Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

মাহবুবুজ্জামান সেতু,নওগাঁ :  মান্দায় সতিহাটে ধান বিক্রেতাদের সাথে চলছে ডিজিটাল প্রতারনা।

জানামতে, সতিহাটে সপ্তাহে দুদিন ধানসহ অন্যান্য কৃষি পন্য ক্রয় বিক্রয় হয়ে থাকে।

বর্তমানে মান্দা উপজেলার একটি সুনামধন্য হাট এই সতিহাট। নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়ক সংলগ্ন হাটটি হওয়ায় এর যোগাযোগ ব্যাবস্থাও অনেক ভালো। প্রতিনিয়ত সতিহাটে  বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন পন্য সামগ্রী নিয়ে অাসেন বিক্রেতারা।

মানে ভালো এবং দামে সস্তা হওয়ার কারনে এই হাটে ক্রেতাদের ভীড় থাকে বেশ লক্ষ্যনীয়। অার এই সুযোগে কিছু অসাধু ক্রেতার কারনে সতিহাটের সুনাম নষ্ট হওয়ার উপক্রম হতে চলেছে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, সতিহাটে কিছু অসাধু ধান ব্যাবসায়ী অাছে যারা ক্রেতা
দের কাছ থেকে ধান কেনার পর ডিজিটাল মেশিনে ওজন করার সময় অভিনব কায়দায় ডিজিটাল প্রতারনার মাধ্যমে প্রতি মণ ধানে প্রায় এক কেজি করে ধান বেশি নিয়ে থাকে।

 বাজারে ধানের দাম যাইই হোক না কেনো,অাজ থেকে গত কয়েকবছর অাগে সতিহাটে ধান কেনাবেচা হতো কাঁচি,বাংলা বা পাকি'র ওজন ৩৮ কেজিতে এক মণ।

কিন্তু বর্তমানে অার বাংলা ওজনে ধান বিক্রি হয় না। একেতো ধানের দাম কম,তার মধ্যে অাবার ধানের ওজন বেশি নেওয়া খুবই দু:খজনক।

অত্রবাজার এলাকার অধিকাংশ ধান বিক্রেতা কৃষকরা অশিক্ষিত। চোখ থেকেও যেনো তারা অন্ধ!

অার এই সুযোগে কিছু নামধারী অারৎদারেরা ধান বিক্রেতাদের  ঠকিয়ে ধানের ওজন বেশি নিয়ে থাকেন।

শুধু তাই না,ডিজিটাল মিটারে পয়েন্টের হিসেবে ধান ওজন করার সময় কেজির ওজনে দশমিকের ঘরের পরে থাকা অাধা কেজি বা ৭,৮,৯ শ গ্রাম ধানের দাম দেয়া হয় না ধান  বিক্রেতাদেরকে। 

একসময় ধান বিক্রেতারা ধান বাড়ি থেকে দাঁড়ি পাল্লায় করে ওজন করে নিয়ে অাসতো। পরবর্তিতে ওই প্রাচীন পদ্ধতি বাদ দিয়ে অাধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে ধান ওজন করা কাঁটা ব্যাবহার শুরু হলো।

এর কিছুদিন যেতে না যেতেই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মিটারে ধান কেনাবেচা শুরু হতে লাগলো।যা বর্তমানে চলমান রয়েছে।

এরই ধারাবাহিতায়
কিছু অারামপ্রিয় ধান বিক্রেতা অাছে যারা বাড়ি থেকে ধান ওজন করে নিয়ে অাসেন না।শুধু তারা ভ্যানঅালাকে ভাড়া দিয়ে ধান বাজারে পাঠিয়ে দেন।

এই সুযোগে বিক্রেতাদের বিংটা, বেভাগা বা অতিরিক্ত  ওজনের ধানের দাম দেয়া হয়না।

অাবার টাকার হিসাব করার সময়ও বিংটা বা বেভাগা টাকা যেমন ২,৩,৫,৭ টাকা দেয়া হয় না।অথচ, ধানের খাজনা নেওয়ার সময় কিন্তু ব্যাবসায়ীরা ধান বিক্রেতাদের কাছ থেকে মণ প্রতি ৫ টাকার কম নেয় না।

অাবার, কিছু কিছু ধান ব্যাবসায়ী অাছে যারা বাজার দরের চেয়ে ২,৪,১০,২০ টাকা অতিরিক্ত দামে কেনার প্রলোভন দেখিয়ে ধান ওজনের সময় কারসাজি করে থাকে এবং ধানের দাম না মিটিয়েই ধান চাটিতে ধান ঢেলে নিয়ে টাকা দিতেও কালক্ষেপণ করে থাকে।টাকার দায়ে ধান বিক্রি করে যেমন,হয়রানী-পেরেশানীর শেষ থাকে না।সাধারণ ক্রেতাদের প্রশ্ন অামাদের সাথে এই বৈরিতা কেনো?

প্রতিমণ ধান ক্রয়ের সময় ওজনের চেয়ে বেশি নেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে সতিহাট জাহিদ ট্রেডার্সের প্রোপ্রাইটর, ধানব্যাবসায়ী অাবুল কালাম বলেন অামরা বাজার দরের উপর সবসময়ের জন্য ১০-২০ টাকা বেশি দিয়ে ধান কিনে থাকি।অার তাই অামরা এসব বিংটা ধানের দাম কাওকেই দিই না।বরং অন্যান্য হাটে অামরা প্রতিমণ ধানে এক কেজি অাধা কেজি ধান বেশি নিয়ে থাকি। এটা কোনো ব্যাপার না, অাপনাদের বাড়ির ধান অার অামাদের এটা ব্যাবসা। অাপনারা যদি একটু অাধটু ধান বেশি না দেন তাহলে অামরা চলবো কেমনে? ধানের বস্তার একটা ওজন অাছে না!

অার মিটারে ধান ওজনের ব্যাপারে তিনি কৌশলে জানান যে, ডিজিটাল
অাজ মিটারে চার্জ নেই, একসাথে দুই বস্তা ওজন দেয়া যাবেনা।মূলত: প্রতিবস্তা ধানে ৫,৭,৮,৯শ গ্রাম বেশি নেয়া এটি অস্বাভাবিক কিছু না। মানুষ এমনিতেই দু' এক কেজি ধান বেশি দেয়।

ধান ব্যাবসায়ীদের সাথে প্রতিবাদ করার মতো কোনো ভাষা থাকে না। অার প্রতিবাদ করলেও কোনো উল্লেখযোগ্য ফলাফল পাওয়া যায় না।

সাধারণ বিক্রেতারা এসব অভিনব প্রতারনা থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। যাতে করে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে অতিদ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের দাবী জানান।#

রিপোর্ট : ইমাম বিমান: ঝালকাঠিতে কলেজ ছাত্রী বেনজির জাহান মুক্তা হত্যা কান্ডের নেপথ্যে মোবাইল ফোনে পরিচয়, প্রেমর সম্পর্ক, অতপর বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়ায় ছাত্রীকে খুন: স্বীকরোক্তি ঘাতক প্রমিক সোহাগের|

মোবাইল ফোনে পরিচয়, তারপর প্রেম। এরপর বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়ায় প্রতিশোধ নিতেই ঝালকাঠির কলেজছাত্রী মুক্তাকে জবাই করে হত্যা করার ঘটনা রহস্য উদঘাটন করে জেলা পুলিশ। হত্যাকারী অভিযুক্ত সোহাগকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেলে  পুলিশের কাছে সে এ স্বীকারোক্তি দিয়েছে। শুক্রবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ঝালকাঠি জেলা পুলিশ সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য জানিয়েছে।
 
ঝালকাঠি জেলা পুলিশ সুপারের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে ঝালকাঠি জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম সোহাগের ভাষ্য দেয়া স্বীকরোক্তির উদৃতি দিয়ে সম্মেলনে সাংবাদিকরে জানান, সোহাগ ছাড়াও কলেজ ছাত্রী মুক্তার সাথে আরও কয়েক তরুণের মধ্যে একই সময় প্রেমের সম্পর্ক চলছিলো। এদিকে বিষয়টি বুঝতে পেরে সোহাগ ওই ছাত্রীকে বিয়ে করার জন্য প্রস্তাব দেয়। কিন্তু মুক্তা সে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। এ কারনে প্রেমিক খোজ খবর নিয়ে জানতে পারে তার প্রমিকার আরো একাধিক ছেলের ছাথে সম্পর্ক। আর এতে ক্ষিপ্ত হয়েই পূর্ব পরিকল্পনা মত প্রেমিকা বেনজির জাহান মুক্তাকে চাকু দিয়ে জবাই করে খুন করে পালিয়ে যায় প্রেমিক সোহাগ। প্রমিক সোহাগ জানায়, তাদের প্রেমের সম্পর্কে গভিররতায় প্রমিকা মুক্তাকে প্রতিমাসেই বেতন তুলে টাকা দিতে এমনকি মোবাইলসহ নানান পোসাক চাহিদাও মেটাতো সোহাগ।কিন্তু তার সাথে প্রত্যারনা করায় এ ঘটানার সুত্রপাত বলে দাবী করেন প্রমিক সোহাগ | সোহাগকে আদালতে তোলা হবে বলেও জানান, ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার দুপুরে কলেজ থেকে বাড়ির ফেরার পথে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার বারইকরণ গ্রামের কাপুড়িয়া বাড়ি এলাকায় ঝালকাঠি সরকারি মহিলা কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী বেনজির জাহান মুক্তাকে জবাই করে হত্যা করা হয়।এ ঘটনায় অভিযুক্ত সোহাগকে বৃহস্পতিবার রাতে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার চাকামইয়া গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে ঝালকাঠি এনেছে পুলিশ।

সোহাগ পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার নিশানবাড়িয়া গ্রামের আবদুস ছোবাহান মীরার ছেলে। তবে দীর্ঘ দিন ধরে সোহাগ ঢাকায় অবস্থান করে একটি কারখানায় চাকরি করে আসছিলো।

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল নগরীর পুকুরপাড় মসজিদের সামনে শাহিন ফার্মেসী কাম গ্রাম্য চিকিৎসক ডাঃ আব্দুল রাজ্জাক (বিআরএমএ) ও তার পুত্র শাহিনের  অপচিকিৎসায় তানভির নামে তিন মাসের এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ করেছে তার পরিবার। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠ বিচারের দাবী করেছে ভূক্তভোগী পরিবার।

গত শনিবার সকালে এই ঘটনা ঘটেছে। শিশু তানভির বেনাপোল ছোট আঁচড়া গ্রামের রিপন হাওলাদের পুত্র সন্তান ৷তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চিকিৎসক আব্দুর রাজ্জাক।

ডাক্তার রাজ্জাক বলেন শিশুটিকে প্রথম দিন ঠান্ডা ও জ্বর দেখে সেভটাজিডিম ইনজেকশন হাফ ডোজ সহ অন্যান্য ঔষধ দেওয়া হয়।পরেরদিন সকালে আবার শিশুটিকে বাকী হাফ ডোজ ইনজেকশন দিতে আমার চেম্বারে নিয়ে আসলে আমি উপস্থিত না থাকায় আমার পুত্র শাহিন রোগী তানভিরের শরীরে ইনজেকশান পুশ করার সাথে সাথে শিশুটির শরীর হলুদ বর্ণ ধারন করে। তখন আমার পুত্র তাদের কে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। তার কাছে প্রশ্ন করা হয় আপনি নিজে ডাক্তার তবে তার পুত্র শাহিন কেন ইনজেকশান পুশ করলো এই প্রশ্নের সে কোন উত্তর দিতে পারেনি। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছে তানভিরের পরিবার।

বেনাপোল পোর্ট থানার সেকেন্ড অফিসার শরীফ হাবিবুর রহমান হাবিব বলছে, আমরা এখনও পযন্ত কোন অভিযোগ পাইনি পেলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন এবং ঘটনার সত্যতা মিললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

শিশু তানভিরের মাতা বৈশাখী হাওলাদার জানান, বৃহস্পতিবার আমার ছেলেকে একটি ক্লিনিকে সরকারী টিকা দেওয়ার পর সামান্য জ্বর ও কাশি শুরু হয়, এমন অবস্থায় শুক্রবার আমরা রাজ্জাক ডাক্তারের চেম্বারে বাচ্চাকে পরীক্ষা করাতে গেলে ডাক্তার বলে ঠান্ডা কাশি ও জ্বর ঔষধ লিখে দিচ্ছি ঠিক হয়ে যাবে ৷এই বলে ডাক্তার আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র শাহিন  নিজেই আমার শিশুর শরীরে এন্টিবায়োটিক হাফ ডোজ  ইনজেকশান পুশ করে বাকী হাফ ডোজ নিতে আগামীকাল সকালে রোগীকে নিয়ে আসতে বলে। পরেরদিন (শনিবার) সকালে আবার আমার বাচ্চার অবস্থা খারাপ হওয়ায় খুব দ্রুত আমরা তাকে ডাক্তারের চেম্বারে নিয়ে আসলে দেখি ডাক্তার নেই, তখন ডাক্তারের ছেলে শাহিন আবারো আমার পুত্র সন্তান তানভিরের শরীরে বাকী অর্ধেক এন্টিবায়োটিক ইনজেকশান পুশ করার সাথে সাথেই শিশু তানভিরের শরীর হলুদ বর্ণ ধারন করে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে। কিন্তু বিষয়টি আমরা বুঝতে না পারায় বাসায় নিয়ে যাওয়ার পর রোগীর শরীর ঠান্ডা দেখতে পায়, তখন কান্নাকাটি করলে আশপাশের প্রতিবেশীরা দেখলতে এসে আমাকে জানায় তানভির মারা গেছে।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সুত্রে জানা যায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আইনে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ছাড়া এন্টিবায়োটিক ঔষধ লেখা যাবে না, শিশুদের ক্ষেত্রে বাকী অর্ধেক ইনজেকশান পুশ করার নিয়ম নেই। তারা আশংষ্কা প্রকাশ করেছেন শিশুদের ক্ষেত্রে পুরাতন রেখে দেয়া অর্ধেক ইনজেকশানই এই মৃত্যুর কারন হতে পারে।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধিঃ শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ শেখ হাসিনার বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্য বিষয় সামনে রেখে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি শার্শা উপজেলার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ই ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৩টায় শার্শা অডিটোরিয়াম হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি শার্শা উপজেলা শাখার সভাপতি আনায়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক ওসমান গনি মুকুলের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরপর ৩ বার জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সাংসদ শেখ আফিল উদ্দীন এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন শার্শা উপজেলার চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু, শার্শা উপজেলার সহকারী ভূমি কমিশনার মৌসুমী জেরিন কান্তা, যশোর জেলার শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসিফ উদ -দৌলা অলোক সর্দার, শার্শা উপজেলার আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান, শার্শা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া ফেরদৌস,উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ আব্দুর রব,শার্শা উপজেলার আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক অধ্যক্ষ্য ইব্রাহিম খলিল,কায়বা ইউপি চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ টিংঙ্কু ,বেনাপোল ইউপি চেয়ারম্যান বজলুর রহমান, পুটখালী ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার হাদিউজ্জামান,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর হোসেন ,উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহিম সর্দার, সাধারন সম্পাদক ইকবাল হোসেন রাসেল।

প্রধান অতিথী শেখ আফিল উদ্দীন উপস্থিত শিক্ষকদের উদ্দেশ্য বলেন শিক্ষার্থীদের যদি সুশিক্ষায় শিক্ষিত না করতে পারেন আপনাদের আল্লাহর দরবারে জবাব দিহি করতে হবে। আপনারই সমাজ কে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব নিয়েছেন। শার্শা উপজেলায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে আমি কোন ছাড় দিব না। বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষকরা সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন, বিগত যে কোন সরকারের আমল থেকে আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন করা হয়েছে, যা ৪০ বছরেও কোন সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে করতে পারেনি। পৃথিবীতে কেউ সারাজীবন বেঁচে থাকে না শুধু বেঁচে থাকে তার ভালো কর্ম। এছাড়া তিনি শিক্ষকদের মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিতকল্পে সৃষ্টিশীল, আধুনিক, তথ্য প্রযুক্তিনির্ভর, বিজ্ঞানমনস্ক, সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ, নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন শিক্ষক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহবান জানান। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিনতম পরিশ্রম আপনারই করেন,জেনে শুনে এই কঠিন চ্যালেঞ্জ গ্রহন করেছেন। সেই চ্যালেন্জ শিক্ষার্থীদের সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করার মাধ্যমে আপনাদের পূরন করতে হবে।

প্রধান অতিথী  শিক্ষকদের জন্য কিছু  দিক নির্দেশনা দিয়ে বলেন প্রত্যেক স্কুলে এ্যাসেম্বলি বাধ্যতামূলক হতে হবে, শিক্ষকদের ভালো পোষাক পরিধান করে বিদ্যালয়ে আসতে হবে, প্রথম ক্লাস ইংরেজি বিষয় দিয়ে শুরু করতে হবে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপিস্থিত থাকতে হবে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা টিফিনের সময় বাড়ীতে যেতে পারবেন না।টিফিনের খাবার সাথে  করে নিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে। সকালে কোন শিক্ষক  প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। প্রধান অতিথীকে সংবর্ধনা দেয়ায় তিনি সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। এর আগে শিক্ষকবৃন্দরা প্রধান অতিথী শেখ আফিল উদ্দীন এমপিসহ উপস্থিত অতিথী বৃন্দকে ক্রেষ্ট ও ফুলের তোড়া উপহার দেন।


নওগাঁয় আগামী ৯ ফ্রেব্রুয়ারী জাতীয় ভিটামিন “এ“ প্লাস ক্যাম্পেইন  উপলক্ষ্যে সাংবাদিকদের সাথে জেলা ওরিয়েন্টশান কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহষ্পতিবার সকালে সিভিল সার্জন অফিস মিলনায়তনে এতে সভাপতিত্ব করেন, সিভিল সার্জন ডাঃ মুমিনুল হক। 
সভায় অন্যান্যের মধ্যে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ কাজী মিজানুর রহমান, ডাঃ আশিষ কুৃমার সরকার, ডাঃ শরীফুল ইসলাম, জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি কায়েশ উদ্দীন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভায় জানানো হয়, জেলায় ২৫৪১টি কেন্দ্রে প্রায় ৮ হাজার স্বাস্থ্য সহকারী ও স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে ৬-১১ মাস বয়সের ৩১ হাজার ৪৯০জন শিশুদের নীল রংয়ের এবং  ১২-৫৯ মাস বয়সের ৩ লাখ ৮ হাজার ৮৫৬ জন শিশুদের লাল রংয়ের ভিটামিন এ ক্য্পাসুল খাওয়ানো হবে জানান। এ সময় জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অর্ধ শতাধিক সাংবাদিকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

রায়হান আলম, নওগাঁ: নওগাঁয় আগামী ৯ ফ্রেব্রুয়ারী জাতীয় ভিটামিন “এ“ প্লাস ক্যাম্পেইন  উপলক্ষ্যে সাংবাদিকদের সাথে জেলা ওরিয়েন্টশান কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহষ্পতিবার সকালে সিভিল সার্জন অফিস মিলনায়তনে এতে সভাপতিত্ব করেন, সিভিল সার্জন ডাঃ মুমিনুল হক। 

সভায় অন্যান্যের মধ্যে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ কাজী মিজানুর রহমান, ডাঃ আশিষ কুৃমার সরকার, ডাঃ শরীফুল ইসলাম, জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি কায়েশ উদ্দীন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভায় জানানো হয়, জেলায় ২৫৪১টি কেন্দ্রে প্রায় ৮ হাজার স্বাস্থ্য সহকারী ও স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে ৬-১১ মাস বয়সের ৩১ হাজার ৪৯০জন শিশুদের নীল রংয়ের এবং  ১২-৫৯ মাস বয়সের ৩ লাখ ৮ হাজার ৮৫৬ জন শিশুদের লাল রংয়ের ভিটামিন এ ক্য্পাসুল খাওয়ানো হবে জানান। এ সময় জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অর্ধ শতাধিক সাংবাদিকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

Video:- জাতীয় ভিটামিন “এ“ প্লাস ক্যাম্পেইনে ওরিয়েন্টশন কর্মশালা  

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget