ্রম দিয়ে রেডিওটিকে সুন্দর ভাবে পরিচালনা করে আসছে। স্থানীয় কিছু প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচার, দেশি ও বিদেশী দাতা সংস্থা এবং সরকারি কিছু প্রকল্পের মাধ্যমে বিষয় ভিত্তিক অনুষ্ঠান প্রোমো, নির্মাণ ও সম্প্রচারের মাধ্যমে আয় আসে। যা পর্যাপ্ত নয় বলে জানা গেছে। এতো সমস্যার মধ্যেও- কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ চারবার ইউনিসেফ মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডস, গাল পাওয়ার অ্যাওয়ার্ডস, সেমকা কমিউনিটি রেডিও অ্যাওয়ার্ডস, তামাক নিয়ন্ত্রন বিষয়ক কমিউনিটি রেডিও অনুষ্ঠান নির্মাণ বেষ্ট প্রডিউসার অ্যাওয়ার্ডস সহ স্থানীয় এবং জাতীয় বিভিন্ন পুরুস্কার অর্জন করেছে রেডিওটি। সর্বশেষ ইউনিসেফ মিনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডস ২০১৮ সালে সারা বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিতীয় পুরুস্কার পায় রেডিওটি। গত ১৪/০৪/১৯ ইং তারিখে রেডিওতে বজ্রপাতে সম্প্রচারের মুলযন্ত্র ট্রান্সমিটার পুড়ে যায়। ফলে গত দুইমাসের অধিক সময় থেকে রেডিও সম্প্রচার বন্ধ হয়ে আছে। কর্তৃপক্ষ ইচ্ছে করলেই রেডিও’র সমস্যা সমাধান করতে পারেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষের এমন উদাসিনতাই দীর্ঘদিন থেকে পড়ে আছে বলে মনে করছেন রেডিওর শ্রোতারা। শহরের চকমুক্তার মহল্লার স্কুল পড়–য়া শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরিন জানায়, পড়াশুনার পাশাপাশি অবসর সময়ে রেডিওতে ‘দুরন্ত কথা, নারীর অধিকার ও সচেতনতা মূলক’ অনুষ্ঠান শুনতে খুব ভালো লাগে। কিন্তু প্রায় দুই মাস হলো রেডিও বন্ধ হয়ে আছে। এতে করে খুব খারাপ লাগছে। জানিনা কবে চালু হবে। নওগাঁ সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী রুমানা অরিন বলেন, নওগাঁর একমাত্র স্থানীয় গণমাধ্যম বরেন্দ্র রেডিও। সেই ২০১২ সাল থেকে নিয়মিত শুনছি। মূলত নওগাঁর আঞ্চলিক ভাষা ‘কিংকর্তব্য বিমুঢ়’, বিনোদনমূলক ‘মন যা চায়’, মাদক বিরোধী ‘ফিরে এসো’, শিক্ষামুলক ‘আলোর ভুবন’ ও স্থানীয় সংবাদ শুনতাম।

নওগাঁর কণ্ঠস্বর খ্যাত বরেন্দ্র রেডিও দুইমাস থেকে অচল
 কিন্তু হঠাৎ করে রেডিও’র সম্প্রচার বন্ধ, এখনও চালু হয় নাই। একটা মিডিয়া এতোদিন বন্ধ থাকে, যা সত্যিই দুঃখজনক। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান কামনা করছি। শহরের কালীতলার বাসীন্দা ব্যবসায়ী আজিবুর রহমান বলেন, কাজ শেষে বাসায় ফিরে সন্তানদের নিয়ে রেডিও শুনি। বিশেষ করে নওগাঁর স্থানীয় সংবাদ, কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠান, সরাসরি অনুরোধের গানের অনুষ্ঠান এবং শিশু বিষয়ক অনুষ্ঠান যা সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে। গত দুই মাস থেকে রেডিও শুনা যাচ্ছেনা। কর্তৃপক্ষ যদি নিজেদের খেয়ালখুশি মত পরিচালনা করে, তবে রেডিও শুনার দরকার নাই। রেডিও’র সহকারী অনুষ্ঠান প্রযোজন শারমিন সুলতানা শশি বলেন, গত তিন বছর থেকে এ রেডিও’র সাথে সম্পৃক্ত। তিনি নিজেও সপ্তাহে দুইদিন ‘এক কাপ চা’ নামে একটি অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। গত তিন বছরে তিন বার স্টেশনের সমস্যা হয়েছে। একবার সমস্যা হলে কমপক্ষে ২-৩ মাস রেডিও সম্প্রচার বন্ধ থাকে। এতে করে অনেক শ্রোতা ক্ষুদ্ধ হন। আবার অনেকে ফোন দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে রেডিও এভাবে বন্ধ থাকাটা খারাপ লাগে। রেডিও স্টেশন ম্যানেজার সুব্রত সরকার বলেন, রেডিও’র যে যন্ত্রটি নষ্ট হয়েছে তা বাংলাদেশে পাওয়া যায়না। এটি ফ্রান্স থেকে নিয়ে আসতে হয়। এরদাম প্রায় দেড় লাখ টাকা। এছাড়া আনুষঙ্গিক খরচও আছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩-৪ লাখ টাকা খরচ হবে যন্ত্রটি নিয়ে আসা হয় সের্টিং করতে। মোটকথা- ‘আর্থিক অনটনের কারণে যন্ত্রটি কেনা সম্ভব হচ্ছেনা। ফলে রেডিও সম্প্রচার বন্ধ আছে। ’বরেন্দ্র রেডিও’র চেয়ারম্যান সোহেল আহমেদ বলেন, সাময়িক সমস্যার জন্য আমরা দুংখিত। রেডিওর ট্রান্সমিটারের সমস্যা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি। কিছুদিনের মধ্যে হয়ত সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

নওগাঁর বদলগাছী থানা বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সমন্বয় কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর বদলগাছী থানা বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সমন্বয় কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক মাষ্টার হাফিজুর রহমান হাফিজ। শুক্রবার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে থানা বিএনপির সভাপতি ফজলে হুদা বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে জেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব নাছির উদ্দীন আহমেদ ও যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড: এ, জেড এম রফিকুল আলম, বদলগাছী থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আব্দুল হাদী চৌধূরী টিপু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য, সাবেক সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব নাজমুল হক সনি, সদস্য ও সাবেক সাধারন সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু, সদস্য আমিনুর রহমান বিন্টু, মোফাখখারুল ইসলাম তারা, জহুরুল ইসলাম স্বপন, মোস্তাফিজুর রহমান, নাজিবুল্লাহ চৌধূরী, রবিউল আলম বুলেট, জেলা যুবদলের সভাপতি বায়েজিদ হোসেন পলাশ, সাধারন সম্পাদক খায়রুল আলম গোল্ডেন, যুগ্ম সম্পাদক জেড এইচ খান মানিক, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রুবেল হোসেন , সাধারন সম্পাদক মামুন বিন দোহাসহ জেলা ও থানা বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধান অতিথি বদলগাছী থানা বিএনপির কমিটি ভেঙ্গে দেন এবং থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির নামের প্রস্তাব লিখিত ভাবে নেন। যাচাই বাছাই অন্তে আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করবেন বলে জেলা বিএনপির দলীয় সুত্রে জানা গেছে।#

নওগাঁর আত্রাইয়ে ফেনসিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে ৭০ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার সাহেবগঞ্জ ব্রিজ সংলগ্ন থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দানিয়াগাছি গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে সেলিম (৩২) ও একই উপজেলার আজমতপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে ইনতাজ হোসেন (২৩)। এ ব্যাপারে আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোবারক হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শনিবার দুপুর ২টার দিকে সেলিম ও ইনতাজ হোসেন নামে দুই মাদক ব্যবসায়ী মটরসাইকেল যোগে ফেনসিডিলের একটি চালান নিয়ে আত্রাইয়ের দিকে আসছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই সুতসোম সরকার ও এএসআই ছাইফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ উপজেলার সাহেবগঞ্জ ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সেলিম ও ইনতাজ হোসেনকে আটক করে। এ সময় তাদের কাছে থাকা হিরোগ্লামা মটরসাইকেলের টাংকির ভেতর থেকে ৭০ বোতল ফেনসিডিলসহ তাদের আটক করে।
তিনি আরো জানান তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়োন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। তাকে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরনের প্রক্রিয়া চলছে। #

নওগাঁয় বাল্য বিয়ে দেওয়ার অপরাধে বরের মা ও নানার কারাদন্ড

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ বাল্য বিয়ে দেওয়ার অপরাধে নওগাঁর সাপাহারে ভ্রাম্যমান আদালতে বরের মা ও নানার ৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারান্ডাদেশ প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কল্যাণ চৌধুরী তার কার্যালয়ে আদালতে এই রায় প্রদান করেন ।
কারাদন্ড প্রাপ্তরা হলেন, পাতাড়ী ইউনিয়নের বড়বৈকন্ঠপুর গ্রামের বর রবিউল ইসলামের মা সামিনা বেগম(৪০) ও ছেলের নানা একই উপজেলার আইহাই ইউনিয়েনের ইউপি সদস্য ও মির্জাপুর গ্রামে বাসিন্দা ওসমান গনি(৬৬)।
জানা গেছে, উপজেলার পাতাড়ী ইউনিয়নের কলমুডাঙ্গা গ্রামের আকতারুল ইসলামের ৮ম শ্রেণীতে পড়ুয়া মেয়ে খালেদা খাতুনের(১৫)সাথে বড়বৈকন্ঠপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে রবিউল ইসলামের(১৯) রেজিষ্ট্রি ছাড়াই গ্রাম্য মৌলভীর সহযোগিতায় বুধবার রাতে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ে উপলক্ষে পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুরে ছেলের বাড়ী বড়বৈকন্ঠপুর গ্রামে খাওয়ার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিয়ে অনুষ্ঠানে গ্রাম্য মুরুব্বীসহ আতœীয়-স্বজন এবং মেয়ে পক্ষের লোকজনেরাও এসেছিলেন। এ সময় বাল্য বিয়ের সংবাদ সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্থানীয়রা জানান । বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত তিনি থানা পুলিশ পঠিয়ে দেন ।
সাপাহার থানার ওসি শামছুল আলম জানান, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মেয়ে পক্ষের লোকজন,  আত্বীয়-স্বজন ও দাওয়াতি মেহমান দ্রুত পালিয়ে যান। তবে এ সময় বিয়ে বাড়ী থেকে ছেলের মা সামিনা বেগম ও ছেলের নানা ওসমান গনিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করা হয়। এ সময় আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছেলে ও মেয়ের জম্মসনদ পর্যলোচনা করে অপ্রাপ্ত বয়সে বিয়ে দেয়ার অপরাধে ছেলের মা মিনা বেগম ও নানা ওসমান গনি ৬(ছয়) মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ডাদেশ প্রদান করেন।
ওসি আরো জানান, রায় শেষে পুলিশ বিকেলে কারাদন্ডপ্রাপ্তদের নওগাঁ জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

রেললাইনের দাবীতে নওগাঁয় মানব বন্ধন

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ সান্তাহার থেকে নওগাঁ ও নজিপুর হয়ে রহনপুর পর্যন্ত রেলপথ এবং ঢাকা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত সমান্তরাল ভাবে ডবল রেললাইনের দাবীতে নওগাঁয় মানব বন্ধন কর্মসুচী পালন করেছে সামাজিক সংগঠন একুশে পরিষদ। শনিবার সকালে শহরের মুক্তির মোড় নওজোয়ান মাঠের সামনের সড়কে ঘন্টাকাল ব্যাপী এ মানব বন্ধন কর্মসুচী পালিত হয়। মানব বন্ধন চলাকালে একুেেশ পরিষদের সভাপতি এ্যাড: ডি, এম আব্দুল বারীর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে সংগঠনের উপদেষ্টা অব: অধ্যক্ষ প্রফেসর শরীফুল ইসলাম খান, অব: অধ্যাপক তৌহিদুল ইসলাম ও মোতাহারুল ইসলাম, সংগঠনের সাধারন সম্পাদক এম, এম রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক বিষনু কুমার দেবনাথ, সদস্য সুবল চন্দ্র প্রামানিক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, ব্রিটিশ আমলে ১৯১০ সালে ইষ্টার্ন বেঙ্গল ষ্টেট রেলওয়ে একটি জরিপ পরিচালনা করেন। সেই জরিপ দলের নেতা মি: ডেলগ্রিন সান্তাহার জংশন থেকে নওগাঁর উপর দিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর পর্যন্ত ৯৯ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের সুপারিশ করেন। সুপারিশের ভিত্তিতে তখন একটি প্রকল্প নেয়া হয়। ১৯৪৭ সালের পর থেকে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্থান সরকার রেলওয়ে বোর্ড ১৯৬৩ সালে এই প্রকল্প বাস্তাবায়নে পুনরায় কাজ শুরু করে। রেলওয়ে বোর্ড আরেকটি জরিপ চালায় জরিপ দলের প্রধান আশরাফ আলী। মি: ডেলগ্রিনের প্রতিবেদনের পক্ষে মত দেন। তিনি ১৯৪ পৃষ্টার প্রতিবেদনে প্রকল্পের একটি নকশা ১৯৬৪ সালে পূর্ব পাকিস্থানের গভর্নরের কাছে হস্তান্তর করেন। আশরাফ আলী জরিপ কমিটির প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুযায়ী সান্তাহার রেলওয়ে জংশন থেকে নওগাঁসহ, মহাদেবপুর উপজেলার মহিষবাথান বাজার, পতœীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভা, পোরশা উপজেলার সরাইগাছী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর পর্যন্ত ৯৯ কিলোমিটার রেলপথ হওয়ার কথা ছিল। পরবর্তীকালে প্রকল্পটি হাতে নিয়েও বন্ধ করে দেয় তৎকালীন পাকিস্থান সরকার। উত্তরঞ্চলের জেলাগুলোর মধ্যে নওগাঁ একটি অনগ্রসর জেলা। যোগাযোগের ক্ষেত্রে সড়ক পথ ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই। এই জেলায় রেলপথের গুরুত্ব অপরিসীম। এই এলাকায় একটি রেলপথ হলে সেটি যাত্রীর পাশাপাশি এই এলাকার উৎপাদিত কৃষিপন্য পরিবহনে প্রধান ভ’মিকা রাখতে পারবে। এছাড়াও ঢাকা হতে পঞ্চগড় পর্যন্ত সমান্তরাল ভাবে আরও একটি রেললাইনের দাবী জানান বক্তারা।#

সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে সেন্ট্রাল আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ

প্রকাশিত: ২৯ জুন ২০১৯ 

মিশন এলাকা সফরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ফসটিন আরচেঞ্জ টোয়াডেরার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
বৃহস্পতিবার এ সাক্ষাতের সময় সেনাপ্রধান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন আফরিকান রিপাবলিকের রাষ্ট্রপতিকে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) থেকে সহকারী পরিচালক রাশেদুল আলম খান বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সাক্ষাতের সময় রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ফসটিন আরচেঞ্জ টোয়াডেরা জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক কমিউনিটির আহ্বানে সে দেশে শান্তিরক্ষী পাঠনোর জন্য বাংলাদেশের নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। তিনি সে দেশের অবকাঠামোগত, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ও শিক্ষা খাতে উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের সহায়তা কামনা করেন।


রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্ব,মানবিক গুনাবলী ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান সে দেশে আরো মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিট পাঠানোর আশ্বাস দেন। এছাড়া, সেনাপ্রধান সে দেশের জনগণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের নিয়মিত ও দীর্ঘ মেয়াদি সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।

সাক্ষাতে তারা দু’জনেই সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশি কন্টিনজেন্টসগুলোর পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে পারদর্শিতা সম্পর্কে অত্যন্ত উঁচু মনোভাব প্রকাশ করেন।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget