Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৯টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প পাঁচটি আর সংশোধিত প্রকল্প চারটি।

প্রকল্পগুলোর জন্য ব্যয় হবে প্রায় ১৬ হাজার ৪৩৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার অর্থায়ন করবে ১৩ হাজার ৬২০ কোটি, প্রকল্প ঋণ প্রায় ২ হাজার ৫২৭ কোটি এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন প্রায় ২৮৫ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে নতুন সরকারের দ্বিতীয় একনেক সভায় এই অনুমোদন দেয়া হয়। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের সামনে প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ‘৭০টি মিটার গেজ (এমজি) ডিজেল ইলেকট্রিক (ডিই) লোকোমোটিভ সংগ্রহ (প্রথম সংশোধিত) (প্রস্তাবিত)’ প্রকল্পে ২ হাজার ৬৫৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকার অর্থায়ন করবে ৬১৪ কোটি ৯৯ লাখ এবং প্রকল্প সাহায্য ২ হাজার ৪৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। ২০১১ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করার কথা ছিল। আজকের একনেক সভায় এর মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হলো।

বিদ্যুৎ বিভাগের ‘পল্লী বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণের মাধ্যমে ১৫ লাখ গ্রাহক সংযোগ (১৯.৫ লাখ গ্রাহক সংযোগের সংসথানসহ)’ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৮ হাজার ৬৯০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। সরকারি অর্থায়নে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা ছিল প্রকল্পটি। আজকের একনেকে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হলো।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানকল্পে ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড স্থাপন (সংশোধিত)’ প্রকল্পে ১ হাজার ৩২০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। পুরোটা সরকারি অর্থায়নের এই প্রকল্প ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করার কথা ছিল। আজকের সভায় প্রকল্পের মেয়াদ ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ‘আরিচা (বরঙ্গাইল)-ঘিওর-দৌলতপুর-টাঙ্গাইল সড়কের ষষ্ঠ কিলোমিটারে ১০৩.৪৩ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ’ প্রকল্পে ১০২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া এই প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৯ সালের জুনে। এর সময় বাড়িয়ে করা হলো ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত।

এর মধ্যে নতুন প্রকল্প পাঁচটি। এর মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ‘কক্সবাজারে লিংক রোড-লাবনী মোড় সড়ক (এম-১১০) চারলেনে উন্নীতকরণ’ প্রকল্পে ২৮৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। পুরোটাই সরকারি অর্থায়নের এই প্রকল্প ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ‘ডিজিটাল কানেকটিভিটি শক্তিশালীকরণে সুইচিং ও ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন’ প্রকল্পের জন্য ১৫৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে এই প্রকল্প ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সৈয়দপুর ১৫০ মেগাওয়াট ১০ শতাংশ সিম্পল সাইকেল (এইচএসডি ভিত্তিক) বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ’ প্রকল্পে ১ হাজার কোটি ৯৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩০২ কোটি ৪৭ লাখ, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২১৫ কোটি ৪৭ লাখ এবং ৪৮৩ কোটি ৫ লাখ টাকা। এটি ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের ‘রংপুর বিভাগ বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ এবং পুনর্বাসন’ প্রকল্পে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ হাজার ১২৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার অর্থায়ন করবে ১ হাজার ৮৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৩৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন হবে। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের ‘রাজশাহী বিভাগ বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ও উপকেন্দ্র সম্প্রসারণ এবং পুনর্বাসন’ প্রকল্পে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ হাজার ৯১ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার অর্থায়ন করবে ১ হাজার ৫৬ কোটি ৪৩ লাখ এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

দেশের বাজারে মাসের ব্যবধানে আবারও বাড়ছে স্বর্ণের দাম। প্রতি ভরি স্বর্ণে সর্বোচ্চ এক হাজার ১৬৬ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) থেকে স্বর্ণের নতুন এ দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
এর আগে গত ২ জানুয়ারি প্রতি ভরি স্বর্ণে সর্বোচ্চ এক হাজার ৫১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছিল বাজুস।

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারেও বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়াল।

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারেও সোনা রুপার দাম ওঠা-নামা করে। এ জন্য মঙ্গলবার থেকে বাড়তি দামে স্বর্ণ বিক্রি হবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ দাম বলবত থাকবে।’

নতুন দাম অনুযায়ী, ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতিভরিতে বেড়েছে ১ হাজার ৬৬৬ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ও রুপার দাম।

বাজুস জানায়, নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার ১৫৫ টাকা। ২১ ক্যারেট ৪৭ হাজার ৮২২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪২ হাজার ৮০৭ টাকা। আর প্রতি ভরি সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ অপরিবর্তীত রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ হাজার ৫৮৫ টাকা। প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট রুপা (ক্যাডমিয়াম) দাম এক হাজার ৫০ টাকা।

সারাদেশের স্বর্ণের দোকানগুলোতে সোমবার (২৮ জানুয়ারি) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৪৮ হাজার ৯৮৮ টাকায়, ২১ ক্যারেট ৪৬ হাজার ৬৫৬ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ৪১ হাজার ৬৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি ভরি সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২৭ হাজার ৫৮৫ টাকায়। এ ছাড়া প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট রুপা (ক্যাডমিয়াম) এক হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চুরি হওয়া রিজার্ভের অর্থ ফেরত আনতে চলতি সপ্তাহেই মামলা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।

রোববার (২৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের জরুরি বোর্ড সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া পর্ষদ সভায় চলতি (২০১৮-১৯) অর্থ বছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতির ধরন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ৩০ জানুয়ারি নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করবে গভর্নর ফজলে করিব। পর্ষদ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, রিজার্ভের অর্থ ফেরত আনতে মামলার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রোববার রাত্রে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে। মামলার বিভিন্ন বিষয় পর্ষদে অবহিত করা হয়। এ সময় পরিচালনা পর্ষদ এ বিষয়ে সায় দিয়েছে।

এ বিষয়ে বিএফআইইউর প্রধান আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান বলেন, মামলার রূপরেখা চূড়ান্ত। আমাদের একটি টিম যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে। গিয়েই মামলা করবে। নানা দিক চুলচেরা বিশ্লেষণ করে এগিয়ে যেতে হয়েছে। টাকা উদ্ধারে সব সময় সামনে। তাই কোনো ধরনের তাড়াহুড়া করা হয়নি। আন্তর্জাতিক আইন মোতাবেক এমন ঘটনায় মামলা করতে সর্বোচ্চ তিন বছর সময় পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৪ ফেবরুয়ারি হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সুইফট সিস্টেমে ৭০টি ভুয়া পরিশোধ অর্ডার পাঠিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ হতে মোট ১৯২ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার অবৈধভাবে নেয়ায় চেষ্টা করা হয়। এর মধ্যে একটি পরিশোধ অর্ডারে শ্রীলঙ্কায় দুই কোটি ডলার ও চারটি অর্ডারে আট কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকের একটি শাখার ভুয়া গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট হয়ে জুয়ার বাজারে চলে যায়। শ্রীলঙ্কা থেকে ইতিমধ্যে চুরি হওয়া সব অর্থ ফেরত এসেছে। আর ফিলিপাইনে যাওয়া অর্থের মধ্যে এক কোটি ৫০ ডলার দেশটির কোর্টের আদেশে ফেরত আনা হয়েছে। বাকি ছয় কোটি ৬৪ লাখ ডলার অনাদায়ী রয়েছে, যা আরসিবিসির কাছ থেকে আইনি প্রক্রিয়ায় উদ্ধারের চেষ্টা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের ঘটনায় তিন বছরের মধ্যে মামলা না করলে তার গুরুত্ব কমে যায়। ফলে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।

মোবাইল ফোন সেবায় স্বল্পমেয়াদী ইন্টারনেট ও ভয়েস (কথা বলা) প্যাকেজের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। রোববার সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ইন্টারনেট ও ভয়েস কলের ক্ষেত্রে সব প্রকার প্যাকেজ, অফার বা বান্ডেলের মেয়াদ হবে ন্যূনতম তিন দিন।
এর আগে গত মাসের শুরুতে মোবাইল অপারেটরগুলোকে দেওয়া এক নির্দেশনায় বিটিআরসি প্যাকেজের সর্বনিম্ন মেয়াদ ৭ দিন করার নির্দেশ দিয়েছিল। একই নির্দেশনায় প্যাকেজের সর্বোচ্চ মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩০ দিন। অবশ্য নতুন নির্দেশনায় সর্বোচ্চ মেয়াদ নিয়ে কিছু বলা হয়নি।
বিটিআরসি ২৪ জানুয়ারি নতুন নির্দেশনা জারি করে। এতে বলা হয়েছে, একজন গ্রাহক ‘পে পার ইউজ’ প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ ৫ টাকার ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। নির্ধারিত সীমা অতিক্রান্ত হলে তাঁকে প্যাকেজ কিনতে হবে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু বা অটো–রিনিউ অপশন চালু থাকলে মেয়াদ বা পরিমাণ উত্তীর্ণ হওয়ার পরই প্যাকেজটি নতুন করে চালু হয়ে যাবে। রোববার থেকে এই দুই নির্দেশনা চালু হওয়ার কথা।
বিটিআরসি গত মাসে যে নির্দেশনা জারি করে, তা নিয়ে আপত্তি ছিল মোবাইল অপারেটরগুলোর। তাদের দাবি, তাদের আয়ের একটি বড় উৎস স্বল্পমেয়াদী প্যাকেজ। এরপর বিটিআরসির সঙ্গে মোবাইল অপারেটরগুলোর বৈঠক হয়। বিটিআরসির কর্মকর্তারা গত ১৬ জানুয়ারি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জানান, ২৭ জানুয়ারির পর থেকে ৭ দিনের কম মেয়াদের কোনো ইন্টারনেট প্যাকেজ থাকবে না। এর আগের নির্দেশনায় প্যাকেজের পরিমাণ কমিয়ে ৩৫টিতে নামিয়ে আনতে বলা হয়েছিল। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্যাকেজের সংখ্যা নিয়ে পরে নির্দেশনা জারি করা হবে।

আপনার মোবাইল ফোন কি চুরি হয়ে গেছে? বা হারিয়ে গেছে? এই ফোনকে কি আপনি ব্যবহারের অনুপযোগী করতে চান?তাহলে আগামী কয়েকমাসের মধ্যে এমন সুখবর পেতে যাচ্ছেন আপনি।বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সূত্র বলছে, এবার থেকে চুরি হয়ে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনকে আপনি লক করে ফেলতে পারবেন।

আগামীকাল (২২ জানুয়ারি) থেকে ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপম্যান্ট আইডেন্টি (আইএমইআই) নম্বর ডাটাবেস সেবা চালু হতে যাচ্ছে।আইএমইআই ডাটাবেসের মধ্যে ব্যবহারকারীর মোবাইল ফোনের নম্বর, সিম কার্ডের নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যাদি সংরক্ষণ করে রাখা হবে।ফলে, কোনো মোবাইল ফোন চুরি হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তায় ওই ফোনটিকে লক করে দেয়া যাবে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোন চুরি হওয়ার হার কমে আসবে।আপনার মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বরটি লিখে ১৬০০২ নম্বরে মেসেজ পাঠানোর মাধ্যমে জেনে নিতে পারেন, সেটি ডাটাবেসে সংরক্ষিত হয়েছে কিনা।

চিনা বাদাম বেশ সহজলভ্য এবং উপকারী। রাস্তার মোড়ে মোড়ে দেখা মেলে চিনা বাদাম বিক্রেতার। শখ করে কখনো কখনো হয়তো খাওয়া হয় তবে এর উপকারিতা সম্পর্কে জানলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই বাদাম রাখতে চাইবেন। চিনা বাদামে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, কার্বো-হাইড্রেট ও প্রোটিন আছে। প্রতিদিন একমুঠো চিনা বাদাম খেলে আপনি আপনার শরীরকে অনেক রোগ-বালাই থেকে দূরে রাখতে পারবেন।

বাদাম খাবেন যে কারণে

শরীরের মাত্রাধিক কোলেস্টেরল হৃদরোগ, উচ্চ রক্ত চাপ, ওজন বৃদ্ধি ও ডায়াবেটিস এর মতো কঠিন রোগ সৃষ্টি করে। বাদামের অসাধারণ কার্যকরী ফ্যাট শরীর থেকে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া, এই বাদাম শরীরের চর্বি কমাতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন একমুঠো চিনা বাদাম খেতে পারেন শরীরের কোলেস্টেরল কমাতে।

রাতে ১০-১৫ টি বাদাম পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। চিনা বাদামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ডায়াবেটিস নির্মূলে বিশেষভাবে কার্যকরী।

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একমুঠো বাদাম যুক্ত করে আপনি অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। তাছাড়া এটি আপনার শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করতেও সহায়তা করে।

চিনা বাদামে প্রচুর পরিমাণ বি৩ আছে যা মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। তাই প্রতিদিন চিনা বাদাম বা এর মাখন খাবেন, যাতে করে আপনি স্বয়ংক্রিয় মস্তিস্ক পেতে পারেন।

শরীরে সঠিক পরিমাণ পুষ্টি না থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। চিনা বাদামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরে কঠিন রোগকে বাসা বাধতে বাঁধা দান করে। তাই প্রতিদিন চিনা বাদাম খেয়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান।

বাদাম খাবেন যে কারণেচিনা বাদামের সকল স্বাস্থ্য উপকারিতা পেতে প্রতিদিন অবশ্যই একমুঠো চিনা বাদাম খেতে পারেন। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের পেতে আপনাকে সাহায্য করবে চিনা বাদাম।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget