Latest Post
92 অন্যান্য 51 অর্থনীতি 24 আইন ও আদালত 76 আন্তর্জাতিক 613 এক ঝলক 3 কক্সবাজার 1 কবিতা 22 কিশোরগঞ্জ 4 কুড়িগ্রাম 6 কুমিল্লা 1 কুষ্টিয়া 3 কৃষি 107 কৃষি ও প্রকৃতি 10 ক্রিকেট 1 খাগড়াছড়ি 73 খেলাধুলা 49 গণমাধ্যম 12 গাইবান্ধা 1 গাজীপুর 17 চট্টগ্রাম 5 চাঁদপুর 5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ 2 চুয়াডাঙ্গা 14 জয়পুরহাট 1 জাতীয় 3 জামালপুর 1 জোকস 6 ঝনিাইদহ 246 ঝালকাঠি 12 ঝিনাইদহ 4 টাঙ্গাইল 44 ঠাকুরগাঁও 39 ঢাকা 1 থী 4 দিনাজপুর 4807 দেশজুড়ে 42 ধর্ম 3437 নওগাঁ 14 নাটোর 2 নারায়ণগঞ্জ 1 নিহত ২ 1 নীলফামারীর 2 নেত্রকোনা 1 নোয়াখালী 3 পঞ্চগড় 4 পিরোজপু 2 প্রকৃতি 2807 প্রথম পাতা 23 প্রবাস 1 ফরিদপুর 17 ফিচার 8 ফুটবল 1 ফেনী 94 বগুড়া 2 বলিউড 58 বাগমারা 84 বিএমএসএফ 31 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি 53 বিনোদন 51 বেনাপোল 2 ব্রাক্ষণবাড়িয়া 1 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 51 ভিডিও 18 ভোলা 8 ভ্রমণ 59 ময়মুনসিংহ 1 মাগুরা 1 মাদারীপু 2 মাদারীপুর 1 মানিকগঞ্জ 1 মেহেরপুর 495 যশোর 5 রংপুর 103 রাজনীতি 3 রাজবাড়ী 95 রাজশাহী 3 লক্ষ্মীপুর 24 লাইফস্টাইল 2 লালমনিরহা 41 শিক্ষা 1 শ্রীপুর 891 সকল জেলা 2 সাতক্ষীরা 9 সিরাজগঞ্জ 3 সিলেট 63 সুনামগঞ্জ 31 স্বাস্থ্য 4 হবিগঞ্জ 1 হলিউড 10 bmsf

নওগাঁ প্রতিনিধি: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ‘সবার জন্য বাসস্থান’ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘জমি আছে, ঘর নাই’ আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের কাজে নওগাঁর বদলগাছীতে ব্যাপক অনিয়ম ও ঘুষ বার্ণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।


উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলার দুইটি ইউনিয়নে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় গৃহহীন পরিবারের জন্য ১০০টি আধাপাকা ঘর বরাদ্দ এসেছে। এরমধ্যে মথুরাপুর ইউনিয়নে ৯৯ টি ও আধাইপুর ইউনিয়নে ১টি ঘর। প্রতিটি ঘর ও টয়লেটসহ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ টাকা।বদলগাছীতে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পে বাড়ি নির্মান কাজে অনিয়ম ও ঘুষ বার্ণিজ্যের অভিযোগ


উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে সভাপতি করে পাঁচ সদস্যের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে গত তিন মাস থেকে এসব ঘর নির্মানের কাজ করা হচ্ছে। ঘর বরাদ্দ থেকে শুরু করে ঘর তৈরীতে চলছে নানান অনিয়ম। নি¤œমানের সামগ্রী দিয়ে পিলার তৈরী করা হয়েছে। ঘর নির্মাণ শেষ না হতেই ঘরের জানালা,দরজার কাঠে ফাটল দেখা দিয়েছে। যাদের জমি আছে ঘর নাই, সেসব অসহায় ব্যক্তিরা ঘর পাবার কথা থাকলেও টাকার বিনিময়ে দেয়া হয়েছে স্বচ্ছলদের। যারা চাহিদা মতো টাকা দিতে পারেননি, তারা ঘর পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আবার সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে নেয়া হয়েছে ৫-১০ হাজার টাকা।


এ প্রকল্পের আওতায় ঘর নির্মাণে ১ লাখ টাকার মধ্যে সম্পন্ন করে সুবিধাভোগীদের বুঝিয়ে দেয়ার কথা। কিন্তু ঘর তৈরীতে পিলার, টিন, কাঠ, রিং ও মিস্ত্রী খরচসহ আনুষঙ্গীক জিনিসপত্র নিয়ে আসতে সুবিধাভোগীদের অতিরিক্ত দেড় হাজার টাকার মতো গুনতে হয়েছে। আর এসব অনিয়ম ও ঘুষ বার্ণিজ্যের সাথে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার যোগসাজসে স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবুল কালাম আজাদ ও পরিমল মন্ডল এবং শেখ ফরিদ পিন্টু নামে এক ব্যক্তি জড়িত বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।


মথুরাপুর ইউনিয়নের চাঁপাইনগর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে শেখ ফরিদ পিন্টু। তিনি উপরে যোগাযোগ ও তদবির করে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের কাজ তার এলাকায় নিয়ে এসেছেন বলে জানা গেছে। তবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের কাগজপত্রের সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। আর এ প্রকল্পের কাজ নিয়ে আসায় শেখ ফরিদ পিন্টু ও তার সহযোগীরা সুবিধাভোগীদের কাজ থেকে ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ। এছাড়া টিন, ইট, বালু, সিমেন্ট, পিলার ও রিং নিয়ে আসার ভাড়া বাবদ আরো প্রায় দেড় হাজার টাকা গুনতে হয়েছে সুবিধাভোগীদের। আবার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল করিম এর বাড়ি বগুড়া জেলায় হওয়ায় তার এলাকার মিস্ত্রীদের নিয়ে এসে প্রকল্পের কাজ করে নিচ্ছেন।


শ্যামপুর গ্রামের শুকলাল বলেন, আগে পাট কাঠির (সিনট) বেড়ার ঘরে থাকতাম। এখন সরকার থেকে পাওয়া ঘরে থাকছি। তবে ঘর নিতে মথুরাপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার পরিমল মন্ডল ও শেখ ফরিদ পিন্টু পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছেন। এছাড়া টিন, ইট, বালু, সিমেন্ট, পিলার ও রিং নিয়ে আসতে প্রায় দেড় হাজার দিতে হয়েছে। আর টাকা না দিলে ঘর পাব না। এজন্য টাকা দিয়েছি।


একই গ্রামের ফুলেশ্বরী বলেন, আমরা গরীব মানুষ। বেড়ার ঘরে থাকি। দিন আনা, দিন খায়। আমাদের কাছ থেকে টাকা চেয়েছিল। টাকা দিতে না পারায় ঘরও পাইনি। অথচ শ্যামপুর গ্রামের উত্তরপাড়ার হিরামন সারা বছর ঘরের ধানের ভাত খায়। পাঁচ বিঘা জমি ও পাওয়ার টিলার আছে। টাকার বিনিময়ে তাকে ঘর দেয়া হয়েছে।


ল²িকুল গ্রামের জিল্লুর রহমানে স্ত্রী রোজিফা বলেন, ঘরের পিলার নিয়ে আসতে ৯৫০ টাকা দিতে হয়েছে। এছাড়া টয়লেটের রিং নিয়ে আসতে আরো ২০০ টাকা লাগবে এবং ছয়জন মিস্ত্রীকে দুইবেল চারদিন খাবার দিতে হয়েছে। যেখানে আমার ঘরটি তৈরী করা হয়েছে সেখানে বন্যায় ডুবে যায়। আমরা নিজেরা মাটি ফেলে সেখানে উঁচু করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কোন সুযোগ দেয়া হয়নি। সামনে বন্যায় ঘর ডুবে যাবে। এখন ঘর ভেঙে তো আর তৈরী করার সাধ্য আমার নেই। এজন্য মনটা খুবই খারাপ হয়ে গেছে।


এছাড়া শ্যামপুর গ্রামের হিরামন, থুপশহর গ্রামের উজ্জল হোসেন, জোসনা, মাহমুদপুর গ্রামের সাইদুল হোসেন, ঝরনাসহ কয়েকজন বলেন, প্রত্যেককে ঘর নিতে পাঁচ হাজার টাকা স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবুল কালাম আজাদ ও পরিমল মন্ডল এবং শেখ ফরিদ পিন্টুকে দিতে হয়েছে। এছাড়া টিন, ইট, বালু, সিমেন্ট, পিলার ও রিং নিয়ে আসতে আরো প্রায় দেড় হাজার দিতে হয়েছে। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের সাপেক্ষে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন সুবিধাভোগীসহ এলাকাবাসীরা।


তবে এসব বিষয়ে স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবুল কালাম আজাদ ও পরিমল মন্ডল কোন মন্তব্য করতে চাননা।


উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আব্দুল করিম তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বর্তমানে বাজারে ঘর তৈরীর সরঞ্জামগুলোর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ঘরটি করতে গেলে প্রায় ১ লাখ চার হাজার টাকার মতো লাগবে। আর ঘরপ্রতি যে ১ লাখ টাকা বরাদ্দ তা কোন ভাবেই করা সম্ভব না। ইতিমধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ হয়েছে। বাংলাদেশের কোথাও এরকম কাজ করা হয়নি। শতভাগ কাজ ভাল এবং বিধি মোতাবেক হচ্ছে। কাজে কোন ধরনের অনিয়ম হয়নি। যে খরচ গুলো নিয়েছে সেটা শুনেছি। তবে সরঞ্জামগুলো নিয়ে যাওয়ার খরচ কে দিবে বিষয়ে শিডিউলে কোন উল্লেখ নাই।


বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও প্রকল্পের সভাপতি মাসুম আলী বেগ বলেন, এখন পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ নিয়ে আসেনি। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আগামীতে উপজেলার অন্য ইউনিয়নগুলোতে বরাদ্দ সাপেক্ষে ঘর তৈরী করা হবে। তবে ঘর তৈরীতে যদি কমিটির কেউ জড়িত থাকে তাহলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরের কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। বুধবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে চেয়ারম্যান মখলেছুর রহমান বাবুর সভাপতিত্বে উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া বিনতে তাবিব।


এ সময় আগামী অর্থ বছরের জন্য রাজস্ব হিসাবে ১২ লাখ ৭২হাজার ২শত ও উন্নয়ন হিসাবে ৭৮ লাখ ৬৯ হাজার ৬শত মোট ৯১ লাখ ৪১হাজার ৮শত টাকার বাজেট ঘোষনা করা হয়।


এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো: রেজাউল করিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মোসলেম উদ্দীন, ইউপি সদস্য মো: আবুল কালাম আজাদসহ সকল ইউপি সদস্য ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বিএমএসএফ: বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম, ফেনী জেলা কমিটির সহ সভাপতি ও ফেনী প্রেসক্লাবের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এমএ সাঈদ খান বাড়ী ও গাড়ীতে হামলা ভাংচুর সহ সারাদেশে অব্যহত সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে বুধবার বিকেলে ফেনীর শহীদ মিনারে মানববন্দন অনুৃষ্ঠিত হয়েছে। ফেনী জেলা কমিটির সভাপতি জসিম মাহমুদ এর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক সিদ্দিক অাল মামুন এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিএমএসএফ'র উপদেষ্টা মোঃ শাহ অালম ভুঞা , অান্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটির অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক ও উপদেষ্টা কাজী মিজানুর রহমান মিস্টার, ফেনী প্রেসক্লাবের সভাপতি অাজাদ মালদার, সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা এডভোকেট মাহফুজুল হক, স্যুট বাংলাদেশ এর সাধারন সম্পাদক এডভোকেট সমির কর, এনজিও ফেডারেশন এর চেয়ারম্যান এডভোকেট জাহাঙ্গীর অালম নান্টু, প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক দিলদার হোসেন স্বপন, বিএমএসএফ'র সহ সভাপতি সিরাজ উদ্দিন দুলাল, জাহাঙ্গীর কবির লিটন, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও সোনাগাজী কমিটির সভাপতি সৈয়দ মনির অাহমদ, সংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান সুমন, প্রচার সম্পাদক অাহসান উল্যাহ, সদর উপজেলা সভাপতি বেলাল হোসেন , জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য কামরুল হাসান লিটন, ছাগলনাইয়া উপজেলা সাধারন সম্পাদক অাবদুল অাউয়াল চৌধুরী প্রমুখ । বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে হামলাকারী মাদক বিক্রেতাদের গ্রেফতারের অনুরোধ জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুশিয়ারি উচ্চারন করেন। মানববন্দনে ফেনী অাইনজীবি সমিতি, ফেনী প্রেসক্লাব, সোনাগাজী প্রেসক্লাব, এনজিও ফেডারেশন, সুট বাংলাদেশ, ফেনী ইউনিভার্সিটি ল'বিভাগ একাত্বতা প্রকাশ করেন।

বঙ্গবন্ধু ঘাঁটির তিনটি ইউনিটকে আজ বিমান বাহিনী পতাকা প্রদান করা হয়েছে। বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু ঘাঁটির ৫, ৮ এবং ৭১ নম্বর স্কোয়াড্রনকে বিমান বাহিনী পতাকা প্রদান করেন। আইএসপিআর’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিমান বাহিনী প্রধান বঙ্গবন্ধু’র প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান ঘাঁটির এয়ার অধিনায়ক মো. শফিকুল আলম।


পতাকা প্রদানকালে বিমান বাহিনী প্রধান বঙ্গবন্ধুর প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন। কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দেন উইং কমান্ডার মো. মনিরুজ্জামান হাওলাদার।


বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিমান বাহিনীর সাহসিকতাপূর্ণ অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করবে।


বিমান বাহিনীর সম্মানের প্রতিক হিসেবে প্রদানকৃত পতাকার মর্যাদা ও সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে তিনি এ বাহিনীর সবাইকে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানান।


বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্বাধীনতা অর্জনের পরক্ষণে বিমান বাহিনীর প্রথম ফাইটার স্কোয়াড্রন হিসেবে ৫ নং স্কোয়াড্রন এর জন্ম হয়। আকাশ প্রতিরক্ষা এবং অফেন্সিভ কাউন্টার এয়ার অপারেশনে এই স্কোয়াড্রনের মূখ্য ভূমিকা রয়েছে।


আকাশসীমা মুক্ত রাখার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে ১৯৭৬ সালে ৮ নং স্কোয়াড্রন তার যাত্রা শুরু করে। বিমান বাহিনীর অপারেশনাল ক্ষমতা বৃদ্ধি আর আধুনিকায়নের প্রয়াসেই এই স্কোয়াড্রন তার অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আধুনিকায়নের জন্য ২০০০ সালে অত্যাধুনিক চতুর্থ প্রজন্মের মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান এই স্কোয়াড্রনে সংযোজন করা হয়।


যুদ্ধের সময় শত্রু যুদ্ধবিমান ধ্বংস করার লক্ষ্যে বিমান বাহিনীর এয়ার ডিফেন্স ওয়েপন কন্ট্রোলারগণ শান্তিকালীন অসংখ্য গ্রাউন্ড কন্ট্রোল ইন্টারসেপশন সম্পন্ন করে আসছে। আর এই কার্যক্রম যথাযথভাবে এবং অত্যন্ত সূচারূভাবে পালন করতে ৭১ নং স্কোয়াড্রন অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। বিগত বছরে বিমান বাহিনীর সব র‌্যাডার ইউনিটের মধ্যে ৭১ নং স্কোয়াড্রন সর্বোচ্চ সংখ্যক গ্রাউন্ড কন্ট্রোল ইন্টারসেপশন সফলভাবে সম্পাদন করেছে।

অপেক্ষা ও আকাঙ্ক্ষার প্রহর পেরিয়ে পবিত্র রমজান আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। সুস্বাগত মাহে রমজান। ইবাদতের মাস ‘রহমতের সওগাত’ রমজান, হাদিসের ভাষায় ‘শাহরুন আজিম’, ‘শাহরুম মুবারাকাহ’। রমজান মাসের বিশেষ চারটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। (ক) এ মাসে কোরআন নাজিল হয়েছে, (খ) এ মাসেই রয়েছে হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ ‘লাইলাতুল কদর’, (গ) এ মাসে শয়তান বন্দি থাকে, (ঘ) এ মাস মহান আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মহিমায় সমুজ্জ্বল।


রমজান মানুষের আত্মোপলব্ধি জাগ্রত করে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘উঠুক তুফান পাপ-দরিয়ায়’ কবিতায় এমনই অনুরণন ধ্বনিত হয়েছে : ‘উঠুক তুফান পাপ-দরিয়ায়/আমি কি তায় ভয় করি।/পাক্কা ঈমানের তক্তা দিয়ে গড়া যে আমার তরী।/লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহুর পাল তুলে/ঘোর তুফানকে জয় করে ভাই যাবই কূলে,/আমার মোহাম্মদ মোস্তফা নামের গুণের রশি ধরি।/খোদার রাহে সঁপে দেওয়া ডুববে না মোর এ তরী,/সওদা করে ভিড়বে তীরে সওয়াব-মানিক ভরি।/দাঁড় এ তরীর নামাজ রোজা হজ ও যাকাত,/উঠুক না মেঘ, আসুক বিপদ—যত বজ্রপাত,/আমি যাব বেহেশত-বন্দরেতে এই সে কিশতীতে চড়ি।’


রমজানের সব মুহূর্ত মহাপ্রভুর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নিবেদন করা মুমিন বান্দার একমাত্র কর্তব্য। এ মাসের শিক্ষণ-প্রশিক্ষণ, পরিশীলন ও অধ্যাত্ম জাগরণে মানুষ প্রমাণ রাখে তার শ্রেষ্ঠত্ব ও মহান স্রষ্টার ‘প্রতিনিধিত্বে’র যোগ্যতার। কেননা এ মাসে ঘোষণা করা হয়—‘হে ভালোর অন্বেষী অগ্রসর হও, মন্দের অন্বেষী থামো।’ (তিরমিজি)


বিস্ময়কর সম্মোহনী শক্তি নিয়ে পবিত্র রমজানে আল-কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে যে ‘আল কোরআনের সতর্কবাণী অবলোকন ও অনুধাবন করলে সুকঠিন মানবাত্মাও প্রকম্পিত না হয়ে পারে না। কোরআনের আশ্বাসবাণী অনুধাবন করে অন্ধ মনের বন্ধ দুয়ার খুলে যায়, রুদ্ধ কর্ণকুহর প্রত্যাশার পদধ্বনি শুনতে পায়। আর মৃত অন্তরাত্মা ইসলামের অমীয় সুধা পানের জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে। এসব মিলে হৃদয়রূপ বেতারযন্ত্রে বেজে ওঠে ঐশী প্রেমের মন মাতানো সুমধুর সুরলহরি।’ (তাফসিরে ইবনে কাসির প্রথম খণ্ড : ই. ফা. বা)


রমজানে আকুল-ব্যাকুল হয়ে পাপমোচন এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও ইবাদতের কল্যাণে পরিশুদ্ধ হয় সবাই। এভাবেই মানুষের মধ্যে ‘তাকওয়া’ বা ধর্মভীরুতা সৃষ্টি হয়। মহান আল্লাহ বলেন ‘…লা-আল্লাকুম্ তাত্তাকুন’। That ye (you) may (learn) self-restraint. অর্থাৎ যেন তোমরা ধর্মভীরুতা অর্জন করতে পারো। (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৮৩)


অনাচার, অসভ্য, অসত্যের নিকষ অন্ধকারের অবসান ঘটাতে মহাসত্যের চিরন্তন জ্যোতিষ্ক মহাগ্রন্থ আল কোরআন পবিত্র রমজানের শ্রেষ্ঠতম রজনী ‘লাইলাতুল কদরে’ নাজিল হয়। মহান আল্লাহ বলেন, ‘মহিমান্বিত রমজান মাস, এতে মানবজাতির পথপ্রদর্শক এবং সৎপথের সুস্পষ্ট নিদর্শন ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৮৫)


‘রমজ’ শব্দমূল থেকে বিকশিত ‘রমজান’ দহন, জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে নিখাদ-নিষ্কলুষ ও বক্রতা-বিকৃতিমুক্ত খাঁটি, পবিত্রকরণের মূলগত ও তাৎপর্যগত অর্থ বহন করে। ইসলামের অনন্য স্তম্ভ ‘সাওমে’র বহুবচন ‘সিয়াম’ অর্থ বিরত থাকা, বর্জন করা ইত্যাদি। এর ফারসিরূপ ‘রোজা’। সিয়াম হলো পানাহার, কামাচার ও পাপাচার থেকে বিমুক্ত হওয়া। খাদ্যাভ্যাসে কৃচ্ছ্রের মাধ্যমে রোজা মানুষের জৈবিক লালসা নিবৃত্ত করে। ফলে এক অধ্যাত্ম আবেগ-অনুভূতি জেগে ওঠে। এভাবেই বান্দা আত্মশুদ্ধি ও ইবাদতের মহিমায় সারা বছর পরিশীলিত জীবনবোধের যোগ্যতা অর্জন করে। আল্লামা আশরাফ আলী থানভি (রহ.) ‘আহকামে ইসলাম আকল কি নজর মে’ গ্রন্থে রোজার কয়েকটি উপকারিতা বর্ণনা করেন : (১) রোজা দ্বারা প্রবৃত্তির ওপর আকলের (জ্ঞান) পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়, (২) অন্তরে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি হয়, (৩) স্বভাবে বিনয়-নম্রতা সৃষ্টি করে, (৪) মানুষ ফেরেশতা চরিত্রের কাছাকাছি পৌঁছে যায়, (৫) মানুষে মানুষে ভ্রাতৃত্ব ও ভালোবাসা সৃষ্টি করে।


অন্যদিকে ধর্মভীরুতা দ্বারা মুমিন বান্দা ‘সিফাতে রব্বানি’ বা আল্লাহর গুণে গুণান্বিত হয়, তার মধ্যে আল্লাহর ভালোবাসা জেগে ওঠে। আর রোজা পালন করা আল্লাহর প্রতি গভীর মহব্বতের অন্যতম নিদর্শন। কেননা কারো প্রতি মহব্বত জন্মিলে, তাকে লাভ করার জন্য প্রয়োজনে প্রেমিক পানাহার বর্জন করে এবং সব কিছু ভুলে যায়। ঠিক তেমনিভাবে রোজাদারও আল্লাহর মহব্বতে দেওয়ানা হয়ে সব কিছু ছেড়ে দেয়। এমনকি পানাহার পর্যন্ত ভুলে যায়। তাই রোজা হলো আল্লাহর মহব্বতের অন্যতম নিদর্শন।’ (ফতওয়া আলমগীরী, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২০২)


রমজানে মানুষ আত্মসংযমের মাধ্যমে নিজেকে মহান আল্লাহর খাঁটি বান্দা হিসেবে গড়ার সুবর্ণ সুযোগ লাভ করে। রমজানে মুমিন বান্দার সব তৎপরতা উচ্চ মর্যাদার ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। রমজানে সিয়াম সাধনার তাৎপর্য প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে বিশ্বাসীরা! তোমাদের জন্য রমজানের রোজা ফরজ করা হয়েছে…।’ সুরা বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াতের মূল পাঠ—‘কুতিবা আলাইকুম…..’ এর ইংরেজি Fasting is prescribed to you এমন বক্তব্য প্রমাণ করে রোজার মহিমা, এ তো মহাপ্রভুর লিখিত বা prescribed আদেশ এবং তা অবশ্য পালনীয়। কেননা আরবি ‘কুতিবা’ শব্দের বাংলারূপ ‘লিখে দেওয়া হলো’। আর সুরা বাকারার ১৮৫ নম্বর আয়াতে বর্ণিত ‘তোমাদের মধ্যে যে এ মাস পায়…’ এর ইংরেজি Who is present during that month should spend it in fasting. এতেই বোঝা যায়, এ মাসের সব ইবাদতের মূল্য কত বেশি। আর prescribed, present, should, self-restraint ইত্যাদি শব্দ বক্তব্যের গাম্ভীর্য ও গভীরতা প্রমাণ করে।


অন্যদিকে ‘এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা’ গ্রন্থে আছে—‘প্রাচীন মিসরীয় ধর্ম, এমনকি গ্রিক ও পারসিক ধর্মে উপবাস প্রথা প্রচলিত ছিল…; পৃথিবীর এমন কোনো ধর্মমত খুঁজে পাওয়া যাবে না, যাতে উপবাসরীতির প্রচলন নেই।’ কেননা ‘ভোজনে কৃচ্ছ্রসাধন’ আবহমান ঐতিহ্যে সব ধর্মে স্বীকৃত। অথচ আমরা বাস্তবতায় দেখি—‘রোজায় বাড়ে ভূরিভোজ/‘দিনকে রাত করে’ চলে—/সব খাবারের মৌজ।/‘জীবনে যাদের হররোজা’।/আমরা রাখি না তাদের খোঁজ।/স্বয়ং ‘যম’ পাল্টে দেয়,/সংযমের সাজগোজ। শয়তানিতে নাচায় মানুষ—‘বন্দি শয়তান’ সারা রোজ।। (স্বরচিত)।

আগামী ১৭ মে বৃহস্পতিবার থেকে আরবি ১৪৩৯ হিজরির রমজান মাস শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ এ্যাস্ট্রোনোমিকেল সোসাইটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সম্ভবনার কথা জানানো হয়েছে।


সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগামী ১৫ মে মঙ্গলবার বিকাল ৫টা ৪৮ মিনিটে বর্তমান চাঁদের অমাবস্যা কলা পূর্ণ করে নতুন চাঁদের জন্ম হবে। চাঁদটি ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৩৩ মিনিটে সূর্যাস্তের সময় দিগন্ত রেখা হতে ২ ডিগ্রি নিচে ২৮৬ ডিগ্রি দিগংশে অবস্থান করবে। ফলে ওই দিন চাঁদের কোনো অংশ দেখা যাবে না। চাঁদটি পরদিন ১৬ মে, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৩৪ মিনিটে সূর্যাস্তের সময় দিগন্ত রেখা থেকে ১১ ডিগ্রি উপরে ২৮৪ ডিগ্রি দিগংশে অবস্থান করবে এবং প্রায় ৫৬ মিনিট দেশের আকাশে অবস্থান শেষে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ২৮৯ ডিগ্রি দিগংশে অস্ত যাবে। এই সময় চাঁদের ২% অংশ আলোকিত থাকবে এবং দেশের আকাশ মেঘমুক্ত পরিষ্কার থাকলে একে বেশ স্পষ্টভাবেই দেখা যাবে। ওই সন্ধ্যায় উদিত চাঁদের বয়স হবে ২৪ ঘণ্টা ৪৬ মিনিট এবং সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যাবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৯ মিনিটে।


সুতরাং, ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী আগামী ১৬ মে সন্ধ্যায় নতুন চাঁদ দেখার সাপেক্ষে আগামী ১৭ মে বৃহস্পতিবার থেকে আরবি ১৪৩৯ হিজরির ‘রমজান’ মাসের গণনা শুরু হবে।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

আজকের দেশ সংবাদ . Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget