ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবা সহ মাদক সম্রাট কামরুলের ভাতিজা হাসান মৃধা ও সবুজ মৃধা আটক
ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠিতে পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে মাদক সম্রাট কামরুল মৃধার ভাতিজা হাসান মৃধা ও মাদকের গডফাদার সহীদুল ইসলাম ওরফে সুদল শহীদের একান্ত সহযোগী সবুজ মৃধাকে ১০ পিস ইয়াবা সহ আটক করেছে ঝালকাঠি থানা পুলিশ। শুক্রবার রাতে ঝালকাঠি সদর থানার এএসআই মিঠুনের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি দল সদর উপজেলাধীন ১নং গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ের বালিঘোনা জোড়পোল নামক স্থান থেকে তাদের আটক করে।
এ বিষয় থানা সূত্রে জানাযায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝালকাঠি সদর থানার এএসআই মিঠুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে মাদক বিরোধী অভিযান শুরু করে। এক পর্যায় ইউনিয়নের উদচড়া গ্রামের মিজান মৃধার ছেলে হাসান মৃধা ও মানিক মৃধার ছেলে সবুজ মৃধা মটর সাইকেল যোগে নবগ্রাম আসার পথে জোড়পোল নামক স্থানে পুলিশ তাদের গাড়ি গতিরোধ করে। পুলিশ তাদের দেহ তল্লাশি করলে হাসান মৃধার কাছ থেকে ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।
স্থানীয় ভাবে জানাযায়, ঝালকাঠি জেলার উত্তরে আলোচিত মাদক সম্রাট কামরুল বাসার মৃধার আপন চাচাতো ভাই মিজান মৃধার ছেলে হাসান মৃধা। একসময় ঝালকাঠির উত্তর অঞ্চলের মাদক ব্যবসায় অর্থ যোগানদাতা একই গ্রামের জালাল হাওলাদারের ছেলে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বানাড়িপাড়া উপজেলা শাখার ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী মাদকের গডফাদার শহীদুল ইসলাম ওরফে সুদল শহীদের সহযোগীতায় উদচড়া গ্রামের দলিল উদ্দীন মৃধার ছেলে কামরুল মৃধা ও তার ভাই আজাদ বাসার মৃধা ইয়াবা ও গাজার ব্যবসা করতো আর তাদের সহযোগী হিসেবে একই বাড়ির মিজান মৃধার ছেলে হাসান মৃধা, শাহজাহান মৃধার ছেলে তারেক মৃধা, মানিক মৃধার ছেলে সবুজ মৃধা কাজ করেতা। মাদকের গডফাদার সুদল শহীদ ও মাদক সম্রাট নামে খ্যাত কামরুলের যৌথ মাদক ব্যবসার অন্যতম সহযোগী হিসেবে হাসান মৃধা ও শাহজাহান মৃধার ছেলে তারেক মৃধা কাজ করতো। অপর দিকে আরেক সহযোগী সবুজের বসত ঘর থেকে ইয়াবা সেবনের সময় সেবনের সরঞ্জাম বেস কিছু ইয়াবা সহ সবুজ মৃধাকে ঝালকাঠির সদর থানার এএসআই মিঠুন আটক করে। সবুজ জেল হাজত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে অধিক অর্থ আয়ের জন্য এবং মাদক সেবন চালু রাখতে আবারও মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগীতা করতে মটর সাইকেল রেন্টএকার চালানো শুরু করে।

সান্তাহারের দিকে যাচ্ছিলেন। ওই রাস্তায় ইকড়তাড়া গ্রামের নওগাঁ-বগুড়া সড়কে ট্রাফিক পুলিশরা গাড়ি চেকিং করছিলেন। ট্রাফিক পুলিশ দেখে আসাদুল ইসলাম দ্রæত চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রাস্তার ডান পাশে চলে যান। অপরদিকে পিছন দিক থেকে আসা একটি ট্রাক (ঢাকা-মেট্টো-ট-১৪-৪০২৪) তাকে চাপা দিলে ট্রাকের পিছনের চাকায় আসাদুল পৃষ্ঠ হন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। ঘটনার পর বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী রাস্তা অবরোধ করে রাখে। পরে নওগাঁ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট লাশ উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসীদের বুঝিয়ে শান্ত করলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নওগাঁ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশিদুল হক, সদর সার্কেল লিমন রায়, সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মুশতানজিদা পারভীন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল হাই বলেন, গতকাল মঙ্গলবার আসাদ সান্তাাহার থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে নওগাঁ যাওয়ার সময় বিপরীত দিকে থেকে আসা একটি ট্রাকের সাথে সরাসরি ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মুত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।


