Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ): নওগাঁর আত্রাইয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ধান মাড়াইয়ের মেশিন। কৃষকদের এখন আর গরু দিয়ে ধান মাড়াইয়ের অপেক্ষায় থাকতে হয় না। এক সময় বোরো ও আমন ধান কেটে মাঠ থেকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর বড় পিড়িতে পিটিয়ে ধান বের করতে হতো। আবার তেলের ড্রাম বা গাছের গুলও ব্যবহার করা হতো। যেগুলো ছিল সময় সাপেক্ষ। এছাড়া শ্রমিকও লাগতো বেশি। এরপর এলো পা দিয়ে ব্যবহৃত মেশিনে ধান মাড়াই। পরবর্তীতে শ্যালোমেশিনে ধান মাড়াই।
তবে সময়ের পরিক্রমায় দিন যতই যাচ্ছে ততই আমরা যন্ত্র চালিত হয়ে পড়ছি। স্বল্প সময়ে কম পরিশ্রমে বেশি বেশি সুফল পাবার আশা করছি। আধুনিক যুগে দেশীয় পদ্ধতিতে ধান মাড়াইয়ে যন্ত্র উদ্ভাবন করা হয়েছে। যেটি দিয়ে কম সময়ে যেকোনো পরিবেশে ধান মাড়াই করা হচ্ছে। আধুনিক পদ্ধতিতে ভ্রাম্যমাণ এ ধান মাড়াই যন্ত্র হচ্ছে পাওয়ার থ্রেসাল মেশিন। যা গ্রামগঞ্জে ভূতের মেশিন নামে বেশি পরিচিত। বর্তমানে আত্রাই উপজেলার কৃষকদের কাছে ধান মাড়াইয়ে এ যন্ত্রের ব্যাপক কদর রয়েছে।
বৈরি আবহাওয়ায় ধান কাটা মাড়াইয়ের আগে ঝড়-বৃষ্টিতে উপজেলায় কিছু অংশ ধান পানিতে ডুবে যায়। এছাড়া ঝড়ের কারণে ধানগাছগুলো মাটিতে শুয়ে পড়ে। ফলে ধান পুরোপুরি পাকার আগ মুর্হূতে এক সঙ্গে কাটা মাড়াই শুরু হওয়ায় শ্রমিক সংকটে পড়ে কৃষক। যেখানে ৪০০-৪৫০ টাকা দিনে মজুরি দিয়েও শ্রমিক পাওয়া দায় হয়ে পড়েছে। বর্তমানে এক বিঘা জমির ধান কাটতে দূরত্ব ভেদে ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা গুণতে হচ্ছে কৃষকদের।
ধান কাটা শ্রমিক সংকটের কারণে আধুনিক পদ্ধতিতে ভ্রাম্যমাণ ধান মাড়াই পাওয়ার থ্রেসাল মেশিনের ব্যাপক কদর বেড়েছে কৃষকের কাছে। কোনো রকম মাঠ থেকে ধান বাড়িতে বা রাস্তায় নিয়ে এসে এ মেশিন দিয়ে মাড়াই করা হচ্ছে। এ মেশিন দিয়ে প্রতি বিঘা ৪শ টাকা দরে অথবা প্রতি মণ ধান এক কেজি দরে মাড়াই করতে বাধ্য হচ্ছে কৃষকরা। এ মেশিনে ধান মাড়াইয়ে একজন লোক এ কাজ করে থাকেন। তবে পাশ থেকে ধান নিয়ে আসতে আরেকজন সহযোগির প্রয়োজন হয়। ব্যাপক চাহিদার কারণে মাড়াই মেশিনের মালিকদের কাছে ধান কাটার আগেই মোবাইল ফোনে বা স্বশরীরে গিয়ে সিরিয়াল দিতে হচ্ছে।
তবে মাঠ থেকে ধান তুলে নিয়ে এসে বেশির ভাগ রাস্তায় পাওয়ার থ্রেসাল মেশিন দিয়ে মাড়াই করতে দেখা গেছে। খড়ের কথা চিন্তাা না করে কোনো রকম এ মেশিন দিয়ে মাড়াই করে ধান বের করতে পারলেই চিন্তামুক্ত। শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি ও সংকটের কারণে কৃষকরা ধান ঘরে তুলার লক্ষে শ্রমিকদের দ্বিগুণ মজুরি দিয়ে ধান কাটা শুরু করলেও শ্রমিক সংকটের কারণে তা পুরোদমে কাটা মাড়াই করতে পারছেন না। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে উঠানে কিংবা মাঠে, রাস্তার ধারে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পাওয়ার থ্রেসাল মেশিন নিয়ে কৃষকের বাড়ি বাড়ি ঘুরে মাড়াই কাজ সম্পন্ন করছে। বাজারে নতুন ধান এখন ৮৫০-৯০০ টাকা মণ।
এ ব্যাপারে উপজেলার শাহাগোলা গ্রামের কৃষক মো: আজাদ সরদার বলেন, এক সঙ্গে ধান কাটা মাড়াই শুরু হওয়ায় মজুরি বেশি দিয়েও শ্রমিক পাওয়াই দায় হয়ে উঠেছে। কোনো রকম আড়াই বিঘা জমির ধান কেটে অল্প সময়ে পাওয়ার থ্রেসাল মেশিন দিয়ে মাড়াই করা হয়। মাড়াই মেশিন এলাকায় না আসলে দুর্ভোগে পরতে হতো। তবে এ মেশিনের কদর বেড়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের ধান মাড়াইয়ে পাওয়ার থ্রেসাল মেশিনের মালিক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, প্রায় আড়াই লাখ টাকায় এ বছর মেশিনটি কিনেছেন। ধান মাড়াই মেশিনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ২৫০-৩০০ মণ ধান মাড়াই করেন। এ মৌসুমে মেশিনের দাম উঠে যাবে বলে তিনি আশা করছেন।

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর সুলতানপুর বাইপাস ব্রীজে স্ব-উদ্দোগে এলইডি রোড় লাইটের উদ্ধোধন করা হয়েছে। নওগাঁ শহরের সুলতানপুর জেলে পাড়ার গাবতলী ব্রীজ ৬মাস পূর্বে সম্পন্ন হলেও ব্রীজে ও দুপাশে রাতে অন্ধকার থাকাই প্রতিনিয়ত চুরি ছিনতাই মাদকের রমরমা ব্যবসা হতো। একারণে শনিবার ইফতার শেষে সুজন নওগাঁ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সুলতানপুর সমাজ উন্নয়ন সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা মাহমুদুন নবী বেলাল এর ব্যক্তিগত উদ্দোগে পৌর মেয়র নজমুল হক সনি, প্যানেল মেয়র জান্নাতুন ফেরদৌস মুন্নি, কমিশনার মজনুর, পিডিবি সহ সুলতানপুর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ও স্থাণীয়দের সহযোগীতায় ব্রীজের উপর উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন এলইডি রোড় লাইটসহ দু’পাশে ৭টি লাইট শেড দেওয়া হয়। এই লাইট স্থাপনের কারণে অত্র এলাকায় চুরি ছিনতাই মাদকের রমরমা ব্যবসা বন্ধ হবে বলে মনে করেন এলাকা বাসী। উদ্ধোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন অত্র এলাকার মোস্তাক আহম্মেদ, জুয়েল রানা, শাহিন মন্ডল, আকরাম হোসেন, হারুন আর রশিদ, মাসুদ রানা সহ গন্যমান্য বাক্তিবর্গ।

আবু রায়হান রাসেল, নওগাঁ: ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর অধীনে গত শনিবার বিকেলে নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে ভেজাল বিরোধী অভিজান চালানো হয়। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কল্যাণ চৌধুরীর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে ভেজাল ইফতার সামগ্রী বিক্রির অপরাধে ১১ জন ব্যবসায়ীকে ১৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ইউএনও কল্যাণ চৌধুরী বলেন, ‘তার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত সাপাহার বাজার, দীঘীর হাট বাজার এবং খঞ্জনপুর বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরী এবং ভেজাল খাবার বিক্রির অপরাধে ১১ জন ব্যবসায়ীকে জড়িমানা করা হয়।’
তিনি বলেন, ভেজাল বিরোধী এ অভিযান চলবে পুরো রমজান মাসে।

মসজিদের মাইকে সেহরি খেতে ডাকায় ইমামকে পিটিয়ে আহত করেছে মোশাররফ হোসেন নামে এক যুবক। শুক্রবার ভোর রাতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার সাদকপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।


রোজার প্রথম সেহরি খেতে মসজিদের মাইকে ঘুম থেকে ওঠার জন্য আহ্বান করেন ইমাম। এসময় শব্দে ঘুম ভেঙে যাওয়ায় সৌদি প্রবাসী মোশাররফ হোসেন উত্তেজিত হয়ে ইমামকে মারধর শুরু করেন। ইমামের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এসে তাকে রক্ষা করেন।


এ ঘটনায় এলাকার মুসল্লিদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর মসজিদে আসা মুসল্লিরা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রধান ইমাম না থাকায় বিষয়টি সমাধান করা যায়নি। আগামী শুক্রবার বিষয়টি সমাধান করা হতে পারে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।


এ বিষয়ে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. নূরুল ইসলাম জানান, গত ৬/৭ মাস পূর্বে সহকারী ঈমাম হিসেবে মো. মাসুমকে নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি মসজিদে থেকে মুসল্লিদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ান। পবিত্র রমজান মাসে সেহরির সময় মাইকে ডেকে মুসল্লিদের ডেকে দেয়ার জন্য ঈমামকে বলা হয়েছিল। শুক্রবার ভোর রাতে ঈমাম সাহেব ঘুম থেকে ওঠার জন্য মাইকে আহ্বান জানান। কিন্তু ঘুম ভেঙে যাওয়ার অভিযোগ এনে সৌদি আরব থেকে দেশে আসা মোশাররফ যেভাবে তার উপর হামলা ও মারধর করেছে তা দুঃখজনক।


সন্ধ্যায় বুড়িচং থানার ওসি মনোজ কুমার দে জানান, এ বিষয়ে এখনও কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পরই অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় নির্বাচন। তাই নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারি চাকরিজীবীদের খুশি রাখতে আগামী বাজেটেই ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বেতন বাড়ানোর ঘোষণা আসতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। তবে বেতন বাড়ানোর বিষয়ে সরকারকে সবদিক বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।


এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এর আগে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে সরকারি চাকুরেদের বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট (বেতন বৃদ্ধি) হবে। কিন্তু মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে বেতন বাড়ানোটা দুরূহ ব্যাপার। সে ধরনের অবকাঠামো এখনো গড়ে উঠেনি। তাই মূল বেতনের ১০ বা ১৫ শতাংশ ডিএ (ডেইলি অ্যালাউন্স) হিসেব বাড়ানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে। আর এই ঘোষণা অর্থমন্ত্রী আগামী ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করতে পারেন।


সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বশেষ অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ সাল থেকে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এতে প্রতিবছর সরকারি চাকরিজীবীদের ৫ ভাগ হারে ইনক্রিমেন্ট (বেতন বৃদ্ধি) দেয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। এরপর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৭ সালে মার্চ মাসে ঘোষণা দেন যে, এখন থেকে আর কোনো নতুন পে-কমিশন ঘোষণা করা হবে না।


প্রতি বছর মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে সরকারি চাকুরেদের বেতন সমন্বয় করা হবে। এ লক্ষ্যে একটি কমিটি করে দেয়া হবে। তারাই মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব করবেন। এরই আলোকে ২০১৭ সালের ৯ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ওই কমিটির গঠন করা হয়। ৯ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে (সমন্বয় ও সংস্কার)।


এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের ওই কর্মকর্তা বলেন, পে-কমিশন আর হবে এটা মুখে বলা হয়েছে। কিন্তু কাগজে কলমে এ বিষয়ে ক্লিয়ার কিছু নেই। পে-কমিশন গঠন না করে বেতন বাড়ানোর বিষয়ে যে প্রস্তুতি দরকার তা এখনো অনুপস্থিত। সরকার যখন ভাববে যে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অসন্তুষ্ট হচ্ছে তখন- যেমন এখন মূল্যস্ফীতির কারণে একটু অসন্তুষ্টি শুরু হয়ে গেছে। তাছাড়া সামনে নির্বাচন রয়েছে, এটা (বেতন) ২০ শতাংশও বাড়ানো হতে পারে। তবে কত শতাংশ বাড়ানো হবে সেটা নিয়ে এখন স্ট্যাডি চলছে।


এদিকে ২০১৭ সালের ৯ মে যে কমিটিটি গঠন করা হয়েছিল তার নাম ছিল- সরকারি কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ বেতনভাতা নির্ধারণ ও পরিবর্ধনের বিষয় পর্যালোচনা সংক্রান্ত কমিটি। ৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছে- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, পরিসংখ্যান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও অর্থ বিভাগের একজন করে প্রতিনিধি।


কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, কমিটি সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদি তাদের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখার এবং মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয়করণের উপায় নির্ধারণের লক্ষ্যে সার্বিক বিষয় বিচার-বিশ্লেষণপূর্বক একটি সুচিন্তিত সুপারিশমালা প্রণয়ন করবে।


এই কমিটিও একটি প্রতিবেদন অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়- বেতন বাড়ানোর জন্য মূল্যস্ফীতির বেইস ধরা হয়েছে ৫ শতাংশ। গড় মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশ ছাড়ালেই সরকারি চাকরিজীবিদের বেতন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়বে। এরপরও যদি মূল্যস্ফীতি বাড়ে অর্থাৎ ৬ শতাংশ বা ৭ শতাংশ, তখন সেহারে বেতন বাড়বে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে কমিটি।


কমিটি বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের ব্যাপারে প্রতিবেদনে সুপারিশ করেছে। এক্ষেত্রে ইনক্রিমেন্ট ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৮ শতাংশ করা হতে পারে। কমিটি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, প্রতি ৫ বছর পর পর পে-কমিশন গঠণ না করে এর বিকল্প ভাবতে হবে। বিকল্প হিসেবে অর্থমন্ত্রণালয়ে একটি স্থায়ী সেল গঠনের কথা বলা হয়েছে।


তবে এসব বিষয়ে অর্থ বিভাগ বলছে, এখনই স্বয়ংক্রিয়ভাবে মূল্যস্ফীতির ওপর ভিত্তি করে সরকারি চাকরিজীবিদের বেতন-ভাতা বাড়ানো মতো অবকাঠামো গড়ে উঠেনি। তাই তারা ডিএ (ডেইলি এলাউন্স) হিসেবে মূল বেতননের ১০ বা ১৫ শতাংশ বাড়ানো পক্ষে।


এ বিষয়ে জানাতে চাইলে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা ড. এবি মীর্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ার বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সুতরাং সরকারকে সবদিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কারণ শুধু সরকারি চাকরিজীবীদের এভাবে বেতন বৃদ্ধি করলে বেসরকারি খাত থেকেও বেতন বাড়ার দাবি আসবে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মীদের জন্য বেতন না বাড়ালে সমাজে একটা বৈষম্যের সৃষ্টি হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারি চাকুরেদের বেতন বাড়লে দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়বে। যার দুর্ভোগ অন্যান্যদের পোহাতে হবে।


এর আগে সর্বশেষ ২০১৫ সালে সরকারি চাকুরেদের বেতন বাড়ানো হয়েছিল। তার আগে ২০০৯ সালে বাড়ানো হয়েছিল সরকারি চাকুরেদের বেতন। নিয়ম অনুযায়ী অন্তত পাঁচ বছর পর বেতন-ভাতা বাড়ানোর কথা থাকলেও এ বছর নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসায় আগাম প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

পবিত্র রমজানে সেহেরি ও ইফতার তৈরিতে ব্যস্ততা বেড়ে যায় বহুগুণ। ইবাদত-বন্দেগী নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয় সবাইকেই। সময়মতো সেহেরি ও ইফতার তৈরি করে তারপর পরিবেশন করা চাট্টিখানি কথা নয়! যতই দক্ষ হন না কেন, আগে থেকে কিছু কাজ গুছিয়ে না রাখলে হিমশিম খেতে হবেই। যদি কিছু কাজ আগেভাগে শেষ করে রাখা যায় তবে সময় বাঁচবে বেশ কিছুটা। তাই ইফতার কিংবা সেহেরিতে তাড়াহুড়ো থেকে বাঁচতে চাইলে এই কৌশলগুলো মাথায় রাখুন-

প্রথমেই বাজারের তালিকা করে ফেলুন। পনের দিন অথবা কমপক্ষে এক সপ্তাহের মাছ, মাংস, কাঁচা বাজার একসঙ্গে কিনে রাখুন। আর চাল, ডাল, তেল, ময়দা, ছোলা, বেসন, মশলা- এ জাতীয় খাদ্যদ্রব্য পুরো মাসেরটাই একসঙ্গে কিনে রাখুন। তাহলে আর যখন তখন বাজারে ছুটতে হবে না। এতে বেঁচে যাবে বেশ খানিকটা সময়।

প্রেশার কুকারে কয়েকদিনের জন্য বেশি করে ছোলা সেদ্ধ করে পরে তা ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন। কারণ প্রতিদিন ছোলা সেদ্ধ করতে গেলে নষ্ট হয় বেশ খানিকটা সময়। তাই একবারে সেদ্ধ করে নিয়ে প্রতিদিন প্রয়োজন অনুযায়ী বের করে ভুনা করে নিলেই চলবে।

ইফতারের জন্য কাবাব, চপ ইত্যাদি তৈরি করার জন্য দরকার হয় মাংসের কিমা। এই কিমা প্রতিদিন তৈরি করতে যাওয়াটাও ঝামেলার। তাই বেশি করে কিমা তৈরি করে ফ্রোজেন করে রাখতে পারেন। তবে রাখার আগে অবশ্যই প্রতিদিনের জন্য আলাদা আলাদা ভাগ করে রাখবেন। এতে ইফতার তৈরি অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।

বাসায় যারা ছোট সদস্য, তাদের আমরা কাজের কাছে ঘেষতে দেই না। এতে তারা একটা সময় ঘরের কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। তাই রোজায় তাদেরকে দিয়ে অল্পস্বল্প কাজ করাতে পারেন। নিজের ঘরটি গুছিয়ে রাখা, শরবত তৈরি করা ইত্যাদি। এতে তারা দায়িত্ব ভাগ করে নিতেও শিখবে আবার আনন্দও পাবে। মাঝখান থেকে আপনার সময়ও খানিকটা বেঁচে গেল!

সমুচা, সিঙারা, কাবাব ইত্যাদি কাঁচা অবস্থায় ফ্রোজেন করে রাখা যায়। তারপর প্রয়োজন অনুযায়ী বের করে ভেজে নিলেই হয়। খুব ভালো হয় যদি আপনিও একই উপায় বেছে নেন। ঝটপট তৈরি হয়ে যাবে আপনার ইফতার।

সেহেরির সময় তাড়াহুড়ো করেন অনেকেই। অনেকে আবার সেহেরির আগে আগে রান্না বসান। কিন্তু এতে করে খাওয়ার সময়ে দেরি হয়ে যেতে পারে। তাই সেহেরিতে যা খাবেন তা আগে থেকেই রান্না করে রাখুন। শুধু খাওয়ার আগে গরম করে নিলেই হবে।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget