Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পার্লামেন্ট গঠনের ফাঁদ তৈরি করেছে বিএনপি। এবার অার সে ফাঁদে পড়বে না অাওয়ামী লীগ। বিএনপি অংশ না নিলেও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলের সঙ্কট হবে না।


বললেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
রোববার প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে অাওয়ামী যুবলীগের এক অালোচনায় একথা বলেন তিনি।


ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে বিএনপি না এলেও গণতন্ত্র অব্যাহত থাকবে। নির্বাচনের ট্রেন কারো জন্য থেমে থাকবে না।
তিনি বলেন, খুলনা নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিন। বিএনপি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন চায়না।
তারা না জিতলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে অভিযোগ করবে, এটাই স্বাভাবিক।


খুলনা নির্বাচনে দুই তিনটা অনিয়ম হয়েছে স্বীকার করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এই দুই একটা অভিযোগে গোটা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে বিএনপি।


এদিকে, রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমি ওবায়দুল কাদের সাহেবের উদ্দেশে বলতে চাই-বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মানেই জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক, খালেদা জিয়া মানেই বিএনপি, খালেদা জিয়া মানেই গণতন্ত্র।


তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই বিএনপি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে। খালেদা জিয়াবিহীন কোনো জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি যাবে না, যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

রাজধানী ঢাকায় যানজটে দিনে নষ্ট হয় ৫০ লাখ কর্মঘণ্টা। বছরে এই কর্মঘণ্টা নষ্টের আর্থিক ক্ষতি প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এই যানজট।


বিশ্লেষকরা বলছেন, যানজটে বছরে যে পরিমাণ অর্থ ক্ষতি হচ্ছে, তা দিয়ে বছরে অন্তত একটি পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব। আর এ টাকা দিয়ে বছরে সম্প্রতি উৎক্ষেপিত বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম স্যাটেলাইটের মতো প্রায় ১২টি স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানো যায়।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ‘গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং যানজট নিরসনে পরিকল্পনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে শনিবার এ সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।


ওই বৈঠকের আয়োজন করে দুর্ঘটনা গবেষণা ইন্সটিটিউট ও রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। এসময় গবেষণা প্রতিবেদনটিতে যানজটের কারণে সময় নষ্ট এবং আর্থিক ক্ষতির হিসাব দেয়া হয়।


গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকায় যানজটের কারণে পিক আওয়ারে গণপরিবহনের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫ কিলোমিটারে নেমে এসেছে, যেখানে পায়ে হেঁটে চলার গড় গতিও ৫ কিলোমিটার। ফলে প্রতিদিন ৫০ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। যানজটে প্রতিবছর ৩৭ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে। যা জাতীয় বাজেটের ১১ ভাগের এক ভাগ।


ঢাকা শহরে গণপরিবহন প্রতিদিন ৩৬ লাখ ট্রিপে ৩৫ শতাংশ যাত্রীকে কর্মক্ষেত্রে নিয়ে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়, যানজটের কারণে মানব চরিত্রের ৯টি দিক নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি নাগরিকদের সামাজিক যোগাযোগে প্রভাব পড়ছে বলে জানান আয়োজকরা।


গণপরিবহনে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধীদের নানাভাবে নিগৃহীত হওয়ার বিষয়টিও উঠে আসে ওই প্রতিবেদনে।
বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসেন ওই প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।
তিনি বলেন, যানজট কমানো গেলে দেশ আরও এগিয়ে যেত। রাজধানীতে যানজটের কারণে যে পরিমাণ সময় নষ্ট হচ্ছে, তার অর্থমূল্য দিয়ে বছরে অন্তত একটি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব।


সরকারি তথ্য মতে, বর্তমানে ৫২ শতাংশ কাজ শেষ হওয়া পদ্মা সেতুর প্রকল্প ব্যয় প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকা।
ড. মোয়াজ্জেম নগরের যানবাহন পরিচালনায় শৃঙ্খলা আনতে বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণে আনার পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, এখন ঢাকায় দেড়শ থেকে দুইশ বাস সার্ভিস চলছে। এটাকে প্রতিটি রুটে একটি করে কোম্পানিকে দায়িত্ব দিলে ভালো হয়। এতে করে সড়কে প্রতিযোগিতা কমবে।


আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালগুলো সম্পূর্ণভাবে সরকারি নিয়ন্ত্রণে আনার পরামর্শও দেন তিনি।
ড. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সড়কে যত দুর্ঘটনা হচ্ছে এর ৭৪ শতাংশ ঘটছে রাস্তা পারাপারের সময়। এ ছাড়া রিকশার অপরিকল্পিত চলাচলও যানজটের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।


তিনি ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনায় ডিটিসিএ, সিসিএস, রাজউক, আরএইডি, এলজিইডি, বিআরটিএর মধ্যে একটি সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করার পরামর্শ দেন।


পরিবহন খাতে ভর্তুকি দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে অধ্যাপক মোয়াজ্জেম বলেন, বছরে ১ হাজার কোটি টাকা সাবসিডিয়ারি দিয়ে বছরে যদি ৫ হাজার কোটি টাকা লাভ করতে পারি, তবে সেখানে সাবসিডিয়ারি দিলে ক্ষতি কোথায়?


এক প্রশ্নের জবাবে ড. মোয়াজ্জেম বলেন, রাজধানী থেকে হঠাৎ করেই যানজট নিরসন সম্ভব নয়, তবে কিছু পদক্ষেপ নিলে হয়তো তা প্রায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব।


প্রতিবেদনে চালকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ, লাইসেন্স দিতে আরও বেশি সতর্ক হওয়া, নগরে অবৈধ পার্কিং বন্ধ করা, বাইসাইকেল লেইন ও হাঁটার পথ তৈরি করার পরামর্শ দেয়া হয়।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রেস্টুরেন্ট। বাইরে চাকচিক্ক, টেবিলের ওপর টিস্যু। ফ্রিজ খুলতেই পচা গন্ধ। ফ্রিজে রাখা খাবারগুলো নাড়াচাড়া করতেই মিললো পচা ফ্রাইড রাইস, পচা মাংস, নুডুলস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, আম, তেলাপোকায় খাওয়া আপেল, সস, পচা চিংড়ি। যা দিয়ে তৈরি হতো রকমারি খাবার। উন্নত সেবা ও ভ্যাটের কথা বলে নেয়া হয় ক্রেতাদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা। এমন আটটি রেস্টুরেন্টের খোঁজ পেয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।


রেস্টুরেন্টগুলো হলো ওয়েস্টার্ন ফুড, অ্যারোমা ফুড, কিং ফুড, ক্যাপিটাল ফুড, আল-আমিন ফুড, সৈকত ফুড, ক্যাপ্রি ফুড ও ফুড পার্ক।


সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মশিউর রহমান রোববার নিউমার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে রেস্টুরেন্টগুলোর এমন পরিস্থিতি দেখতে পান। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে রেস্টুরেন্ট রেখে পালিয়ে যান মালিকরা। মালিককে না পেয়ে একজন কর্মীকে আটক করা হয়।


অভিযান শেষে মশিউর রহমান জানান, আট রেস্টুরেন্টকে ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও আটক কর্মচারীদের দণ্ড দেয়া হয়েছে। জরিমানার টাকা দোকান মালিকদের পরিশোধ করতে হবে।


জরিমানা পরিশোধ না করলে ও রেস্টুরেন্ট মালিকদের পাওয়া না গেলে আট কর্মচারীর প্রত্যেককে তিনমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলেও জানান মশিউর রহমান।


অভিযানে ডিএমপি পুলিশের পক্ষে এসি ডিবি (দক্ষিণ) শামসুল আরেফিন ও ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. গিয়াসউদ্দিন ফারুকী নেতৃত্ব দেন। এছাড়া মালিক সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম শাহিন ও কোষাধ্যক্ষ মো. জুম্মন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পাখি, ঝিলিক, খুশি, কিরণমালা- স্টার জলসা বা স্টার প্লাস কিংবা জি বাংলার এসব সিরিয়ালের নায়িকাদের নামের উপর চলা পোশাকের ব্যবসা আমাদের দেশে নতুন কিছু নয়। আর এতে হিতে বিপরীত হয়েছে অনেক সময়।


এসব পোশাককে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন বাংলাদেশি পোশাকের বাজার ধরা খেয়েছে, তেমনি সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে অনেক বেশি। বিদেশি পোশাকের আগ্রাসনে ঘটেছে আত্মহত্যা-সংসার বিচ্ছেদের ঘটনাও।


সময়ের পালাবদলে আবারও আসছে ঈদের উৎসব। ঈদের ক্ষণ গণনা শুরু করেছেন দেশের উদ্যোক্তারা। তবে তাদের প্রশ্ন- এবারও কি পাখি ড্রেসগুলোর আগ্রাসন থাকবে নাকি বিদেশি এসব পোশাকের আগ্রাসন থেকে মুক্তি পাবে দেশের বাজার।
রোজার শুরু থেকেই চলে নতুন পোশাক বানানো বা কেনার প্রস্তুতি। ক্রেতাদের এমন চাহিদার কথা মাথায় রেখেই দেশের বুটিক হাউজগুলো প্রস্তুতি নিচ্ছে নিজ নিজ ভাণ্ডার সাজানোর।


দেশীয় পণ্য তুলে ধরতে রাজধানীর বুটিক হাউজগুলোর আয়োজনে থাকে বৈচিত্রময় সব সম্ভার। নিজেদের তৈরি পোশাকে ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইন ফুটিয়ে তোলার চেষ্টায় ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন উদ্যোক্তারা। সবারই ভিন্নতা ও নজর কাড়ার চেষ্টা।
ফ্যাশন ডিজাইনাররা রং ও তুলির সম্মিলনকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে তারা রাত দিন কাজ করছেন।


এক কর্মী জানান, আগের যেখানে ৭ থেকে ৮ পিস পোশাক সেলাই করতে হতো, এখন সেখানে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ পিস সেলাই করতে হয়। সকাল-বিকাল, দিন-রাত কাজ করছি, কাজের প্রচুর চাপ।


রং তুলি, রেশমি সুতার বুনন, জরি চুমকি আর নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় একে একে পোশাকগুলো করা তোলা হচ্ছে আকর্ষণীয়। এবারের ঈদে দেশীয় পোশাকের বুটিকস হাউসগুলো এনেছে কিছু নান্দনিক সংগ্রহ।


উদ্যোক্তারা বলছেন, আমরা নতুন নতুন ডিজাইনে এবারের উৎসব ধরে রাখার চেষ্টা করছি। গ্রাহকরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, সে কথা মাথায় রেখেই প্রস্তুত করছি। কিন্তু এই বাজারে যদি বিদেশি আগ্রাসন থামানো না যায়, তবে মনে হয় না তাতে খুব একটা লাভ পাবো।


আনুশা বুটিকসের এর সত্ত্বাধিকারী জায়েদা খাতুন জানান, গাউন টাইপস বা কুর্তি, শর্ট কুর্তি, লং কুর্তি, তাতে নানা রঙের ফুল; যাতে ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়, সে লক্ষ্যকে সামনে রেখেই পোশাক প্রস্তুত করা হচ্ছে।
বিশ্বরং এর সত্ত্বাধিকারী বিপ্লব সাহা বলছেন, যেহেতু ঈদ উৎসবটা গরমের মধ্যেই, সে বিষয়টি মাথায় রেখেই পণ্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। যাতে করে মানুষ আরাম পায়।


ক্রে ক্র্যাফটের মালিক খালিদ মাহমুদ বলেন, এই সময়টার বাস্তবতায় আমরা অফয়েড, লাল রঙ যেমন ব্যবহার করেছি, ঠিক তেমনি ডার্ক শেডের ব্ল্যাক, ব্লু রঙও ব্যবহার করেছি।


আর এ সংগ্রহের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে বিদেশি পোশাকের আগ্রাসন কমানোর চেষ্টা উদ্যোক্তাদের।
জায়েদা খাতুন বলেন, পাকিস্তানি-ভারতের কারণে আমাদের দেশীয় বাজার এমনিতে স্লো। পাকিস্তান-ভারতের থ্রি-পিস, শাড়িতে আজ বাংলাদেশি বাজার ছেয়ে গেছে।


খালিদ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের যে আইন ও ব্যবস্থাপনা আছে, যে ট্যাক্সেশন সিস্টেম আছে; সেটাকেই যদি ঠিকমতো বাস্তবায়ন করা হয়, তবে সেটা বাংলাদেশের বাজার বিদেশি পোশাকের আগ্রাসন ঠেকাতে অনেকখানি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।


এক্ষেত্রে সাধ ও সাধ্যের সমন্বয় করার চেষ্টা করছে ফ্যাশন ডিজাইনাররা। একইসঙ্গে বিদেশি পোশাকের আগ্রাসন বন্ধে সরকারিভাবে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বুটিক হাউজের মালিকরা।

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ): নওগাঁর আত্রাইয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ধান মাড়াইয়ের মেশিন। কৃষকদের এখন আর গরু দিয়ে ধান মাড়াইয়ের অপেক্ষায় থাকতে হয় না। এক সময় বোরো ও আমন ধান কেটে মাঠ থেকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর বড় পিড়িতে পিটিয়ে ধান বের করতে হতো। আবার তেলের ড্রাম বা গাছের গুলও ব্যবহার করা হতো। যেগুলো ছিল সময় সাপেক্ষ। এছাড়া শ্রমিকও লাগতো বেশি। এরপর এলো পা দিয়ে ব্যবহৃত মেশিনে ধান মাড়াই। পরবর্তীতে শ্যালোমেশিনে ধান মাড়াই।
তবে সময়ের পরিক্রমায় দিন যতই যাচ্ছে ততই আমরা যন্ত্র চালিত হয়ে পড়ছি। স্বল্প সময়ে কম পরিশ্রমে বেশি বেশি সুফল পাবার আশা করছি। আধুনিক যুগে দেশীয় পদ্ধতিতে ধান মাড়াইয়ে যন্ত্র উদ্ভাবন করা হয়েছে। যেটি দিয়ে কম সময়ে যেকোনো পরিবেশে ধান মাড়াই করা হচ্ছে। আধুনিক পদ্ধতিতে ভ্রাম্যমাণ এ ধান মাড়াই যন্ত্র হচ্ছে পাওয়ার থ্রেসাল মেশিন। যা গ্রামগঞ্জে ভূতের মেশিন নামে বেশি পরিচিত। বর্তমানে আত্রাই উপজেলার কৃষকদের কাছে ধান মাড়াইয়ে এ যন্ত্রের ব্যাপক কদর রয়েছে।
বৈরি আবহাওয়ায় ধান কাটা মাড়াইয়ের আগে ঝড়-বৃষ্টিতে উপজেলায় কিছু অংশ ধান পানিতে ডুবে যায়। এছাড়া ঝড়ের কারণে ধানগাছগুলো মাটিতে শুয়ে পড়ে। ফলে ধান পুরোপুরি পাকার আগ মুর্হূতে এক সঙ্গে কাটা মাড়াই শুরু হওয়ায় শ্রমিক সংকটে পড়ে কৃষক। যেখানে ৪০০-৪৫০ টাকা দিনে মজুরি দিয়েও শ্রমিক পাওয়া দায় হয়ে পড়েছে। বর্তমানে এক বিঘা জমির ধান কাটতে দূরত্ব ভেদে ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা গুণতে হচ্ছে কৃষকদের।
ধান কাটা শ্রমিক সংকটের কারণে আধুনিক পদ্ধতিতে ভ্রাম্যমাণ ধান মাড়াই পাওয়ার থ্রেসাল মেশিনের ব্যাপক কদর বেড়েছে কৃষকের কাছে। কোনো রকম মাঠ থেকে ধান বাড়িতে বা রাস্তায় নিয়ে এসে এ মেশিন দিয়ে মাড়াই করা হচ্ছে। এ মেশিন দিয়ে প্রতি বিঘা ৪শ টাকা দরে অথবা প্রতি মণ ধান এক কেজি দরে মাড়াই করতে বাধ্য হচ্ছে কৃষকরা। এ মেশিনে ধান মাড়াইয়ে একজন লোক এ কাজ করে থাকেন। তবে পাশ থেকে ধান নিয়ে আসতে আরেকজন সহযোগির প্রয়োজন হয়। ব্যাপক চাহিদার কারণে মাড়াই মেশিনের মালিকদের কাছে ধান কাটার আগেই মোবাইল ফোনে বা স্বশরীরে গিয়ে সিরিয়াল দিতে হচ্ছে।
তবে মাঠ থেকে ধান তুলে নিয়ে এসে বেশির ভাগ রাস্তায় পাওয়ার থ্রেসাল মেশিন দিয়ে মাড়াই করতে দেখা গেছে। খড়ের কথা চিন্তাা না করে কোনো রকম এ মেশিন দিয়ে মাড়াই করে ধান বের করতে পারলেই চিন্তামুক্ত। শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি ও সংকটের কারণে কৃষকরা ধান ঘরে তুলার লক্ষে শ্রমিকদের দ্বিগুণ মজুরি দিয়ে ধান কাটা শুরু করলেও শ্রমিক সংকটের কারণে তা পুরোদমে কাটা মাড়াই করতে পারছেন না। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে উঠানে কিংবা মাঠে, রাস্তার ধারে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পাওয়ার থ্রেসাল মেশিন নিয়ে কৃষকের বাড়ি বাড়ি ঘুরে মাড়াই কাজ সম্পন্ন করছে। বাজারে নতুন ধান এখন ৮৫০-৯০০ টাকা মণ।
এ ব্যাপারে উপজেলার শাহাগোলা গ্রামের কৃষক মো: আজাদ সরদার বলেন, এক সঙ্গে ধান কাটা মাড়াই শুরু হওয়ায় মজুরি বেশি দিয়েও শ্রমিক পাওয়াই দায় হয়ে উঠেছে। কোনো রকম আড়াই বিঘা জমির ধান কেটে অল্প সময়ে পাওয়ার থ্রেসাল মেশিন দিয়ে মাড়াই করা হয়। মাড়াই মেশিন এলাকায় না আসলে দুর্ভোগে পরতে হতো। তবে এ মেশিনের কদর বেড়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের ধান মাড়াইয়ে পাওয়ার থ্রেসাল মেশিনের মালিক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, প্রায় আড়াই লাখ টাকায় এ বছর মেশিনটি কিনেছেন। ধান মাড়াই মেশিনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ২৫০-৩০০ মণ ধান মাড়াই করেন। এ মৌসুমে মেশিনের দাম উঠে যাবে বলে তিনি আশা করছেন।

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর সুলতানপুর বাইপাস ব্রীজে স্ব-উদ্দোগে এলইডি রোড় লাইটের উদ্ধোধন করা হয়েছে। নওগাঁ শহরের সুলতানপুর জেলে পাড়ার গাবতলী ব্রীজ ৬মাস পূর্বে সম্পন্ন হলেও ব্রীজে ও দুপাশে রাতে অন্ধকার থাকাই প্রতিনিয়ত চুরি ছিনতাই মাদকের রমরমা ব্যবসা হতো। একারণে শনিবার ইফতার শেষে সুজন নওগাঁ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সুলতানপুর সমাজ উন্নয়ন সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা মাহমুদুন নবী বেলাল এর ব্যক্তিগত উদ্দোগে পৌর মেয়র নজমুল হক সনি, প্যানেল মেয়র জান্নাতুন ফেরদৌস মুন্নি, কমিশনার মজনুর, পিডিবি সহ সুলতানপুর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ও স্থাণীয়দের সহযোগীতায় ব্রীজের উপর উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন এলইডি রোড় লাইটসহ দু’পাশে ৭টি লাইট শেড দেওয়া হয়। এই লাইট স্থাপনের কারণে অত্র এলাকায় চুরি ছিনতাই মাদকের রমরমা ব্যবসা বন্ধ হবে বলে মনে করেন এলাকা বাসী। উদ্ধোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন অত্র এলাকার মোস্তাক আহম্মেদ, জুয়েল রানা, শাহিন মন্ডল, আকরাম হোসেন, হারুন আর রশিদ, মাসুদ রানা সহ গন্যমান্য বাক্তিবর্গ।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget