Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

নওগাঁর রাণীনগরে ধানের সঙ্গে শত্রুতা ॥ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা
আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ: নওগাঁর রাণীনগরে পূর্বশত্রুতার জেরে মৎসজীবীদের রোপনকৃত কয়েক বিঘা জমির ধান নষ্ট করেছে কতিপয় দুর্বৃত্তরা। উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের বিল মুনছুরে এ ঘটনাটি ঘটেছে। এঘটনায় রাণীনগর থানা ও উপজেলা ভ’মি অফিস বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা, উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের বিল মুনছুরের খাস জমি সরকারী চেকের মাধ্যমে হরিশপুর গ্রামের মৎসজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ধান রোপনের পর নিয়মিত জমির পরিচর্যা করে আসছেন ভোগদখলকারীরা। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মিরাট উত্তরপাড়ার লোকজন বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকালে রোপনকৃত কয়েক বিঘা জমির ধান পা দিয়ে মাড়িয়ে ও উপড়ে ফেলে নষ্ট করেছে। এতে করে ওই কৃষকরা আর্থিক ভাবে লোকসানের মুখে পড়েছে।

মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি মাহফুজুল হকসহ স্থানীয়রা বলেন, উপজেলা মিরাট ইউনিয়নের বিল মুনছুরের খাস জমি সরকারী চেকের মাধ্যমে হরিশপুর গ্রামের মৎসজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে চাষ আবাদ করে আসছেন। চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ধান রোপনের পর নিয়মিত পরিচর্যা করে আসছিলেন এরই মধ্যে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মিরাট উত্তর পাড়া গ্রামের ইয়াদ আলীর ছেলে হানিফ, আফছারের ছেলে মান্নান, কলিমদ্দীনের ছেলে আনিছুর, মফিজের ছেলে মোফাজ্জল ও তার ভাই মুকুলসহ গ্রামের কতিপয় লোকজনরা প্রকাশ্যে রোপনকৃত কয়েক বিঘা জমির ধান পা দিয়ে মাড়িয়ে ও উপড়ে ফেলে নষ্ট করেছে। এবিষয়ে থানা ও উপজেলা ভ’মি অফিস বরাবর একটি অভিযোগ দিয়েছি।

রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএসএম সিদ্দিকুর রহমান বলেন, এবিষয়ে আমার জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সহকারি কমিশনার (ভ’মি) টুকটুক তালুকদার বলেন এই বিষয়ে আমি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। যারা বিলের আশেপাশে বসবাস করে তাদের জন্য অগ্রাধিকার রয়েছে। কিন্তু অন্য এলাকা থেকে এসে বিলের জমি দখল করে কেউ ব্যবহার করার অধিকার রাখে না। আর এটি সম্পন্ন সরকারি জায়গা। সরকার এখনো পর্যন্ত এই জমিগুলো কাউকে লিজ দেয় নাই। যদিও এর আগে লিজ দেওয়া হয়েছিলো তার মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। আমি সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবসে বেনাপোল নোম্যান্সল্যান্ড এলাকায় 
বসেছে দু‘বাংলার হাজার হাজার ভাষাপ্রেমী মানুষের মিলন মেলা  
দুই বাংলার মধ্যে কোন কাটাতারের বেড়া চাই না- পশ্চিমবঙ্গের খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী জ্যোতি প্রিয় মল্লিক
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: ‘একই আকাশ একই বাতাস, দুই বাংলার মানুষের ভাষা এক। একই নদী একই জল’ আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলি বলে বাংলাদেশের মানুষের জন্য আমাদের প্রাণ কাঁদে। তাই তো বারবার ছুটে আসি দুই দেশের বাঙালী বাংলাভাষী মানুষের পাশে। ভাষা দিবস মিলিয়ে দিল ‘এপার-ওপার’। বাঁশের বেড়া উপেক্ষা করে ভাষার দাবিতে আন্দোলনে শহীদদের সম্মিলিত শ্রদ্ধা জানাল ভারত-বাংলাদেশ। ভৌগলিক সীমারেখা ভুলে কেবলমাত্র ভাষার টানে দু‘বাংলার মানুষ একই মঞ্চে গাইলেন বাংলার জয়গান। ”আমার প্রতিরোধ আমার সংগ্রাম আমার স্বাধীনতা আমার অধিকার আমার ৫২ আমার বর্নমালা” এই  শ্লোগানকে সামনে রেখে এপার ওপার দুই বাংলার একুশ উদযাপন পরিষদের আয়োজনে মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যৌথ ভাবে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে এবারও পালন করেছে এক সঙ্গে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্তের নোম্যান্সল্যান্ডে। বৃহস্পতিবার সকালে এভাবেই কাটালেন দুই বাংলার ‘বাংলা ভাষাভাষী’ মানুষ। সীমান্তের নোম্যান্সল্যান্ডে শহীদ বেদি ঢাকল ফুলের চাদরে।

বেনাপোল চেকপোস্ট নোম্যান্সল্যান্ডে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে প্রতি বছরের মতো এবারো ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো হলো। মিষ্টি বিতরণ, আলোচনা আর গানে গানে মাতোয়ারা হলো দুই বাংলার একই আকাশ একই বাতাস। উভয় দেশের জনপ্রতিনিধিরা বলেন, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির কথা। এ অনুষ্ঠানকে ঘিরে জড়ো হয়েছিল হাজার হাজার ভাষাপ্রেমী মানুষ। নেতাদের কণ্ঠে ছিল ভবিষ্যতে আরো বড় করে এক মঞ্চে একুশসহ অন্যান্য অনুষ্ঠান উদযাপনের প্রত্যাশা। উভয় দেশের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো শত:স্ফুর্তভাবে অংশ নেয় এ অনুষ্ঠানে। দু‘দেশের জাতীয় পতাকা, নানা রং এর ফেস্টুন, ব্যানার, প্লেকার্ড, আর ফুল দিয়ে বর্নিল সাজে সাজানো হয় নোম্যান্সল্যান্ড এলাকা। দু‘বাংলার মানুষের এ মিলন মেলায় উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসাহের সৃষ্টি হয়। প্রতি বছরই দুই বাংলার সীমান্তবর্তী এ অংশের বাসিন্দারা এক সাথে মিলিত হয়ে দিবসটি পালন করেন। তখন দুই দেশের সীমান্তের মধ্যবর্তী ওই স্থানে আবেগাপ¬ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। একে অপরকে আলিঙ্গন করে সকল ভেদাভেদ যেন ভুলে যায় কিছু সময়ের জন্য। ফুলের মালা ও জাতীয় পতাকা বিনিময় করে উভয় দেশের আবেগপ্রবণ অনেক মানুষ বাঙালীর নাড়ির টানে একজন অপরজনকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন। দুই বাংলার মানুষের মাঝে বসে এক মিলন মেলা। এ সময় পেট্রাপোল ও বেনাপোল চেকপোস্টে ঢল নামে হাজার হাজার মানুষের। ক্ষনিকের জন্য হলেও স্তব্ধ হয়ে যায় আন্তর্জাতিক সীমারেখা।

সকাল ১১ টায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী শ্রী জ্যোতি প্রিয় মল্লিক, বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস ও বনগাঁ পৌর মেয়র শংকর  আঢ্যর নেতৃত্বে ভারত থেকে আসা শতশত বাংলাভাষী মানুষ বাংলাদেশীদের ফুলের পাঁপড়ি ছিটিয়ে ও মিস্টি দিয়ে বরণ করে নেয় একে অপরকে। নোমান্সল্যান্ডে অস্থায়ী শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান ভারতের পক্ষে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বঁনগা লোকসভার সাংসদ শ্রীমত্যা মমতা ঠাকুর, উত্তর ২৪ পরগণা জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্রীমতি বীনা মন্ডল, বিধানসভা বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস ও বনগাঁও পৌর সভার মেয়র শংকর আঢ্য। বাংলাদেশের পক্ষে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্রাচার্য্য, যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দিন, কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসেন চৌধুরী, ৪৯ বিজিবির ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর নজরুল ইসলাম, একুশ উদযাপন পরিষদের আহবায়ক উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মঞ্জু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ¦ নুরুজ্জামান।

ভাষা দিবসের মিলন মেলায় বিজিবি বিএসএফকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায়। এর পর দু’দেশের জাতীয় পতাকা উড়িয়ে হাজার হাজার ভাষাপ্রেমী মানুষ দিবসটি উদযাপন করে যৌথভাবে। এ সময় ভাষার টানে বাঙালির বাঁধন হারা আবেগের কাছে মিলে মিশে একাকার হয়ে যায় দু‘বাংলার মানুষ। এর মধ্য দিয়ে বোঝা গেল রফিক, শফিক, বরকত ও সালামের তরতাজা রক্ত বৃথা যায়নি। ভাষার আকর্ষণ ও বাঙালির নাড়ির টান যে কতটা আত্মিক ও প্রীতিময় হতে পারে তাও বুঝিয়ে দিল মহান একুশে ফেব্রুয়ারি। সেই সঙ্গে এপার-ওপার দুই বাংলার গণমানুষের ঢল ফের প্রমাণ করে দিলো দেশ ভাগ হলেও ভাগ হয়নি ভাষার। উভয় দেশের মধ্যকার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তি এখনো যে অটুট রয়েছে তাও বোঝা গেল অনুষ্ঠানে উপস্থিত দুই বাংলার অতিথিদের বক্তৃতায়। এরপর একুশ মঞ্চে উঠেন দু‘দেশের নেতৃবৃন্দ।

বেনাপোল একুশ উদযাপন পরিষদের আহবায়ক উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মঞ্জুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লি¬ক বলেন, আমি বাংলায় কথা বলি পুন: জন্মে আমি বাঙালী হয়ে জন্মাতে চাই। কাটাতারের বেড়া আমাদেরকে আটকাতে পারে কিন্ত আমাদের আবেগকে আটকাতে পারবে না। আমরা হয়ত থাকবো না। আগামীতে কোন কাটাতারের বেড়া থাকবে না। দু‘বাংলা এক হয়ে যাবে। দুই বাংলার কত বাঙালী জন্ম গ্রহণ করেছে সবাই বাংলায় কথা বলেন। দুই বাংলায় কত নামী দামি কবি সাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কবি নজরুল ইসলাম, শরৎচন্দ্র চট্রোপাথ্যায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, স্বামী বিবেকানন্দ, রামকৃষ্ণ, নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু, শেখ মুজিবর রহমান। ভাষার জন্য রফিক সালাম বরকত শফিক জীবন দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান নিজের জীবন দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করে একটি ভূখন্ড প্রতিষ্ঠা করেছেন। তারই যোগ্য কন্যা বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী আমাদের কাছের মানুষ। ভাষা আর স্বাধীনতার জন্য এত ত্যাগের নজির পৃথিবীতে অন্য কারোর নেই। ভাষার টানে আমরা বাংলাদেশে ছুটে এসেছি একুশ উদযাপন করতে। দু‘বাংলার মানুষ একসাথে মাতৃভাষা দিবস পালন করছি। দু‘বাংলার মানুষের মিলন মেলার মধ্য দিয়ে দু‘দেশের বন্ধুত্ব আরো সুদৃঢ় হবে। আগামীতে আরো বড় পরিসরে একুশে অনুষ্ঠান হবে বলে তিনি জানান।

তিনি সম্প্রতি ঢাকার চকবাজারে আগুনে পুড়ে ৮১ জনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন তাদের পাশে থাকতে না পারলেও দুর থেকে সমবেদনা জানাচ্ছি।

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্রাচার্য্য বলেন, দুই বাংলার মানুষ আজ আমরা এক হয়েছি। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন আমাদের অধিকার বোধের জম্ম দিয়েছিল। সালাম, বরকত, রফিক, শফিক জব্বারসহ হাজারো মানুষের রক্তের বিনিময়ে রাস্ট্রভাষার যে অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা বিশ্বে বিরল। পরবর্তীকালে স্বাধীনতা পেয়েছি ভারত বাংলাদেশের মানুষের রক্তের বিনিময়ে। আজকের সেই বাংলা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে সারা বিশ্বে। সেই চেতনার ধারাবাহিকতায় আজ দুই বাংলার বাঙালীরা এক মঞ্চে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্র বিকশিত হতে শুরু করেছে। ভাষা ও ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের দুই দেশের মধ্যে উপস্থিত সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের ভিতকে আরো শক্ত করবে।

মঞ্চে স্মৃতি চারণ করেন বাংলাদেশের ভাষা সৈনিক শামসুল হুদা। একুশের গানসহ বিভিন্ন ধরনের গান পরিবেশন করেন ভারতের সারেগামার বাংলাদেশের শিল্পী মাঈনুল আহসান নোবেল, পৌষালী ব্যানাজীসহ ভারত বাংলাদেশের শিল্পীরা।
 
ভাষা শহীদদের স্মরনে দু’বাংলার মানুষের সম্প্রতি আর ভালোবাসার বাধনকে আরো সুদৃঢ় করার প্রত্যয় নিয়ে শেষ হয় ভাষা প্রেমিদের মিলন মেলা। সমগ্র অনুষ্ঠানে নেয়া হয় নজিরবিহীন নিরাপত্তা। কড়াকড়ি আরোপ করা হয় দুই সীমান্তে। বেনাপোল পেট্রাপোল চেকপোস্টে যাতে কেউ প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য বিজিবি ও বিএসএফ অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে দুই সীমান্তে। সীমান্ত টপকে যাতে কেউ অবৈধভাবে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বিজিবি ও বিএসএফ বাঁশের বেস্টনি দিয়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলে। ২০০২ সাল থেকে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল চেকপোস্টের জিরো পয়েন্টে মাতৃভাষা দিবস পালন করে আসছে দু‘বাংলার মানুষ। এছাড়া আয়োজনস্থলে বর্ণমালা গ্যালারি, বইমেলা ও বাংলাদেশের একশ’ স্বেচ্চাসেবী স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেন। যা ভাষা উৎসবকে প্রাণবন্ত এবং দুই বাংলার মানুষকে আরও বেশি অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত করে।

নওগাঁয় রেড ক্রিসেন্ট মৌলিক ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষন সমাপনী ও সনদপত্র বিতরন
রেড ক্রিসেন্ট মৌলিক ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষন সমাপনী ও সনদপত্র বিতরন
নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে ৩দিন ব্যাপী রেড ক্রিসেন্ট মৌলিক ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষন সমাপনী ও সনদপত্র বিতরন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কমিটির সভাপতি এ্যঠ:ি এ,কে,এম ফজলে রাব্বী বকু। বুধবার দুপুরে জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি মিলনায়তনে সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে জেলা কমিটির সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি শাহীন মনোয়ারা হক, সাধারন সম্পাদক ও পৌরসভার কাউন্সিলর এ,কে,এম নাজমুল হক মন্টু, কমিটির সদস্য দেওয়ান আলী আকবর, বিভাষ মজুমদার গোপাল, আকলিমা খাতুন, জাহাঙ্গীর আলম, ও ইউনিট অফিসার নাজমুল আলম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। পরে প্রধান অতিথি ৫টি কলেজের ২৫ জন ছাত্র-ছাত্রীকে সনদপত্র বিতরন করেন।

নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪৭জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫০জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪০জনের মনোনয়নপত্র দাখিল
প্রতিনিধি নওগাঁ: নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪৭জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫০জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪০জন প্রার্থী তাঁদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। নওগাঁ সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ১জন মনোনয়নপত্র দাখিল করায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।
 
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: মাহবুবুর রহমান এবং জেলা নির্বাচন অফিসার মো: শাহিনুল ইসলাম প্রামানিক জানিয়েছেন, নওগাঁ সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ১ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ৫জন, আত্রাই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৫জন, ভাইস চেয়ারম্যান ৫জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫জন, পোরশা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৫জন, ভাইস চেয়ারম্যান ৩জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪জন, সাপাহার উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৫জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২জন, নিয়ামতপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৭জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪জন, ধামইরহাট উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৫জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪জন, পতœীতলা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২জন, বদলগাছি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫জন, রানীনগর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩জন, মান্দা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২জন এবং মহাদেবপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪জন তাঁদের মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।
 
নওগাঁ সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে একমাত্র প্রার্থী আওয়ামীলীগের রফিকুল ইসলাম মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

নওগাঁর পত্নীতলায় স্কুল ছাত্রের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার
নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর পত্নীতলায়  শাহরিয়ার হাসান সৌরভ (১৫) নামে এক স্কুল ছাত্রের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে ।
বুধবার ভোরে উপজেলার নজিপুর পৌরসভার পলিপাড়া গ্রাামে নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার করে তার স্বজনরা। সৌরভ উপজেলার পলিপাড়া গ্রামের রেজুয়ান নবীর ছেলে। সে পুইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।
পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিমল চক্রবর্ত জানায়, লেখাপড়া নিয়ে সৌরভ তার মায়ের সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেছে।

আত্রাইয়ে কৃষকের স্বপ্ন মিশে আছে সবুজের প্রান্তরে
কৃষকের স্বপ্ন মিশে আছে সবুজের প্রান্তরে
নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ):  সুজলা সুফলা শষ্য শ্যামলা সবুজ বাংলার খাদ্য শষ্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ৮ ইউনিয়নের প্রতিটি মাঠের বুকে এখন সবুজের সমারোহ। দিগন্তজুড়ে যেদিকে তাকাই শুধু সবুজ আর সবুজ। সবুজের সমারোহে চোখ জুড়িয়ে যায়। ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকের মুখে এখন হাসির ঝিলিক।

নওগাঁ জেলার খাদ্যশস্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত আত্রাইয়ের মাঠগুলো এখন কৃষকদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবারে ইরি-বোরো মৌসুমে উপজেলার ৮ ইউনিয়নে ১৮ হাজার ৫০০ শত হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। গতবারে শ্রমিক সংকটের কারণে এবারো ইরি-বোরো চাষ নিয়ে অনেকেই দ্বিধাগ্রস্তের শিকার হন। তথ্যমতে, এবারে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ইরি-বোরো চাষ একটু কম হলেও ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। আত্রাই এলাকা বন্যাদুর্গত এলাকা হিসেবে এ অঞ্চলের কৃষকরা এবার বোরো চাষকে সৌভাগ্য হিসেবে মনে করছেন। এদিকে উপজেলার ডিলারদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল ও সার পাওয়ায় কৃষকরা অনেকটা আশ্বস্ত হয়েছেন। নওগাঁ জেলার খাদ্য উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে আত্রাই উপজেলা।

এ ব্যাপারে উপজেলার শাহাগোলা গ্রামের কৃষক মো. আজাদ সরদার বলেন, অন্যান্য বারের তুলনায় এবার আমরা অধিকহারে বোরো ধান চাষ করেছি। আশা করছি, এবার বোরো ধানে বাম্পার ফলন হবে।

উপজেলার নওদুলি গ্রামের রফিকুল ইসলাম জানান, ধান গাছে সময়মতো পানি পাওয়ায় এখন গাছ সবুজ বর্ণ ধারণ করেছে। চারিদিকে যেন সবুজের সমারোহ। যেদিকে তাকাই দৃষ্টি যেন জুড়িয়ে যায়। এবার বড় ধরনের ঝড় বা শীলা বৃষ্টি না হলে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করে আমরা অনেক উপকৃত হব এবং বিগত দিনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারব বলে মনে করছি।

উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কে এম মাহাবুব বলেন, ইরি-বোরো ধান চাষে কৃষকরা যাতে লাভবান হতে পারেন এবং কৃষকরা যেন বোরো চাষে কোনো প্রকার সমস্যায় না পড়েন এ জন্য আমরা সার্বক্ষণিক নজর রাখছি। যেখানেই সমস্যা সেখানেই আমাদের উপস্থিতি এবং সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষি বিদ কে এম কাউছার হোসেন বলেন, অধিক ফলনের জন্য পরিমিত সার ব্যবহার, পানি সাশ্রয় এবং সার্বিক পরিচর্যায় কৃষকদের সচেষ্ট হতে আমরা সব সময়ই পরামর্শ দিয়ে আসছি। এবার আত্রাই এলাকার কোথাও মাজড়া পোকার আক্রমণ নেই। ফলে আমরা আশা করছি, এবার রেকর্ড পরিমাণ জমিতে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হবে।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget