Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাটে মাদক বিরোধী অভিযানে ৯জন মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীকে আটক করেছে পুলিশ। জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে পতœীতলা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তারেক জুবায়েরের নেতৃত্বে ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো.ছানোয়ার হোসেন ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাদক বিরোধী অভিযান চালায়। অভিযানে উপজেলার খয়েরবাড়ী গ্রামের মৃত মোফাজ্জলের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী শামসুল (৬০),ইমামুদ্দিন মন্ডলের ছেলে মাদকসেবনকারী আব্দুর রশিদ, দাদনপুরের মৃত আছিরের ছেলে মমিন (৩৫), সমরা পাহানের ছেলে অমল চন্দ্র পাহান (২৮), বাখরপুর গ্রামের আয়েজ কবিরাজের ছেলে কবিরাজ আব্দুল হাকিম (৩০), ফার্শিপাড়া গ্রামের বয়েন উদ্দিনের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩০), উত্তর চকরহমত গ্রামের তছির উদ্দিনের ছেলে ইয়াকুব আলী (৫৫), কালুপাড়া গ্রামের আব্দুর গফুরের ছেলে মো. আমিনুল ইসলাম (৩৫),পৌর সদরের আমাইতাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে রাসেল (২০) কে পুলিশ আটক করে। আটককৃদের কাছ থেকে হেরোইন, ইয়াবা,গাজাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক আটক করা হয়। এলাকাবাসী এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে তা অব্যহত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলকে অনুরোধ জানিয়েছেন।

লেখক :হাসেম আলী, শিক্ষার্থী, গড়েয়া ফাযিল মাদ্রাসা, ঠাকুরগাঁও।


সিয়াম পালনের মাধ্যমে যেমন আল্লাহর নির্দেশ মানা হয়, অন্য দিকে মানব জীবনের সামাজিক ক্ষেএেও এর প্রভাব কম নয়। সিয়াম পালনের মাধ্যমে সমাজে পরস্পরের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সম্প্রীতি সৃষ্টি হয়। ফলশ্রুতিতে সমাজে অনাবিল শান্তির হাওয়া বয়। ইসলামি জীবন ব্যবস্থায় গরিব দুঃখী মানুষকে লালন পালনের শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে। উদর পূর্তি থাকলে অন্যর ক্ষুধার জ্বালা সম্পর্কে অনুভব করা যায় না। পানির পিপাসা না থাকলে অন্যের পিপাসা অনুভব করা যায় না। এভাবে রোযা পালনের মাধ্যমে একজন সম্পদশালী, দুঃখী মানুষের ক্ষুধার যন্ত্রনা অনুধাবন করে দুঃখী মানুষের প্রতি সহানুভূতি ও ভ্রাতৃতবোধ জাগ্রত হয়। সেই লক্ষে ইসলামি ভাবধারায় দুঃখীজনকে খাদ্য খাওয়ানো উওম বলা হয়েছে।


এ প্রসঙ্গে হাদীস শরীফে এসেছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত,, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জিঙ্গাসা করল, ইয়া রাসূলল্লাহ কোন ইসলাম উওম? তিনি বললেন : তুমি অন্যকে খানা খাওয়াবে এবং তোমার পরিচিত ও অপরিচিত সকলকে সালাম দিবে। (সুনানু ইবনে মাজাহ :৩২৫৩)।


অন্য বর্ননায় এসেছে রাসূল (সঃ) বলেছেন :সালামের ব্যাপক প্রসার কর, অন্যকে খাদ্য খাওয়াও এবং ভাই ভাই হয়ে যাও, যেমন মহান আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। (সুনানু ইবনে মাজাহ :৩২৫২)।


মাওসেতুং ছিল চীনের মহান নেতা। চীনের সমাজিক পরিস্হিতি তাকে ভাবিয়ে তুলল। তিনি ভাষন প্রদান কালে বলতেন নিজের খাবারের মধ্য প্রতিবেশী ও সামনে উপস্হিত ব্যক্তিকেও শামিল করে নাও। নিজে ক্ষুধার্ত থেকে অন্যের ক্ষুধার জ্বালা অনুভব কর। এই নির্দেশনা বস্তুুত মাওসেতু এর নয় বরং বহু পূর্বেই সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলাম আমাদেরকে এগুলি শিক্ষা দিয়েছে। ইসলাম তার যাবতীয় হুকুমের মধ্য বান্দাহর কল্যানের প্রতি লক্ষ্য রাখা হয়েছে। কোন ব্যাপারে মানুষকে অযথা কষ্ট ও সংকীর্নতার সম্মুখীন করা হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় সিয়াম সাধনায় একটু কষ্ট হলেও তাতে রয়েছে বহুবিধ কল্যান ও উপকারিতা।


এই মর্মে আল্লাহ তায়ালা পবিএ কুরআন এরশাদ করেন, গননার কয়েকটি দিনের জন্য অতঃপর তোমাদের মধ্য, যে অসুস্থ থাকবে অথবা সফরে থাকবে, তার পক্ষে অন্য সময়ে সে রোযা পূরণ করে নিতে হবে। আর এটি যাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক হয়, তারা এর পরিবর্তে একজন মিসকিনের খাদ্যদান করবে। যে ব্যাক্তি খুশির সাথে সৎকর্ম করে তা তার জন্য কল্যানকর করা হয়। আর যদি রোযা রাখ, তবে তোমাদের জন্য বিশেষ কল্যানকর যদি তোমরা তা বুঝতে পার। (সূরা বাক্বারাহ:১৮৪)।


রোজা পালনের বহুবিদ উপকারিতা ও কল্যাণ সাধিত হয়। এর মধ্যে মানসিক ও দৈহিক উপকারীতাকে সর্বাগ্রে বিবেচনা করা হয়। সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মানসিকতার বিকাশ সাধিত হয়। সিয়াম পালনকারীর চিন্তা চেতনা এবং অনুভূতিককে মহান আল্লাহর সার্বভৌমত্বের স্বীকারোক্তি ও অঙ্গীকার সুদৃঢ় করার মাধ্যমে ব্যক্তি নিজেকে তাকওয়াবান হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়। এ ছাড়াও আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানও স্বীকৃতি দিয়েছে রোজা মনস্তাত্তিক ও মস্তিষ্কের রোগ নির্মূল করে দেয়।


সিগমন্ড নারায়াড একজন বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী। তাঁর থিউরি মনোরোগ বিশেষজ্ঞগনের জন্য পথিকৃৎ। তিনি অভুক্ত থাকা ও রোজা রাখার পক্ষপাতি ছিলেন। তিনি বলেন রোজা মনস্তাত্ত্বিক ও মস্তিষ্কের রোগ নির্মূল করে দেয়। মানবদেহে আবর্তন বিবর্তন আছে। কিন্তু রোজাদার ব্যক্তির শরীর বারংবার বাহ্যিক চাপ গ্রহণ করার ক্ষমতা অর্জন করে।রোযাদার ব্যক্তির দৈহিক খিঁচুনি এবং মানসিক অস্থিরতা এর মুখোমুখি হয় না।


(সুন্নতে রাসুল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান) সিয়াম শুধু সামাজিক মানসিক উন্নতি সাধন করে তা নয় বরং রোযা দেহের সুস্থতার ও সহায়ক।


এ প্রসঙ্গে হাদিসে এসেছে হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত,, রাসুলুলাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ কারেন,, রোযা রাখ সুস্থ থাকবে। (তিবরানী)।


দেহের আরোগ্য লাভের যতগুলো প্রতিকার ও প্রতিষেধক আছে তার মধ্যে সবচেয়ে ফলপ্রসূ প্রতিকার হল রমজান মাসের রোযা।এ ব্যাপারে গান্ধিজির ক্ষুধার্ত থাকার বিষয়টি খুব প্রসিদ্ধ। জনাব ফিরোজ রাজ গাঁন্ধিজির জীবনী গ্রন্থে লিখেছেন তিনি ছিলেন রোযা রাখার পক্ষপাতি। তিনি বলতেন মানুষ খেয়ে খেয়ে নিজের শরীরকে অলস বানিয়ে ফেলে। এই অলস না জগতবাসীর আর না মহারাজের। যদি তোমরা শরীরকে সতেজ ও সচল রাখতে চাও তাহলে শরীরকে দাও তাঁর নূন্যতম আহার আর পূর্নদিবস রোজা রাখ। সন্ধ্যাবেলা বকরির দুগ্ধদ্বারা রোযা খোল। (দাস্তানে গাঁন্ধি বিশেষ সংখ্যা) অনেকেই প্রকৃত গবেষণা না চালিয়ে বিশ্বাস করেন যদি তাঁরা এক দিন উপবাস থাকে তাঁরা সহজে রোগাক্রান্ত হয়।অথচ একাদশ শতাব্দীর বিখ্যাত মুসলিম চিকিৎসক ইবনে সিনা তাঁর রোগীদের তিন সপ্তাহের জন্য উপবাস পালনের বিধান দিতেন।বৎসরে এক মাস সিয়াম পালনের ফলে শরীরের অনেক অঙ্গ পতঙ্গের বিশ্রাম ঘটে।এতে করে মানবদেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কর্মক্ষম হয়ে ওঠে। যেমন পূর্নএকমাস রোযার ফলে জিহ্বা ও লালা গ্রন্তিসমূহ বিশ্রাম পায়। তাতে এইগুলি সতেজ হয়ে উঠে। সিয়াম পাকস্থলী ও পরিপাকতন্ত্রকে বিশ্রাম দিয়ে থাকে। ফলে এগুলোর কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। মোটা মানুষের স্থূলতা কমিয়ে আনতে সিয়াম সাহায্য করে এবং মাত্রা অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে এনে অনেক রোগ বালাই থেকে হেফাজত করে। এভাবেই সিয়াম মানবদেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গের উপর অনবদ্য অবদান রেখে মানব জীবনকে সমৃদ্ধময় করে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়।

রিপোর্ট : ইমাম বিমান


"দৈনিক তরুন কন্ঠ" পত্রিকার র্বাতা সম্পাদক আকতার হোসেনকে হুমকির প্রতিবাদ জানিয়েছে সাংবাদিক বান্ধব সংগঠন "বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম" (বিএমএসএফ)। সিরাজগঞ্জ জেলার বহুলী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ফিরোজ আলম মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ত থাকায় দৈনিক তরুণ কন্ঠ পত্রিকায় ২২মে ‘দলীয় সাইনবোর্ডের আড়ালে বহুলী ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ নেতাদের মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজী’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। মাদক ও চাদাবাজীর সংবাদ প্রকাশের জের ধরে মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ আলম সোমবার রাত আনুমানিক ৮.৩৪ মিনিটে দৈনিক তরুণ কন্ঠের বার্তা সম্পাদকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে সংবাদে অভিযুক্ত ফিরোজ আলম খাঁন ০১৭৫১৫৮৬১৯১ নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। শুধু গালাগাল করেই সে ক্ষান্ত হননি র্বাতা সম্পাদককে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির হুমকি প্রদান করেন। তিনি নিজেকে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক হাসান গাজী ও মতিঝিল থানার ওসি তাদের আত্বীয় পরিচয় দিয়ে বলেন, ওসিকে দিয়ে তিনি তাকে ধরে সিরাজগঞ্জ থানায় নিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাসিয়ে দিবেন। উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রকাশ করে সাংবাদিক বান্ধব সংগঠন বিএমএসএফ নেতৃবৃন্দ। সেই সাথে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, যারা একজন সাংবাদিক অথবা একজন সম্পাদককে টাকা খরচ করে মেরে ফেলার হুমকি দিতে পারে তারা নি:সন্দেহে সন্ত্রাসী প্রকৃতির তাই তাদেরকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দ্রুত গ্রেফতার সহ বিচারের দাবী জানাচ্ছি।


দৈনিক তরুন কন্ঠ পত্রিকার অনুসন্ধানের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি, সিরাগঞ্জ জেলার বহুলী ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামের মৃত বজলার রহমান খানের পুএ ফিরোজ আলম খাঁন। ছোট বেলা থেকে তিনি ছিলেন বেপরোয়া জামায়াত অধ্যুষিত বহুলী ইউনিয়নের জামায়াতের নেতা কমীদের সাথে তার রয়েছে সুসর্ম্পক। বিএনপি জামায়েতের হরতাল অবরোধে তিনি পরোক্ষ ভাবে জামায়তের নেতৃত্বদেন। এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে রয়েছে তার বিশাল নেটওয়ার্ক। গত কয়েক দিন পূর্বে তিনি পারিবারিক কলহের জোরে আলমপুর বাজারে তার ভাই শফিকুল ইসলামের উপর আক্রমন করেন মারধোর করার এক অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার অপরাধ জগতের নের্টওয়াক অনেক বড় বলে এলাকার কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায়না। তার অপকর্মে অতিষ্ট হয়ে ৪ বছর পূর্বে এলাকার লোকজন তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে বাড়ী ঘর পুড়িয়ে দেয়। তিনি খুনের মামলার আসামী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগর সাবেক সহ-সভাপতি হায়দার আলীর ছত্রছায়ায় অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন অভিযোগ রয়েছে।


বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শহীদুল ইসলাম পাইলট ও সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর ২৯মে এক এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, আজ দেশ ও দেশের যুব সমাজকে বাচাতে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশে মাদক বিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে সাংবাদিক বান্ধব সংগঠন "বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম" বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল বিশেষ করে প্রত্যন্ত গ্রাম গঞ্জের মাদক নিমূলে তথা গ্রামের যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রশাসনকে সংবাদ প্রকাশের তথা গোপন সংবাদের মাধ্যমে প্রশাসনকে সহযোগীতা করে আসছে দেশে কর্মরত মফস্বল সাংবাদিক। বর্তমান সরকারকে কুলশিত করতে দলীয় নেতা কর্মীদের ছত্রছায়ায় ক্ষমাতার অপব্যবহার করে যুব সমাজকে ধ্বংস দিকে ঠেলে দিচ্ছে স্বার্থনেস্বি একটি কুচক্রিমহল। প্রতিনিয়ত দেশের কোন না কোন স্থানে সাংবাদিককে নির্যাতন, নিপিড়ন অথবা প্রাননাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে। তাই সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে অবিলম্বে সরকারকে যুগোপযোগি আইন প্রণয়নের দাবী জানান।

হাসেম আলী, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় আমবাগান থেকে তরুণ-তরুণীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

কোষারাণীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বলেন, নিহত তরুন তরুণীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

নিহত নন্দলাল মিলন (১৮) ওই ইউনিয়নের খালপাড়া গ্রামের উপেন্দ্র নাথের ছেলে। আর সুধারানী (১৭) একই ইউনিয়নের দেবীটলি গ্রামের তীরেনচন্দ্র রায়ের মেয়ে।

পীরগঞ্জ থানার ওসি মো. আমিরুজ্জামান বলেন, এলাকাবাসীর কাছে খবর পেয়ে মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে দেবীটলি বাজার এলাকার একটি আমবাগান থেকে পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে। “মিলনের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় আর সুধার লাশ মাটিতে পড়ে ছিল।”

এলাকাবাসী জানান, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ছেলের পক্ষ থেকে অনেকবার বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়, কিন্তু মেয়েপক্ষ তাতে রাজি ছিল না।

চেয়ারম্যান মোস্তফা বলেন, “তারা একসঙ্গে লেখাপড়া করত। সেখান থেকে তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আমরা মনে হচ্ছে ছেলেটি কৌশলে মেয়েটিকে আমবাগানে ডেকে আনে। তারপর মেয়েটিকে হত্যা করে তার ওড়না দিয়ে ছেলেটি নিজেও ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।”

এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন ওসি আমিরুজ্জামান। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

হাসেম আলী, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: কমাতে হলে মাতৃমৃত্যুর হার মিডওয়াইফ একান্ত দরকার’’ এই শ্লোগান কে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালিত হয়েছে। সোমবার সকালে সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।


বেলা ১০ টার দিকে ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে নগরীর প্রধন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। পরে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কার্যালয়ের সামনে এসে র‌্যালি শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডাক্তার মোঃ খায়রুল কবির, জনাব প্রভাস কুমার দাস ,তত্ত্বাবধায়ক আধুনিক সদর হাসপাতাল ঠাকুরগাঁও, এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি জনাব আবু তোরাব মানিক |


এসময় বক্তব্যরা বলেন, বর্তমান সময়ে মাতৃমৃত্যুর হার কমানো যাবে বাড়িতে ডেলিবারী না করে হাসপাতালে করালে। এই ঝুকি ১০০% কম হবে যদি জনসচেতনতা ও মিডওয়াইফ ব্যাবহার করা যায়।

বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারত সরকার এখনো আশাবাদী এবং এই চুক্তিকে সমর্থন করে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। তবে তিনি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন সরকারের সম্মতি ছাড়া এ চুক্তি সম্ভব নয়। সোমবার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুষমা স্বরাজ এসব কথা বলেন।


‘সব পক্ষের অনুমোদন ছাড়া তিস্তার ব্যাপারে কোনো চুক্তিই সম্ভব নয়। দুই দেশ বাংলাদেশ এবং ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সম্মতিতে এই সমস্যার সমাধান হবে না।’


তিনি বলেন, এই চুক্তির ব্যাপারে প্রধান অংশীদার হলো পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং এ ব্যাপারে আমরা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যনার্জির সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করছি।


২০১৭ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে যান। ওই সময় তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তির বিকল্প হিসেবে রাজ্যের অন্য তিনটি নদী থেকে বাংলাদেশকে পানি দেয়ার একটি প্রস্তাব তুলে ধরেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী; তবে তিস্তা থেকে নয়।


‘আমাদের সরকার চার বছর পূর্ণ করেছে এবং এখনো এক বছর বাকি আছে। সুতরাং তিস্তা চুক্তিতে না পৌঁছাতে পারাকে এ সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে বলা যাবে না।’ তিস্তা চুক্তি সম্পন্ন না হওয়াটা মোদির সরকারের জন্য ব্যর্থতা কি না; এমন এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন ভারতের এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


গত ২৫ ও ২৬ মে শেখ হাসিনার সঙ্গে নরেন্দ্র মোদি ও মমতা ব্যানার্জির বৈঠকের সফলতার ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে সুষমা স্বরাজ বলেন, গত বছরের এপ্রিলে তিস্তার বিকল্প হিসেবে পানি সরবরাহে নতুন একটি প্রস্তাব দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বলেছেন, তিস্তার পানি ভাগাভাগি করা হলে পশ্চিমবঙ্গ ভোগান্তির শিকার হবে।


পানিবিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞরা মমতার বিকল্প পানি সরবরাহের প্রস্তাবের সম্ভাব্যতা যাচাই-বাছাই করছেন। তারা এ ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন দাখিল করবেন। সুষমা বলেন, রাজ্য হওয়ায় ভারত সরকার পশ্চিমবঙ্গকে এড়িয়ে তিস্তার পানি বণ্টন করতে পারে না।


ভারতের এ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই চুক্তিতে পশ্চিমবঙ্গ এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির একটা ভূমিকা রয়েছে; যা কেন্দ্রীয় সরকার উপেক্ষা করতে পারে না।’


২০১১ সালে তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে আপত্তি তোলেন মমতা ব্যনার্জি। ওই সময় ঢাকায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ সফরে এসে চুক্তি স্বাক্ষরের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা আর আলোর মুখ দেখেনি।


সূত্র : ইউনাইটেড নিউজ অব ইন্ডিয়া।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget