Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

দেশ থেকে তুরস্কের অর্থায়নে পরিচালত ৬০ ইমাম ও তাদের পরিবারকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে অষ্ট্রিয়া। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হার্বাট কিকলের বরাত দিয়ে এএফপি শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে। অষ্ট্রিয়া সরকার এ ব্যবস্থা গ্রহণকে ‘রাজনৈতিক ইসলামের উপর কঠোর পদক্ষেপ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।


ভিয়েনায় এক সংবাদ সম্মেলনে অষ্ট্রিয়া জোট সরকারের অংশীদার ডানপনন্থী ফ্রিডম পার্টির কিকল আরও বলেন, আমরা ৬০ ইমাম ও তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছি। সব মিলিয়ে দেড়শ ব্যক্তি দেশটিতে বসবাসের অধিকার হারাতে চলেছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান তিনি।


ধর্মীয় বিষয়ক কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর সাতটি মসজিদও বন্ধ করে দেয়া হবে। সম্প্রতি একটি ছবি প্রকাশ হয়। ফল্টার উইকলিতে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ছদ্মেবেশে কিছু যুবক কুচকাওয়াজ করছে, স্যালুট দিচ্ছে, তুরস্কের পতাকা নাড়ছে এবং মৃতদের নিয়ে খেলা করছে। মরদেহগুলো পরে সারিবদ্ধভাবে সাজানো হয় এবং সেগুলো পতাকা দিয়ে মুড়ে দেয়া হয়।


দেশটির রক্ষণশীল পিপলস পার্টির চ্যান্সেলর সেবাস্তিয়ান কার্জ হুঁশিয়ার দিয়ে বলেন, সমান্তরাল সমাজ, রাজনৈতিক ইসলাম ও মৌলবাদের ঠাঁই এদেশে হবে না। কিকল জানান, বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া ইমামদের বিরুদ্ধে তুর্কিশ ইসলামিক কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের (এটিআইবি) যোগসাজশ রয়েছে।


ইউরোপীয় ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্ত হওয়াকে কেন্দ্র করে অষ্ট্রিয়ার সাথে তুরস্কের সম্পর্ক তিক্ত। গত সপ্তাহে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান কার্যকে আক্রমণ করে বলেন, অসৎ চ্যান্সেলরের সাথে আমাদের একটা সমস্যা রয়েছে। তিনি চারপাশে তার গুরুত্ব ছড়িয়ে রেখেছেন এবং নাটক করছেন।

বাজেট-উত্তর সংবাদ সম্মেলনে মেজাজ হারালেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সাংবাদিকদের প্রশ্নকে ‘গৎবাঁধা’ উল্লেখ করে ক্ষেপে গিয়ে তিনি বললেন, যারা পরিবর্তন স্বীকার করে না, তারা এসব কথা বলেন। অবশ্য সংবাদ সম্মেলনের শেষের দিকে এসে এজন্য তিনি দুঃখ প্রকাশও করেছেন।


শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আগামী অর্থবছরের (২০১৮-১৯) প্রস্তাবিত বাজেট-উত্তর সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, ব্যাংকিং খাতে কর্পোরেট কর কমানো, ছোট ফ্ল্যাটে রেজিস্ট্রেশন ব্যয় বাড়ানো ও দেশে আয় বৈষম্য বিষয়ে। জবাবে মুহিত বলেন, এই সংবাদ সম্মেলনটা একবারে ছিলি (সস্তা) বিষয়ে পরিণত হচ্ছে। এমন প্রশ্ন করা হচ্ছে যা মিনিংলেস (অর্থহীন)।


সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এখন দারিদ্র্যের হার ২০ শতাংশ। আপনাদের যখন জন্ম হয়েছে কিংবা জন্মের আগে, দেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ৭০ শতাংশ। বোঝেন, কোথায় ছিল বাংলাদেশ এবং এখন কোথায় এসেছে? এই কিছুদিন আগে দেশে ৩০ শতাংশ মানুষ ছিল গরিব। ৭ বছর আগে সাড়ে ৩০ শতাংশ দরিদ্র ছিল, আজ ২২ দশমিক ৪ শতাংশ। যারা চূড়ান্ত গরিব, তাদের সংখ্যা ছিল ১৮ শতাংশ। এখন ১১ শতাংশ। সেটা আপনাদের চোখে পড়ে না? তিনি বলেন, দেশে আয় বৈষম্য মোটেও বাড়েনি। যারা পরিবর্তনে বিশ্বাস করে না, তারাই এ ধরনের প্রশ্ন করেন। কোন মুখে আপনারা বলেন, এই দেশে গরিব মারার বাজেট হচ্ছে, ধনীকে তেল দেয়ার বাজেট হচ্ছে? বলেননি, কিন্তু বোঝাতে চাচ্ছেন দেশের উন্নয়ন কিছুই হয়নি।’


মুহিত আরও বলেন, ‘ইউ আর নট লুকিং ইনটু দ্য বাজেট। ইউ আর নট অ্যাট অল ক্রিটিসাইজিং দ্য বাজেট। ইউ হ্যাভ সাম সেট কোশ্চেনস, ইউ হ্যাভ কাম উইথ দ্যাট টু প্রেজেন্ট হিয়ার। (আপনারা বাজেট দেখেননি। আপনারা কোনোভাবেই এই বাজেটের সমালোচনা করতে আসেননি এখানে। আপনাদের কিছু গৎবাঁধা প্রশ্ন আছে। সেই প্রশ্ন করতেই আপনারা এখানে এসেছেন)।’


অবশ্য সংবাদ সম্মেলনের শেষের দিকে এসে এ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এক সময় তলাবিহীন ঝুড়ি ছিলাম, এখন মধ্য আয়ের দেশে যাচ্ছি। একটু আগে যেজন্য ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম, কারণ আমার কাছে এসব প্রশ্ন অমূলক ও বাস্তবতা বিবর্জিত মনে হয়েছে। পরে তিনি সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।


সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব কাজী শফিকুল আযম প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ’স্লোগানে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে চান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে সর্বশেষ লুটপাটের জন্যই এ বিশাল বাজেট পেশ করা হয়েছে। ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বাজেট বড় করা হয়েছে। বাজেটের আকার বড় করে জনগণের সঙ্গে ধাপ্পাবাজি করা হয়েছে। এ বাজেট বাস্তবায়ন অসম্ভব। এটা মানুষকে বোকা বানানোর বাজেট, এটা প্রতারণার বাজেট।


আজ শুক্রবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজেট প্রসঙ্গে তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।


এই বাজেট জনগণের কোনো কল্যাণে আসবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট গরীবকে আরো গরীব করবে, বাজেটে ধনীদেরকে আরো ধনী করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এক কথায় বলা যায় প্রস্তাবিত বাজেট জনগণের রক্ত চোষার লুটের বাজেট।


রিজভী বলেন, বাজেটে যে বড় ঘাটতি রয়েছে তা পূরণ করা অসম্ভব। সেজন্য ঋণ ও সঞ্চয়পত্রের ওপর ঝুঁকতে হবে সরকারকে। প্রস্তাবিত বাজেট কর, ঋণ আর বিদেশি অনুদান নির্ভর। বাজেটে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা, এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে কর হিসেবে দুই লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা আদায় করা হবে। যা জনগণের রক্ত চুষে আদায় করতে হবে।


রিজভী বলেন, ব্যাংক মালিকরা যা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী তাই করেছেন। ব্যাংক মালিকদের আরো বেশি লুটপাটের সুযোগ করে দেওয়ার বাজেট এটি। প্রস্তাবিত বাজেটে জনকল্যাণমূলক কাজে যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক খাতে বরাদ্দ একেবারেই অপ্রতুল। ফলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে কোনো উন্নয়ন হবে না। পোশাক খাতসহ করপোরেট খাতে কর বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পোশাক খাতে বর্তমানে যে দুরাবস্থা চলছে তাতে সে খাতে দুরাবস্থা আরো বেড়ে যাবে।


তিনি বলেন, মূল্য সংযোজন করের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ছে। ভ্যাটের ব্যাপ্তি বৃদ্ধি পেলে মধ্য বিত্ত ও নিম্ন মধ্য বিত্তরাই কষ্ট পাবে বেশী। প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা অগ্রাহ্যই থেকেছে। এর আগেও সার্বজনীন পেনশনের কথা বলা হলেও বাস্তবায়ন হয়নি, এবারো তাই।


এ সময় তিনি আরো বলেন, সিইসি সরকারের সাথে এক অলিখিত বশ্যতার আবদ্ধ। আগামী নির্বাচনের ফল ক্ষমতাসীনদের পক্ষে নিতে নানা কারসাজি ও নতুন নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে সিইসি। ইভিএম নিয়ে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ বিপক্ষে মত দিয়েছে। আর এর পক্ষে সমর্থন দিয়েছে আওয়ামী লীগ ও সমমনা কয়েকটি দল।


সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ সদর থানা পুলিশের দুঃসাহসিক অভিযানে গাঁজা ও হেরোইনসহ কূখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম লিটন(৪০) কে আটক করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার কির্ত্তীপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক শহিদুল ইসলাম লিটন সদর উপজেলার মাগুরা ফকিরপাড়া গ্রামের কায়েমুদ্দীনের ছেলে।


নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস.আই ইব্রাহিম হোসেন সঙ্গীয়ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে লিটন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ পিছন থেকে তাকে ধাওয়া করে পাইকপাড়ার গাঁজা ব্যবসায়ী জয়নালের বাড়ীর সামনে গিয়ে তাকে আটক করে। এসময় লিটনের নিকট থেকে ২৫০ গ্রাম গাঁজা ও ৬ গ্রাম হেরোইনসহ তাকে আটক করা হয়। আটকৃতের বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

সুকুমল কুমার প্রামানিক, রাণীনগর (নওগাঁ): আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে সবাই কেনাকাটায় আর জমে উঠেছে নওগাঁর রাণীনগরের বিভিন্ন এলাকায় ঈদ বাজার। এবার ক্রেতাদেরকে একটু আগে থেকেই ঈদের কেনাকাটা করতে দেখা যাচ্ছে। এর কারণ হিসাবে অনেক ক্রেতারা জানায়, ঈদের কেনাকাটা তো কম বেশি করতেই হবে তাই প্রথমেই দেখেশুনে কেনার সময় বেশ ভালো পাওয়া যায়। তাই একটু আগে থেকেই সচেতন ক্রেতারা কেনাকাটা শুরু করেছেন।


বর্তমানে রাণীনগরের প্রতিটি মার্কেট ও বিপণী বিতান গুলোতে দেখা গেছে ঈদের আমেজ। সব দোকানেই ক্রেতার সমাগম লক্ষ্য করা গেছে। পাশাপাশি আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে দর্জিপাড়ার কারিগররা। অনেকেই আবার ঈদের কেনাকাটার ভিড় জমার আগেই দর্জির দোকান গুলোতে পছন্দমতো কাপড় কিনে তৈরি করতে দিচ্ছেন বিভিন্ন পোশাক।


রাতভর সেলাই মেশিনের শব্দে সমাগম হয়ে থাকছে টেইলার্স পট্টিগুলো। কিছু কিছু টেইর্লাসের দোকানে সাইনবোর্ড ঝুলছে ‘ঈদের শেষ আটদিন কোনো অর্ডার নেয়া হবে না’। ছোট থেকে শুরু করে ভিআইপি দোকানের কারিগররা এখন দিনরাত ব্যস্ত। দম ফেলার সময় নেই তাদের। তবে গতবারের চেয়ে এবার প্রতিটি কাপড়ের দোকান গুলোতে দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। এছাড়া শাড়ির দোকান গুলোতেও রয়েছে সমান ভিড়। শাড়ি ও তার সাথে ম্যাচ করে অন্যান্য জিনিসপত্র কেনার জন্য সবাই এখন ব্যস্ত।


এবারে ঈদে বিভিন্ন মেগা সিরিয়ালে নায়িকাদের পরিহিত পোশাকের নামের পোশাক গুলোর চাহিদা তরুণীরা বেশি ক্রয় করছে বলে বিভিন্ন দোকানীরা জানান। সবাই এই ঈদে দেশি-বিদেশি কাপড় কেনায় বেশি ব্যস্ত। এলাকার বিভিন্ন কাপড়ের দোকানে দেখা গেছে, দেশি-বিদেশি থ্রি পিস কেনার জন্য মেয়েদের উপচেপড়া ভিড়।


অপরদিকে সুযোগ হাতে পেয়ে দর্জিপাড়ার লোকেরা সময় নেই এবং কাজের অনেক ভিড় বলে দ্বিগুণ পারিশ্রমিকে অর্ডার নিতে বাধ্য হচ্ছেন। প্যান্ট ও শ্যার্ট পিস থেকে শুরু করে থ্রি-পিস, শাড়ি এবং তৈরি পোশাকের প্রতিটির মূল্য গতবারের চেয়ে এবার হাতের নাগালে আছে বলে অনেক অভিভাবকরা জানান।


প্রতিটি ম্যার্কেট ও কসমেটিক্স বিপণী বিতান গুলোতে প্রচন্ড ভিড় লক্ষ্য করা গেলেও বেশি দামের জন্য পছন্দের জিনিস অনেকেই নিতে পারছে না। রাণীনগরের বাজার মার্কেট, উপজেলা মার্কেট, আবাদপুকুর মার্কেট, কুজাইল মার্কেট ও বেতগাড়ী মার্কেট গুলো ঘুরে দেখা যায় এবারও মার্কেট গুলোতে বিদেশি কাপড়ে সয়লাব।


ভারত, পাকিস্তানি, চীন, জাপান, কোরিয়ার প্যান্ট ও শ্যার্ট পিস এবং ভারতীয় থ্রি-পিসে বাজার ভরে গেছে। দোকানিরা বলছে এগুলো বৈধভাবে আমদানী করা হয়েছে। ভারতীয় থ্রি-পিস গুলোর বেশির ভাগেরই নাম ভারতীয় ছবির নায়ক ও নায়িকাদের নামানুসারে করা হয়েছে। কুপনের মাধ্যমে সেরা বিজয়ীদের জন্য রাখা হয়েছে বিভিন্ন আকর্ষণীয় পণ্যসহ বিভিন্ন অফার।


আকর্ষণীয় অফারে অনেকেই ছুটছেন সেই সব বিপণী বিতাণ গুলোতে। বিভিন্ন মার্কেটে ঈদ বাজার করতে আসা মামুন সরকার, রিতু আক্তার, সুমি বানু, রানা হোসেন, শিউলী আক্তারসহ বেশ কয়েক জনের সাথে কথা হলে তারা জানান, প্রতি বছরের তুলনায় এবার একটু আগেই ঈদের কেনাকাটা শুরু করেছি। কারণ শেষ সময়ের দিকে তেমন একটা ভালো জিনিস পাওয়া যায় না। তাই আগেই পরিবারের পছন্দ মতো কেনাকাটা করে রাখার জন্য মার্কেটে এসেছি। এবার থ্রি-পিসসহ ছেলেদের প্যান্ট ও শ্যার্টের দাম খুবই চড়া। তাই কাপড় কিনে বানাতে দিয়েছেন। তবে মজুরি একটু বেশি।


রাণীনগর বাজারের এশিয়া টেইর্লাসের মালিক বিপ্লব জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এই বছরে ধানের দাম না থাকায় কৃষি প্রধান এই এলাকায় কৃষকরা নায্য মূল্যে ধান বিক্রয় করতে না পারায় অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণে কেনাকাটা করতে পারছে না বলে চাপটা অনেকটাই কম। তবুও এবার শেষ সময়ের আগেই কাজের চাপ অন্য সময়ের তুলনায় একটু বেশি। লোকজনেরা শেষ সময়ে এসে ব্যস্ত হয়ে পড়ে তাই কারখানায় কর্মরত কারিগরদের সারা রাতভর কাজ করতে হয় বলে তাদের মজুরিও একটু বেশি দিতে হয় বলে মজুরিটা কিছুটা বেশি নিতে হচ্ছে।


রাণীনগর বাজারের গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মো: উজ্জল হোসেন জানান, এবছর শুরুর দিকে অন্যান্য বছরের তুলনায় ক্রেতাদের ভিড় একটু হলেও লক্ষণীয়। আশা রাখি এবার ঈদের পুরো মৌসুমে ক্রেতাদের ভিড়ে ঈদ বাজারের কেনাকাটা জমে উঠবে। এতে করে ব্যবসায়ীরা অন্য বছরের তুলনায় এবার লাভের মুখ একটু হলেও বেশি দেখবেন বলে তিনি আশাবাদী।

এস রহমান সোহেল,ভোলা জেলা: ভোলা জেলা চরফ্যাশন উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ব্যবসা কেন্দ্র দুলার হাট থানার বাজারের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া বড় খালটির একি দশা? এক সময় ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যিক আমদানি রপ্তানির নির্ভরযোগ্য দুলার হাট এর এই বড় খালটির উভয় পার্শ্বে অবৈধ দখল দারদের দৌরাত্বের কারণে খাল যেন ড্রেনে পরিণত হয়েছে। প্রায় এক শত বছরের পুরনো খালের দুই পাড়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে দখল করে রেখেছে প্রভাবশালী মহল। দু’পাড় ভরাট করে বসত ঘর, দোকান পাট ও পাকা ভবন নির্মাণ করে দখলের প্রতিযোগিতায় নেমেছে তারা।


> কৃষি প্রধান এ অঞ্চলে নুরাবাদ, নীলকমল, আবুবকর পুর, আহাম্মদপুর, মুজিবনগর এবং দুলার হাটের একমাএ ভরসা খালটি। দুলার হাট বাজারের মধ্যদিয়ে বয়ে যাওয়া বড় খালটি ঘোষের হাট তেঁতুলিয়া নদী হয়ে নীলকমল, নুরাবাদ, দক্ষিণ শিবা সংলগ্ন মায়ানদীর সাথে শাখা উপশাখা নিয়ে গড়ে উঠছে। এখানে অতিবৃষ্টি, বন্যা, খড়া হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য এ খালটির উপর নির্ভর করতে হয়। এ খালের ওপর দিয়ে একসময়ে বয়ে যেতো মালবাহী নৌকা, ট্রলার, স্টিমার যেগুলো সোনার চর, ঢালচর, পাতিলাচর, পাঙ্গাসিয়া, কুকরী মুকরী, রাঙ্গাবালি, চরমমতাজ, চরমোহর, চরকাজল, চরবিশ্বাস ইত্যাদি হইতে সুটকী, ধান, চাউল, গম, নারিকেল, সুপারি, কাচা তরকারী আমদানি, রপ্তানি করা হতো।

> দুলার হাট বাজারের বিশিষ্ট কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথে আলাপ কালে তারা প্রত্যেক বছরে কৃষি, মৎস্য, ব্যবসায়ীদের প্রায় ৫/৬শ কোটি টাকার অপুরণীয় ক্ষতি দাবি করেছেন। পাশাপাশি পানিতে জোয়ার ভাটা না থাকার কারণে মাছ চাষীদের, কৃষকের কৃষি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন বলে তারা জানান ।

> তারা আরো বলেন, প্রত্যক বর্ষা মৌসুমে এ খালে মাছ ধরার মহোৎসব ছিল চোখে পড়ার মতে। জেলেদের একমাএ আয়ের উৎস ছিল এ খালের শাখা, উপশাখা। বড় খালটির সাথে মিশে ছিলো উপশাখা গুলো কিন্তু ভূমি দস্যুদের দ্বারা এখন নিমজ্জিত হয়ে বড় খালটি ড্রেনে পরিণত হয়েছে। এখন বন্যা, খরা, অতিবৃষ্টির ফলে এবং সামান্য বৃষ্টিতেই তরমুজ, আলু, বাদাম, মরিচ, ডাল চাষিদের অনেক ক্ষতি হয়। নীলকমল, নুরাবাদে হত দরিদ্রতার দাবানলে নিজের জীবন বলি দিতে চেয়েছিল অনেক কৃষক। পরিবেশ বিধরা মনে করেন এ খালটি মুক্ত করা না হলে আগামী কয়েক বছরের মধ্য পরিবেশ হুমকির মুখে দাড়াবে। এমতাবস্তায় নুরাবাদ, নীলকমল, আবুবকরপুর, আহাম্মদপুর, মুজিবনগর সহ দুলার হাট কৃষক, শ্রমিক, মৎস্যজীবী সহ এলাকাবাসীর দাবি দুলার হাটের বড় খালের রক্ষা করে অবৈধ দখল দার থেকে মুক্ত করা এবং ঘোষের হাট -বাংলাবাজার সুলিজকে উন্মুক্ত করে পূর্বের খালের রুপান্তরের জন্য দাবি করেন তারা। ইতিপুর্বে বৃহত্তর আমিনাবাদ ও আব্দুল্লাহপুরের গুরুত্বপুর্ন খালগুলো খনন কাজ হলেও বানিজ্য নির্ভর দুলারহাট থানার বুক চিরে প্রবাহিত খালটি খননকাজ আদৌ হবে কিনা জানা নাই কারো। তবে খালটি খনন করলে দুলারহাটের পুরনো ঐতিহ্য শুটকি ব্যবসায়ীরা প্রাণ ফিরে পাবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget