Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সোমবার দিন ব্যাপী পরিষদ হল রুমে নির্বাহী অফিসার মো: আল মামুন’র সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মসূচী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, তথ্য মন্ত্রনালয়ের সাবেক যুগ্ন সচিব মো: আবুল হোসেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম আল-ফারুক জেমস, সহকারি কমিশনার (ভূমি) টুকটুক তালুকদার, উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো: রুহুল আমিন, শের-এ বাংলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো: মোফাখ্খার হোসেন খান, মহিলা অনার্স কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ চন্দন কুমার মহন্ত প্রমুখ। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে উপজেলা পরিষদের সকল দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক ও সাংবাদিকরা অংশ গ্রহণ করেন।

আতাউর শাহ্, নওগাঁ: নওগাঁর রাণীনগরে সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত মো: এরশাদ আলী প্রাং (৩৭) অর্থাভাবে চিকিৎসা নিতে না পারায় ধীরে ধীরে নেমে আসছে তার জীবনে অন্ধকারের ছাপ। অভাব-অনটনের সংসারে দু’মুঠো ডাল ভাতের আশায় যখন কারো কাছে হাত না বারিয়ে নিজে চার্জার ভ্যান চালিয়ে যতটুকু উপার্জন হতো তা দিয়েই চলতো এরশাদের সংসার। হঠাৎ করে সড়ক দূর্ঘটনায় ডান পায়ে আঘাত পেয়ে ভেঙ্গে যাওয়ায় স্থানীয় চিকিৎসকদের পরামর্শে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
সেখানে যথারীতি চিকিৎসা চললেও সরকারি ঔষুধের পাশাপাশি বাহির থেকে যে সমস্ত ঔষুধ কেনার জন্য চিকিৎসকরা  বলেছিল সেই ঔষুধ কেনার মত টাকা না থাকায় বিনা চিকিৎসায় এখন নিজ বাড়িতে বসে ছটফট করছে। স্থানীয় কিছু হৃদয়বান ব্যক্তি আর্থিক কিছু সহযোগিতায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে সপ্তাহ খানেক চিকিৎসাধীন থাকার পর সেটাও বন্ধ হয়ে গেছে। সব মিলে অর্থ সংকটের কারণে উপযুক্ত চিকিৎসা করতে না পারায় ধীরে ধীরে নেমে আসছে এরশাদের জীবনে অন্ধকারের ছাপ। চিকিৎসকরা বলছে, ভাল চিকিৎসা করতে না পারলে ইনফেকশনের কারণে তার পা হারানো সহ প্রাণনাশেরও আশংকা রয়েছে।
সরেজমিন তার বাড়িতে গিয়ে এরশাদ আলীর স্ত্রী জাহানারা বেগম’র সাথে কথা বলে জানা যায়, নওগাঁর রাণীনগর সদরের সিম্বা গ্রামের  মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে গরীব অসহায় হতদ্ররিদ্র ভ্যান চালক এরশাদ আলী প্রাং তার ছেলে-মেয়েদের লেখা-পড়ার ব্যয় যোগান দিতে একটু উপার্জন বাড়াতে ভ্যান ছেড়ে অটো চার্জার (টমটম) চলানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহাজনের সাথে কথা বলে অটো চার্জার নিয়ে ভাড়ায় চালাতে শুরু করে। এরশাদ আলী তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে কে নিয়ে কোন রকম জীবন চলছিল। পাশাপাশি বড় মেয়ে সিম্বা ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়া-লেখা করতো।
মেয়েটি এবার জে এস সি পরীক্ষায় ৩.২০ পেয়ে উর্ত্তীণ হয়েছে। ছেলে দু’টি ছোট তাই স্কুলে এখনও ভর্তি করায়নি। এরই মধ্যে গত ১২ নভেম্বর ১৮ইং সন্ধ্যায় উপজেলার বেলঘড়িয়া গ্রামের অটো চার্জারের মহাজন সবুজ হোসেন রাণীনগর রেলগেট থেকে এরশাদ আলীকে তার মটরসাইকেলে তুলে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথি মধ্যে আল-আমীন দাখিল মাদ্রাসা’র মোড়ে বিপরীত দিক থেকে আসা ভটভটির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে এরশাদ মারাত্মক ভাবে আহত হয়। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাণীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
সেখানে অর্থো-সার্জারী বিভাগের (সহকারি রেজিষ্ট্রার) চিকিৎসক ডা: মো: এনামুল হক’র মাধ্যম জানা যায়, তার ডান পায়ের হাঁটুর মালি ভেঙ্গে তিন টুকরো হয়ে গেছে। প্রায় ২০ দিন পর অপারেশন করার কয়েক দিনের মধ্যেই তার পায়ে ইনফেকশন দেখা দেয়। তার মধ্যে আবার আগে থেকেই তার ছিল ডায়েবেটিক। সব মিলিয়ে অভাব অনাটনের সংসারে ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই সড়ক দূর্ঘটনা! আহত এরশাদ আলী স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য সমাজের স্বহৃদয়বানদের কাছে নিম্মের এই ঠিকানায় আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

জাহিদুল হক মিন্টু, নওগাঁ : সমাজের আর দশটা মেয়ের চেয়ে আলাদা মৌসুমী সুলতানা শান্ত। নওগাঁয় বাবার করে যাওয়া আওয়ামীলীগের রাজনীতির আতুর ঘরে জন্ম নেয়া মৌসুমী সুলাতানা শান্ত। বাবার আদর্শের পথেই ছোট বেলা থেকে হাঁটি হাঁটি পা-পা করে বেড়ে উঠেছে শান্ত। শান্ত আজ স্কুল, কলেজের গন্ডি পেরিয়ে বিএসএস পাশও করেছে সে। তাছাড়া সে প্রথমে বেসরকারি কোম্পানিতে পরবর্তীতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মার্কেন্টাইল ব্যাংকেও দক্ষতার সাথে চাকুরি করেছেন। পরিবারের কারণে চাকুরি ছেড়ে শান্ত গৃহিনী হিসেবে নিজেকে গুছিয়ে নিয়েছে। শুধু গৃহিনীই নয় এর পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে ছোট বেলা থেকে জড়িত। রাজনৈতিক মিছিল মিটিং যেন তাকে ছাড়েই না। শান্তও নাছর বান্দা। যে কোনো মিছিল মিটিং, সভা-সমাবেশ, র‌্যালি হলেই রাজনৈতিক আবেগের রক্ত তার সাথে জড়িয়ে পড়ে। সকল কাজ কর্ম ছেড়ে মিছিল, মিটিং, সভা-সমাবেশ ও র‌্যালির আগেই এসে হাজির মৌসুমী সুলতানা শান্ত। কখনো ব্যানার ও নেতাদের সামনে। কখনো পিছনে কখনও আবার লম্বা লাইনে হেঁটেই চলেছে। শুধু তাই নয়, সেখানে সে নিজের নতুবা অন্যের মোবাইলে সেলফি তুলতে ভুলও করেনা। সাথে সাথে আবার সোসাল মিডিয়া ফেস বুকে পোস্টও করে থাকে সামাজিক পরিচিতির জন্য। রাজনৈতিক বড় বড় ব্যক্তিবর্গ, প্রশাসনের বিভিন্ন বড় বড় কর্মকর্তার সাথে সেলফি তোলা ও পরিচিত হওয়া যেন তার একটি নেশা। এ কারণে কেই কেই তাকে সেলফি বাজ বলেও ডেকে থাকেন। সাবেক সফল বাণিজ্য মন্ত্রী নওগাঁ আওয়ামীলীগের মহাপ্রাণ আব্দুল জলিল, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমসহ দেশের বরেণ্য নেতাদের সাথেও শান্ত তার নিজের ছবিকে স্থান করে নিয়েছে। যে যাই বলুক না কেন, শান্ত সর্ব শ্রেণি পেশার মানুষের কাছে একটি পরিচিত, প্রিয়-জনপ্রিয় মুখ। বিভিন্ন দিবসসহ সামাজিক নানা কর্মসূচিতেও তার অংশগ্রহণগুলো চোখে পড়ার মতো। বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও কর্মকর্তারাও সেখানে নানা কারণে উপস্থিত থাকতে না পারলেও শান্ত খবর পেলে সেখানে উপস্থিত হতে ভোলেননা।
বিটিবি নিউজের অনুসন্ধানের আয়নায় জানা গেছে, মৌসুমী সুলতানা শান্ত দীর্ঘদিন থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ২০০২ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে যুবমহিলা লীগের কার্যকরী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠনের প্রয়োজনে সব সময় তিনি সকল কার্যক্রমের সাথে সক্রিয় এবং তার উপস্থিতি লক্ষনীয়। তাছাড়া সামাজিক কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে ১৯৯৮ সালে সদর উপজেলার একটি প্রকল্প “উজ্জীবিত নওগাঁ” এর মাধ্যমে বয়স্ক শিক্ষায় আগ্রহীদের মাঝে শিক্ষার আলো বিতরণ করেছেন। মহিলা পরিষদের সদস্য হিসেবে এসিডদগ্ধ মহিলাদের পুনর্বাসন কর্মসূচীতে কাজ করেছেন। মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাথে হ্যান্ডবল, ভলিবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলা, যুব উন্নয়ন থেকে প্রশিক্ষন গ্রহণ করে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে দুস্থ মহিলাদের প্রশিক্ষন প্রদান, এলাকার মানুষের স্বাস্থ্য সেবাসহ নানা ধরনের সহযোগিতা প্রদানসহ সামাজিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করে থাকেন বলেও জানা গেছে। আবার কারো কারো সহযোগিতায় বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসাসহ অন্যান্য সামাজিক প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহযোগিদা প্রদান এবং বর্তমান জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমানের বিভিন্ন ইনোভেশন কর্মসূচীর সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। এ ছাড়াও তিনি জেলা ইনোভেশন টিম, এ্যপেক্স ক্লাব, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, রোটার‌্যাক্ট ক্লাব এবং মাদক বিরোধী সামাজিক আন্দোলন-এর সদস্য হিসেবে সমাজে নানা অবদান রাখছেন বলেও ওই অনুসন্ধানের আয়নায় উঠে এসেছে।
মৌসুমী সুলতানা শান্ত একটি রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম ও বেড়ে উঠা। তার বাবা আবুল বাশার পল্টু জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক ছিলেন। তার বাবা জেলা আওয়ামীলীগের আমৃত্যু উপদেষ্টাও ছিলেন। ব্যক্তিগতভাবে তিনি বিবাহিত এবং এক সন্তানের জননী। শান্ত সমাজের বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষের সাথে মেশার ভাবধারা দেখে মনে হয় সে আর দশটা মেয়ের চেয়ে সে একটু আলাদা প্রকৃতির। ভাল কাজের জন্য কখনও কখনও তিনি প্রতিবাদের ঝড়ও তোলেন তার আবেগের আঙ্গিনায়। নানা কারণেই শান্ত দিন দিন সকলের কাছে জনপ্রিয়, খুব চেনা, পরিচিত একটি মুখে পরিণত হতে চলেছে। সেই সূত্রের সিঁড়ি বেয়ে মৌসুমী সুলতানা শান্ত আগামী উপজেলা নির্বাচনে নওগাঁ সদর আসন থেকে ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রার্থী হিসেবে সকলের দৃষ্টি আকর্ষন, দোয়া ও সহযোগিতা চেয়ে যাচ্ছেন। মৌসুমী সুলতানা শান্ত সমাজে নানা পরিবর্তনের আলো ছড়াতে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে সদর উপজেলা থেকে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বেশ আগ্রহী ও ব্যস্ত সময় পার করছেন বলেও জানা গেছে।

এবার এক পর্বে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। দ্বন্দ্ব নিরসনের পর তাবলীগ জামাতের দুই পক্ষ মিলে ১৫-১৭ ফেব্রুয়ারি ইজতেমা আয়োজন করবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ।

তাবলীগের দুই পক্ষ এক হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দফতরে তাবলীগ নেতাদের নিয়ে বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, ধর্ম সচিব মো. আনিছুর রহমান, তাবলীগের সুরা সদস্য মাওলানা জুবায়ের, সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে তাবলীগে বিশৃঙ্খলা চলছে। এটাকে প্রশমিত করার জন্য সকলে মিলে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বুধবার (২৩ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতরে সব পর্যায়ের সবাইকে নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে দুই গ্রুপকে একসঙ্গে বসাতে সক্ষম হয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘সেখানে আমরা একটা ঐক্যমতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি যে, এবার বিশ্ব ইজতেমা একসঙ্গে এক জায়গায় এবং উভয় গ্রুপ মিলেই করবে।’

কিছু কর্মপদ্ধতি ও ইজতেমার তারিখ নির্ধারণের জন্য আজকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছিল জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দু’পক্ষ মিলে তারিখ ঠিক করেছে, সরকারের পক্ষ থেকে কিছু চাপিয়ে দেয়া হয়নি। আমরা বলেছি এ কাজটি একতাবদ্ধভাবে করতে হবে যেন দেশবাসী খুশি হয়। ওনারা রাজি হয়েছেন।’

‘দুই পক্ষ দুইটা ডেট ঠিক করছিলেন। একদল বলেছিলেন ৮ তারিখে (৮, ৯, ১০ ফেব্রুয়ারি), আরেক দল বলেছিল ২২ (২২, ২৩, ২৪ ফেব্রুয়ারি)। তখন মীমাংসার পথ হিসেবে আমরা প্রপোজ করেছি, এমন না হয় এক পক্ষ বলবে ওনাদের কথামত তারিখটা ঠিক হল। আমরা দু’টার মাঝামঝি একটা তারিখ রাখলাম ১৫, ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি। এই তিনদিন একসঙ্গে টঙ্গীর ময়দানে অন্যান্য বছরের মতো বিশ্ব ইজতেমটা সুন্দরভাবে পালিত হবে’ বলেন শেখ আব্দুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্ববাসীর কাছে আবেদন করব, আপনারা জেনে খুশি হবেন বাংলাদেশে তাবলীগ জামাত নিয়ে কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব নেই। গোলামাল-গোলযোগ নেই, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা নেই। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সুশৃঙ্খলভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়োজিত রেখে ইজতেমাটা সুন্দরভাবে করার একটা প্রয়াস নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপের কারণেই আমরা এটি করতে সক্ষম হয়েছি’ বলেন প্রতিমন্ত্রী।

ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সুবিধার্থে বিগত বছরগুলোতে দু’পর্বে বিশ্ব ইজতেমা হয়েছে- এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এবার একবারেই হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যাতে কোনো ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে না পারে তা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করা দরকার করা হবে।’

ঐক্যবদ্ধভাবে ইজতেমা করার জন্য দু’পক্ষের কিছু শর্ত ছিল, সেগুলো নিষ্পত্তি হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যদি কোনটা মিটমাট না হত তাহলে ঐক্যবদ্ধ হল কীভাবে। ওনাদের সব প্রশ্নের সন্তোষজনক সমাধান করতে পারছি বলেই তাদের আমরা সন্তুষ্ট করতে পেরেছি। এক হয়ে (ইজতেমা) করতেছে মানেই আমরা তাদের অল্প হলেও সন্তুষ্ট করতে পেরেছি। একদিনে সবটুকু হয় না।’

‘লেট আস হোপ ফর দ্য বেস্ট। ভবিষ্যতে আরও সময় পাব সেই সময়ে চেষ্টা করব যেটুকু বাকি আছে সবটুকু সমাধান করে চিরদিনের জন্য দ্বন্দ্ব দূর করব।’

তাবলীগ জামাতের দিল্লীর আমীর মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বিভিন্ন সময়ের বক্তব্য নিয়ে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে বাংলাদেশের তাবলীগ জামাত। আলেমরা সাদ বিরোধী ও সাদপন্থী দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। এক গ্রুপে রয়েছেন সাদ কান্ধলভিপন্থী বাংলাদেশ তাবলিগের শুরা সদস্য সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম। অপর গ্রুপে রয়েছেন মাওলানা সাদ বিরোধী কওমীপন্থী শুরা সদস্য মাওলানা জুবায়ের আহমেদ।

এই বিভক্তি চরম আকার ধারণ করে গত বছরের জানুয়ারিতে বিশ্ব ইজতেমার সময় মাওলানা সাদের বাংলাদেশে আসার পর। বিরোধীদের বাধার মুখে ইজতেমায় অংশ না নিয়েই মাওলানা সাদকে ওই সময় বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল।

গত ১ ডিসেম্বর ইজতেমা মাঠে দুই পক্ষের হতাহতের ঘটনাও ঘটে। টঙ্গীতে তুরাগ নদীর তীরে বিশ্বের মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় সম্মেলন ‘বিশ্ব ইজতেমা’র আয়োজনও করেছিল তাবলীগ জামাত। তবে নির্বাচনের আগে সরকার দুই পক্ষের সঙ্গে সভা করে ইজতেমা স্থগিত করে। সরকারের পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়েছিল, নির্বাচন শেষে দু’পক্ষের সঙ্গে বসে অভিন্ন ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সভায় দুই পক্ষের বিবাদ নিরসন হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

স্মরণশক্তির জোড়ে মুখস্থ করার মতো অস্বাভাবিক নানা ঘটনার কথা প্রায়ই শোনা যায়। তেমনই এক বিস্ময় বালক কুমিল্লার ৯ বছরের মো. রাফসান মাহমুদ জিসান। মাত্র ৪৯ দিনে কোরআনে হাফেজ হয়ে বিস্ময়কর ঘটনার জন্ম দিয়েছে অদম্য এই মেধাবী শিশু।কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিপুলাসার ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের প্রবাসী বাহার উদ্দিনের ছেলে রাফসান। সে শহরের ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের হিফজ বিভাগ থেকে অনন্য এ কীর্তি গড়েছে।ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের হিফজ বিভাগের শিক্ষক জামাল উদ্দিন জানান, রাফসান দেশের বিস্ময় বালক। তার মেধা সাধারণের চাইতে অনেক বেশি।

৪৯ দিনে কোরাআনের ৩০ পারাই মুখস্থ করেছে।তিনি বলেন, ‘গত বছরের নভেম্বরের ২ তারিখে রাফসানকে কোরআন শরিফের ৩০তম পারা মুখস্থ করতে দেই। দিন শেষে রাফসান গড়গড় করে ৩০তম পারাটি মুখস্থ বলে দেয়। এতে অবাক হলেও হয়ত আগে থেকেই পারাটি তার মুখস্থ ছিল ভেবে পরেরদিন আবার তাকে প্রথম পারা মুখস্থ করতে দেই। একইভাবে সে দ্রুত ওই পারাটিও মুখস্থ বলে দেয়।

এভাবে কোরআনের পাঁচটি পারা কয়েকদিনের মধ্যে মুখস্থ করে দিলে আমরা নিশ্চিত হই, রাফসান আর সব শিশু থেকে আলাদা। তার স্মরণশক্তি প্রখর।এভাবে প্রতিদিনই এক পারা করে মুখস্থ করে যেতে থাকে ও পেছনের আয়াতগুলো ঝালিয়ে নিতে থাকে রাফসান।রাফসানের এখন পুরো কোরআন শুনানি চলছে বলে জানান শিক্ষক জামাল উদ্দিন।স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাফসানের মা শাহিনা আক্তার ২০১৭ সালে ছেলেকে নুরানি দ্বিতীয় বর্ষে ভর্তি করে। এক বছর রাফসান প্রথম শ্রেণির বই পড়ার সঙ্গে কোরআন পড়াও শেষ করে। এরপরই ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে তাকে একই বিদ্যালয়ের হিফজ বিভাগে ভর্তি করা হয়।

তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে ফেসবুকে ভুয়া খবর ঠেকানোর বিষয়ে আরও কঠোর হচ্ছে ফেসবুক। যেসব পেজ ও গ্রুপ থেকে ভুয়া খবর ছড়ানো হবে তা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। গত বুধবার এ বিষয়ে সতর্ক করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছে, কোনো পেজ বা গ্রুপের ক্ষেত্রে যদি কমিউনিটি গাইডলাইন ভাঙার প্রমাণ পাওয়া না যায়, তারপরও ভুয়া খবর ছড়ালে সক্রিয়ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফরচুন অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ফেসবুকের পক্ষ থেকে পেজের ব্যবস্থাপকদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, ফেসবুক যদি কোনো কনটেন্ট মুছে ফেলে বা সরিয়ে দেয় বা যে পোস্টের কারণে কোনো পেজ বন্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে তা আবার নতুন পেজে পোস্ট করা হয় তবে সে পেজও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

রাশিয়ার উৎস থেকে তৈরি ৩৬৪টি পেজ বন্ধ করে দেওয়ার পর ফেসবুকের পক্ষ থেকে ভুয়া খবর রোধে এমন ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা এল। ওই পেজগুলোর বিরুদ্ধে সমন্বিত ভুয়া আচরণের অভিযোগ করেছে ফেসবুক।

এক ব্লগ পোস্টে ফেসবুক বলেছে, বিস্তৃত তথ্যের ওপর নির্ভর করে তারা নীতিমালা প্রয়োগ করবে। বিশেষ করে পেজের নাম বা একই অ্যাডমিন কিনা তা খতিয়ে দেখবে।

ফেসবুকের নিয়ম অনুযায়ী, নিষিদ্ধ বা বাতিল হওয়া পেজের অনুরূপ পেজ তৈরি করার সুযোগ দেয় না তারা। তবে দুর্বৃত্তরা একধাপ এগিয়ে থেকে তাদের অন্য পেজগুলোকে এ নেটওয়ার্কের আওতায় আনে এবং সেখানে ভুয়া খবর ছড়াতে থাকে।

এর আগে ফেসবুক হিস্টরি নামের এক ফিচার এনেছে যাতে গ্রুপ ও পেজের জন্য চালু করা হয়। এতে গ্রুপ কখন তৈরি হয়েছে, এর আগের নামসহ বেশ কিছু তথ্য দেখতে পান ব্যবহারকারী।

ফেসবুক ঘোষণা দিয়েছে তারা পেজ ও গ্রুপের জন্য ‘পেজ কোয়ালিটি’ নামের একটি আলাদা ট্যাব চালু করবে। এ ফিচারটির মাধ্যমে কনটেন্ট বাতিল, নীতিমালা ভঙ্গের কারণসহ বিস্তারিত তথ্য থাকবে। পেজের বিষয়টিকে আরও স্বচ্ছ করতে ফেসবুক এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে ভুয়া খবরকে ফেসবুক তাদের প্ল্যাটফর্মে ‘অস্তিত্ব-হুমকি’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানায়। মার্কিন এ সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে বলা হয়, ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ ভুয়া খবর ও তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বড় আকারের দল গঠন করেছেন।

ফেসবুকের নিউজ পার্টনারশিপ বিভাগের প্রধান মনীশ খানদুরি বলেন, ‘প্ল্যাটফর্মে হুমকি হয়ে আছে ভুয়া খবর। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভুয়া খবর ঠেকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে ফেসবুক। পর্নোগ্রাফির মতো যদি কোনো পোস্ট কমিউনিটির মানদণ্ড ভঙ্গ করে, এর জন্য শক্তিশালী প্রক্রিয়া আছে এবং তা দ্রুত নামিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু কেউ যখন কোনো পোস্টকে কোনো দলের রাজনৈতিক প্রচার বলে দাবি করে, তখন আমরা সন্দেহের বশে কিছু করতে পারি না।’

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget