Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

নওগাঁয় ‘গাঁয়ের বধূ’কে সিলগালা

 রিফাত হোসাইন সবুজ, নওগাঁ : নওগাঁয় ‘গাঁয়ের বধূ’ নামে অনুমোদনহীন একটি কারখানা সিলগালা করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সঙ্গে কারখানার মালিক মোফাচ্ছেরা সিরাজকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৬টার দিকে শহরের হাট-নওগাঁ মহল্লায় দুবলহাটী রোডে অভিযান চালিয়ে এ সিলগালা ও জরিমানা করা হয়।

জানা গেছে, শহরের হাট-নওগাঁ মহল্লায় মুরাদ হোসেন নামে এক ব্যক্তির বাসার নিচতলা ভাড়া নিয়ে গত ৭ বছর থেকে ব্যবসা করে আসছেন মোফাচ্ছেরা সিরাজ। তবে তিনি কী মালামাল সরবরাহ করেন তা জানেন না বাসার মালিক। সম্প্রতি কারখানার মালিক মোফাচ্ছেরা সিরাজ তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম দেন ‘গাঁয়ের বধূ’। এরপর খোলা বাজার থেকে চাল কিনে আর্কষণীয় মোড়কে ‘চিনিগুড়া চাল’ নামে সরবরাহ শুরু করেন। এ ছাড়া বাজার থেকে চিপস ও পাপড় কিনে তা প্যাকেটজাত করে ’দিনাজপুর জেলা’ নামে স্টিকার লাগিয়ে বাজারজাত করেন। একই নামে মোড়কে সরিষার তেলও সরবরাহ করেন তিনি।

কারখানাটিতে মোমবাতি উৎপাদন করা হলেও বিস্ফোরক বা আগুন নিয়ন্ত্রণের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। অনুমোদনহীন এ কারখানায় অস্বাস্থ্যকর ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে দীর্ঘদিন থেকে গোপনে এভাবে কার্যক্রম চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিউদ্দিন ও মো. নাহারুল ইসলাম। অভিযানে সময় কারখানার মালিক মোফাচ্ছেরা সিরাজ কোনো কাগজপত্র দেখাতে না পারায় তাকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং কারখানা সিলগালা করে দেয়া হয়।

যশোরের বেনাপোলে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: বেনাপোলে একাধিক পরকীয়া প্রেমের নায়িকা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য বিদেশ থেকে আসা স্বামী জামাল হোসেনকে (৩৬) দেশে আসার মাত্র ১০ ঘন্টা পর প্রেমিকদের সহযোগিতায় কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেছে নিহতর পরিবার। বুধবার নিজ বাড়ির বেড রুমে স্ত্রী আয়েশা তার স্বামীকে কতিথ প্রেমিক ও নিজ বাবা মায়ের সহযোগিতায় হত্যা করে। এঘটনায় তাৎক্ষনিক পুলিশ আয়েশার মা-বাবা সহ তিনজনকে আটক করেছে।
 
নিহত জামাল হোসেন বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে।আটককৃতরা হলো- নিহত জামালের স্ত্রী আয়েশা খাতুন, শশুর রিয়াজুল ইসলাম টুক,ও শাশুড়ী ফুলবুড়ি।
 
নিহতর বাবা হবিবার রহমান অভিযোগ করে বলেন, তার ছেলে প্রায় ১৫ বছর যাবৎ মালায়েশীয়া থাকে।একই গ্রামের রিয়াজুলের মেয়ে আয়েশার সাথে তার প্রায় ১৫ বছর বিবাহ হয়। আর বিগত এই ১৫ বছরে তার ছেলে মালায়েশীয়া থেকে মাত্র ৩ বার বাড়ি এসেছে। তার বাড়ি না থাকার কারনে স্ত্রী আয়েশা এলাকার বিভিন্ন ছেলের সাথে প্রেম করত। প্রায় কারো না কারো সাথে সে মোটর সাইকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে দুই তিন দিন পর বাড়ি ফিরত। তার ছেলের আলাদা করে বাড়ি যে বিল্ডিং তৈরী করেছে সেই বিল্ডিংয়ে আয়েশা ও তার মা বাবা বসবাস করত। ছেলে গতকাল মঙ্গলবার বাড়ি বেলা ২ টার সময় মালায়েশীয়া থেকে আসে। আর রাত ১২ টার সময় তার বুকে পেটে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। তবে কার সাথে প্রেম করত তার ছেলের স্ত্রী এ প্রশ্নে তিনি এলাকার লোকের বাধার মুখে নাম বলতে অস্বীকার করে।
 
স্থানীয়রা জানায়, স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে আয়েশা একাধিক প্রেম সম্পর্ক গড়ে তোলে এলাকায়। কেউ তাকে ফোন করে ডাকলে সে মোটরসাইকেল ভাড়া ঘরে দুই তিনদিন একাধারে হারিয়ে যেত। এর আগে যখন তার স্বামী বিদেশ থেকে বাড়ি আসে তখন তাকে বিদ্যুতের তার জড়িয়ে হত্যা করার চেষ্টা করে বলে এলকার জনসাধারন অভিযোগ করেন।এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি ৯ (তদন্ত) আলমগীর হোসেন বলেন, হত্যার তদন্তের জন্য তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের সাথে আলাপ চলছে কেবা কাহারা এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তদন্ত না করে কিছু বলা যাবে না।


বেনাপোল চেকপোস্টে মাদক-বিস্ফোরক উদ্ধারের কাজে বিজিবির প্রশিক্ষন প্রাপ্ত কুকুর

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে পাসপোর্টযাত্রীদের মাধ্যমে মাদক ও বিস্ফোরক দ্রব্য যাতে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ না করে তার জন্য বিজিবি আরও এক ধাপ এগিয়ে, সন্দেহজনক ল্যাগেজ তল্লাশির জন্য প্রশিক্ষন প্রাপ্ত কুকুর এনেছে। এসব কুকুর নাকে শুকে মাদক ও বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করতে সক্ষম।

মঙ্গলবার (১৪ মে) সকালে বেনাপোল চেকপোষ্টের আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে ভারত থেকে ফেরত আসা সন্দেহজনক পাসপোর্টযাত্রীদের ল্যাগেজ তল্লাশি করানো হয় প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে।

স্থানীয় জনসাধারনসহ পাসপোর্টযাত্রীরা বিজিবির এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানায়। ভারত থেকে ফেরত আসা পাসপোর্ট যাত্রী ঢাকার ফ্যাশান গার্মেন্টসের মালিক আবুল হোসেন বলেন , বিজিবির কুকুর দিয়ে ল্যাগেজ চেক করা নিঃসন্দেহে একটি ভাল কাজ। বিজিবি হাত দিয়ে যত সময় একটি ল্যাগেজ তল্লাশি করবে তার চেয়ে কম সময়ে কুকুর ওইসব ব্যাগ তল্লাশি করতে সক্ষম।

২১ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সেলিম রেজা বলেন, সন্দেহজনক ব্যাগ কুকুরের কাছে দিলে তাতে কোন মাদক বিস্ফোরক দ্রব্য আছে কিনা তা সাথে সাথে তল্লাশি করে বের করতে সক্ষম। আর যদি ওই সব ল্যাগেজে এ জাতীয় কোন দ্রব্য না থাকে তাহলে ওই ব্যাগ কুকুর তল্লাশি করবে না। আমরা মাদক নির্মুলের জন্য সীমান্তে বিজিবির টহলের সাথে কুকুর দিয়ে মাদক উদ্ধার করার জন্য প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে কাজ করাচ্ছি।

শার্শা উপজেলায় তরমুজের আকাশচুম্বি মুল্যতে চাপা ক্ষোপ ক্রেতাদের

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: সুস্বাদু রসালো ফল তরমুজ। তরমুজ খেতে কার না ভালো লাগে। মৌসুমী ফলের মধ্যে খুবই জনপ্রিয় ফল এই তরমুজ। দুঃসহ গরমে স্বস্তি এনে দেয় তরমুজ। তরমুজ তৃষ্ণা মেটাতে এর জুড়ি নেই। শরীরে এনে দেয় আলাদা প্রশান্তি। শরীরের পানির চাহিদাও মিটিয়ে থাকে তরমুজ। এছাড়াও তরমুজের রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। এসব কারণে এই অসহনীয় গরমে তরমুজের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা।
পাশাপাশি মৌসুমী ফল হিসেবে আত্মীয় বাড়িতে তরমুজ পাঠানোরও রেওয়াজ রয়েছে । তাই এই সময়ে তরমুজের চাহিদা প্রচুর। এই ব্যাপক চাহিদাকে পূঁজি করে বর্তমান সময়ে তরমুজের দাম কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন মুনাফা লোভী ব্যবসায়ীরা। ছোট্র একটি তরমুজের দাম ৩শ টাকা থেকে বড় সাইজের একটি তরমুজ এখন ৬০০ টাকা পর্যন্ত!
কিছু দিন আগেও বড় সাইজের একটি তরমুজ বিক্রি হতো যেখানে ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়, সেখানে এখন ওই সাইজের একটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়! মাঝারি সাইজের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়। ছোট সাইজের তরমুজও ২শ ৫০ বা ৩শ থেকে ৪০০ টাকার নিচে মিলছে না।
তরমুজের এই আকাশ ছোঁয়া দামের জন্য চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকার অজুহাত দিচ্ছেন মুনাফা লোভী ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, বড় সাইজের একটি তরমুজ কিনে আনতে হচ্ছে ৪৫০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকায়। এ কারণে তারা বড় সাইজের তরমুজ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি করছেন। এর নিচে বিক্রি করলে তাদের লাভ তেমন হচ্ছে না। তাই তাদেরকে তরমুজের দাম একটু বাড়তিই রাখতে হচ্ছে।
যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণ বাজারের ফল ব্যবসায়ী জামাল হোসেন বলেন, এই গরমে তরমুজের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। কিন্তু সেই তুলনায় সরবরাহ নেই। তাছাড়া এখন রমজান মাস। সব মিলিয়ে তরমুজের আঁকাশ ছোঁয়া মূল্য। গত এক সপ্তাহে কোনো তরমুজের তেমন কোনো সরবরাহ ছিল না। পুরো এক সপ্তাহ পর আবার তরমুজ এনেছি। এবারের তরমুজগুলো সাইজে ছোট বড় মিলেই এনেছি।
ছোট সাইজের প্রতিটি তরমুজ বিক্রি করছি আমরা ৩শ থেকে ৪০০ টাকা করে। গত সপ্তাহে বড় সাইজের তরমুজ বিক্রি করেছি ৫০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকায়। তরমুজের সরবরাহ কম থাকায় আমরা বাড়তি দামে কিনে এনেছি। এ কারণে বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে আমাদের। এদিকে তরমুজের এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধির কারণে ক্রেতাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। তরমুজ ব্যবসায়ীরা এমন অনৈতিক সুযোগ নেয়ায় ভীষণ ক্ষুব্ধ তারা।
এ প্রসঙ্গে তরমুজ কিনতে আসা সালেহা খাতুন বলেন, হঠাৎ করে অসহ্য গরম পড়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে এখানে চাহিদা মতো বৃষ্টি হচ্ছে না। এরমধ্যে চলছে তাপদাহ। এ কারণে গরমে হাঁসফাঁস করছে মানুষজন। এই সুযোগে তরমুজের দাম কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন এখানকার মুনাফা লোভী ব্যবসায়ীরা।
একটি বড় সাইজের তরমুজ কিনতে গিয়ে দাম শুনে আমি হতভম্ব হয়ে গেছি। কিছু দিন আগেও যে তরমুজের দাম ছিল দেড়শ’ থেকে আড়াইশ’ টাকা, সেই তরমুজ এখন বিক্রি করা হচ্ছে ৫শ থেকে সর্বচ্চো ৫০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকায়! এটা খুবই অন্যায়। কোনোভাবেই এটা কাম্য নয়। এভাবে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে মতো দাম বাড়াতে পারেন না। বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নজর দেয়া উচিত।
একই প্রসঙ্গে ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন আগেও মাঝারি সাইজের একটি তরমুজ কিনেছিলাম ১২০ টাকায়। এখন ওই সাইজের তরমুজ ৫০০ টাকার নিচে মিলছে না। এভাবে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে তরমুজের দাম এত বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষ কিনবে কিভাবে? এ ব্যাপারে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। তীব্র দাবদাহের এই মৌসুমে তরমুজ খুবই উপকারী একটি ফল। বহু গুণে গুণান্তি তরমুজের কিছু উপকারিতা নি¤েœ দেওয়া হলো-
তরমুজের উপকারিতা : গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার। এই ফলে শতকরা প্রায় ৯২ ভাগ পানি আছে। তাই তরমুজ খেলে সহজেই পানির তৃষ্ণা মেটে। তরমুজের বিশেষ কয়েক ধরনের অ্যামাইনো এসিড, নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে রক্তের স্বাভাবিক কার্যপ্রণালী বজায় রাখে।
উচ্চ রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে: উচ্চ রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে। তরমুজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ আছে। এতে বিটা ক্যারোটিনের পরিমাণও অনেক। বিটা ক্যারোটিন চোখ ভালো রাখে। প্রতিদিন দুই কাপ পরিমাণ তরমুজ খেলে শরীরে ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি-র চাহিদা মেটে। তরমুজে আরও আছে পটাশিয়াম, যা উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকিও কমায়। পটাশিয়াম শরীরে ফ্লুইড ও মিনারেলসের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ২ কাপ তরমুজে ৩৫০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম পাওয়া যায়। পরিমাণে কম হলেও তরমুজে সোডিয়াম রয়েছে।
ত্বক ভালো রাখে: প্রতিদিন ২ কাপের মতো তরমুজ খেলে শরীরে ভিটামিন এ-র চাহিদা পূরণ হয়। তরমুজ খেলে ত্বক উজ্জ্বল ও সুস্থ থাকে। কারণ ভিটামিন এ ত্বককে ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে। তরমুজের ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি শরীরে এনার্জি তৈরিতে সাহায্য করে। এর ভিটামিন সি কোলাজেন গঠনে সাহায্য করে। এছাড়াও তরমুজে আছে থায়ামিন ও ম্যাগনেসিয়াম। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ তরমুজ শরীর সতেজ রাখে। এতে ফ্রি র‌্যাডিকেলস প্রশমিত হয়। ফ্রি র‌্যাডিকেল রক্তনালীতে কোলেস্টেরলের স্তর তৈরি করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাঁড়ায়।
এর থেকে অ্যাজমাও বৃদ্ধি পেতে পারে। হাড়ের জোড়ায় ব্যথা বাড়ে। সবুজ খোসাসহ তরমুজ ক্যানসার রোগীদের জন্য খুবই আদর্শ। অ্যাজমা, ডায়াবেটিসের মতো রোগে ব্যথা উমশমে তরমুজ সাহায্য করে। তরমুজের বিঁচি অন্ত্রের জন্য উপকারী। শুধু মাত্র তরমুজের উর্দ্ধমুখি দামের কারনে এমন হরেক রকম উপকারী বন্ধু ফল তরমুজের স্বাদ এবং উপকার থেকে পিছিয়ে পড়ছে নি¤œ আয়ের মানুষ সহ দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ।

নওগাঁর আদিবাসী পল্লী পরিদর্শন করেছেন সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত

আবু রায়হান রাসেল, নওগাঁ : নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার মগলেসপুর আদিবাসী পল্লী পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত এইচ ই রেনে হোলেনস্টাইন। বুধবার সকালে তিনি ওই গ্রামে গিয়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের জীবনযাত্রার মান ও তাঁদের সংস্কৃতি প্রত্যক্ষ করেন।
 
এ সময় সুইচ রাষ্ট্রদূতের সহধর্মিনী কর্নেলিয়া গাটসি হলেনস্টাইন, সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক দাতা সংস্থা হেকস-ইপারের বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর অনীক আসাদ, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পল্লী সহযোগী বিষয়ক সংস্থার (আরকো) নির্বাহী পরিচালক সজল কুমার চৌধুরী, বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার সাবিনা লুবনা, নওগাঁ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার শোয়াইব আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
 
আদিবাসী পল্লী পরিদর্শনের সময় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন সুইচ রাষ্ট্রদূত। গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে রাষ্ট্রদূত তাঁদের জীবনযাত্রার মান, সংস্কৃতি ও বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে জানেন।
 
এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার চেরাগপুর উঁরাওপাড়া আদিবাসী পল্লী পরিদর্শন করেন সুইচ রাষ্ট্রদূত।
উল্লেখ, দাতা সংস্থা হেকস-ইপারের আর্থিক সহযোগিতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আরকো ২০০৯ সাল থেকে নওগাঁ জেলার সদর উপজেলা, মহাদেবপুর ও পতœীতলা উপজেলা, জয়পুরহাট সদর উপজেলা এবং বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও দলিত সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে।

নওগাঁয় মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, নারী ও শিশু নির্যাতন, নারী ধর্ষণ এবং মানব পাচার বিরোধী আলোচনা সভা

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় কমিউনিটি পুলিশের উদ্যোগে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, নারী ও শিশু নির্যাতন, নারী ধর্ষণ এবং মানব পাচার বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন পিপিএম। নওগাঁ পৌর ও সদর থানা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের আয়োজনে বুধবার সকালে কেডি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) লিমন রায়, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি ও সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর শরীফুল ইসলাম খান, সদর উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি ইলিয়াস তুহিন রেজা, কেডি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসরীন বানু, পৌরসভা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি রেজাউল করিম, রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি এর কার্যালয়ের এস আই আয়নাল হক, পৌরসভা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সাধারন সম্পাদক মাসরেফুর রায়হান মাহিন, শিক্ষার্থী হাসিব বিন আব্দুল হাই ও নূর আয়েশা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। বক্তরা মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, নারী ও শিশু নির্যাতন, নারী ধর্ষণ এবং মানব পাচারসহ বিভিন্ন্ অপরাধ কি ভাবে নিরসন করা য়াবে তার উপর বিস্তারিত আলোচনা করে।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget