Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাট আগ্রাদিগুন বাজার হতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নওগাঁ পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় এসআই মিজানুর রহমান সংগীয় অফিসার ফোর্সসহ একটি দল, অভিযান পরিচালনা করে ৬০ বোতল ফেন্সিডিল সহ ১ জনকে আটক করেছে।
আটককৃত ব্যক্তি হলেন ধামইরহাট উপজেলার কাশিপুর গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী কোরবান আলী (২৫) ।
নওগাঁ পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বুধবার সকালে ধামইরহাট আগ্রাদিগুন বাজার থেকে ৬০ বোতল ফেন্সিডিলসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী কোরবান আলীকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দিয়ে গতকাল দুপুরে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: মৌসুমি বায়ু পরিবর্তনের সাথেই পৌষের হাড় কাঁপানো শীতেও বিভিন্ন প্রজাতির দেশি-বিদেশি পরজয়া অতিথি পাখির আগমনে মুখরিত ও অভয়াশ্রমে পরিনত হয়েছে বেনাপোল পদ্মবিল। পঞ্চাশ গজ দূরেই ওপারে ভারতের কাটাতারের বেড়া, পাশেই সবুজ বেষ্টনীতে ঘেরা যশোরের শার্শা উপজেলার লক্ষনপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রাম। এই গ্রামের পাশেই প্রায় ৭০ বিঘা জমির জলাশয় নিয়ে পদ্মবিল। পদ্মবিলে হরেক রকম পাখির অভ্যারন্য গড়ে উঠেছে। নিরিবিল মনোরম পরিবেশে গড়ে ওঠা অভয়াশ্রমে পাখির কলতানে মুখরিত গোটা এলাকা। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন শতশত পাখি প্রেমি ও নারী শিশুসহ সাধারন দর্শনার্থীরা ভিড় করছে পদ্মবিলে। উপভোগ করছেন প্রাকৃতিক দৃশ্য। নিরাপদ ও এলাকাবাসির কড়া নজরদারী থাকায় সবুজ বেষ্টনী ঘেরা জলাশয়ে পাখির অভয়ারন্য গড়ে উঠেছে বলে সাংবাদিক রাসেল ইসলামকে জানান স্থানীয়রা।
দর্শনার্থী আব্দুল জববার ও আলী হোসেন বলেন, সরাইল, পানকৌড়ি, ডংকুর, বেগ ও কাসতেচুড়াসহ অসংখ্য পাখি চরছে জলাশয়ে। উড়ছে তারা আকাশ নীড়ে। পাখির কিচির মিচিরে মুগ্ধ হচ্ছে মানুষ। দেশি ও বিদেশি জাতের-বিভিন্ন স্থান থেকে ঝাকে ঝাকে আসছে অতিথি পাখি। দেখছে সবাই প্রাণভরে, মন জুড়াচ্ছে ঘুরে ফিরে। গ্রাম ও শহর থেকে আসছে মানুষ অতিথি পাখির অভয়াশ্রমে। প্রকৃতির দৃশ্য ও পাখির আওয়াজ দেখছে তারা প্রাণ খুলে। শিশু যেমন মাতৃক্রোড়ে সুন্দর তেমনি, পাখি সুন্দর নির্জন জলাশয়ে । এ অভয়াশ্রমে এসে পুলকিত তারা।
দুর্গাপুর গ্রামের মনির হোসেন ও মোহম্মাদ আলী বলেন, নাজুক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে দর্শনার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বেশ। উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা যদি অভয়শ্রমের পাখির খোঁজ-খবর নিত তাহলে আরো বেশি পাখি এখানে আসতো। তারা উপজেলা প্রাণীসম্পদ ও বন বিভাগের সহযোগিতা কামনা করেন ।লক্ষনপুর ই্উনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারা বেগম জানান, পাখির এ অভয়াশ্রম রক্ষায় গ্রামবাসি কাজ করছেন দীর্ঘদিন ধরে। পদ্মবিল পরিদর্শন করেছেন তিনি। যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ থাকায় বিষয়টি সুরাহের জন্য উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
শার্শা উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা জয়দেব কুমার সিংহ বলেন, সন্ধায় আসে হাজার হাজার পাখি। সকালে খাদ্যের সন্ধানে ফিরে যায় তারা। তবে উপজেলায় অনেকস্থানে পাখি শিখারীরা ফাঁদ ও ইয়ারগান দিয়ে পাখি শিকার করছেন। এসব পাখি শিকারীদের আমরা কঠোর নজরদারিতে রাখছি।পরিবেশে যেন বিরুপ প্রভাব না পড়ে তার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। পদ্মবিলসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পখি সংরক্ষণে কাজ করছেন যাচ্ছেন উপজেলা প্রাণীসম্পদ বিভাগ।

মাহমুদুন নবী বেলাল, নওগাঁ: খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জন করেছি। এখন প্রয়োজন নিরাপদ, ভেজালম্ক্তু এবং পুষ্টিমান সম্পন্ন খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা। তার কারন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত এবং সুস্থ্য জাতি গঠনের মধ্যে দিয়ে বিশ্বে একটি উন্নত দেশ গঠনের যে ভিশন সেই লক্ষ নিয়ে সরকার কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে সকলকে এক হয়ে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। সব চেয়ে বড় অস্ত্র হচ্ছে সততা। সততার সাথে নিষ্ঠার সাথে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের মধ্যে দিয়ে আমরা দেশের উল্লেখযোগ্য এই খাদ্য সেক্টরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

তিনি মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় নওগাঁ সার্কিট হাউসে খাদ্য বিভাগের রাজশাহী বিভাগীয় মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময়সভায় এসব কথা বলেছেন।


বাজারে চালের সামান্য মুল্য বৃদ্ধ সম্পর্কে তিনি বলেছেন নির্বাচনে কয়েকদিন যানবাহন বন্ধ থাকায় এবং কুয়াশার কারনে কয়েকদিন বিশেষ করে চালের দাম দু’এক টাকা বেড়েছিল। কিন্তু সরকারের তাৎক্ষনিক পদক্ষেপ নেয়ার কারনে বর্তমানে ধান চালের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। চালসহ খাদ্যশষ্যের বাজার যাতে স্থায়ীভাবে স্থিতিশীল থাকে সে লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জেলায় জেলায় একটি করে এবং ঢাকায় পৃথক ৪টি তদারকি টীম গঠন করা হয়েছে।

তিনি খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন খাদ্য শষ্য সংগ্রহ করতে কোয়ালিটি নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৃষকদের যাতে হয়রানীর শিকরা না হতে হয় সেদিকে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি সকলকে একসাথে কাজ করে আমাদের যে ভিশন তা অর্জনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর মুখ উজ্জল করার তাগিদ দেন। এ ক্ষেত্রে তিনি উল্লেখ করেন খাদ্য বিভাগ একটি স্পর্শকাতর বিভাগ। চালের দাম দু’টাকা বৃদ্ধি পেলেও দোষ আবার দু’টাকা কমে গেলেও দোষ।

নওগাঁ’র জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই মত বিনিময়সভায় নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ ছলিম উদ্দিন তরফদার, খাদ্য মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব ওমর ফারুখ এবং খাদ্য অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক আরিফুর রহমান অপু, রাজশাহী বিভাগীয় খাদ্য কর্মকর্তা কামাল হোসেন, নওগাঁ’র পুলিশ সুপার মোঃ ইকবাল হোসেন বক্তব্য রাখেন।

এ সময় রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার  জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্ত্,া খাদ্যগুদাম সমুহের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

খাদমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার সান্তাহার সাইলো এবং সদর খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করেন। পরে তিনি নওগাঁ নওযোয়ান মাঠে পৌর আওয়ামীলীগ আয়োজিত এক সম্বর্ধনাসভায় যোগদান করেন। পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি দেওয়াপন ছেকার আহম্দে শিষান সম্বর্ধনাসভায় সভাপতিত্ব করেন। আওয়ামীলীগ, বিভিন্ন অংগ সংগঠন ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
খাদ্যমন্ত্রী মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার এই প্রথশ নওগাঁ আসেন। বগুড়া জেলার আদমদিঘী থেকে নওগঁসহ তাঁর সংসদীয় এলাকা পোরশা, নিয়ামতপুর ও সাপাহার উপজেলার হাজার নেতাকর্মী তাঁকে সম্বর্ধনা দিয়ে নওগাঁ নিয়ে আসেন।





নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জন করেছি। এখন প্রয়োজন নিরাপদ, ভেজালম্ক্তু এবং পুষ্টিমান সম্পন্ন খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা। তার কারন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত এবং সুস্থ্য জাতি গঠনের মধ্যে দিয়ে বিশ্বে একটি উন্নত দেশ গঠনের যে ভিশন সেই লক্ষ নিয়ে সরকার কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে সকলকে এক হয়ে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। সব চেয়ে বড় অস্ত্র হচ্ছে সততা। সততার সাথে নিষ্ঠার সাথে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের মধ্যে দিয়ে আমরা দেশের উল্লেখযোগ্য এই খাদ্য সেক্টরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।  

তিনি মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় নওগাঁ সার্কিট হাউসে খাদ্য বিভাগের রাজশাহী বিভাগীয় মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময়সভায় এসব কথা বলেছেন।

বাজারে চালের সামান্য মুল্য বৃদ্ধ সম্পর্কে তিনি বলেছেন নির্বাচনে কয়েকদিন যানবাহন বন্ধ থাকায় এবং কুয়াশার কারনে কয়েকদিন বিশেষ করে চালের দাম দু’এক টাকা বেড়েছিল। কিন্তু সরকারের তাৎক্ষনিক পদক্ষেপ নেয়ার কারনে বর্তমানে ধান চালের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। চালসহ খাদ্যশষ্যের বাজার যাতে স্থায়ীভাবে স্থিতিশীল থাকে সে লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জেলায় জেলায় একটি করে এবং ঢাকায় পৃথক ৪টি তদারকি টীম গঠন করা হয়েছে।

তিনি খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন খাদ্য শষ্য সংগ্রহ করতে কোয়ালিটি নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৃষকদের যাতে হয়রানীর শিকরা না হতে হয় সেদিকে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি সকলকে একসাথে কাজ করে আমাদের যে ভিশন তা অর্জনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর মুখ উজ্জল করার তাগিদ দেন। এ ক্ষেত্রে তিনি উল্লেখ করেন খাদ্য বিভাগ একটি স্পর্শকাতর বিভাগ। চালের দাম দু’টাকা বৃদ্ধি পেলেও দোষ আবার দু’টাকা কমে গেলেও দোষ।

নওগাঁ’র জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই মত বিনিময়সভায় নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. ছলিম উদ্দিন তরফদার, খাদ্য মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব ওমর ফারুখ এবং খাদ্য অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক আরিফুর রহমান অপু, রাজশাহী বিভাগীয় খাদ্য কর্মকর্তা কামাল হোসেন, নওগাঁ’র পুলিশ সুপার মোঃ ইকবাল হোসেন বক্তব্য রাখেন।

এ সময় রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার  জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্ত্,া খাদ্যগুদাম সমুহের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

খাদমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার সান্তাহার সাইলো এবং সদর খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করেন। পরে তিনি নওগাঁ নওযোয়ান মাঠে পৌর আওয়ামীলীগ আয়োজিত এক সম্বর্ধনাসভায় যোগদান করেন। পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি দেওয়াপন ছেকার আহম্দে শিষান সম্বর্ধনাসভায় সভাপতিত্ব করেন। আওয়ামীলীগ, বিভিন্ন অংগ সংগঠন ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার এই প্রথশ নওগাঁ আসেন। বগুড়া জেলার আদমদিঘী থেকে নওগঁসহ তাঁর সংসদীয় এলাকা পোরশা, নিয়ামতপুর ও সাপাহার উপজেলার হাজার নেতাকর্মী তাঁকে সম্বর্ধনা দিয়ে নওগাঁ নিয়ে আসেন।

বাবুল আকতার,সাপাহার(নওগাঁ): নওগাঁর সাপাহার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জবাই বিল ও সীমান্তবর্তী পুর্ণভবা নদীতে খাবার খুঁজতে এসে প্রতিদিন ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি শিকারীদের হাতে ধরা পড়ছে।
অবাধে পাখি শিকার করায় একদিকে যেমন বিলের সৌন্দর্য্য নষ্ট হচ্ছে অন্য দিকে হুমকির সম্মূখীন হচ্ছে জবাই বিলের জীব-বৈচিত্র।
স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে একদল শিকারী প্রতিদিন বিল ও নদী থেকে পাখি শিকার করে বিভিন্ন গ্রাম বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রয় করছে। পাখি শিকার যে “আইনত দন্ডনীয় অপরাধ” তা জানা সত্বেও পাখির মাংসের স্বাদ ও টাকার লোভে এক শ্রেনীর মানুষ রুপি অমানুষ এই অসহায় পাখি গুলো শিকার করছে।
জবাইবিল জীব বৈচিত্র সংরক্ষন কমিটির সভাপতি সোহানুর রহমান সবুজ জানান, বর্ষার শেষ ভাগে বিলে পানি কমতে শুরু করার কারণে বিলের জমি জেগে ওঠে। ওই জমিতে অল্প পরিমাণে পানি থাকায় দু-একটি ছোট মাছ ও শামুক, পোকা মাকড় থাকে যা খাওয়ার লোভে অতিথি ও দেশীয় প্রজাতির পাখিরা দল বেধেঁ বিলে ভিড় জমায়। এই সুযোগেই কিছু লোভী শিকারী বিল ও নদীর জলে ফাঁস জাল, বিশেষ ফাঁদ ও দানাদার বিষ দিয়ে বিভিন্ন কৌশলে পাখি শিকার করে। এ ছাড়া ও বিলে এক শ্রেণীর মৎস্যজীবি মাছের পাশা-পাশি ভোর রাতে কারেন্ট জাল দিয়ে বক, বালিহাস, চাহা সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি শিকার করে। তিনি আরও জানান এবার শীতে অন্যান বছরের তুলনায় ঐতিহ্যবাহী জবই বিলে অতিথি পাখির অবাধ বিচরন দেখা গেছে। জবাই বিল জীববৈচিত্র সংরক্ষন কমিটির সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে বিল থেকে বিলুপ্ত ও হারানো প্রজাতীর পাখি পাতি সরালি উবহফৎড়পুমহধ লধাধহরপধ আবার বিলে ফিরে আসছে।
জবাই বিল ও পূর্ণভবা নদীতে এই পাখিরা দিন রাত বিচরন করছে। জবাই বিল ও পূণৃভবা নদীর  সৌন্দর্য্য বর্ধনে অতিথি পাখির বিচরন এবার নতুন রুপ দিয়েছে। দিনরাত কিচির মিচির আর কলতানে মুখরিত বিল ও নদী যা দেখে পাখি প্রেমিকদের মন জুড়িয়ে যাবে । অত্যান্ত দুঃখজনক হলেও সত্য এই সুন্দর পাখিগুলো বিভিন্ন সময়ে শিকারীর হাতে ধরা পড়ছে! রাতের আধারে শিকারীরা বিলে ও নদীর জলে জাল পেতে রেখে অবাধে ওই পাখি শিকার করছে। জবাই বিল জীব বৈচিত্র সংরক্ষন কমিটির সদস্যগণ সম্প্রতি একজন শিকারীকে হাতে নাতে ধরতে সক্ষম হয়। এ সময় শিকারীর নিকট থেকে পাখি ও জাল আটক করা হয়। পরে আটকৃত শিকারী ভুল স্বীকার করায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
জীব বৈচিত্র সংরক্ষনে পরিবেশ বাদী সংগঠনের তৎপরতা ও স্থানীয় বন বিভাগসহ প্রশাসনের কড়া নজরদারী ও জন সচেতনা মুলক কর্মকান্ড অব্যাহত থাকলে অল্প সময়ে বন্য প্রানী ও পাখি শিকার বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ দিকে তথ্য অনুসন্ধানে জানাগেছে উপজেলার কলমুডাঙ্গা চৌমুহনী বাজারে প্রতিদিন সকালে প্রতি জোড়া চাহা পাখি ১৫০ থেকে ২০০টাকা, বালিহঁস প্রতিটি ৩০০টাকা, বক ও কক পাখি ৩০০টাকা জোড়া বিক্রি হচ্ছে। জবাই বিল ও পুর্ণভবা নদী এলাকায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জবাই বিল জীববৈচিত্র সংরক্ষন কমিটির সদস্যরা অতিথি পাখি শিকার বন্ধে প্রচারণা চালালেও জনসচেতনতার অভাবে পাখি শিকার রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। উল্লেখ্য যে ২০১২ সালে এই বিষয়ে আইন পাশ হলেও পাখি শিকার বন্ধে ওই আইনের প্রয়োগ নেই। সরকারি ভাবে পদক্ষেপ গ্রহনের পাশা পাশি জন প্রতিনিধিসহ সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় পাখি শিকার বন্ধ করা সম্ভব হবে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ জেলার সাপাহার উপজেলার আইহাই ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে গর্ভবতী মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০টায় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  ডিসট্রিক্ট কনসালটেন্ট ও সহকারী পরিচালক ডা: মো: কামরুল আহসান।
সাপাহার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো: আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইহাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: হামিদুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক আব্দুল খালেক, ইমরুল কায়েস প্রমূখ।
সমাবেশে প্রায় শতাধিক গর্ভবতী মায়েদের প্রসবপূর্ব, প্রসবকালীন, প্রসব পরবর্তী সেবা এবং পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহার বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা হয়।
এ ব্যাপারে নওগাঁ ডিসট্রিক্ট কনসালটেন্ট ও সহকারী পরিচালক জানান, নওগাঁ জেলায় মাতৃ মৃত্যুর হার প্রতি লাখে ১২২জন। এই মাতৃ মৃত্যুর হার কমানো, প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভেরি বৃদ্ধি ও শিশু মৃত্যুর হার কমানো এবং পরিবার পরিকল্পনার হার বৃদ্ধি করার জন্যই এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। বছরব্যাপী আমাদের এই কর্মসূচী পর্যায়ক্রমে সাড়া জেলায় পরিচালিত হবে।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget