Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

নওগাঁ প্রতিনিধি: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁয় নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারনা ও গণসংযোগ করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সাংসদ বদলগাছী থানার আয়োজনে এবং সাবেক পুলিশ সুপার মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর  সিদ্দিকের পত্নী সখিনা সিদ্দিকের সৌজনে এ প্রচারণা শুরু হয়।

প্রথমে বুধবার বেলা ১২টায় নওগাঁ শহরের চকপ্রান মহল্লায় মরহুম আব্দুল জলিলের কবর জিয়ারত করে আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এরপর জলিলপুত্র ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জনের পক্ষে শহরের বিভিন্ন স্থানে নৌকা মার্কায় ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা এবং গণসংযোগ করেন মুক্তিযোদ্ধারা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধার পত্নী সখিনা সিদ্দিক, বদলগাছী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধার সাবেক কমান্ডার জবির উদ্দিন, সাবেক সেনা সাজেন্ট মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই, আব্দুর রহিম দেওয়ান, সামসুল আলম, আফাজ উদ্দিন, বেলালুর রহমান, মোতালেবুর রহমান, কাজী ইসারত আলী, নজরুল ইসলাম, তোফাজ্জল হোসেন, সাইদুল ইসলাম, মজিবুর রহমান।

মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, মরহুম জলিল ছিলেন আমাদের সহযোদ্ধা। তিনি ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে ৭ নম্বর সেক্টরে ভারতের বালুরঘাঁট ক্যাম্পে কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে আমরা যুদ্ধ করে নওগাঁকে শুক্রমুক্ত করে স্বাধীন করেছি। তার ছেলে ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন জাতীয় সংসদ নির্বাচন করছে। তাকে বিজয়ী করতেই আমরা প্রচারণায় নেমেছি। এছাড়া অন্যান্য উপজেলায় আমরা প্রচার-প্রচারনা করা হবে বলে জানান তারা।

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নওগাঁ-৬ আসনে বিএনপির নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন সহোদর দুই ভাই। দুই ভাইয়ের মধ্যে চলে আসা এক যুগের বৈরি সম্পর্ক পরিণত হয়েছে ভ্রাতৃত্বের সুসম্পর্কে। যে রাজনীতি আপন দুই ভাই আলমগীর কবীর ও ছোট ভাই আনোয়ার হোসন বুলুর মাঝে বৈরি সম্পর্কের পাহাড় তৈরি করেছিলো, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই রাজনীতিই আবার ওই বৈরি সম্পর্কের পাহাড়কে ভেঙ্গে ভ্রাতৃত্ববোধের সুসম্পর্ক ফিরিয়ে আনলো।
দুই ভাই হচ্ছেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত ৩ বারের সংসদ সদস্য ও জোট সরকারের সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির ও তারই ছোট ভাই বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন বুলু।

১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত বিভাগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা আলমগীর কবীর। ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শেষের দিকে আলমগীর কবীর এলডিপিতে যোগ দেন। একই বছরে এলডিপি থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর তার ছোট ভাই বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন বুলু (আত্রাই-রাণীনগর) এই দুই উপজেলার বিএনপির হাল ধরেন।
নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনে বিএনপির সংকটময় ক্রান্তিকালে নেতাকর্মীদের পাশে অভিভাবক হিসেবে দাঁড়ান আনোয়ার হোসেন বুলু। তিনি নেতাকর্মীদের সকল বিপদে-আপদে পাশে ছিলেন সর্বত্র। আনোয়ার হোসেন বুলু গত ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বর্তমান সংসদ সদস্য মো: ইসরাফিল আলমের কাছে পরাজিত হন। তারপরও আনোয়ার হোসেন বুলু এই আসনে ধানের শীষের হাল ধরে রেখেছেন প্রায় ১ যুগ ধরে। তাকেই মনোনয়ন দেওয়ার দাবী ছিলো এই আসনের বিএনপির নেতা- কর্মীদের। কিন্তু হঠাৎ করেই নাটকীয় ভাবে তার বড় ভাই আলমগীর কবীর দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর পর পুণরায় বিএনপিতে ফিরে আসেন। এতবছর পর রাজনীতিতে আলমগীর কবিরের ফিরে আসা নিয়ে বিএনপি নেতা ও এলাকাবাসীদের মাঝে শুরু হয় নতুন হিসেব-নিকাশের।
অবশেষে দল থেকে তাকেই জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি থেকে ধানের শীষের মনোনিত প্রার্থী করে প্রতিক দেওয়া হয়। এতে দুই উপজেলার বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, হতাশা, চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষের দেখা দিয়েছিলো। অনেকে দুংখ প্রকাশ করেছেন। কেউ রাজনীতি করবে না, এমনকি ধানের শীষে ভোটও দিবে না বলেও বলতে শোনা গেছে।

অপরদিকে গত ২২ নভেম্বরে নওগাঁ-৬ আসনের বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতারা আলমগীর কবীরকে অবাঞ্ছিতও ঘোষণা করে। কিন্তু রাজনীতি দুই ভাইয়ের মধ্যকার দা-কুড়াল সম্পর্ককে আর দীর্ঘ করে রাখলো না। বর্তমানে দুই ভাই এক হয়ে নওগাঁ-৬ আসনে ধানের শীষকে বিজয়ী করার লক্ষে একই মঞ্চে ধানের শীষের জন্য ভোট প্রার্থনা করছেন। দুই ভাই এক সঙ্গে নির্বাচনী গনসংযোগ, উঠান বৈঠন, মতবিনিময় সভাসহ সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
এলাকাবাসী দুই ভাইয়ের পুনরায় এই মিলনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। শুধু তাই নয় দুই ভাইয়ের মিলন এই আসনে বিভক্ত হওয়া বিএনপিকে জোড়া লাগিয়ে দেওয়ার কারণে বিএনপি দলের নেতাকর্মীদের মাঝে এখন চাঙ্গাভাব বিরাজ করছে। নতুন করে চাঙ্গা হওয়া বিএনপি নেতারা আবারো এই আসনে ধানের শীষকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করতে সফল হবেন বলে আশা করছেন অনেক বিএনপিনেতারা।
রাণীনগর থানা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসএস আল ফারুক জেমস বলেন, নওগাঁ-৬ আসনে বিএনপি বলতে এই দুই ভাইকে বোঝায়। আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই দুই ভাইয়ের সঙ্গে বিএনপির রাজনীতি করে আসছি। দুই ভাই এক হওয়ার কারণে আমরাও নতুন করে রাজনীতি করার অনুপ্রেরনা পেলাম যা কিছুদিন আগেও ছিল না। দুই ভাইয়ের মিলন অবশ্যই আমাদের জন্য ইতিবাচক। কারণ দুই মেরুর মানুষ এখন একত্রিত। আগামী নির্বাচন যদি সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাদ ও নিরপেক্ষ হয় তাহলে আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত। কারণ আমাদের মাঝে আর কোন দলীয় কোন্দল নেই। এখন আমরা সবাই হাতে হাত রেখে এক সঙ্গে কাজ করবো।
আনোয়ার হোসেন বুলু বলেন, নানা কারণে দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর আমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিলো না। কিন্তু রাজনীতি আবার আমাদের দুই ভাইকে একত্রিত করে দিয়েছে।এখন আমরা সকল বিভেদ ভুলে গিয়ে দুই ভাই এক হয়েছি। নওগাঁ-৬ আসনে এখন আমরা দুই ভাই ধানের শীষের এক রক্ষক। আসন্ন নির্বাচন যদি সুষ্ঠু, সুন্দর, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ন পরিবেশে হয় এবং সাধারন ভোটারা যদি ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ পায় তাহলে ধানের শীষ প্রতিক অবশ্যই বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির বলেন, এলাকার মানুষের চাওয়ার ভিত্তিতেই রাজনীতিতে আবার আমার ফিরে আসা। এই আসনের মানুষ এখন অত্যাচারের কষাঘাতে জর্জড়িত। তাদেরকে অত্যাচারিত শাসকের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা দুই ভাই আবার মিলিত হয়েছি। আমাদের একত্রিত শক্তিকে আর কেউ পরাজিত করতে পারবে না। কারণ আমরা সব সময় জনগনের জন্য রাজনীতি করে এসেছি। আশা রাখি আসন্ন নির্বাচনে কোন পরাশক্তিই আমাদের বিজয়কে আটকাতে পারবে না।

আতাউর শাহ্, নওগাঁ : নওগাঁ সেন্ট্রাল গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির নিরলস প্রচেষ্টার ব্যাতিক্রমী উদ্যোগে ডিজিটাল হাজিরা গ্রহন এবং সেই সাথে, অটোমাটিক মেসিন দ্বারা, ছাত্রীদের স্কুলে আসা যাওয়া বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তাদের অভিভাবকদের ম্যাসেজের মাধ্যমে নিশ্চত করা হয়, শিক্ষাবোর্ডের অনুকরণে অভ্যন্তরীণ ফলাফল অনলাইনে প্রকাশ করা হয়। এছাড়াও প্রতিষ্ঠান প্রধানের নির্দেশে ছাত্রীদের সকাল ১০টা হতে বৈকাল ৪ঘটিকা পর্যন্ত বাধ্যতামূলক ক্লাস করতে হয় বলে জানা গেছে। শতভাগ উপস্থিত ছাত্রী ও অভিভাবকদের বিশেষ পুরষ্কার দেওয়া হয়। গরীব ও মেধাবী ছাত্রীদের জন্য সু-ব্যবস্থা রয়েছে।

জেলা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত নারী শিক্ষায় অগ্রনীভূমিকা পালনকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান নওগাঁ সেন্ট্রাল গার্লস হাই স্কুল। প্রতিষ্ঠানটির নবম ও দশম শ্রেণীকক্ষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এ.সি) করা হয়েছে। যা সত্যিই  একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এমন মহানুভবতা সম্পন্ন শিক্ষক প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেই দরকার। কেননা, অত্র প্রতিষ্ঠানের বিনয়ী, মার্জিত এবং অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা ডিজিটাল ক্লাস নেওয়া হয়। এছাড়াও দক্ষ ও প্রশিক্ষণ পাপ্ত শিক্ষক দ্বারা ক্লাস পরিচালনা করা হয়ে থাকে বলে জানান প্রতিষ্ঠানের প্রধান।

সংশ্লিষ্টসূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সিসি ক্যামেরা দ্বারা স্কুলের অভ্যন্তরীন বিষয় ও ক্লাস নেওয়া সার্বক্ষণিক মনিটরিং করে থাকেন। যাতে করে শিক্ষকগণ পূর্ব প্রস্ততি নিয়ে শ্রোণীকক্ষে প্রবেশ করেন এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। উল্লেখ্য যে নওগাঁ সদর উপজেলায় একমাত্র  আমাদের বিদ্যালয়ে আইসিটি লার্নিং সেন্টার আছে, যেখানে ছাত্রীদের কে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এছাড়াও শিক্ষকগণ মাসিক ও সপ্তাহিক পরীক্ষার মাধ্যমে যথাযথ ভাবে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে, শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে থাকে।

নওগাঁ সেন্ট্রাল গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ মহাতাফ হোসেন বলেন, আমরা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক কর্মচারীগণ প্রতিষ্ঠানটিকে স্বর্ণ শিখরে পৌঁছানোর জন্য নিঃস্বার্থে প্রতিনিয়ত নিরলশ পরিশ্রম করে যাচ্ছি। শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠানটিকে একটা মডেল হিসেবে রুপান্তরিত করার জন্য। স্কুলটিতে বর্তমানে প্লে হতে দশম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থা চালু আছে। উল্লেখ্য, স্কুলটি স্থাপিত হয় ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে। স্কুলটিতে বর্তমানে মোট ১২ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন এবং মোট ছাত্রী সংখ্যা  ৫২০ জন আছে।

ইতোমধ্যে আমরা অত্রপ্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা এবং এসিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর ব্যাবস্থা করেছি। আগামীতেও আরো ব্যাপক উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান উন্নত এবং বিগত দিনের সকল পরীক্ষার ফলাফল ও অনেক ভালো হয়েছে। তিনি উক্ত প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নসহ জাতীয় করণের জন্য সরকারের একান্ত সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

নওগাঁ প্রতিনিধি: গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী ফুটবল খেলাকে জনপ্রিয় করার লক্ষে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রাতোয়াল গ্রামে প্রতি বছরের ন্যায় রাতোয়াল গ্রামবাসীর উদ্যোগে রাতোয়াল ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৮ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে রাতোয়ালের ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠে এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন রাতোয়াল গ্রামের খেলাপ্রেমী মো. আলমগীর আলম। কালীগ্রাম ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান কেসি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও এম জাহিদ নেওয়াজের সঞ্চালনায় টুর্নামেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী দলের মাঝে পুরস্কার বিতরন করেন রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএসএম সিদ্দিকুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কালিগ্রাম ইউপি আ’লীগের সভাপতি আজিজার রহমান, কালীগ্রাম ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা গোলাম, স্থানীয় ইউপি সদস্য কেসি হাফিজাসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

ফাইনাল খেলায় নওগাঁর সোনালী দিন যুব সংঘ ৪-০ গোলে রাণীনগর উপজেলার ঘোলাপুকুর কিংস রাইডার দলকে হারিয়ে বিজয়ী হয়। গত নভেম্বর মাসের ১৪ তারিখে টুর্নামেন্ট শুরু হয়। টুর্নামেন্টে মোট ১৬টি দল অংশ গ্রহণ করে। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে খেলা দেখার জন্য হাজার হাজার ফুটবল প্রেমিরা মাঠে উপস্থিত হয়।

আবু রায়হান রাসেল, নওগাঁ: নওগাঁয় মহাদেবপুর উপজেলা সদরে  শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে “শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামুলক যোগাযোগ কার্যক্রম (৫ম পর্যায়ে) শীর্ষক প্রকল্পের জিওবি” খাতের আওতায় জেলা তথ্য অফিস এই কর্মশালার আয়োজন করে।
জেলা তথ্য অফিসার মোঃ আতিকুর রহমান শাহ’র সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোবারক আলী। বিশেষ অতিথি এবং রিসোর্স পার্সন হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরপুর সরকরাী বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ নামিজমুদ্দিন মিয়া এবং মহাদেবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ ফারহানা আক্তার।
উন্মক্ত পর্যায়ে আলোচনা করেন উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার নান্নু, রাইগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম, মহাদেবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান ধলু, উত্তরগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবিদ সরকার, এনায়েতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান এবং নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কায়েস উদ্দিন।
উপজেলার সরকারী কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মহিলা মেম্বর, ইমাম, পুরোহিত, এনজিও কর্মীসহ মোট ৪০ জন প্রতিনিধি এই কর্মশালায় অংশগ্রহন করেন।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের ঝিকরগাছার শংকরপুর-বাঁকড়া সড়কে ইট ভাটার মাটিতে রাস্তায় হাটু পরিমান কাঁদা জমে রাস্তাটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। একটু বৃষ্টিতেই চলাচলে দারুন অসুবিধা হচ্ছে পথচারীদের। মোটর সাইকেল স্লীপিংয়ে হাত-পা ভাঙ্গার ঘটনা ঘটছে অনেকের। ট্রাকে মাটি নেয়ার সময় ট্রাক থেকে রাস্তায় ছিটকে পড়া মাটিতে বৃষ্টির পানি পড়ে স্যাত স্যাতে অবস্থা ও কাঁদা তৈরি হয়েছে। এতে করে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে সড়কে ভয়াবহ রুপ ধারণ করেছে। ইট ভাটার মাটিবাহী ট্রলির মাটি পড়ে বর্তমানে এ গুরুত্বপুর্ণ  সড়কটি চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

গত রোববার সন্ধ্যা থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির কারনে রাস্তায় কাঁদা তৈরী হয়েছে।এতে পথচারীরা চরম দুর্ভোগের স্বীকার হচ্ছেন।ভাটা মলিকদের গোড়ামির কারনে এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।এরা সরকারী নীতিমালা না মেনে এই সড়কে বেশ কয়েকটি ইট ভাটা তৈরী করেছে। জমি ও খালের মাটি কেটে তা ট্রাক্টরে করে ভাটায় নিয়ে আসছে কয়েক কিলোমিটার দুর থেকে। ট্রলির জার্কিংয়ের ফলে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে বড় বড় ফাঁটল। ধ্বসে পড়ছে রাস্তা। একারনে রাস্তায়  দূর্ঘটনা ঘটে চলেছে প্রতিনিয়ত। এত কিছুর পরও  ক্ষমতাবলে ভাটা কর্তৃপক্ষ তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে দেদারছে। শংকরপুর- বাঁকড়া প্রধান সড়কের একেবারেই পাশে জনবহুল এলাকায় অবস্থিত কয়েকটি ইট ভাটা। কাঠ পুড়ানো নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে বছরের সারাটা সময় তারা ভাটার সামনে কাঠ রেখে তা প্রকাশ্যে পুড়ালেও কর্তৃপক্ষ দেখছেনা।  ইট ভাটা আধুনিকায়নের নির্দেশ দিলেও তারা ক্ষমতার দাপটে পুরোনো কায়দায় ভাটা চালিয়ে যাচ্ছে।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget