Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টায় ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এই উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা করেন চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল জলিল সুইট।
হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের জন্য মোট উন্নয়ন ব্যয় ১ কোটি ৫ লাখ ২৪ হাজার, মোট রাজস্ব ব্যয় ২৬ লাখ ১২ হাজার ৪ শত, সমাপনী স্থিতি ৪৭ হাজার, সর্বমোট ব্যয় ১ কোটি ৩১ লাখ ৮৩ হাজার ৪ শত টাকার সম্ভাব্য বাজেট ঘোষনা করা হয়।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ মাহবুব আলম, ৩ নং ওয়ার্ড সদস্য আবুল হোসেন, ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য মোতাহার হোসেন, ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নাজমা বেগম, ইউনিয়ন পরিষদের অফিস সহকারী পলাশ আহম্মেদ, গণ্যমান্য ব্যক্তি আমজাদ হোসেন, সাবানা বেগম ও অন্রান্য ইউপি সদস্যসহ এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে জাতীয় সংসদে কর্মরতদের জন্য নানান সুবিধা অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা। বাদ পড়েননি এমপিরাও। তাদের জন্য সংসদীয় কমিটির বৈঠকের আপ্যায়ন খরচ দ্বিগুণ করা হয়েছে। বাড়ছে সংসদের বার্তাবাহক, দৈনিকভিত্তিক সাংবাৎসরিক কর্মচারীদের খাবার ও অতিরিক্ত খাটুনির ভাতাও।


রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদ সচিবালয় কমিশনের ২৯তম বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। কমিটির সদস্য প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা এমপি, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এমপি, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এমপি ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ এমপি বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজি এমপি বিশেষ আমন্ত্রণে বৈঠকে যোগদান করেন।


সংসদের বাজেট ৩৩২ কোটি ৫৩ লাখ
বৈঠকে জাতীয় সংসদের জন্য উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন খাতে মোট ৩৩২ কোটি ৫৩ লাখ টাকার প্রাক্কলিত বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ২৯৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৩৪ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দেয়া হয়। এবারের বাজেট চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা বেশি।


বৈঠকে ২০১৯-২০২০, ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেট প্রক্ষেপণ অনুমোদন করা হয়। বৈঠকে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটেরও অনুমোদন দেয়া হয়।


সংসদে কর্মরতদের নানা সুবিধা
বৈঠক শেষে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, সংসদের বার্তাবাহকদের খাবারের বিল, দৈনিক ভাতা সাড়ে তিনশ’ টাকা থেকে ৫শ’ টাকা করা হয়েছে।


সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য রাজধানীর পশ্চিম আগারগাঁওয়ে নবনির্মিত আবাসিক কমপ্লেক্স ৪৪৮টি ফ্ল্যাটের জন্য একটি মসজিদ আছে। সেই মসজিদের জন্য ইমাম ও মোয়াজ্জিনের পদ সৃষ্টির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।


তিনি বলেন, সংসদ অধিবেশনকালীন প্রিভিলেজ কর্মকর্তাসহ সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারী, দৈনিকভিত্তিক সাংবাৎসরিক কর্মচারীদের জন্য অতিরিক্ত খাটুনি ভাতা সাড়ে ৪শ’ থেকে ৫০০ টাকা করা হয়েছে। আর অধিবেশন না থাকলে তাদের খাটুনি ভাতা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা করা হয়েছে। আর সংসদ অধিবেশনকালীন দুপুরের ভাতা বা ইফতার ১৫০ টাকা থেকে ২০০ করা হয়েছে। আর বার্তাবাহকদের যে বেতন বা মজুরি তা ৫০০ টাকা করা হয়েছে।


সংসদের নকশা নিয়ে কোনো আলোচনা না হলেও সংসদের লাইব্রেরি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্পিকার। তিনি বলেন, লাইব্রেরির যে সংস্কার কাজ চলছে তার একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রধানমন্ত্রীকে দেখানো হয়েছে। তিনি বলেছেন, বইয়ের সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে। এ বিষয়ে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) কিছু সাজেশন দিয়েছেন। অন্যান্য দেশের সংসদের প্র্যাকটিসের ওপরে যেসব প্রকাশনা আছে তা সংগ্রহ করার জন্য বলেছেন।


তিনি বলেন, এখন সংসদের লাইব্রেরিতে ৩৫ হাজার বই আছে। আর ডকুমেন্ট আছে ৪০ হাজার। যেসব বইগুলো আছে সেগুলো হার্ডকপি ক্যাটালগ। এগুলো জুলাইয়ের মধ্যে অনলাইনভিত্তিক করতে পারবে লাইব্রেরি।


তিনি বিলেন, এছাড়া কমিশন বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদোন্নতির ক্ষেত্রে আলাদা পদোন্নতি না দিয়ে সব বিষয় একত্র করে নিয়োগবিধির আলোকে পদোন্নতি দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।


সরকারি বাসভবনেও গ্যাস লাইন নয়
বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র জাগো নিউজকে বলেন, সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য রাজধানীর পশ্চিম আগারগাঁওয়ে নবনির্মিত আবাসিক কমপ্লেক্সে ৪৪৮টি ফ্ল্যাট আছে। কিন্তু সেখানে গ্যাসের কোনো সংযোগ নেই। গ্যাসের সংযোগ দেয়ার জন্য প্রস্তাব উঠলেও প্রধানমন্ত্রী তা নাচক করে দিয়েছেন।


তিনি বলেছেন, বাসাবাড়িতে সরকার আর কোনো গ্যাস দেবে না। এটা ফাইনাল। এখন সরকারি যত ফ্ল্যাট আছে সেখানে এলপিজি স্টোরেজ বানানো হবে। সেখান থেকে লাইন দেয়া হবে। বাসাবাড়িতেও এই পদ্ধতি চালু হবে।


তিনি আরও বলেন, আগে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের নাস্তাবাবদ ৫০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও এখন ১০০ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।


জানা যায়, বৈঠকে কার্যপত্র উপস্থাপন করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. আবদুর রব হাওলাদার। অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পার্লামেন্ট গঠনের ফাঁদ তৈরি করেছে বিএনপি। এবার অার সে ফাঁদে পড়বে না অাওয়ামী লীগ। বিএনপি অংশ না নিলেও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলের সঙ্কট হবে না।


বললেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
রোববার প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে অাওয়ামী যুবলীগের এক অালোচনায় একথা বলেন তিনি।


ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে বিএনপি না এলেও গণতন্ত্র অব্যাহত থাকবে। নির্বাচনের ট্রেন কারো জন্য থেমে থাকবে না।
তিনি বলেন, খুলনা নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিন। বিএনপি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন চায়না।
তারা না জিতলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে অভিযোগ করবে, এটাই স্বাভাবিক।


খুলনা নির্বাচনে দুই তিনটা অনিয়ম হয়েছে স্বীকার করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এই দুই একটা অভিযোগে গোটা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে বিএনপি।


এদিকে, রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমি ওবায়দুল কাদের সাহেবের উদ্দেশে বলতে চাই-বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মানেই জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক, খালেদা জিয়া মানেই বিএনপি, খালেদা জিয়া মানেই গণতন্ত্র।


তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই বিএনপি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে। খালেদা জিয়াবিহীন কোনো জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি যাবে না, যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

রাজধানী ঢাকায় যানজটে দিনে নষ্ট হয় ৫০ লাখ কর্মঘণ্টা। বছরে এই কর্মঘণ্টা নষ্টের আর্থিক ক্ষতি প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এই যানজট।


বিশ্লেষকরা বলছেন, যানজটে বছরে যে পরিমাণ অর্থ ক্ষতি হচ্ছে, তা দিয়ে বছরে অন্তত একটি পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব। আর এ টাকা দিয়ে বছরে সম্প্রতি উৎক্ষেপিত বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম স্যাটেলাইটের মতো প্রায় ১২টি স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানো যায়।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ‘গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং যানজট নিরসনে পরিকল্পনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে শনিবার এ সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।


ওই বৈঠকের আয়োজন করে দুর্ঘটনা গবেষণা ইন্সটিটিউট ও রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। এসময় গবেষণা প্রতিবেদনটিতে যানজটের কারণে সময় নষ্ট এবং আর্থিক ক্ষতির হিসাব দেয়া হয়।


গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকায় যানজটের কারণে পিক আওয়ারে গণপরিবহনের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫ কিলোমিটারে নেমে এসেছে, যেখানে পায়ে হেঁটে চলার গড় গতিও ৫ কিলোমিটার। ফলে প্রতিদিন ৫০ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। যানজটে প্রতিবছর ৩৭ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে। যা জাতীয় বাজেটের ১১ ভাগের এক ভাগ।


ঢাকা শহরে গণপরিবহন প্রতিদিন ৩৬ লাখ ট্রিপে ৩৫ শতাংশ যাত্রীকে কর্মক্ষেত্রে নিয়ে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়, যানজটের কারণে মানব চরিত্রের ৯টি দিক নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি নাগরিকদের সামাজিক যোগাযোগে প্রভাব পড়ছে বলে জানান আয়োজকরা।


গণপরিবহনে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধীদের নানাভাবে নিগৃহীত হওয়ার বিষয়টিও উঠে আসে ওই প্রতিবেদনে।
বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসেন ওই প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।
তিনি বলেন, যানজট কমানো গেলে দেশ আরও এগিয়ে যেত। রাজধানীতে যানজটের কারণে যে পরিমাণ সময় নষ্ট হচ্ছে, তার অর্থমূল্য দিয়ে বছরে অন্তত একটি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব।


সরকারি তথ্য মতে, বর্তমানে ৫২ শতাংশ কাজ শেষ হওয়া পদ্মা সেতুর প্রকল্প ব্যয় প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকা।
ড. মোয়াজ্জেম নগরের যানবাহন পরিচালনায় শৃঙ্খলা আনতে বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণে আনার পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, এখন ঢাকায় দেড়শ থেকে দুইশ বাস সার্ভিস চলছে। এটাকে প্রতিটি রুটে একটি করে কোম্পানিকে দায়িত্ব দিলে ভালো হয়। এতে করে সড়কে প্রতিযোগিতা কমবে।


আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালগুলো সম্পূর্ণভাবে সরকারি নিয়ন্ত্রণে আনার পরামর্শও দেন তিনি।
ড. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সড়কে যত দুর্ঘটনা হচ্ছে এর ৭৪ শতাংশ ঘটছে রাস্তা পারাপারের সময়। এ ছাড়া রিকশার অপরিকল্পিত চলাচলও যানজটের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।


তিনি ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনায় ডিটিসিএ, সিসিএস, রাজউক, আরএইডি, এলজিইডি, বিআরটিএর মধ্যে একটি সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করার পরামর্শ দেন।


পরিবহন খাতে ভর্তুকি দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে অধ্যাপক মোয়াজ্জেম বলেন, বছরে ১ হাজার কোটি টাকা সাবসিডিয়ারি দিয়ে বছরে যদি ৫ হাজার কোটি টাকা লাভ করতে পারি, তবে সেখানে সাবসিডিয়ারি দিলে ক্ষতি কোথায়?


এক প্রশ্নের জবাবে ড. মোয়াজ্জেম বলেন, রাজধানী থেকে হঠাৎ করেই যানজট নিরসন সম্ভব নয়, তবে কিছু পদক্ষেপ নিলে হয়তো তা প্রায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব।


প্রতিবেদনে চালকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ, লাইসেন্স দিতে আরও বেশি সতর্ক হওয়া, নগরে অবৈধ পার্কিং বন্ধ করা, বাইসাইকেল লেইন ও হাঁটার পথ তৈরি করার পরামর্শ দেয়া হয়।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রেস্টুরেন্ট। বাইরে চাকচিক্ক, টেবিলের ওপর টিস্যু। ফ্রিজ খুলতেই পচা গন্ধ। ফ্রিজে রাখা খাবারগুলো নাড়াচাড়া করতেই মিললো পচা ফ্রাইড রাইস, পচা মাংস, নুডুলস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, আম, তেলাপোকায় খাওয়া আপেল, সস, পচা চিংড়ি। যা দিয়ে তৈরি হতো রকমারি খাবার। উন্নত সেবা ও ভ্যাটের কথা বলে নেয়া হয় ক্রেতাদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা। এমন আটটি রেস্টুরেন্টের খোঁজ পেয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।


রেস্টুরেন্টগুলো হলো ওয়েস্টার্ন ফুড, অ্যারোমা ফুড, কিং ফুড, ক্যাপিটাল ফুড, আল-আমিন ফুড, সৈকত ফুড, ক্যাপ্রি ফুড ও ফুড পার্ক।


সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মশিউর রহমান রোববার নিউমার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে রেস্টুরেন্টগুলোর এমন পরিস্থিতি দেখতে পান। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে রেস্টুরেন্ট রেখে পালিয়ে যান মালিকরা। মালিককে না পেয়ে একজন কর্মীকে আটক করা হয়।


অভিযান শেষে মশিউর রহমান জানান, আট রেস্টুরেন্টকে ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও আটক কর্মচারীদের দণ্ড দেয়া হয়েছে। জরিমানার টাকা দোকান মালিকদের পরিশোধ করতে হবে।


জরিমানা পরিশোধ না করলে ও রেস্টুরেন্ট মালিকদের পাওয়া না গেলে আট কর্মচারীর প্রত্যেককে তিনমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলেও জানান মশিউর রহমান।


অভিযানে ডিএমপি পুলিশের পক্ষে এসি ডিবি (দক্ষিণ) শামসুল আরেফিন ও ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. গিয়াসউদ্দিন ফারুকী নেতৃত্ব দেন। এছাড়া মালিক সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম শাহিন ও কোষাধ্যক্ষ মো. জুম্মন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পাখি, ঝিলিক, খুশি, কিরণমালা- স্টার জলসা বা স্টার প্লাস কিংবা জি বাংলার এসব সিরিয়ালের নায়িকাদের নামের উপর চলা পোশাকের ব্যবসা আমাদের দেশে নতুন কিছু নয়। আর এতে হিতে বিপরীত হয়েছে অনেক সময়।


এসব পোশাককে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন বাংলাদেশি পোশাকের বাজার ধরা খেয়েছে, তেমনি সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে অনেক বেশি। বিদেশি পোশাকের আগ্রাসনে ঘটেছে আত্মহত্যা-সংসার বিচ্ছেদের ঘটনাও।


সময়ের পালাবদলে আবারও আসছে ঈদের উৎসব। ঈদের ক্ষণ গণনা শুরু করেছেন দেশের উদ্যোক্তারা। তবে তাদের প্রশ্ন- এবারও কি পাখি ড্রেসগুলোর আগ্রাসন থাকবে নাকি বিদেশি এসব পোশাকের আগ্রাসন থেকে মুক্তি পাবে দেশের বাজার।
রোজার শুরু থেকেই চলে নতুন পোশাক বানানো বা কেনার প্রস্তুতি। ক্রেতাদের এমন চাহিদার কথা মাথায় রেখেই দেশের বুটিক হাউজগুলো প্রস্তুতি নিচ্ছে নিজ নিজ ভাণ্ডার সাজানোর।


দেশীয় পণ্য তুলে ধরতে রাজধানীর বুটিক হাউজগুলোর আয়োজনে থাকে বৈচিত্রময় সব সম্ভার। নিজেদের তৈরি পোশাকে ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইন ফুটিয়ে তোলার চেষ্টায় ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন উদ্যোক্তারা। সবারই ভিন্নতা ও নজর কাড়ার চেষ্টা।
ফ্যাশন ডিজাইনাররা রং ও তুলির সম্মিলনকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে তারা রাত দিন কাজ করছেন।


এক কর্মী জানান, আগের যেখানে ৭ থেকে ৮ পিস পোশাক সেলাই করতে হতো, এখন সেখানে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ পিস সেলাই করতে হয়। সকাল-বিকাল, দিন-রাত কাজ করছি, কাজের প্রচুর চাপ।


রং তুলি, রেশমি সুতার বুনন, জরি চুমকি আর নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় একে একে পোশাকগুলো করা তোলা হচ্ছে আকর্ষণীয়। এবারের ঈদে দেশীয় পোশাকের বুটিকস হাউসগুলো এনেছে কিছু নান্দনিক সংগ্রহ।


উদ্যোক্তারা বলছেন, আমরা নতুন নতুন ডিজাইনে এবারের উৎসব ধরে রাখার চেষ্টা করছি। গ্রাহকরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, সে কথা মাথায় রেখেই প্রস্তুত করছি। কিন্তু এই বাজারে যদি বিদেশি আগ্রাসন থামানো না যায়, তবে মনে হয় না তাতে খুব একটা লাভ পাবো।


আনুশা বুটিকসের এর সত্ত্বাধিকারী জায়েদা খাতুন জানান, গাউন টাইপস বা কুর্তি, শর্ট কুর্তি, লং কুর্তি, তাতে নানা রঙের ফুল; যাতে ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়, সে লক্ষ্যকে সামনে রেখেই পোশাক প্রস্তুত করা হচ্ছে।
বিশ্বরং এর সত্ত্বাধিকারী বিপ্লব সাহা বলছেন, যেহেতু ঈদ উৎসবটা গরমের মধ্যেই, সে বিষয়টি মাথায় রেখেই পণ্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। যাতে করে মানুষ আরাম পায়।


ক্রে ক্র্যাফটের মালিক খালিদ মাহমুদ বলেন, এই সময়টার বাস্তবতায় আমরা অফয়েড, লাল রঙ যেমন ব্যবহার করেছি, ঠিক তেমনি ডার্ক শেডের ব্ল্যাক, ব্লু রঙও ব্যবহার করেছি।


আর এ সংগ্রহের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে বিদেশি পোশাকের আগ্রাসন কমানোর চেষ্টা উদ্যোক্তাদের।
জায়েদা খাতুন বলেন, পাকিস্তানি-ভারতের কারণে আমাদের দেশীয় বাজার এমনিতে স্লো। পাকিস্তান-ভারতের থ্রি-পিস, শাড়িতে আজ বাংলাদেশি বাজার ছেয়ে গেছে।


খালিদ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের যে আইন ও ব্যবস্থাপনা আছে, যে ট্যাক্সেশন সিস্টেম আছে; সেটাকেই যদি ঠিকমতো বাস্তবায়ন করা হয়, তবে সেটা বাংলাদেশের বাজার বিদেশি পোশাকের আগ্রাসন ঠেকাতে অনেকখানি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।


এক্ষেত্রে সাধ ও সাধ্যের সমন্বয় করার চেষ্টা করছে ফ্যাশন ডিজাইনাররা। একইসঙ্গে বিদেশি পোশাকের আগ্রাসন বন্ধে সরকারিভাবে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বুটিক হাউজের মালিকরা।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget