Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

জাতীয় পুরস্কার-প্রাপ্ত নায়িকা শিমলা আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন। সেই ছবিই হতে চলেছে তার বলিউড ডেবিউ। কিংস এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজিত ও অর্পণ রায়চৌধুরী পরিচালিত হিন্দি ছবি ‘সফর’-এ মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। সম্প্রতি শেষ হয়েছে ছবির মুম্বাই শুটিং শিডিউল। এ সময় কলকাতার একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন এই নায়িকা। সাক্ষাৎকারটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

আপনার নামটা খুব মিষ্টি। কে রেখেছিলেন নামটা?

শিমলা: ধন্যবাদ। আমার জন্মের সময়, আমার দিদির তখন বিয়ে হয়ে গিয়েছে। খবরটা পেয়ে আমার জামাইবাবু এই নামটা রাখেন। আমার পুরো নাম কিন্তু শামসুর নাহার শিমলা।

আপনি কি ছোট থেকেই অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন?

শিমলা: আমি যখন প্রথম বুঝতে শিখছি, তখন থেকেই আমার খুব ইচ্ছে হতো যে আমি বড় হয়ে অভিনেত্রী হবো। তখনও বিষয়টা পুরোপুরি বুঝতাম না কিন্তু মনে হতো যে এই কাজটা আমি পারব। তখন থেকেই আমি শুধু বাংলাদেশ নয়, এপার বাংলার ছবি, বলিউড ছবি, ইংলিশ মুভি সবই দেখতে শুরু করি।

এপার বাংলার ছবির জগতে সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রী কাদের মনে হয়?

শিমলা: অবশ্যই উত্তম কুমার ও সুচিত্রা সেন।

আর বলিউডে?

শিমলা: বলিউডের তিন খান তো অবশ্যই— শাহরুখ, আমির, সালমান। তার পাশাপাশি এখন ভালো লাগে রণবীর সিং, রণবীর কাপুর বা বরুণ ধাওয়ান। আসলে যে ছবিতে যে অভিনেতা বা অভিনেত্রী ভালো অভিনয় করেন আর কী। যেমন ঋত্বিক রোশনের একটা ছবি আমার খুব ভালো লেগেছিল— ‘ব্যাং ব্যাং’।

আপনার প্রথম ছবি ‘ম্যাডাম ফুলি’-র জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন। খুব কম অভিনেত্রীরই তেমন অভিজ্ঞতা হয়। এর পরে এপার বাংলার ছবিতে কাজ করার ইচ্ছে হয়নি?

শিমলা: কাজ করার ইচ্ছে তো ডেফিনিটলি আছে কিন্তু ঠিক সুযোগ হয়নি।

আপনি তো প্রায় তিন-চার বছর পরে অভিনয়ে ফিরলেন এবং সেই কামব্যাক ছবিটা হল বলিউডে। ওখানে কাজ করার অভিজ্ঞতাটা বাংলাদেশের চেয়ে কতটা আলাদা?

শিমলা: আসলে ভাষাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমি যখন বাংলায় কথা বলছি, তখন আমার এক্সপ্রেশন একরকম হবে আবার যখন ইংরিজিতে কথা বলব, তখন আমার বডি-ল্যাঙ্গোয়েজ আলাদা হয়ে যায়। যখন হিন্দিতে কথা বলব, তখন আবার অন্যরকম। সেক্ষেত্রে বলব যে অভিনয়টা একটু হলেও আলাদা হয়।

তাহলে ‘সফর’-এর আগে নিশ্চয়ই অনেক ওয়ার্কশপ করতে হয়েছে আপনাকে? বলিউডে কোনও মেন্টর পেয়েছেন কি, যিনি আপনাকে সাহায্য করেছেন?

শিমলা: আমি একটা নামই বলব— কিংশুক গুণ, যার প্রযোজনায় এই ছবিটা করছি। আমাকে হিন্দি ছবিতে ব্রেকটা উনিই দিয়েছেন। কিংদা-ই আমাকে শুটিং শুরু হওয়ার আগে অনেকটা সাহায্য করেছেন হোমওয়ার্ক করতে।

আপনার প্রযোজক এবং পরিচালক, অর্পণ রায়চৌধুরী, দু’জনেই আপনার কাজের প্রশংসা করেছেন।

শিমলা: অনেক ধন্যবাদ। খুব ভালো লাগল এটা জেনে যে তাদের ভালো লেগেছে আমার কাজ। আসলে পরিচালকের উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। তিনি কীভাবে একজন আর্টিস্টকে প্রেজেন্ট করবেন।

ডিরেক্টরের সঙ্গে কখনও ঝগড়া হয়নি?

শিমলা: ঝগড়া আমি করি না…। আর আর্টিস্টরা কি ঝগড়া করে নাকি?

রাগও তো হতে পারে।

শিমলা: আমার প্রথম কাজ এইখানে। রাগ হলেও তা আপনা-আপনি চলে যাবে। কিন্তু রাগ হয়নি এটা সত্যি। একজন ডিরেক্টর সব সময় চায় যে সে যেটা চাইছে, আর্টিস্ট সেটা যেন বুঝতে পারে। অর্পণ আর আমার মধ্যে এই দেওয়া-নেওয়াটা খুব ভালো ছিল।

আর আপনার কো-অ্যাক্টরদের কেমন লেগেছে?

শিমলা: কো অ্যাক্টর ভালো পাওয়াটা সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। ‘সফর’-এ মেল প্রোটাগনিস্ট যিনি ছিলেন বা অন্য যাদের সঙ্গে আমার সিন ছিল, তার সবার সঙ্গে খুব ভালো জেলিং হয়েছে। তাদের ব্যক্তিগতভাবে কেমন সেটা আমি বলতে পারব না বা অভিনয়ে কতটা ভালো সেটা ডিরেক্টর বলতে পারবেন কিন্তু আমার সঙ্গে অ্যাডজাস্টমেন্ট খুব ভালো ছিল।

আপনার পরিবারের সবাই নিশ্চয়ই খুব খুশি?

শিমলা: হ্যাঁ সবাই খুব অ্যাপ্রিশিয়েট করছে। বাংলাদেশ থেকে কোনও অভিনেত্রী লিড রোলে হিন্দি ছবিতে কাজ করছে, এটা বাংলাদেশের জন্য খুব বড় একটা অ্যাচিভমেন্ট। আমি খুব খুশি যে আমার ভাগ্য এতটা ভালো। প্রথম ছবিতেই ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি, আবার বলিউডের মতো একটা জায়গা, যেখানে প্রচণ্ড কম্পিটিশন চলে, সেখানে আমি এরকম একটা সুযোগ পেয়েছি। অনেক বড় বড় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা আছেন আমাদের দেশে। তারাও নিশ্চয়ই কাজ করবেন। এটাই আনন্দ হচ্ছে যে, আমার নামটা সেই তালিকায় প্রথম দিকে থাকবে।

হাসেম আলী, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শামীম হোসেন (৪২) নামে এক মাদকব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় পাল্টাপাল্টি গুলিবর্ষণে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পাঁচজন নিহত হলো। বৃহস্পতিবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলা ধর্মগড়ের ভদ্রেশ্বরী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শামীম হোসেন রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকার মৃত আব্দুল সাত্তারের ছেলে।



পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে উপজেলার ধর্মগড়ের ভদ্রেশ্বরী এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শামীমকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীদের ফেলে যাওয়া ৩৪০পিস ইয়াবা ও দুটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র ‍উদ্ধার করা হয়।


পরে দ্রুত শামীমকে আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গুলিবিদ্ধ দুই পুলিশ সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। নিহতের লাশ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।


রাণীশংকৈল থানার ওসি আব্দুল মান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত শামীম পুলিশের তালিকভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে থানায় মাদকের ৮টি মামলাসহ ১১টি মামলা রয়েছে।


এদিকে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে এ নিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলায় পাঁচজন নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে, গত ২৩ মে বালিয়াডাঙ্গীর পারুয়া গ্রামের ভেলসা মোহাম্মদের ছেলে আপতাফুল (৩৮), গত ২৬ মে ঠাকুরগাঁও সদরের ছিট ছিলারং গ্রামের মৃত সফিরউদ্দীনের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন ওরফে কুট্রি (৪৫), গত ৩ জুন ভোরে রাণীশংকৈল উপজেলার ভৌরনিয়া গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম ওরফে তালেবান (৫৫) এবং হরিপুর উপজেলার শীতলপুর এলাকার মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে হারুন ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়।



পুলিশের দাবি, নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

এস রহমান সোহেল, ভোলা জেলা: ভোলার লালমোহনে পরকীয়া প্রেমিকাকে তাবিজের মাধ্যমে বশ করতে এসে স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছে আতিকুর রহমান ফরহাদ নামের এক প্রেমিক। গত সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ৯ টার দিকে উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের ফুলবাগিচা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ফরহাদ চরফ্যাসন উপজেলার আমিনাবাদ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড এলাকার জমাদার বাড়ির আবুল কালামের ছেলে ও লালমোহন সূর্যের হাসি ক্লিনিকের অফিস সহকারী এবং ১ সন্তানের জনক।


জানা যায়, ফুলবাগিচা এলাকার এক গৃহবধূ তার অফিসের আতিকুর রহমান ফরহাদ নামের এক স্টাফের সাথে পরকীয়া প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তুলে। ধীরে ধীরে তাদের সর্ম্পক গভীর হতে থাকে। ফরহাদ বিভিন্ন সময় তার প্রেমিকাকে নানান জিনিস উপহার দিতো। এ নিয়ে ওই মহিলার পরিবারেও অনেক সমস্যা হয়। ফরহাদের সাথে সর্ম্পকের অবণতি হওয়ার কারণে সে তাবিজের মধ্যমে তার প্রেমিকাকে বশ করতে গত সোমবার রাত পৌনে ৯ টার দিকে মটর সাইকেল যোগে ফুলবাগিচার তার পরকীয়া প্রেমিকার বাড়ির দরজায় তাবিজ কুপতে থাকে। এসময় স্থানীয়রা টের পেয়ে তাকে ধাওয়া করে আটক করে। আটক করার পর তার থেকে ঔষুধের প্যাক মোড়ানো একটি ব্যাঙ্গ ও কাপনের কাপড় উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে লালমোহন ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য জসিম তরীর অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে তার থেকে বক্তব্য নেওয়ার সময় লালমোহন থানার পুলিশ এসে ফরহাদকে থানায় নিয়ে যায়।

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় সড়ক দূর্ঘটনায় হুমায়ন কবীর (৩২) নামে এক জেলা কারারক্ষী মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার বিকলে সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার সতিহাট বাজারের বাসস্ট্যান্ড খড়িপট্টি এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে। তিনি রাজশাহী জেলার মোহনপুর উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে।


জেলা কারাগার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হুমায়ন কবীর নওগাঁ জেলা কারাগারে কারারক্ষী ছিলেন। সম্প্রতি তিনি রাজশাহীতে বদলী হন। নতুন কর্মস্থলে যোগদান এবং বাড়ী ভাড়া নিয়ে থাকার জন্য নওগাঁ থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে রাজশাহীতে যাচ্ছিলেন। অপরদিকে রাজশাহী থেকে একটি যাত্রীবাহি বাস নওগাঁর দিকে আসছিল। পথিমেধ্য নওগাঁ- রাজশাহী মহাসড়কে সতিহাট বাজারের বাসস্ট্যান্ড খড়িপট্টি এলাকায় যাত্রীবাহি বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।


মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান দূর্ঘটনায় নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঘাতক বাসটি পালিয়ে গেছে।

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ পুলিশ লাইন্স ড্রিল সেডে জেলা পুলিশের “মাসিক কল্যাণ সভা” অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ লাইন্স ড্রিল সেডে পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেেেনর সভাপতিত্বে মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মুহাম্মদ রাশিদুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল, লিমন রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পতœীতলা সার্কেল, মো. তারেক জোবায়ের, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মহাদেবপুর সার্কেল, আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম,


সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার, ডিএসবি, ফারাজানা হোসেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার, সাপাহার সার্কেল, সামিউল আলম, এবং সকল থানার অফিসার ইনচার্জ ও তদন্ত, নওগাঁসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন স্তরের অফিসার ও ফোর্স উপস্থিত ছিলেন। সভায় জেলার আইন-শৃংখলা সমুন্নত রাখার জন্য অফিসার ও ফোর্সদের নানাবিধ দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন। পুলিশ সুপার, নওগাঁ জুন/২০১৮ মাসের মাদকদ্রব্য উদ্ধার, আসামী গ্রেফতার ও অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালনের জন্য রাণীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ এএসএম সিদ্দিকুর রহমান কে জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ, অস্ত্র উদ্ধারকারী জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ কেএম শামসুদ্দিন, ইন্সপেক্টর আব্দুল হান্নান কে গ্রেফতারকারী হিসাবে বিশেষ পুরষ্কার প্রদান করেন। এছাড়া এসআই সুতসোম সরকার আত্রাই থানা (শ্রেষ্ঠ উদ্ধারকারী), টিএসআই আবুল কাশেম সরকার সদর ট্রাফিক (শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক অফিসার), এএসআই মোঃ নুরুন্নবী ফিরোজ ধামইরহাট থানা (শ্রেষ্ঠ গ্রেফতারকারী), এসআই মিজানুর রহমান জেলা বিশেষ শাখা (বিশেষ পুরষ্কার, গ্রেফতারকারী), এসআই মো. মতিউর রহমান জেলা বিশেষ শাখা (বিশেষ পুরষ্কার, গ্রেফতারকারী), এসআই কাইউম খান জেলা বিশেষ শাখা (বিশেষ পুরষ্কার, গ্রেফতারকারী), এএসআই শাহাবুদ্দিন জেলা গোয়েন্দা শাখা, এএসআই জাহিদুল ইসলাম মহাদেবপুর থানা (বিশেষ পুরষ্কার উদ্ধারকারী), কনস্টেবল/৮১৯ আব্দুর রাজ্জাক জেলা গোয়েন্দা শাখা (বিশেষ পুরষ্কার গ্রেফতারকারী), কনস্টেবল/৮৩৩ মিজানুর রহমান জেলা গোয়েন্দা শাখা (বিশেষ পুরষ্কার গ্রেফতারকারী) ও বিশেষ পুরষ্কার গ্রেফতারকারী, ওয়াচার কনস্টেবল/১২৪ হামিদুল হক সরকার জেলা বিশেষ শাখা, নওগাঁদেরকে ক্রেস্টসহ নগদ অর্থ পুরষ্কার প্রদান করা হয়। পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন তার বক্তব্যে বলেন সারাদেশে মাদক বিরোধী অভিযান চলছে। কোন পুলিশ সদস্যকে মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া পবিত্র মাহে রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন দিক নির্দেশনা বক্তব্য প্রদান করেন।


হাসেম আলী, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে।


বৃহস্পতিবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে গড়েয়া ইউনিয়নে নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়।


ঠাকুরগাঁও জেলায় এই প্রথম আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর মধ্যে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন সদস্য সংগ্রহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নজমুল হুদা শাহ এ্যাপোলো।


সভাপতি নজমুল হুদা শাহ এ্যাপোলো বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ হলো আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন। এই সংগঠনের কার্যক্রমকে তরান্বিত করতে আমরা নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু করেছি। যারা স্বাধীনতা পক্ষের সৈনিক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত তাদেরকে আমরা স্বেচ্ছাসেবক লীগে সম্পৃক্ত করছি। কারণ সামনে আমাদের জাতীয় নির্বাচন; এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পাশে থেকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করার জন্য মাঠে থাকবে স্বেচ্ছাসেবক লীগ।


উদ্বোধন শেষে গড়েয়া ডিগ্রী কলেজ হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।


সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শাহ নেওয়াজ কাদির শাকিল চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম সিরাজি মিজান, দপ্তর সম্পাদক আফরোজ মাহফুজ বিপু, গড়েয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রবিন মদক, গড়েয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরিফ, যুগ্ম আহ্বায়ক রনতু, দিনার প্রমুখ।


অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াফু তপু।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget