Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোর জেলার শার্শা উপজেলার সরকারী মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক নবম শ্রেনীর ছাত্র মোঃ মেহেদী হাসান সাগর(১৫)নির্যাতিত হয়েছে। স্কুল ড্রেস না পরার কারনে সাগরকে বেদম প্রহার করে ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম।

সোমবার (৪/২/২০১৯ইং) তারিখ সকালে সাগর স্কুলে গেলে প্রধান শিক্ষক এ ঘটনা ঘটায় বলে ঐ ছাত্রের পিতা মহিনুর রহমান কান্না কন্ঠে অভিযোগ করেন। ইট ভাটার শ্রমিক গরীব পিতাঃ মহিনুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন অভাব-অনাটনের কারনে স্কুল ড্রেস বানানোর জন্য  সাত দিনের সময় বেধে দেওয়া হয়। দুই দিন যেতে না যেতেই শুধুমাত্র স্কুল ড্রেসের মধ্য শার্ট পরে স্কুলে যাওয়ার কারনে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ক্লাস রুম থেকে ডেকে নিয়ে স্কুলের ল্যাব রুমের মধ্য অমানবিক নির্যাতন করে। এর আগে অনেক ছাত্রকে এভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নামে।

ছাত্রের পিতাঃ মহিনুর তার ছেলেকে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার ম-লের কাছে নিয়ে যায়। ছাত্রের শরীরে তিনি আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। এ ব্যাপারে তিনি প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে ছাত্রের পিতা মাতাকে আশ্বাস্থ করেন। মোঃ মেহেদী হাসান সাগর নবম শ্রেনীর মানবিক শাখার ছাত্র। প্রধান শিক্ষক শহিদুল ছাত্র সাগরকে অমানবিক শারীরিক নির্যাতনের কারনে তার পিতা তাকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক এর কাছে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি বলেন আজ আমি স্কুলের কোন রুমে প্রবেশ করি নাই। এই কথা টুকু বলে তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তার পরেও অনেকবার ফোন দেওয়ার পরেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

এধরনের শিক্ষকদের অমানবিক নির্যাতনের কারনে অন্য ছাত্র-ছাত্রীরাও স্কুল বিমুখ হয়ে পড়েছে বলে অনেক অভিভাবকরা জানিয়েছেন। নাম না বলার শর্তে কয়েকজন অভিভাবকবৃন্দ সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনিয়মের কারনে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জেল পর্যন্ত খেটেছেন।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী সীমান্তে অভিযান চালিয়ে দুই কেজি ওজনের ১৭টি স্বর্ণের বারসহ শাহাবুদ্দিন সরদার (২৫) নামে একজন স্বর্ণ পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা। এ সময় একটি মোটর সাইকেলও জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুটখালির মসজিদ বাড়ি বিজিবি পোষ্ট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক শাহাবুদ্দিন সরদার পুটখালি গ্রামের উত্তর পাড়ার মোবারক সরদারের ছেলে।

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, বিপুল পরিমান স্বর্ণের একটি চালান নিয়ে একজন স্বর্ণ পাচারকারী বেনাপোল বাজার থেকে পুটখালি সীমান্তের দিকে যাচ্ছে। এ ধরনের সংবাদের ভিত্তিতে পুটখালি বিজিবি ক্যাম্পের একটি টহল দল পুটখালির মসজিদ বাড়ি বিজিবি পোষ্ট এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় শাহাবুদ্দিন নামে একজন স্বর্ণ পাচারকারী একটি পালসার মোটর সাইকেল চালিয়ে সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় তাকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায়। পরে মোটর সাইকেলে তল্লাশি করে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় দুই কেজি ওজনের ১৭টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় কোটি টাকা

খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নর অধিনায়ক লে. কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার স্বর্ণ উদ্ধার ও পাচারকারী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক পাচারকারী শাহাবুদ্দিনকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

৪০ হাজার টাকায় মুক্তি
আশরাফুল নয়ন, নওগাঁ: মাদক ব্যবসা ছেড়ে সুস্থ জীবনে ফিরে আসার লক্ষে অঙ্গীকার করলেও পুলিশের হয়রানী থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না ওয়াসিম (৩২)। তিনি নওগাঁ সদর উপজেলা কির্ত্তীপুর ইউনিয়নের সালেবাজ (হিন্দুপাড়া) গ্রামের মনতাজের ছেলে। গত ২৭ জানুয়ারী সদর থানার এসআই ইব্রাহিম হোসেন ও এএসআই ফজুলল হক মাদক মামলায় জড়িয়ে দেয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে ৪০ হাজার টাকা আদায় করেছেন বলে অভিযোগ করেন ওয়াসিম। এছাড়া আরো ৫ হাজার টাকা বিকাশে নেয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে চাপ দিচ্ছে। বিষয়টি তদন্তপূবর্ক ব্যবস্থা গ্রহন এবং ওয়াসিমের সুস্থ জীবনে ফিরে আসার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদক এলাকা হিসেবে পরিচিত সালেবাজ গ্রাম। গ্রামের অধিকাংশই নারী পুরুষ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। দরিদ্র ওয়াসিম জীবিকা নির্বাহে কখনো কৃষি কাজ আবার কখনো রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন। তাকে দিয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা টাকার বিনিময়ে মাদক আনা নেয়া করতেন। এভাবে এক সময় ওয়াসিম নিজেই মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। তিনি মূলত হেরোইনের ব্যবসা করতেন। এভাবে এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি পান। পুলিশ বিভিন্ন সময় তাকে মাদকসহ আটক করে জেল হাজতে পাঠায়। জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও শুরু করেন মাদক ব্যবসা। তার বিরুদ্ধে মাদকের প্রায় শতাধিক মামলা হয়েছিল। বিভিন্ন সময় আটকের পর কারাভোগ করেছেন প্রায় ৭/৮ মাস। বর্তমানে ৮টি মামলা চলমান আছে।
গত পাঁচ বছর আগে মাদক ব্যবসা শুরু করলেও এক বছর হলো মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। গত ১৪/১২/১৭ ইং তারিখে নওগাঁ সদর থানায় মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে সুস্থ জীবনে ফিরে আসার লক্ষে অঙ্গীকার নামা দেন। এতে সহযোগীতা করেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার ও এলাকাবাসী।

কিন্তু মাদক ব্যবসা ছেড়ে ওয়াসিম সুস্থ জীবনে ফিরে এলেও পুলিশের হয়রানি থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না। কারণে-অকারণে পুলিশ তার বাড়িতে গিয়ে হামলা করছেন। মাদকের মামলা দিয়ে ফাঁসানোর ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিচ্ছেন পুলিশ। গত ২৭ জানুয়ারী দুপুর আড়াই দিকে বাড়ির পাশে আলুর ক্ষেতে কাজ করছিলেন ওয়ামিস। এসময় এসআই ইব্রাহিম হোসেন ও এএসআই ফজুলল হক তাকে আটক করে পাহাড়পুর ব্রীজের উপর নিয়ে গিয়ে ৫ লাখ টাকা দাবী করে। টাকা না দিলে ৫০ পিচ ইয়াবা ও ১০০ গ্রাম হেরোইন দিয়ে মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখানো হয়। পরে ৪০ হাজার টাকায় রফাদফা হয়।
এরপর পাহাড়পুর বাজারে এসে স্থানীয় ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রতন হোসেন, রুমন ও স্বপনসহ কয়েকজনের উপস্থিতিতে ৪০ হাজার টাকা দুই পুলিশ কর্মকর্তার হাতে দেয়া হয়। এছাড়া এএসআই ফজুলল হক যাবার সময় ওয়াসিমকে একটা বিকাশ অ্যাকাউন্ট নাম্বার দিয়ে যান। ওই নাম্বারে ৫ হাজার টাকা পাঠাতে বলেন। পরবর্তিতে ওই ৫ হাজার টাকার জন্য বিভিন্ন সময় তাগাদা দেন এএসআই ফজুলল হক।

ভুক্তভোগী ওয়াসিম বলেন, ভুল করে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছিলাম। পুলিশ আমাকে আটকের পর বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করত। এসব ভয়ে আমি সুস্থ জীবনে ফিরে আসার লক্ষে চেয়ারম্যান, মেম্বার ও এলাকাবাসীর সহযোগীতায় থানায় অঙ্গীকার নামা একটি কাগজ দেই। তারপর থেকে আর কোন মাদক ব্যবসা করিনা। কিন্তু পুলিশ বিভিন্ন ভাবে আমার বাড়িতে হামলা করে। টাকা না দিলে মাদক দিয়ে জড়িত করে মামলার ভয় দেখায়।
তিনি আরো বলেন, গত ২৭ জানুয়ারীতে এসআই ইব্রাহিম হোসেন ও এএসআই ফজুলল হক বাড়ির পাশে আলুর ক্ষেত থেকে ব্রীজের উপর ধরে নিয়ে গিয়ে ৫ লাখ টাকা দাবী করে। টাকা না দিলে মাদক মামলায় জড়িয়ে দেয়ার ভয়ভীতি দেখায়। পরে ৪০ হাজার টাকা এসআই ইব্রাহিম হোসেন এর হাতে দেই। এছাড়া একটা বিকাশ নাম্বারও দিয়ে যায় ৫ হাজার টাকা নেয়ার জন্য। ওই টাকা নেয়ার জন্য এখন চাপ দেয়া হচ্ছে।

সালেবাজ গ্রামের গৃহবধু ইতি, বিলকিস ও নাসরিন সহ কয়েকজন বলেন, আগে ওয়াসিমের বাড়িতে বিভিন্ন লোকজন আসা যাওয়া করত। থানায় লিখিত দেয়ার পর থেকে তার বাড়িতে অপরিচিত লোকজনকে আর দেখা যায়না। সে এখন কৃষি কাজ করে সংসার চালায়। কিন্তু তারপরও পুলিশ বিভিন্ন সময় তার বাড়িতে এসে হামলা করে। এমনকি আমাদের বাড়িতে এসেও পুলিশ হামলা করে। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। স্বামীদের ধরে নিয়ে যাওয়ার ভয় দেখায়। আগে হয়ত ভুল করে মাদকের সাথে ওয়াসিম জড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু এখনতো তাকে সুস্থ জীবনে ফিরে আসার সুযোগ তো দিতে হবে। আর পুলিশ বিভিন্ন সময় ঝামেলা করলে তো সম্ভব না।

স্থানীয় ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রতন হোসেন বলেন, সেদিন ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা সিভিলে ছিলেন। তাদের হাতে জনসম্মুখে ৩৯ হাজার টাকা দিলে তারা টাকা নিয়ে চলে যান। যাবার সময় পরে ওয়াসিমকে তারা দেখা করতে বলেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল হক বাবু জানান, ওয়াসিম থানায় মুচলেকা দিয়ে এক বছর যাবৎ মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। তবুও এস আই ইব্রাহিম ও এ্এসআই ফজলুল হক মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে সম্প্রতি ৪০ হাজার টাকা নিয়েছে।

সদর থানার এসআই ইব্রাহিম হোসেন ও এএসআই ফজুলল হক বলেন, ওয়াসিম একজন মাদক বিক্রেতা। আর মাদক বিক্রেতারা এধরনের গুজব ছড়াতেই পারেন। তবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তীহিন বলে দাবী করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) লিমন রায় বলেন, এ ধরনে অভিযোগ থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিএমএসএফ: ঢাকা ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯: অগ্নিঝরা মার্চ উপলক্ষে আগামি পহেলা মার্চ সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্বাধীনতা শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা করবে বিএমএসএফ। দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরতে সংগঠনটি কাজ করছে। গত দু’বছর ধরে বিএমএসএফ মহান বিজয়ের মাসের প্রহর প্রহরে ১ ডিসেম্বর বিজয় শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে সংগঠনটি। এরই ধারাবাহিকতায় বিএমএসএফ এবছর মার্চের প্রথম প্রহরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৪ ফেব্রুয়ারি এক বৈঠক পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএমএসএফ’র সভাপতি শহীদুল ইসলাম পাইলট।

বৈঠকে সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর, সহ-সভাপতি হেদায়েত উল্লাহ মানিক, মোমিন মেহেদী, মোশারফ হোসেন নীলু, আজগর আলী মানিক, সৈয়দ খায়রুল আলম, উজ্জল ভুইয়া, এমএ আকরাম, সোহাগ আরেফিন, কবির নেওয়াজ, রফিকুল ইসলাম মিরপুরী, আনিস মাহমুদ লিমন, আবু বকর তালুকদার, রেজোয়ান ইসলাম, ইসমাইল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় অনুষ্ঠান উদযাপনের জন্য মোমিন মেহেদীকে আহবায়ক করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচী থাকবে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এছাড়া স্বাধীনতার মাস উলক্ষে সংগঠনটি সকল শাখা কমিটি নানা কর্মসূচীর আয়োজন করবে।

আবু রায়হান রাসেল, নওগাঁ: নওগাঁ জেলা প্রশাসন কার্যালয় চত্বরে সেবাপ্রার্থী মানুষের জন্য একটি বিশ্রামাগার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার নূর-উর রহমান এ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।
 
জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমানের উদ্যোগে এ বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হচ্ছে। গোলাকৃতির এই বিশ্রামাগারে ইট-সিমেন্ট তৈরি উঁচু স্থান করে সেবাপ্রার্থী মানুষদের বসার স্থান করা হবে। এছাড়া শিশুদের খেলার মিনি ছোট পার্ক থাকবে। এছাড়া একটি শৌচাগার নির্মাণ করা হবে।
 
উদ্বোধনী অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মো. শাহনেওয়াজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. কামরুজ্জামান প্রমুখ।
জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান বলেন, অফিসে এসে অসুস্থ ও বয়সধারীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় কোথাও বসার জায়গা না থাকায় তাঁদেরকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এছাড়া সেবা প্রার্থী অনেক নারী ছোট শিশুদের নিয়ে অফিসে আসে। তাঁরা যাতে সুন্দরভাবে তাঁদের কার্যক্রম করতে পারেন, তার জন্যই এ বিশ্রামাগার।

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) : ঋতুরাজ বসন্ত না আসলেও আমগাছে আসতে শুরু করেছে আমের মুকুল। বর্তমানে আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত আত্রাই উপজেলা। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আমের গাছে গাছে আসতে শুরু করেছে মুকুল। এ যেন ঋতুরাজ বসন্তের আগমন বার্তা।
 
কৃষিবিদ ও আম চাষীরা আশা করছেন বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবং আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবার আমের ভাল ফলন হবে। আমচাষী ও বাগান মালিকেরা বাগান পরিচর্যা করছেন। অবশ্য গাছে মুকুল আসার আগ থেকেই গাছে পরিচর্যা করছেন তারা। গাছে গাছে বালাইনাশক স্প্রে করার দৃশ্য চোখে পড়ছে।
 
উপজেলার প্রতিটি গ্রাম জুড়ে এখন সর্বত্র গাছে গাছে শুধু আমের মুকুল আর মুকুল। মুকুলের ভারে নুয়ে পড়ার উপক্রম যেন প্রতিটি আমগাছ। সেই সুবাদে মৌমাছিরাও শুরু করেছে মধু আহরণে। রঙিন-বন ফুলের সমারোহে প্রকৃতি যেমন সেজেছে বর্ণিল সাজে, তেমনি নতুন সাজে যেন সেজেছে আত্রাই উপজেলার আম বাগানগুলো। আমের মুকুলে ভরপুর আর ঘ্রাণে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সর্বত্র জানান দিচ্ছে বসন্তের আগমনী বার্তা। শোভা ছড়াচ্ছে নিজস্ব মহিমায়। মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে বাগানগুলো।
 
কৃষি অফিস সূত্রে জানা, উপজেলায় বাণিজ্যিক ভাবে আম চাষ না হলেও প্রাথমিক ভাবে এবছর ব্যক্তি উদ্যোগে উপজেলায় প্রায় ১৫ হেক্টরের জমিতে বাণিজ্যিক ভাবে আম বাগান গড়ে তোলা হয়েছে। বাগানে আমরুপালি, ফজলি, খিড়সা, মোহনা, ল্যাংড়া, রাজভোগও গোপালভোগসহ বিভিন্ন জাতের আমের বাগান গড়ে তোলা হয়েছে। এছাড়াও ছোট ছোট পরিত্যাক্ত এবং বাড়ীর আশেপাশের জায়গাগুলোতে অনেক গাছ রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু গাছে মুকুল আসতে শুরুও করেছে। আগামী ফাল্গুন মাসের ১ম সপ্তাহ নাগাদ মুকুলে ছেঁয়ে যাবে প্রতিটি আম গাছ। এ উপজেলার উৎপাদিত আম এলাকার চাহিদা পুরনের পর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়।
 
এব্যাপারে উপজেলার বজ্রপুর গ্রামের সফল আম চাষী মো. মেহেদি হাসান রুবেল জানান, পুরাপুরিভাবে এখনো সব গাছে মুকুল আসেনি। কয়েক দিনের মধ্যেই সব গাছেই মুকুল আসবে। আমি এ আম থেকে অনেক টাকা আয় করেছি।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আমচাষীরা জানান, এখনো সব গাছে মুকুল আসেনি। কয়েক দিনের মধ্যেই সব গাছে মুকুল আসবে। প্রতি বছরই তারা আম গাছ থেকে অনেক টাকা আয় করে থাকেন। এছাড়াও অনেকেই আমের বাগান করেছেন তারাও প্রতিবছর আম থেকে অনেক টাকা আয় করছেন।
 
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কেএম কাউছার হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে আম চাষীদের আম গাছে মুকুল আসার আগে এবং আমের গুটি হবার পর নিয়মিত ছত্রাকনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া জৈব বালাইনাশক ও ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে আমসহ অন্যান্য ফল চাষে কৃষকদেরকে উদ্ধুদ্ধ করা হচ্ছে। তবে আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবং বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আমের ফলন ভাল হবে আশা করছেন তিনি।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget